শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০২:২৭, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

দ্বিতীয় পর্ব

বাবার চেয়েও ভয়ংকর পুত্র পাপ্পা গাজী

সব অপরাধের ‘কাজি’ রূপগঞ্জের গাজী
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
বাবার চেয়েও ভয়ংকর পুত্র পাপ্পা গাজী

একাধিক অপরাধে এখন কারাগারে আছেন আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ও এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী। ১৫ বছর ধরে তিনি তার নির্বাচনি এলাকাকে শ্মশানে পরিণত করেছেন। গোটা রূপগঞ্জ রীতিমতো দখল করে নিয়েছেন গাজী এবং তার পরিবার। লুণ্ঠন করেছেন হাজার হাজার কোটি টাকা। গাজী গ্রেপ্তার হলেও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা এখনো পলাতক। গাজী একা অপরাধী নন, গাজীর পৃষ্ঠপোষকতায় তার পরিবারের সদস্যরাও একেকজন দানবে পরিণত হয়েছিলেন। তারা মাদক ব্যবসা, ভূমি দখলসহ নানান অপরাধে জড়িত হয়েছিলেন। গাজী নিজেই রূপগঞ্জে বলতেন যে তিনি রাজনীতি থেকে অবসরে যাচ্ছেন। তার অবসরের পর পুত্র পাপ্পা গাজী তার নির্বাচনি এলাকা দেখভাল করবেন বলে তিনি ঘোষণা করেছিলেন। পাপ্পা গাজীকে সেভাবেই গড়ে তুলেছিলেন গোলাম দস্তগীর গাজী। পাপ্পা গাজী পিতার চেয়েও বড় দানবে পরিণত হন। গাজীর চেয়েও হিংস্র এবং পৈশাচিক ছিলেন পাপ্পা গাজী। তবে পাপ্পা গাজীর প্রধান কাজ ছিল রূপগঞ্জের মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ।

পাপ্পা গাজীর নেতৃত্বেই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ পরিণত হয় মাদকের অভয়ারণ্যে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রূপগঞ্জে মাদকের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন পাপ্পা গাজী। সেখানে গড়ে উঠেছিল তার নিজস্ব বাহিনী। দ্রুত ধনী হওয়ার নেশায় অনেকেই এ কাজে পাপ্পার সহযোগী হয়েছিলেন। পুলিশ কিংবা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ দপ্তরকে হাতে নিয়ে পাপ্পা গড়ে তোলেন মাদক সাম্রাজ্য।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, গোলাম মূর্তজা পাপ্পা গাজী, এমদাদুল হক দাদুল ও মিজানুর রহমান মিজানের হাতেই মূলত রূপগঞ্জের মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ ছিল। তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে রূপগঞ্জে মাদক কারবার অবাধে চালিয়েছে গত ১৬ বছরে। পাপ্পার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-কর্মী মাদক কারবারের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। মাদক কারবারের বদৌলতে রূপগঞ্জেই কোটিপতি হয়েছেন অন্তত ৩৮ জন। আওয়ামী লীগের স্বৈরশাসনে রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসার ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে ১৪ জন খুনের ঘটনা ঘটেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, রূপগঞ্জে মাদকের এই যে কারবার, এর মূল হোতাই গোলাম দস্তগীর গাজীর ছেলে গোলাম মূর্তজা পাপ্পা, তার দুই সহযোগী ছিলেন এমদাদুল হক দাদুল ও মিজানুর রহমান মিজান। রূপগঞ্জের ফেনসিডিলের একক নিয়ন্ত্রণ ছিল থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজের হাতে। জানা গেছে, রূপগঞ্জেও ৪০০ স্পটের মাদকের টাকা যেত এদের তিনজনের কাছে। প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকার ভাগ পেতেন তারা।

রূপগঞ্জ শিল্পএলাকা হওয়ায় ভাসমান শ্রমিকের সংখ্যা বেশি। এসব শ্রমিককে টার্গেট করে এক শ্রেণির মাদক ব্যবসায়ী শিল্পকারখানার আশপাশে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে আসছে। অপরদিকে, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ আবাসন কোম্পানি গড়ে ওঠায় এসব এলাকায় জমির ব্যবসাও জমজমাট। জমির ব্যবসার কাঁচা টাকা হাতিয়ে নিতে এক শ্রেণির মাদক কারবারি কারবার চালিয়ে গেছেন গাজীর ছত্রচ্ছায়ায়। স্থানীয় রাজনীতি থেকে শুরু করে রূপগঞ্জের অনেক কিছুই মাদককে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে গত ১৫ বছর। অভিযোগ রয়েছে, সমাজের এক শ্রেণির লোক অসৎ রাজনীতিবিদ এবং অসাধু পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি কিছু মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশে এলাকায় মাদক বাণিজ্য করে বেড়াচ্ছে। গড়ে তুলছে টাকার পাহাড়। বিশেষ বিশেষ মুহূর্তে লোকদেখানো অভিযান চালানো হলেও ভিতরে ভিতরে তারা মিলেমিশে ওই কাজ করছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভা, তারাব পৌরসভা, কায়েতপাড়া, দেইলপাড়া, নগরপাড়া, ইছাপুরা, বাগবাড়ী, দাউদপুর, গোলাকান্দাইল, মুড়াপাড়া, ভুলতা ইউনিয়ন মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। চনপাড়া বস্তি হচ্ছে মাদকের হাট। এখানে সন্ধ্যা হলেই ফেনসিডিল ও ইয়াবা মেলে। দাউদপুর ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রাম, গোবিন্দপুরসহ আশপাশের এলাকায় গড়ে উঠেছে চোলাই মদের কারখানা।

সরেজমিন তদন্তে দেখা যায়, উপজেলায় প্রায় ৭০ হাজার মাদকসেবী রয়েছে। বছরে এসব মাদকসেবী মাদকের জন্য খরচ করে শত কোটি টাকা। মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে প্রায় ৫০০। আর খুচরা ব্যবসায়ীও প্রায় ১ হাজার। এসব মাদকের ছোবলে হাজার হাজার তরুণের জীবন প্রায় বিপন্ন। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত চুনোপুঁটিরা ধরা পড়লেও রাঘববোয়ালরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। এরা সবাই ছিল পাপ্পা গাজীর ছত্রছায়ায়।

রূপগঞ্জে সড়ক ও নৌপথে অবাধে মাদকদ্রব্য আসতো। এই নেটওয়ার্ক পরিচালিত হতো গাজীর তত্ত্বাবধানে। মাদক প্রবেশের সবচেয়ে নিরাপদ রুট ছিল বালু নদ। এ নদে পুলিশ টহলের ব্যবস্থা না থাকায় মাদক কারবারিরা নির্বিঘ্নে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারযোগে মাদক আনা-নেওয়া করেন। এ ছাড়া শীতলক্ষ্যা নদ দিয়েও মাদকদ্রব্য রূপগঞ্জে ঢোকে। এ নদ দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজে করে মাদক ঢোকে রূপগঞ্জে। এদিকে কুমিল্লা থেকে এশিয়ান হাইওয়ে সড়ক দিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে মাদক ঢোকে রূপগঞ্জে। আশুগঞ্জ-ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকেও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে মাদক ঢোকে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা হচ্ছে মাদকের ট্রানজিট পয়েন্ট। আখাউড়া, সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ফেনসিডিল, ইয়াবা ও হেরোইন বাস, নাইট কোচ, সংবাদপত্রবহনকারী মোটরসাইকেল কিংবা ট্রাকযোগে ওই এলাকায় আসত নিয়মিত। আর এসব মাদক কেনাচোর নিয়ন্ত্রণ ছিল পাপ্পার হাতে।

নানা কৌশলে মাদক বহন করা হতো। ইয়াবা ও ফেনসিডিল বহন করা হয় লাউ, নারিকেল আর ম্যাচের বাক্সের ভিতরে করে। হেরোইন বহন করা হয় মিষ্টির প্যাকেটের ভিতরে করে। আর গাঁজা বহন করা হয় চটের ব্যাগের ভিতরে করে। মাদক বহনের কাজে ব্যবহার করা হয় কোমলমতি ছেলে-মেয়েদের। সূত্রটি জানায়, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মহিলাদের দিয়ে মাদক বহন করা হয়। মহিলাদের স্পর্শকাতর জায়গায় ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন ও গাঁজা রেখে বহন করা হয়। মাদক কারবারির সুবিধার্থে রূপগঞ্জে ৭০০-এর বেশি শিশু-কিশোর সেলসম্যান তৈরি করেছিলেন পাপ্পা গাজী। মাদকের এ গডফাদার টাকা পয়সার ঝামেলা হলেই নৃশংস ভাবে হত্যা করতো।

২০১৭ সালের ২৭ আগস্ট মাদকের টাকা দিতে অস্বীকার করায় গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের মাহনা এলাকায় ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম মোল্লাকে তার নেশাগ্রস্ত ছেলে মিলন মোল্লা ও তার সহযোগীরা হত্যা করে। ২০১৪ সালে চনপাড়া বস্তিতে মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় মিয়া নামে একজনকে খুন করে পিচ্চি মালেক। ২০১৫ সালের ২৫ অক্টোবর চনপাড়া বস্তিতে মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় আবদুর রহমান নামের এক যুবককে প্রকাশ্য দিবালোকে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে মাদক তারা। ২০২১ সালে মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় মাছিমপুর এলাকায় নজরুল ইসলাম বাবু নামে এক যুবককে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে মাদক ব্যবসায়ীরা। ২০১৮ সালে হাটাবো এলাকায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় সোহেল মিয়া নামে এক যুবককে হত্যা করে মাদক ব্যবসায়ীরা। ২০১৬ সালের ২৯ মার্চ মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় জনতা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক মেহেদী হাসান বাবুকে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ২০২০ সালের ৬ মে চনপাড়ায় মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ারকে হত্যা করা হয়। ২০২০ সালের ৩১ মে রূপসী কাজীপাড়া এলাকায় রাজনকে হত্যা করা হয়। ২০২২ সালের চনপাড়া পুনর্বাসনের খোরশেদ আলমকে হত্যা করা হয়। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর মুড়াপাড়া এলাকায় দ্বীন ইসলামকে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ৫ শতাধিক। মাদক সেবন করে গত কয়েক বছরে মারা গেছে পাঁচজন।

পাপ্পা গাজীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ১৫ মাদকসম্রাজ্ঞী রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মাদক জগৎ দাপিয়ে বেরিয়েছে গত ১৬ বছর। এদের কেউ ড্রাগ কুইন, ফেন্সি কুইন, মাদকসম্রাজ্ঞী, কালনাগিনী নামে পরিচিতি লাভ করেছে। আবার কারও বা নাম ডেঞ্জার লেডি। এরাও এলাকায় মাদক ছড়িয়ে দিয়ে তরুণ সমাজকে ক্ষতির মুখে নিয়ে যাচ্ছে। এরা মাদকের পাশাপাশি অসামাজিক কার্যকলাপেরও বিস্তার ঘটিয়েছে।

মাদক কারবার ছাড়াও পাপ্পা গাজী তদবির বাণিজ্য করতেন। নিয়োগ বাণিজ্য করে এলাকার লোকজনের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে শত শত কোটি টাকা। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, যখন সরকারি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হতো, তখনই পাপ্পা গাজী চাকরি প্রার্থীদের তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলতেন। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে পাপ্পা ১২৩ জনের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫ লাখ টাকা নেন। পরীক্ষার ফলাফলের পর দেখা যায়, চাকরি পেয়েছেন মাত্র তিনজন। বাকিদের টাকা ফেরত দেননি পাপ্পা।

এসআই নিয়োগে পাপ্পা স্থানীয় প্রায় ২০০ জনের কাছে ১০ লাখ টাকা করে নেন। এদের মধ্যে মাত্র পাঁচজনের চাকরি হয়। বাকিদের চাকরি না হলেও টাকা ফেরত দেননি। এভাবে বিভিন্ন নিয়োগের কথা বলে টাকা নিয়ে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন পাপ্পা। এ ছাড়াও বদলি বাণিজ্য এবং টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগও আছে গাজীপুত্রের বিরুদ্ধে।

পাপ্পা গাজী এখন পলাতক। একাধিক সূত্র বলছে, তিনি এখন বিদেশে অবস্থান করছেন। বিদেশে বসেই মাদকের কারবার নিয়ন্ত্রণ করছেন এ দুর্বৃত্ত।

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
সর্বশেষ খবর
ফরিদপুর পৌরসভায় বেহাল সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ
ফরিদপুর পৌরসভায় বেহাল সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত ভিসিসহ ২২৭ শিক্ষক অবরুদ্ধ
একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত ভিসিসহ ২২৭ শিক্ষক অবরুদ্ধ

৩০ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

টেইলর সুইফটের বাগদানের হীরার আংটি নিয়ে হইচই
টেইলর সুইফটের বাগদানের হীরার আংটি নিয়ে হইচই

২ মিনিট আগে | শোবিজ

গেইল-পোলার্ডের পর ইতিহাস গড়লেন হেলস
গেইল-পোলার্ডের পর ইতিহাস গড়লেন হেলস

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় বিএনপি নেতারা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় বিএনপি নেতারা

১৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

গাইবান্ধায় গাছের চারা বিতরণ
গাইবান্ধায় গাছের চারা বিতরণ

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রংপুরে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন
রংপুরে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লক্ষ্মীপুরে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা বিষয়ক প্রস্তুতিমূলক সভা
লক্ষ্মীপুরে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা বিষয়ক প্রস্তুতিমূলক সভা

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে : ফারুক-ই-আজম
দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে : ফারুক-ই-আজম

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বগুড়ায় চার দিনের কর্মসূচি
বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বগুড়ায় চার দিনের কর্মসূচি

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাদাপাথরকাণ্ডে এবার ওসি বদলি
সাদাপাথরকাণ্ডে এবার ওসি বদলি

৪৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব
ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব

৫৩ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

৫৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু
দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভূমিসেবায় জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য : ভূমি সচিব
ভূমিসেবায় জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য : ভূমি সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় গাঁজা নিয়ে কারাবন্দিদের দেখতে যাওয়ায় এক মাসের কারাদণ্ড
কুমিল্লায় গাঁজা নিয়ে কারাবন্দিদের দেখতে যাওয়ায় এক মাসের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিএনপিই একমাত্র দল যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারে: মির্জা ফখরুল
বিএনপিই একমাত্র দল যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারে: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা
ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার
কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি
দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ
জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল
নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি
মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন