শিরোনাম
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:৩৬
আপডেট : ১১ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:৪৮
প্রিন্ট করুন printer

শীতে ত্বকের সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে

ডা. তাসনিম খান

শীতে ত্বকের সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে
ডা. তাসনিম খান

এই শীতের রুক্ষতায় – ত্বকের সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ৬টি ভিটামিন ও খনিজের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। আর আমাদের চারপাশের খাবার থেকে খুব সহজেই আমরা পেতে পারি সেই প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। আসুন, জেনে নেই ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে কোন কোন ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাদ্য তালিকায় রাখা প্রয়োজন:

ভিটামিন এ – ত্বকে সতেজতা ও আর্দ্রতা ধরে রাখতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান হচ্ছে ভিটামিন এ। মিষ্টি আলু, মিষ্টি কুমড়া, গাজর ও কলিজায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ।

ভিটামিন ই – এর অভাবে ত্বকে দ্রুত বলিরেখা পড়ে, ত্বক  দেখায় অমসৃণ। কাঠবাদাম, নারিকেল তেল, সূর্যমুখীর বীজ, শাকসবজি ইত্যাদি ভিটামিন ই এর উৎস।

ভিটামিন সি – ত্বকের উজ্জ্বলতা ও টান টান ভাব রক্ষা করতে দরকার ভিটামিন সি। সব ধরনের টক ফল - লেবু, কমলা, শসা ও সবুজ শাকসবজিতে আছে ভিটামিন সি।

ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে আছে মাছ, তিল, তিশি, বাদাম, মিষ্টিকুমড়া, দুগ্ধজাত পণ্য, শস্য জাতীয় খাদ্য, সূর্যমুখীর তেল প্রভৃতি। যা ত্বকের রোগ প্রতিরোধ করে, ত্বকের মলিনতা দূর করে ত্বককে রাখে সুরক্ষিত।

লুটেইন– ডিমের কুসুম লুটেইন এর ভালো উৎস। ত্বক আর্দ্র রাখতে ও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

প্রোটিন– মাংস , দুধ, ডিম থাকে উচ্চমানের প্রোটিন যা ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে করে ত্বককে টানটান রাখতে সহায়তা করে।

লেখক: নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক (ডার্মাটোলজি ও ভেনেরিওলোজি)

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:১৩
প্রিন্ট করুন printer

স্যানিটাইজারের কারণে শিশুদের চোখ ও ত্বকের সমস্যা বাড়ছে

অনলাইন ডেস্ক

স্যানিটাইজারের কারণে শিশুদের চোখ ও ত্বকের সমস্যা বাড়ছে

কোভিড-১৯ এর কারণে বেড়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার। এক দিকে জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করতে এই স্যানিটাইজার অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, এর কারণেই বাড়ছে শিশুদের নানা সমস্যা। সম্প্রতি ‘আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্র এই তথ্য উছে এসেছে। 

গবেষণায় বলা হয়েছে, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের কারণে শিশুদের চোখের ও ত্বকের সমস্যা মারাত্মক ভাবে বেড়ে যেতে পারে। এ ব্যাপারে শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অপূর্ব ঘোষ বলেন, ‘হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৭০ শতাংশ অ্যালকোহল রয়েছে। এই মাত্রা অত্যন্ত কড়া। কোভিডের কারণে সকলেই বাধ্য হচ্ছি স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে। কিন্তু এটা মোটেই খুব স্বাস্থ্যকর নয়। বিশেষ করে, শিশুদের চোখ আর ত্বকের জন্য।’

‘আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’-এর গবেষণা বলছে, তাদের সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১৯ সালে যত জন শিশুকে চোখে বিষক্রিয়ার কারণে চিকিৎসা করানো হয়েছিল, তার মধ্যে মাত্র ১.৩ শতাংশের ক্ষেত্রেই বিষক্রিয়ার কারণ ছিল হ্যান্ড স্যানিটাইজার। কিন্তু ২০২০ সালে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি। শুধু চোখের নয়, বাড়ছে ত্বকের সমস্যাও। 

ত্বক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পিয়ালি চট্টোপাধ্যায় বলছেন, ‘এখনও পরিসংখ্যানগত প্রমাণ কিছু নেই। কিন্তু ৭০ শতাংশ অ্যালকোহলের কারণে ত্বকের কিছু পরিবর্তন হবে, সেটা তো স্বাভাবিকই।’

এতদিন ধরে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতেই স্যানিটাইজারের ব্যবহার নিয়ে কোনও প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু এর পর আস্তে আস্তে স্যানিটাইজারের ব্যবাহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে বলেও চিকিৎসকদের একাংশের মত। সূত্র: আনন্দবাজার।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:০০
প্রিন্ট করুন printer

পাল্টে ফেলুন খালি পেটে চা খাওয়ার অভ্যাস

অনলাইন ডেস্ক

পাল্টে ফেলুন খালি পেটে চা খাওয়ার অভ্যাস

ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে চা পান করাকে অনেকেই আধুনিকতার অনুষঙ্গ মনে করেন। তাছাড়া শরীরকে চাঙ্গা করে তুলতে চায়ের তুলনা হয় না।

তাই সকালে আপনি স্বচ্ছন্দেই চা খেতে পারেন। কিন্তু ঘুম থেকে উঠেই চা খাওয়ার অভ্যাসটা একদমই স্বাস্থ্যকর নয়। এতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। 

আগে হালকা নাস্তা করে নিন। এর পর চা পান করুন। খালি পেটে চা খেলে বমি হতে পারে কারণ এতে ট্যানিন থাকে। তবে সবার ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য নয়। তবে খালি পেটে চা পান করার পরও বমি না হওয়া কিংবা খারাপ বোধ না হওয়ার মানে এই নয় যে আপনি বেঁচে গেছেন। খালি পেটে চা পানের অভ্যাস থেকে আলসারের সমস্যা দেখা দেবে।

খালি পেটে চা খেলে জিভের স্বাদ পাল্টে যায়। খিদে চলে যায়। ফলে অনেকক্ষণ পেট খালি থাকে। খালি পেটে চা পড়লে অন্য খাদ্যেও কাজ করে না। ফলে শরীরের প্রোটিন কমে যায়। খালি পেটে দুধ বা লিকার চা এমদমই এড়িয়ে চলুন। আর কাজের ফাঁকে বার বার চা খাবেন না। এতে পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রস্টেট ক্যান্সারের সমস্যা দেখা দেয়। নারীদের জন্যও এটা ক্ষতিকর।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৪৩
প্রিন্ট করুন printer

ঝেড়ে ফেলুন নেতিবাচক মনোভাব

তাসনিম-এ-জান্নাত অর্থী

ঝেড়ে ফেলুন নেতিবাচক মনোভাব
প্রতীকী ছবি

আমাদের চারপাশে প্রায়ই বিভিন্ন অত্যাচার, নিপীড়ন, দুর্নীতি এবং সহিংস কর্মকান্ডের খবর পাই। দৈনন্দিন জীবনে এই সহিংস ঘটনাগুলো আমাদের মস্তিষ্কে কতটা প্রভাব ফেলছে অথবা কতটা নেতিবাচক মানসিকতা তৈরি হওয়ার কারণে দিনের পর দিন এমন নৃশংস কর্মকান্ড বেড়ে চলছে, তা কি আমাদের উদ্বেগের বিষয় নয়?

২০১৮-১৯ এর মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ১৭ শতাংশ বা দুই কোটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ নানাভাবে মানসিক রোগে আক্রান্ত। এছাড়া ১৩.৬ শতাংশ শিশু রয়েছে যারা যে কোনো অনাকাক্সিক্ষত, অপ্রত্যাশিত ঘটনার প্রভাবে নানাভাবে মানসিক সমস্যায় ভোগে এবং বিপর্যস্ত থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বা পারিপার্শ্বিক নানা পরিবর্তন আসার পরেও তারা সেই ট্রমা থেকে বের হয়ে আসতে পারে না। এবার আসি মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সামাজিক ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।  জীবনে সফলতা যেহেতু ব্যর্থতার চেয়ে অনেক বেশি দৃশ্যমান তাই সফলতার সুযোগকেই মানুষ অতি মূল্যায়ন করে। বেঁচে থাকার চেয়ে এখন টিকে থাকার দৌড়েই মানুষ ব্যস্ত। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে কে কার চেয়ে বেশি এগিয়ে গেল, কার কত বেশি অর্জন-এই প্রতিযোগিতা মানুষকে অনেকটাই হতাশার দিকে ঠেলে দেয়। কারণ জয়ের কদরের চেয়ে পরাজয়ের ক্ষতিকে আমরা বেশি ভয় পাই। তার মানে এই না আমরা সফলতার উদযাপন করব না। অবশ্যই করব, কিন্তু অন্যকে অবমূল্যায়ন করে নয়।

অন্যদিকে, টিকে থাকার দৌড়ে সাময়িকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোর মাঝে চলে আসে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ভীতি। ব্যর্থতা তাদের যতটা না গ্রাস করে, তার চেয়ে বেশি সেই প্রতিযোগী মনোভাব তাদের দুর্বল করে তোলে এবং মানসিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। তাই ঝেড়ে ফেলুন নেতিবাচক মনোভাব। দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টান, হয়ে উঠুন ইতিবাচক।

লেখক : সংবাদকর্মী


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৩৮
আপডেট : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

কোভিডের পর পড়ছে চুল, যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

কোভিডের পর পড়ছে চুল, যা করবেন
প্রতীকী ছবি

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) থেকে সুস্থ হওয়ার পর অনেকেরই অতিরিক্ত চুল পড়ছে। দেখা দিচ্ছে ব্রণের সমস্যা। এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণের  উপায় নিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেই আলোকে নিচে বর্ণনা করা হলো।

ব্রণ

করোনার চিকিৎসায় ‘স্টেরোয়েডস’ ব্যবহার করা হলে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। বুক, পিঠ, কাঁধ, থুতনির নিচের অংশ ও গলায় ব্রণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত ঘাম। এ ছাড়া স্টেরোয়েডস’য়ের কারণে দেহের তাপমাত্রার ওঠা-নামা ব্রণের সৃষ্টি করে। হাসপাতালে ভর্তি থাকার কারণে চুলে শ্যাম্পু করা হয় না। ফলে মাথায় দেখা দেয় খুশকির সমস্যা। সেখান থেকেও কপাল, পিঠ, গলা, কাঁধ ও বাহুতে ব্রণ দেখা দেয়। 

যা করবেন 

ব্রণ হলে এর সঠিক কারণ খুঁজে বের করা প্রয়োজন। ব্রণে কোনোভাবেই আঘাত করা ঠিক নয়। এতে দাগ বসে যেতে পারে। শরীর আর্দ্র রাখতে গোসলের পরে নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। ব্রণের চিকিৎসায় ত্বকে কখনও শক্ত স্ক্রাব ব্যবহার করা যাবে না। ময়েশ্চারাইজার সক্রিয়ভাবে ব্রণের কোনো উপকার না করলেও তা দাগের জটিলতা কমাতে সহায়তা করে। তবে ‘স্টেরয়েডস’ বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি ব্রণের চিকিৎসা শুরু করলে এই সমস্যা আর ফিরে আসবে না।

চুল পড়া

করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর অনেক রোগীর অস্থায়ীভাবে চুল পড়ছে। এই সময়ে চুলের বৃদ্ধি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়, যাকে বলে অতিরিক্ত ‘টেলোজেন এফ্লুভিয়াম’য়ের প্রভাব। এটা হওয়ার কারণ এই সময়ে মানসিক চাপ। এ সমস্যা সাধারণত আক্রান্ত হওয়ার তিন মাস পর থেকে শুরু হয়।

‘ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন’য়ের করা এক সমীক্ষা থেকে জানা যায়, এ সংক্রমণের ২৫টি লক্ষণের মধ্যে অতিরিক্ত চুল পড়া অন্যতম।

যা করবেন 

চুল পড়া সমস্যায় আতঙ্কিত হয়ে শুরুতেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হলেও হবে। পর্যাপ্ত পুষ্টি চাহিদা বিশেষ করে ভিটামিন, খনিজ, লৌহ, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ইত্যাদি খাবার গ্রহণ করতে হবে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে না চললে চুল পড়ার সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, এক্ষেত্রে খাবার তালিকায় রঙিন খাবার যোগ করতে হবে। প্রতিদিন দু-তিনটি ফল, সবজি, ভুট্টা, শস্য, মটর ও স্বাস্থ্যকর চর্বি খাদ্যতালিকায় যোগ করা প্রয়োজন। তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ না করাই ভালো।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

 

 

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৫৮
প্রিন্ট করুন printer

রক্তচাপ কমাতে মেনে চলুন ১১ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

রক্তচাপ কমাতে মেনে চলুন ১১ উপায়

উচ্চ রক্তচাপ বড় বিপদের কারণ হতে পারে। এমনকি জীবনহানীও হতে পারে। সেক্ষেত্রে এটা একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করানো উচিত। তবে রক্তচাপ কমাতে আপনি নিচের কয়েকটি নির্দেশ মেনে চলতে পারেন-

১। ওজন কমানো।

২। লবণ কম খাবেন।

৩। মদ্যপান বা নেশাদ্রব্য গ্রহণ করবেন না।

৪। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট জোরে জোরে হাঁটবেন।

৫। চর্বিজাতীয় খাবার কম খাবেন।

৬। প্রচুর ফল ও শাকসবজি খাওয়া উচিত।

৭। ধূমপান পরিত্যাগ করা উচিত।

৮। ডায়াবেটিস, হাইপারলিপিডেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়া) নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

৯। ঘন ঘন রক্তচাপ মেপে নজর রাখবেন।

১০। হাসিখুশি থাকুন ও মানসিক অবসাদগ্রস্ততা দূর করা।

১১। প্রয়োজন মতো বিশ্রাম নেওয়া উচিত।

বিডি-প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর