আগামীকাল সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার–প্রচারণা। এ উপলক্ষে শেষ দিনে আজ সকাল থেকেই প্রচারণায় মুখর ছিল ভোলার চারটি সংসদীয় আসন। মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, ভোটারদের মোবাইল ফোনে ভোট চেয়ে কল, জনসভা ও গণমিছিলে সরগরম হয়ে ওঠে জেলার বিভিন্ন এলাকা।
সন্ধ্যার পর ভোলা-১ আসনে বিএনপি–বিজেপি জোট প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের পক্ষে গরুর গাড়ি প্রতীকে ভোট চেয়ে গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলে বিএনপি ও জোট শরিক দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়।
এর আগে বিকেলে একই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা নজরুল ইসলামের পক্ষে কালীনাথ রায়ের বাজার থেকে আরেকটি গণমিছিল বের করা হয়। এতে হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন।
ভোলা-২ আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হাফেজ ইব্রাহিম দৌলতখান বাজার ও বোরহানউদ্দিনে একাধিক জনসভায় অংশ নেন। অন্যদিকে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা ফজলুল করিম সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক ও জনসভা করেন। পাশাপাশি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চেয়ে মিছিল করেন তাঁর সমর্থকেরা।
ভোলা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিকেলে তজুমুদ্দিন ও সন্ধ্যায় লালমোহনে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেন। এসব জনসভায় হাজার হাজার নেতাকর্মীর সমাগম ঘটে। একই আসনে জামায়াত–জোট প্রার্থী বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) নিজামুল হক নাইম বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ, উঠান বৈঠক ও গণমিছিলের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রচারণা চালান।
ভোলা-৪ আসনে বিকেলে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন চরফ্যাশনের টিবি স্কুল মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় জনসভায় নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়।
এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ মোস্তফা কামালও বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের জনসংযোগ করেন।
এ ছাড়া ভোলার চারটি আসনের অন্যান্য প্রার্থীরাও দিনভর নিজ নিজ এলাকায় প্রচার চালিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন।
বিডি-প্রতিদিন/সুজন