শিরোনাম
প্রকাশ: ১৯:২৯, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ২১:৪৯, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

অনলাইন প্রতিবেদক
অনলাইন ভার্সন
ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ঢাকা-৫ আসনে দ্রুত একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কাঠামোর উন্নয়ন ঘটবে।

সোমবার বিকালে ঢাকা-৫ আসনের যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক রোডে নবীউল্লাহ নবীর সমর্থনে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে তারেক রহমান বলেন, আজকে এত মানুষের সমাগম দেখে আমার মনে হয়েছে যে আমরা যেই মানুষটিকে- নবীউল্লাহ সাহেবকে ধানের শীষ দিয়েছি- আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে এই যাত্রাবাড়ী-ডেমরা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিশাল স্বাক্ষর বহন করছে আমাদের সেই আন্দোলন সফলতায়। এই যাত্রাবাড়ী-ডেমরার মানুষ সেদিন সেই আন্দোলনকে সফল করার জন্য অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। স্বৈরাচারের বিদায়ে এই এলাকার মানুষ অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন- তার জন্য আমি আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে এলাকাবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ জানাই।

ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা আমাদের রাজনৈতিক অধিকার বাস্তবায়ন করার পথে চলে এসেছি। ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখে বাংলাদেশের মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার- যে ভোটের অধিকার- সেটি প্রয়োগ করতে চলেছে। কিন্তু শুধু গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ হলেই চলবে না। আমাদের এই বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হবে। এই যে মানুষগুলো যারা বসে আছেন, তাদের যে স্বজনরা- কারো ভাই, কারো সন্তান- এভাবে যে বিভিন্ন আপনজনদের হারিয়েছেন- সেই মানুষগুলোর একটি প্রত্যাশা ছিল। কী সেই প্রত্যাশা? সেই প্রত্যাশা ছিল- যে এই বাংলাদেশের নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এই বাংলাদেশের মানুষ- সে নারী হোক বা পুরুষ হোক- তারা নিরাপদে রাস্তাঘাটে চলতে পারবে। ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারবে। পেশাজীবীরা নিরাপদে চাকরি-বাকরি করতে পারবে। এলাকার সন্তানেরা নিরাপদে লেখাপড়া করতে পারবে। এলাকার মানুষ- এলাকার যারা তরুণ, যারা যুবক, যারা পড়ালেখা শেষ করেছে- তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এলাকার মানুষ- তাদের মৌলিক স্বাস্থ্য সুবিধা পাবে- এরকম একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ ছিল।

তারেক রহমান বলেন, আজ ভোট যেমন আমরা প্রয়োগ করব- একই সাথে আমাদের বাংলাদেশকে গড়তে হবে আগামী দিনের জন্য- ঠিক? তাহলে কে কে আছেন বাংলাদেশ গড়ার জন্য?  দেশকে যদি গড়তে হয়- তাহলে অবশ্যই একটি পরিকল্পনা থাকতে হবে। জাতির ভাগ্য যদি পরিবর্তন করতে হয়- তাহলে অবশ্যই কর্মসূচি থাকতে হবে। দেশ এবং জাতিকে যদি সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়- অগ্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়- তাহলে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে একটি রাজনৈতিক দলের। ঠিক? অভিজ্ঞতা দরকার দেশ পরিচালনার জন্য। পরিকল্পনা দরকার দেশ পরিচালনার জন্য। কর্মসূচি দরকার জনগণের জন্য। এই মুহূর্তে যত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে আছে- একমাত্র বিএনপি সেই রাজনৈতিক দল যাদের পরিকল্পনা জনগণের সামনে আছে। যাদের কর্মসূচি আছে যে তারা কীভাবে দেশকে গড়ে তুলতে চায়- সামনের দিকে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চায় সামনের দিকে। আর একমাত্র বিএনপি হচ্ছে সেই দল যাদের দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। আর কোনো রাজনৈতিক দলের অভিজ্ঞতা নেই দেশ পরিচালনা করার। আমরা অনেক রাজনৈতিক দলের অনেক সুন্দর সুন্দর কথা শুনি, অনেক মধুর মধুর কথা শুনি- যেগুলো শুনলে আমাদের হয়তো ভালো লাগে, আমরা জোরে জোরে হাততালি দেই। কিন্তু দেশ পরিচালনা অত সহজ ব্যাপার নয়। দেশ পরিচালনা অনেক কঠিন ব্যাপার।

তিনি বলেন, এই যে ইপিজেড-এর দাবি- এখানে নবীউল্লাহ নবী ইপিজেড-এর দাবি করেছেন। ইনশাআল্লাহ এই যে পাটকলগুলো বন্ধ হয়ে গেছে- ফলে কয়েক লাখ মানুষ বেকার হয়ে গিয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা আছে এই জায়গাগুলোতে আমরা নতুন ইপিজেড কারখানা তৈরি করব। শীতলক্ষ্যার পাড় দিয়ে নতুন ইপিজেড হবে- যাতে করে বেকার যারা আছে, এই এলাকার মানুষ যারা আছে- তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। এই যে ইপিজেড-এর কথা, ইপিজেড-এর যে দাবি- এই ইপিজেড বাংলাদেশে সবচেয়ে প্রথম কে করেছিলেন জানেন আপনারা? এই ইপিজেড চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গঠন করেছিলেন। সেইজন্যই আমি বলেছি- যদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয় সেটি করার অভিজ্ঞতা বিএনপির আছে। যদি ইপিজেড গঠন করতে হয়- কীভাবে ইপিজেড গঠন করতে হয় সেই অভিজ্ঞতা একমাত্র বিএনপির আছে- আর কোনো দলের নেই। যদি অন্য দলের থাকত- তাহলে তো ১৬ বছর আমরা দেখতেই পারতাম তারা ইপিজেড করত। করেছে তারা? করেনি, কারণ তাদের সে অভিজ্ঞতা নেই, তাদের করার ইচ্ছাও নেই। আর অন্য দল যারা আছে- তাদের তো কোনো রকম অভিজ্ঞতাই নেই।

ঢাকা-৫ আসনে শীতলক্ষ্যা নদী ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

নবীউল্লাহ নবীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা–৫ আসনের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য এই এলাকায় হাসপাতাল করার প্রতিশ্রুতিও দেন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, দেশ স্বাধীনের পরে এখানে অনেক মুরুব্বি উপস্থিত আছে- মুরুব্বিরা ভালো বলতে পারবেন। দেশ স্বাধীনের পরে যাদের হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পড়েছিল- সেই সময় মানুষ দেখেছে আইনশৃঙ্খলার কী অবনতি ছিল। সেই সময় মানুষ দেখেছে ৭৪ সালে কীভাবে দুর্ভিক্ষে লাখ লাখ মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিল। কিন্তু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন- সেই সময় তিনি কঠোর হস্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দায়িত্ব পেলেন- তখন দুর্ভিক্ষ পীড়িত বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করলেন- দ্বিগুণ খাদ্য উৎপাদন হলো সেই দেশে। অর্থাৎ বিএনপির অভিজ্ঞতা আছে কীভাবে শক্ত হাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। বিএনপির অভিজ্ঞতা আছে কীভাবে দেশে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হয়। পরবর্তীতে ৯০-এর স্বৈরাচার- এই এলাকার মানুষ ৯০-এর স্বৈরাচার আন্দোলনেও বিশাল ভূমিকা রেখেছিল। এই নবীউল্লাহ নবী সেদিন ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিশাল ভূমিকা রেখেছিলেন।

তারেক রহমান বলেন, আগের সরকার বিদেশ থেকে গ্যাস নিয়ে আসত। কিন্তু দেশের মধ্যে নতুন গ্যাস খনি তারা বের করে নাই। বাংলাদেশের প্রচুর গ্যাস আছে- আমরা ইনশাআল্লাহ সেই গ্যাসের খনি আবিষ্কার করব এবং সেই গ্যাস বের করার মাধ্যমে আমরা মিল-ফ্যাক্টরি, ঘরে ঘরে গ্যাস ইনশাআল্লাহ পৌঁছাব।

বক্তব্যের শেষে তিনি ঢাকা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী নবীউল্লাহ নবীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ধানের শীষ তুলে দেন। সেইসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, নবীউল্লাহ নবীকে আপনারা ১২ তারিখ পর্যন্ত দেখে রাখবেন ইনশাআল্লাহ। ১২ তারিখে ধানের শীষ জয়যুক্ত হলে পরে ১৩ তারিখ থেকে এই নবীউল্লাহ নবী সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকবেন এই এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য, এই এলাকার মানুষের বিপদে। অতীতেও যেভাবে তিনি ছিলেন ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও তিনি আপনাদেরই পাশে থাকবেন, আপনাদের এলাকার সন্তান আপনাদেরই পাশে থাকবে।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ 
 

এই বিভাগের আরও খবর
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
ভোট জালিয়াতির অভিযোগ আসাদুজ্জামান ফুয়াদের
ভোট জালিয়াতির অভিযোগ আসাদুজ্জামান ফুয়াদের
বাগেরহাটের চার আসনে ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
বাগেরহাটের চার আসনে ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
খাগড়াছড়িতে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
খাগড়াছড়িতে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
সর্বশেষ খবর
যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা
যে যুদ্ধবিমানের জন্য আক্ষেপ করছে আমেরিকা

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশন শুরু
সংসদ অধিবেশন শুরু

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
সংসদ ভবনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ : সালাহউদ্দিন আহমদ
আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ : সালাহউদ্দিন আহমদ

১৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হাজার মাসের চেয়েও উত্তম যে রাত
হাজার মাসের চেয়েও উত্তম যে রাত

১৫ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?
ইরানের পর আমেরিকার জন্য বড় বিপদ চীন?

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?
অসহায় স্বীকারোক্তি, গোপনে পরাজয় মেনে নিল ইসরায়েল?

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কমল স্বর্ণের দাম
কমল স্বর্ণের দাম

৩০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে থাকছে যেসব কার্যসূচি
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে থাকছে যেসব কার্যসূচি

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

গোলশূন্য মেসি, ন্যাশভিলের সঙ্গে মায়ামির ড্র
গোলশূন্য মেসি, ন্যাশভিলের সঙ্গে মায়ামির ড্র

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদের প্রথম দিনই রাষ্ট্রপতির ভাষণ, স্পিকার নির্বাচন
সংসদের প্রথম দিনই রাষ্ট্রপতির ভাষণ, স্পিকার নির্বাচন

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ
মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ জেলের কারাদণ্ড
চাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ জেলের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে তেহরানে দূতাবাস বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে তেহরানে দূতাবাস বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
আজ ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৃষ্টি নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
বৃষ্টি নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালভার্দের হ্যাটট্রিকে সিটিকে উড়িয়ে দিল রিয়াল
ভালভার্দের হ্যাটট্রিকে সিটিকে উড়িয়ে দিল রিয়াল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ মার্চ)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ মার্চ)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকের বন্দরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় নিহত ১
ইরাকের বন্দরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় নিহত ১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি
ঢাকায় হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শ্রীপুরে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের পর ভবনে আগুন, দগ্ধ তিন
শ্রীপুরে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের পর ভবনে আগুন, দগ্ধ তিন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমিরাত কারো সহজ শিকার নয়, প্রেসিডেন্ট আল নাহিয়ানের হুঁশিয়ারি
আমিরাত কারো সহজ শিকার নয়, প্রেসিডেন্ট আল নাহিয়ানের হুঁশিয়ারি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টিভির পর্দায় আজকের যত খেলা
টিভির পর্দায় আজকের যত খেলা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি ঘোষণা
১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ রাজধানীর যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন
আজ রাজধানীর যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের
দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি
আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি
ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত
বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত

নগর জীবন

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট

নগর জীবন

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা
বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন