কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গৃহস্থালি পুকুরে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবারের আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ছয়জন চাষির মধ্যে মৎস্য উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার। সভাপতিত্ব করেন জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান।
প্রত্যেক চাষিকে ৫০ কেজি সার, ৪০ কেজি খৈল, ১২৫ কেজি মাছের খাদ্য (ফিড), ১৫০ ফুট জাল, ৩৫ কেজি চুন, চার প্যাকেট সবজির বীজ, ১০টি পেঁপের চারা এবং একটি করে সাইনবোর্ড দেওয়া হয়।
শিলাইদহ ইউনিয়নের শিলাইদহ গ্রামের কৃষক রাশিদুল ইসলাম জানান, তার বাড়ির আঙিনায় প্রায় ৩৩ শতাংশ আয়তনের একটি পুকুর রয়েছে। প্রথমবারের মতো মৎস্য কার্যালয় থেকে খাদ্য, চুন, সার ও গাছের চারাসহ বিভিন্ন উপকরণ পেয়েছেন। এসব ব্যবহার করে মাছ ও শাকসবজি উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত উৎপাদন বিক্রি করে বাড়তি আয় করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার ৬৪৬টি গৃহস্থালি পুকুর রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মৎস্য অধিদপ্তরের ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় ছয়টি গৃহস্থালি পুকুরে দেশীয় ছোট মাছ চাষের প্রদর্শনীর জন্য এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে আরও চাষির মধ্যে এ ধরনের উপকরণ বিতরণ করা হবে।
বিডি প্রতিদিন/এনআরএইচ