মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪ ০০:০০ টা

প্রস্তুত টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দান

টঙ্গী প্রতিনিধি

প্রস্তুত টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দান

রাজধানীর সন্নিকটে কহরদরিয়া খ্যাত টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরবর্তী ১৬০ একর বিস্তৃত ময়দান মুসল্লিদের জন্য প্রস্তুত। তুরাগ নদের পশ্চিম তীরে বেশ কিছু এলাকাজুড়ে মুসল্লিদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানেও মুসল্লিরা অবস্থান নিয়ে বয়ান শুনতে পারবেন। টুকিটাকি কিছু কাজ রয়েছে, তা আজকালের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। আর মাত্র দুই দিন পর আগামী শুক্রবার শুরু হবে বিশ্ব তাবলিগ জামাতের বার্ষিক মহাসম্মেলন। মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় মহাসম্মেলনের ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমা।

এবার ময়দানের বেশকিছু অংশে শামিয়ানা টানানো হয়নি। এসব স্থানে মুসল্লিরা জেলাওয়ারি খিত্তায় অবস্থান নিয়ে শামিয়ানা টানিয়ে নেবেন। ইজতেমা সামনে রেখে দেশি-বিদেশি মুসল্লিরা ময়দানের বাইরে দ্বীনের দাওয়াতে সময় পার করছেন। ইজতেমা শুরু হলে ময়দানে প্রবেশ করবেন। তিন দিনের ইজতেমা শেষে চিল্লাধারী সাথীরা এক চিল্লা, দুই চিল্লা, এমনকি তিন চিল্লায় দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়বেন। ২০২৪ সালের বিশ্ব ইজতেমা আগামী শুক্রবার শুরু হয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথম পর্ব।

এরপর চার দিন বিরতি দিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। ১১ ফেব্রুয়ারি রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে উভয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসলিল্লদের সুবিধার্থে বয়ানের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা ও আরবি ভাষায় তর্জমা করা হবে। ময়দানের উত্তর-পশ্চিমে তৈরি হয়েছে বয়ান (মেম্বর) মঞ্চ এবং পশ্চিমপ্রান্তে কামারপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন বিদেশি মেহমানদের থাকার ঘর। নদী পারাপারের জন্য সেনাবাহিনী নির্মাণ করেছে পাঁচটি ভাসমান (পল্টুন) সেতু। বিআইডব্লিউটিএ একটি সেতু নির্মাণ করেছে। মুসল্লিদের চলাচলের সুবিধার্থে ১৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন ও বেশকিছু বিশেষ বাস চলাচল করবে। এ বিষয়ে গাজীপুর সিটি করর্পোরেশনের প্রধান উপদেষ্টা সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এবারের বিশ্ব ইজতেমা সফল করতে আগত মুসল্লিদের সেবায় সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে। এ ব্যাপারে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মাহবুব আলম বলেন, কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে ইজতেমা ময়দান। এবারের ইজতেমা বাস্তবায়নে পুলিশের পাশাপাশি গাজীপুর সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসক, ফায়ার সার্ভিস, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিভাগ কাজ করছে। মাঠের নিরাপত্তায় পোশাকি পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, সিআইডি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন।

সর্বশেষ খবর