ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইলের দুটি সংসদীয় আসনে মোট ২৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে বিএনপির চারজন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন।
নড়াইল-১ (কালিয়া ও সদরের একাংশ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী মাহফুজা বেগম এবং তার ছোট ভাই কালিয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আসজাদুর রহমান ওরফে মিঠু বিশ্বাস মনোনয়নপত্র জমা দেন। একই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ছাড়াও মনোনয়ন জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল আজিজ, খেলাফত মজলিসের আব্দুর রহমান মোল্যা, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মিল্টন মোল্যা, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বিএম নাগিব হোসেন, লে. কর্নেল (অব.) এস এম সাজ্জাদ হোসেন ও সুকেশ সাহা আনন্দ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাকিব হাসান, উজ্জ্বল শেখ, গাজী মাহবুবুর রহমান ইমরান, গাজী খালেদ আশরাফ ও এস এম সাজ্জাদ হোসেন।
নড়াইল-২ (সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের আহ্বায়ক ও এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির মো. আতাউর রহমান বাচ্চু, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা তাজুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের মুফতি আবদুল হান্নান সরদার, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক জোটের মো. সোয়েব আলী, জাতীয় পার্টির খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, গণ অধিকার পরিষদের মো. নুর ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন মনোনয়নপত্র জমা দেন।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকালে মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল সালামের কাছে এসব মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।
মনোনয়ন দাখিল শেষে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কৌশলগত কারণে তিনি, তার স্ত্রী ও ছোট ভাই আলাদা নামে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
বিডিপ্রতিদিন/কবিরুল