শিরোনাম
প্রকাশ: ১৯:২৯, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ২১:৪৯, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

অনলাইন প্রতিবেদক
অনলাইন ভার্সন
ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ঢাকা-৫ আসনে দ্রুত একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কাঠামোর উন্নয়ন ঘটবে।

সোমবার বিকালে ঢাকা-৫ আসনের যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক রোডে নবীউল্লাহ নবীর সমর্থনে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে তারেক রহমান বলেন, আজকে এত মানুষের সমাগম দেখে আমার মনে হয়েছে যে আমরা যেই মানুষটিকে- নবীউল্লাহ সাহেবকে ধানের শীষ দিয়েছি- আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে এই যাত্রাবাড়ী-ডেমরা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিশাল স্বাক্ষর বহন করছে আমাদের সেই আন্দোলন সফলতায়। এই যাত্রাবাড়ী-ডেমরার মানুষ সেদিন সেই আন্দোলনকে সফল করার জন্য অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। স্বৈরাচারের বিদায়ে এই এলাকার মানুষ অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন- তার জন্য আমি আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে এলাকাবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ জানাই।

ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা আমাদের রাজনৈতিক অধিকার বাস্তবায়ন করার পথে চলে এসেছি। ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখে বাংলাদেশের মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার- যে ভোটের অধিকার- সেটি প্রয়োগ করতে চলেছে। কিন্তু শুধু গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ হলেই চলবে না। আমাদের এই বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হবে। এই যে মানুষগুলো যারা বসে আছেন, তাদের যে স্বজনরা- কারো ভাই, কারো সন্তান- এভাবে যে বিভিন্ন আপনজনদের হারিয়েছেন- সেই মানুষগুলোর একটি প্রত্যাশা ছিল। কী সেই প্রত্যাশা? সেই প্রত্যাশা ছিল- যে এই বাংলাদেশের নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এই বাংলাদেশের মানুষ- সে নারী হোক বা পুরুষ হোক- তারা নিরাপদে রাস্তাঘাটে চলতে পারবে। ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারবে। পেশাজীবীরা নিরাপদে চাকরি-বাকরি করতে পারবে। এলাকার সন্তানেরা নিরাপদে লেখাপড়া করতে পারবে। এলাকার মানুষ- এলাকার যারা তরুণ, যারা যুবক, যারা পড়ালেখা শেষ করেছে- তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এলাকার মানুষ- তাদের মৌলিক স্বাস্থ্য সুবিধা পাবে- এরকম একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ ছিল।

তারেক রহমান বলেন, আজ ভোট যেমন আমরা প্রয়োগ করব- একই সাথে আমাদের বাংলাদেশকে গড়তে হবে আগামী দিনের জন্য- ঠিক? তাহলে কে কে আছেন বাংলাদেশ গড়ার জন্য?  দেশকে যদি গড়তে হয়- তাহলে অবশ্যই একটি পরিকল্পনা থাকতে হবে। জাতির ভাগ্য যদি পরিবর্তন করতে হয়- তাহলে অবশ্যই কর্মসূচি থাকতে হবে। দেশ এবং জাতিকে যদি সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়- অগ্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়- তাহলে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে একটি রাজনৈতিক দলের। ঠিক? অভিজ্ঞতা দরকার দেশ পরিচালনার জন্য। পরিকল্পনা দরকার দেশ পরিচালনার জন্য। কর্মসূচি দরকার জনগণের জন্য। এই মুহূর্তে যত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে আছে- একমাত্র বিএনপি সেই রাজনৈতিক দল যাদের পরিকল্পনা জনগণের সামনে আছে। যাদের কর্মসূচি আছে যে তারা কীভাবে দেশকে গড়ে তুলতে চায়- সামনের দিকে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চায় সামনের দিকে। আর একমাত্র বিএনপি হচ্ছে সেই দল যাদের দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। আর কোনো রাজনৈতিক দলের অভিজ্ঞতা নেই দেশ পরিচালনা করার। আমরা অনেক রাজনৈতিক দলের অনেক সুন্দর সুন্দর কথা শুনি, অনেক মধুর মধুর কথা শুনি- যেগুলো শুনলে আমাদের হয়তো ভালো লাগে, আমরা জোরে জোরে হাততালি দেই। কিন্তু দেশ পরিচালনা অত সহজ ব্যাপার নয়। দেশ পরিচালনা অনেক কঠিন ব্যাপার।

তিনি বলেন, এই যে ইপিজেড-এর দাবি- এখানে নবীউল্লাহ নবী ইপিজেড-এর দাবি করেছেন। ইনশাআল্লাহ এই যে পাটকলগুলো বন্ধ হয়ে গেছে- ফলে কয়েক লাখ মানুষ বেকার হয়ে গিয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা আছে এই জায়গাগুলোতে আমরা নতুন ইপিজেড কারখানা তৈরি করব। শীতলক্ষ্যার পাড় দিয়ে নতুন ইপিজেড হবে- যাতে করে বেকার যারা আছে, এই এলাকার মানুষ যারা আছে- তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। এই যে ইপিজেড-এর কথা, ইপিজেড-এর যে দাবি- এই ইপিজেড বাংলাদেশে সবচেয়ে প্রথম কে করেছিলেন জানেন আপনারা? এই ইপিজেড চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গঠন করেছিলেন। সেইজন্যই আমি বলেছি- যদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয় সেটি করার অভিজ্ঞতা বিএনপির আছে। যদি ইপিজেড গঠন করতে হয়- কীভাবে ইপিজেড গঠন করতে হয় সেই অভিজ্ঞতা একমাত্র বিএনপির আছে- আর কোনো দলের নেই। যদি অন্য দলের থাকত- তাহলে তো ১৬ বছর আমরা দেখতেই পারতাম তারা ইপিজেড করত। করেছে তারা? করেনি, কারণ তাদের সে অভিজ্ঞতা নেই, তাদের করার ইচ্ছাও নেই। আর অন্য দল যারা আছে- তাদের তো কোনো রকম অভিজ্ঞতাই নেই।

ঢাকা-৫ আসনে শীতলক্ষ্যা নদী ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

নবীউল্লাহ নবীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা–৫ আসনের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য এই এলাকায় হাসপাতাল করার প্রতিশ্রুতিও দেন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, দেশ স্বাধীনের পরে এখানে অনেক মুরুব্বি উপস্থিত আছে- মুরুব্বিরা ভালো বলতে পারবেন। দেশ স্বাধীনের পরে যাদের হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পড়েছিল- সেই সময় মানুষ দেখেছে আইনশৃঙ্খলার কী অবনতি ছিল। সেই সময় মানুষ দেখেছে ৭৪ সালে কীভাবে দুর্ভিক্ষে লাখ লাখ মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিল। কিন্তু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন- সেই সময় তিনি কঠোর হস্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দায়িত্ব পেলেন- তখন দুর্ভিক্ষ পীড়িত বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করলেন- দ্বিগুণ খাদ্য উৎপাদন হলো সেই দেশে। অর্থাৎ বিএনপির অভিজ্ঞতা আছে কীভাবে শক্ত হাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। বিএনপির অভিজ্ঞতা আছে কীভাবে দেশে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হয়। পরবর্তীতে ৯০-এর স্বৈরাচার- এই এলাকার মানুষ ৯০-এর স্বৈরাচার আন্দোলনেও বিশাল ভূমিকা রেখেছিল। এই নবীউল্লাহ নবী সেদিন ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিশাল ভূমিকা রেখেছিলেন।

তারেক রহমান বলেন, আগের সরকার বিদেশ থেকে গ্যাস নিয়ে আসত। কিন্তু দেশের মধ্যে নতুন গ্যাস খনি তারা বের করে নাই। বাংলাদেশের প্রচুর গ্যাস আছে- আমরা ইনশাআল্লাহ সেই গ্যাসের খনি আবিষ্কার করব এবং সেই গ্যাস বের করার মাধ্যমে আমরা মিল-ফ্যাক্টরি, ঘরে ঘরে গ্যাস ইনশাআল্লাহ পৌঁছাব।

বক্তব্যের শেষে তিনি ঢাকা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী নবীউল্লাহ নবীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ধানের শীষ তুলে দেন। সেইসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, নবীউল্লাহ নবীকে আপনারা ১২ তারিখ পর্যন্ত দেখে রাখবেন ইনশাআল্লাহ। ১২ তারিখে ধানের শীষ জয়যুক্ত হলে পরে ১৩ তারিখ থেকে এই নবীউল্লাহ নবী সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকবেন এই এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য, এই এলাকার মানুষের বিপদে। অতীতেও যেভাবে তিনি ছিলেন ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও তিনি আপনাদেরই পাশে থাকবেন, আপনাদের এলাকার সন্তান আপনাদেরই পাশে থাকবে।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ 
 

এই বিভাগের আরও খবর
বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি হালান্ড-মানে
বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি হালান্ড-মানে
জর্ডানকে হারিয়ে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রিয়ার
জর্ডানকে হারিয়ে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রিয়ার
শেষ বিশ্বকাপের আগে নিজেকে ‘বাচ্চা’ মনে করছেন নেইমার
শেষ বিশ্বকাপের আগে নিজেকে ‘বাচ্চা’ মনে করছেন নেইমার
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

১১ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি
১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু
আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ

২২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের
মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা

দেশগ্রাম

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ