শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ নভেম্বর, ২০২০ ২৩:১৩

রাজধানীতে দুই খুন

ট্রলি ব্যাগে লাশ পাওনা টাকার জন্য পিটিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ডেমরায় ট্রলি ব্যাগ থেকে হারুন-অর-রশিদ (৪৫) নামে এক মাইক্রোবাস চালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে, দক্ষিণ শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি এলাকায় পাওনা টাকা চাওয়ায় সুজন হাওলাদার (২২) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ৬০০ টাকার জন্য খুন হওয়া সুজন হত্যায় জড়িত দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ডেমরা থানার এসআই নাজমুল বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ডেমরার বাঁশেরপুল ডিএনডি খাল থেকে হারুনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে মৃতের গায়ে উল্লেখযোগ্য আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। তার পরনে ছিল কালো প্যান্ট ও চেক গেঞ্জি। হারুনের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি থানার মাদারগুনায়। তিনি পরিবারসহ ঢাকার জুরাইনের খন্দকার রোডে থাকতেন। হারুনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে এ হত্যাকান্ডে র রহস্য জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার রাতের কোনো সময় খুনিরা ট্রলি ব্যাগের ভিতরে ভরে মৃতের লাশ ডিএনডি খালে ফেলে গেছে। এ ঘটনায় ডেমরা থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। এদিকে, বুধবার দুপুরে দক্ষিণ শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি এলাকায় পাওনা টাকা চাওয়ায় সুজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। আহত সুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে শ্যামলীর প্রাইম হাসপাতালে নেওয়ার সময় অ্যাম্বুলেন্সে মারা যান সুজন। সুজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। জানা গেছে, সুজনের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের চওড়াপাড়ায়। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। খিলগাঁওয়ে একটি ফার্নিচারের দোকানে কাজ করতেন। নিহতের মামাতো ভাই কালু মিয়া জানান, ‘শাহজাহানপুর এলাকার রবু নামে এক যুবকের কাছে ৬০০ টাকা পেত সুজন। কিছু দিন হয়ে গেলেও রবু টাকা ফেরত দিচ্ছিল না। বুধবার টাকা চাইতে গেলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রবু ও তার বন্ধু এরশাদ, ভাই হৃদয়, শান্তা, রেনু ও জসিম তাকে ইট এবং লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটায়। এতে সে মারাত্মক আহত হন সুজন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে শ্যামলীর প্রাইম হাসপাতালে নেওয়া পথে তিনি মারা যান।’ শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল হক জানান, নিহত সুজনের বাবা বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। আসামিদের মধ্যে শান্তা ও রেনু বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর