শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৩, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

‘দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার’

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
‘দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার’

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান ও ভারত ভাগ হয়েছিল দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে। দেশভাগ নিয়ে সে সময়ের আলোচিত স্লোগান ছিল ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’। তারপর বায়ান্ন, ঊনসত্তর, সত্তর, একাত্তরে অনেক আলোচিত স্লোগান ছিল। ওই সময়ের মধ্যে বহুল আলোচিত সেøাগানগুলোর  অন্যতম ছিল ‘পিন্ডি না ঢাকা- ঢাকা ঢাকা’। ঊনসত্তরে এটি প্রায় সবার মুখে মুখে ফিরত। স্লোগানটি স্বাধীনতাসংগ্রাম পর্যন্ত জাতিকে আলোড়িত করেছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর ‘পিন্ডি’ শব্দটি আবার স্লোগানে উচ্চারিত হচ্ছে। পিন্ডির সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে ‘রাজাকার’ শব্দটি। বাংলাদেশের জন্য দিল্লি ও পিন্ডি দুটি শব্দই খুব স্পর্শকাতর। সোমবার ঢাকার রাজপথসহ সারা দেশে বিএনপি নেতা-কর্মীদের  আলোচিত স্লোগান ছিল ‘দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার’। সাধারণভাবে এটি শুধু স্লোগান মনে হলেও এর মধ্যে অনেক বড় রাজনীতি আছে। একটু দেরিতে হলেও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া, জাতীয়তাবাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল বেগম খালেদা জিয়া এবং সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের রক্তের উত্তরসূরি তারেক রহমানের দল বিএনপি সেই রাজনীতিটা বুঝতে পেরেছে; এটাই হলো এ মুহূর্তে বিএনপির রাজনীতির সুখবর। তবে এ উপলব্ধি শুধু রাজপথে স্লোগানে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। বিএনপির প্রত্যেক নেতা-কর্মীকে এ চেতনা ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ হতে হবে। ডিজিটাল দুনিয়ার সব অপপ্রচারের উপযুক্ত জবাব দিতে হবে। তা না হলে আগামী নির্বাচনি যুদ্ধে ডিজিটাল অপপ্রচারে কাবু হয়ে যাবে বিএনপি। কদিন আগে পুরান ঢাকায় সোহাগ হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজনীতিতে নেতাদের চরিত্রহননের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এটা সুখকর পরিস্থিতি নয়। এদিকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক চুক্তি নিয়েও শঙ্কা বাড়ছে। দুই দফা আলোচনা শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে তেমন কিছুই বললেন না। শুধু বললেন, নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট তিনি প্রকাশ করবেন না। তাঁর এ বক্তব্যে সরকারের প্রতি সংশ্লিষ্ট মহলের সন্দেহ-সংশয় বাড়ছে।

স্লোগানবিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক মৈত্রী খুব বেশিদিন দীর্ঘস্থায়ী হয় না। রাজনীতির প্রতিটি বাঁকে এর ধরন বদলায়। গতিপথ বদলায়। চরিত্রও বদলায়। স্বাধীনতার বিরুদ্ধাচরণের কারণে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেন শেখ মুজিবুর রহমান। আরেকবার নিষিদ্ধ করেন তার কন্যা শেখ হাসিনা। কিন্তু জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের সুবাতাসে জামায়াত নতুন করে রাজনীতি করার সুযোগ পায়। সেই থেকে বিএনপির সঙ্গে মধুর ও বোঝাপড়ার একটি সখ্য গড়ে ওঠে। কিন্তু আস্থার জায়গাটা বারবার হোঁচট খাচ্ছে। শেখ হাসিনার শাসনামলের ১৬ বছর এ দুটি দলই নানাভাবে নির্যাতিত হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকেও জেল খাটতে হয়েছে। মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও তিনি উন্নত চিকিৎসা পাননি। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেননি। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশান্তরী হতে হয়েছে। হাজার হাজার নেতা-কর্মী নিহত হয়েছেন। গুম হয়েছেন, জেল খেটেছেন। জামায়াত নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলতে হয়েছে। জেল খাটতে হয়েছে। দুই দলের জন্যই ১৬টি বছর ছিল বিভীষিকাময়। এত কিছুর পর ছাত্র-জনতার বিপ্লব ও অভ্যুত্থানে সবার মধ্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রকাশ পায়। জুলাই বিপ্লবপরবর্তী রাজনীতিতে সুবাতাস বইবে, এমন প্রত্যাশাই ছিল দেশবাসীর। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও পারস্পরিক সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। গত ১৩ এপ্রিল লন্ডনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সরকারের তিন উপদেষ্টা নাহিদ, আসিফ ও মাহফুজ সেনাকুঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ দুটি ঘটনায় তখন রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। ২৮ ফেব্রুয়ারি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিশাল আয়োজন করে বিপ্লবীদের নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশ ঘটে। বিএনপিসহ অন্য সব রাজনৈতিক দলের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সব মহল নতুন দলকে স্বাগত জানায়। এরপর মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত ও এনসিপির দূরত্ব দিনদিন বাড়তে থাকে। পুরান ঢাকায় সোহাগ হত্যাকাণ্ডের পর এ দূরত্ব আরও বেশি বিস্তৃত হয়। জামায়াত ও এনসিপির নেতারা বিএনপি ও দলনেতা তারেক রহমানের চরিত্রহনন করার মতো অসৌজন্যমূলক মন্তব্য ও বক্তব্য প্রদান করতে থাকেন। অফলাইনের চেয়ে অনলাইনে এটি আরও ভয়াবহ রূপ লাভ করে। এ অবস্থা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এর শেষ কোথায় আপাতত তা বলা যাচ্ছে না। জামায়াতের বিএনপিবিরোধী অপপ্রচারের জবাব হিসেবেই সোমবার আলোচিত স্লোগানটির আবিষ্কার সৃজন এবং ব্যাপক উচ্চারণ।

বাংলাদেশ যত দিন থাকবে, স্বাধীনতার পক্ষশক্তি-বিপক্ষশক্তি নিয়ে আলোচনা তত দিনই থাকবে। কারণ দেশটি স্বাধীন হতে অনেক রক্ত, অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। এটা একটি ইতিহাস। এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে শেখ মুজিবুর রহমান ও তার দল আওয়ামী লীগ স্বাধীনতাযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে এও অস্বীকার করার ন্যূনতম উপায় নেই যে জামায়াতে ইসলামী এবং এর সহযোগীরা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। অবশ্য  স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দলটি এখনো তাদের স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকা অস্বীকার করে না। এটা অবশ্য তাদের রাজনৈতিক স্বচ্ছতা। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবার নিহত হওয়ার পর ব্যক্তি মুজিবের মৃত্যু হলেও তার দল ছিল, তার আদর্শ ছিল। কিন্তু তার কন্যা শেখ হাসিনা গত ১৬ বছরে পিতার বন্দনা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাণিজ্য করেছেন। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পিতার মূর্তি তৈরি করেছেন। অফিস-আদালতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বানিয়েছেন মুজিব কর্নার। নিজের পরিবারের সদস্যদের নামে সরকারি টাকায় শত শত প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করেছেন। শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা বাংলাদেশে শ্রেষ্ঠ স্বৈরাচারে পরিণত হন। তার স্বৈরাচারী আচরণের কারণেই নিজ হাতে পিতার সম্মান ও আওয়ামী লীগকে ৫ আগস্ট হত্যা করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছেন। জুলাই বিপ্লবে তার পিতার স্মৃতি ধুলায় মিশে গেছে। স্বাধীনতা নিয়ে একক বাণিজ্যও বন্ধ হয়ে গেছে। স্বাধীনতা যেহেতু শেখ পরিবার বা আওয়ামী লীগের একক সম্পত্তি ছিল না, সে কারণেই স্বাধীনতার পক্ষশক্তি বাংলাদেশে সব সময়ই থাকবে। স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বরাবরই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। এখনো আছে। সে কারণেই রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন, সোহাগ হত্যাকাণ্ডের পর রাজনীতিতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে এক অর্থে বিএনপির জন্য ভালোই হয়েছে। আগামী নির্বাচনের আগে বিএনপির সামনে পরিষ্কার হলো কারা তাদের প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য প্রতিপক্ষ। দেরি করে হলেও বিএনপি বুঝতে পারল স্বাধীনতার পক্ষশক্তি আর বিপক্ষশক্তি কখনো সমমনা হয় না। যদিও প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএনপি জামায়াতকে সমমনা হিসেবেই মনে করেছিল।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন যেমন নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, তেমন অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে। বাণিজ্য বিশ্লেষক, রাজনৈতিক মহল ও ব্যবসায়ী সমাজ সবাই মনে করছেন, দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে যে টানাপোড়েন চলছে তা শুধু শুল্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সরকারের পক্ষ থেকে যে দরকষাকষি চলছে, তা শুধু বাণিজ্য বিষয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বাণিজ্যের বাইরের অনেক বিষয়েই আটকে আছে সমাধান। আগামী সপ্তাহে তৃতীয় দফায় দরকষাকষির আলোচনা করতে ওয়াশিংটনে যাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল। আলোচনা যতই হোক না কেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্টই (গোপনীয়তার চুক্তি) হলো মূল বিষয়। সরকারের পক্ষ থেকে সে বিষয়ে কেউ কিছু বলছেন না। সোমবার সরকারের উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন সংবাদ সম্মেলন করেছেন। উপদেষ্টার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে মনে হয়েছে, তিনি কিছু না বলার জন্যই হয়তো সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য লুকানোর প্রবণতা দেখে বাণিজ্য ও ব্যবসায় বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা কেবল বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ভূরাজনৈতিক কৌশলগত বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। যার মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশ যাতে চীনের দিকে বেশি ঝুঁকে না পড়ে। বাংলাদেশ যাতে চীনের সঙ্গে ব্যবসাবাণিজ্য খুব বেশি বাড়াতে না পারে। এমনকি বড় ধরনের চীনা বিনিয়োগও যেন বাংলাদেশে আর না হয়। জানা গেছে, বাণিজ্যের বাইরে যুক্তরাষ্ট্র এক বা একাধিক ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি চাচ্ছে, যার মধ্যে নিরাপত্তা ইস্যুও থাকবে। এ অঞ্চলে বাণিজ্যের পাশাপাশি রাজনৈতিক কিংবা অন্যান্য আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো নিশ্চিত করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন। দুই দেশের সম্পর্কের এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে আমরা কোন শর্তের বেড়াজালে জড়াব, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected].

এই বিভাগের আরও খবর
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ
জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ

১ সেকেন্ড আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

২০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল
নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল

২৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি
মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি

২৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে
ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান
জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান

৪৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু
দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু

৫৫ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর
ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১
৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই
চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক
দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা
সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন
কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু
চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?
গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন
সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে
পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস
প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড
মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন