শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩১, শনিবার, ০২ এপ্রিল, ২০১৬ আপডেট:

দিদিকে মসনদে রাখতেই আগ্রহী দিল্লির দাদা

সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত
Not defined
অনলাইন ভার্সন
দিদিকে মসনদে রাখতেই আগ্রহী দিল্লির দাদা

পৃথিবীর যে কোনো দেশে স্টিমার ঘাট সে ঢাকা, খুলনা বা আমস্টারডাম যাই হোক সব জায়গায়ই নোংরা থাকে। তারপর স্টিমারটি যখন ঘাট ছেড়ে বড় নদীতে বা সমুদ্রে গিয়ে পড়ে তখন তার জল স্বচ্ছ, পরিষ্কার। পশ্চিমবঙ্গের গোটা রাজ্যই গত পাঁচ বছরে স্টিমার ঘাটের মতো করে ফেলেছে তৃণমূল।  চারদিকে শুধু নোংরা। শুরু হয়েছিল গত শতকের ’৯৮ সালে মমতা-বিজেপি আঁতাত দিয়ে। আর এখন পদ্মা-মেঘনা নদীর মাঝপথে যেতে গেলে দেখা যায় জল খুব পরিষ্কার। এই উপমাটা এ জন্যই দিলাম যে, অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল কলকাতার মমতা ব্যানার্জি এবং দিল্লির নরেন্দ্র মোদির মধ্যে যে আঁতাত হয়েছে তা পদ্মা-মেঘনার জলের মতোই স্পষ্ট। বাংলাদেশের পাঠকরা জানতে চান পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী। আমরা যা দেখছি পরিস্থিতি দিদির অনুকূলে নয়।

পাঁচ বছর আগে দিদি যাত্রা শুরু করেছিলেন চিটকাণ্ডর হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়ে। তার সেই যাত্রার শেষ পর্যায়ে তার দলের ১৬ জন মন্ত্রী, বিধায়ক, সংসদ সদস্য সর্বশেষ দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন। বেপরোয়াভাবে এরা খুব খেয়েছেন। সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েলের তোলা ভিডিওয় এদের ছবি এবং কথাবার্তা উঠেছে। মামলাটি এখন কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন। ইতিমধ্যে ওই ক্যামেরায় ঘুষ নেওয়ায় ছবিটি হায়দরাবাদের ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে দেখা গেছে তাতে জালিয়াতির কোনো প্রমাণ নেই।

তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে দুর্নীতি আর দুর্নীতি তৃণমূলকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে দিয়েছে। নির্বাচনে কংগ্রেস ও বাম দলগুলোর জোটের প্রথম সারির দুজন নেতা সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম এবং কংগ্রেসের আবদুল মান্নান তৃণমূলের দুর্নীতির নানা দৃষ্টান্ত তুলে ধরে বলেছেন, এই দলটির জন্মই হয়েছিল মানুষকে ঠকিয়ে নেতা-নেত্রীদের দুই পয়সা কামিয়ে নেওয়ার জন্য। এই দুই নেতাই শুধু নন, বাম কংগ্রেস জোটের প্রথম সারির সব নেতাই এই অভিযোগ করছেন। তারা বলছেন, সারদা কাণ্ডের পর নির্বাচনের মুখে ঘুষকাণ্ড গোদের উপর বিষফোড়া। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ অবাক হয়নি।

১৯৪৭ সাল থেকে যে কংগ্রেস ও বামপন্থিরা আদায়-কাঁচকলায় ছিল তারা এবার হাতে হাত মিলিয়ে বলছেন, এই পাঁচ বছরের অসহ্য যন্ত্রণা থেকে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ মুক্তি চাইছেন। মুক্তি চাইছেন অপশাসন, দুর্নীতি, ঘুষ, ধর্ষণ, খুনের একের পর এক ঘটনা থেকে। পাঁচ বছরে মানুষের যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তা বিগত ৬৫ বছরে হয়নি। ২৭ বছরের কংগ্রেস এবং ৩০ বছরের বাম শাসনে যা হয়নি, গত পাঁচ বছরে তার শতগুণ বেশি হয়েছে বলে বিরোধীরা হিসাব দিয়ে দেখিয়েছেন। তারা প্রশ্ন তুলছেন, প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য একেকজনকে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। তারপরও তারা নিয়োগপত্র হাতে পাননি।

পাঁচটি নির্বাচনে জেতার জন্য বঙ্গেশ্বরী গত পাঁচ বছরে (ত্রি-স্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন, পুরসভা নির্বাচন, লোকসভা নির্বাচন এবং সল্টলেক পুরসভার নির্বাচন) পুলিশ এবং মাফিয়া ডনদের ব্যবহার করেছেন। ভোটের নামে হয়েছে প্রহসন। মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি।

সল্টলেকের কংগ্রেস প্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী প্রচারে বলেছেন, রাস্তায় বেরিয়েছি মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে। ওই নির্বাচনগুলোতে যে চরম অরাজকতা হয়েছে তার ভিডিও টেপ দেখেছেন ভারতের নির্বাচন কমিশনার নাসিম জাইদি। বারবার তিনি কলকাতায় ছুটে আসছেন তার কমিশনের বাকি সদস্যদের নিয়ে। তাই ভয় পেয়ে মমতা তার দাগি নেতাদের বলেছেন, এখন নির্বাচনী সভা না করতে। মমতা নিজেও কি সুখে আছেন? বিরোধীদের প্রশ্নের কারণ, তার বিরুদ্ধে কংগ্রেস তথা জোটের প্রার্থী করা হয়েছে দীপা দাশমুন্সিকে। কে এই দীপা? তিনি অসুস্থ কংগ্রেস নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির স্ত্রী এবং উত্তরবঙ্গের রায়গঞ্জের দাপুটে নেত্রী। ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে দীপাদেবী সিপিএমের মহম্মদ সেলিমের কাছে হেরে যান। আর এখন সেই সেলিম দীপাদেবীর হাতে হাত ধরে ভবানীপুর এলাকায় সভা করছেন।

শুধু ওই দুজনই নয়, সারা রাজ্যে জেলায় জেলায়, মহল্লায় মহল্লায় নেতা-নেত্রীরা একই সুরে বলছেন, মমতা হটাও পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা কর। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া চলবে না। সিপিএম-কংগ্রেস নেতারা এটাও ব্যাখ্যা করছেন যে, দুই দলের নেতারা এই জোট করেনি। তৃণমূলের অপশাসন থেকে মুক্তির জন্য মানুষই এই জোট করেছে। তৃণমূল নেতারা দুটি স্লোগান বাজারে ছেড়েছেন। (১) শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা/তৃণমূলই ভরসা, (২) ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা কুল/ক্ষমতায় ফিরছে তৃণমূল। ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতন্ত্রপ্রেমীরা এই স্লোগানকে আমল দিচ্ছেন না। তারা বলছেন, এবারের নির্বাচন গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য। তার দলের মধ্যেও কি প্রভাব বজায় রাখতে পারছেন? একদা তার দলের ‘নাম্বার টু’ মুকুল রায়কে সরিয়ে দিয়ে নিজের ভ্রাতুষ্পুত্রকে বসিয়েছিলেন। সেই মুকুল রায়কে আবার তিনি ফিরিয়ে এনেছেন। তার কারণ হলো, অতীতে দেখা গেছে বিরোধী দলগুলো থেকে এমএলএ এমপি কিনতে সিদ্ধহস্ত। ভোটের পরে তাকে দরকার হতে পারে। বিজেপির সঙ্গেও মুকুলের গোপন আঁতাত রয়েছে।

২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদি কলকাতায় এসে বলেছিলেন, সারদা দুর্নীতির দায়ে দিদিকে তিনি জেলে পুরবেন। দুই বছরের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, জেলে ঢোকানোর পরিবর্তে দিদিকে মসনদে রাখতেই আগ্রহী দিল্লির দাদা। অঙ্গরাজ্যের বিজেপি নেতারা যারা তিন বছর ধরে দাপাদাপি করেছেন, বিজেপির হাইকমান্ডের নির্দেশে তারা পেছনের সারিতে চলে গেছেন। অনেকেই আর নির্বাচনেও দাঁড়াননি। ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় তারা অভিযোগ করেন, দিদিকে এত তোল্লাই দেওয়ার কারণ তারা বুঝতে পারছেন না। তারাই প্রশ্ন তুলেছেন, কী হলো সারদা কাণ্ডের। কোথায় গেল সেই সব হুমকি যা দেখে ও শুনে বিভিন্ন দল থেকে বহু লোক বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। মোদি নিজে স্টিং অপারেশনের ব্যাপারে লোকসভার এথিকস কমিটির তদন্ত করালেও রাজ্যসভার মুকুল রায়কে বাঁচাতে কোথাও পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। কারণ বিজেপির অরুন জেটলির সঙ্গে গভীর আঁতাত রয়েছে মুকুল রায়ের। তবে এ ব্যাপারে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রুপা গঙ্গোপাধ্যায়। দেড় বছর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়ে রাজ্য বিজেপিকে টেনে তুলেছিলেন। মানুষের মনে একটা আশা জেগেছিল হয়তোবা বিজেপি রুপাকে সামনে রেখে দু’চারটে আসন পেলেও পেতে পারে। হাওড়ার এক অখ্যাত কেন্দ্রে তাকে প্রার্থী করায় বিরক্ত রুপা বলেছেন, বিজেপি হলো একটা কাঁকড়ার দল। কেউ ওঠার চেষ্টা করলে বাকিরা তাকে পেছন থেকে টেনে নামিয়ে দেয়। হতাশ রুপা নির্বাচনে লড়লেও বিজেপির প্রতি আস্থা যে তিনি হারিয়ে ফেলেছেন তা তিনি লুকিয়ে রাখেননি। ফেব্রুয়ারি ও মার্চের গোড়ায় দু’বার কলকাতায় এসে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং আইসি ওসিদের অনেককেই সরিয়ে দিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনার নাসিম জাইদি। জাইদি ভোটের কাজে নিযুক্ত সব অফিসারকে সতর্ক করে বলেছিলেন, আগে আপনারা লুকানো অস্ত্র খুঁজে বের করুন। বাংলাদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, আসাম, উড়িষ্যার সীমানা সিল করে দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ পর্যন্ত কোনো সীমানা সিল হয়েছে কিনা কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। অপরদিকে গত ৭ দিনে যদি হিসাব নেওয়া যায় তাহলে দেখা যাবে গোটা রাজ্যটাই বারুদের স্তূপের ওপর বসে আছে। জেলাগুলো থেকে বোমা, বোমার মশলা, বন্দুক, পাইপগান উদ্ধার করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রশ্ন উঠেছে, রাজ্য পুলিশ কেন এসব অস্ত্র উদ্ধার করতে পারল না। তাদের হাত-পা কে বেঁধে রেখেছে?

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের স্পষ্ট হুকুম। যেখানে যেখানে অস্ত্র উদ্ধার করা হচ্ছে, সেখানকার সমাজবিরোধীদের জেলে ঢোকাতে হবে। স্পর্শকাতর জেলাগুলোর মধ্যে আছে কুচবিহার, পূর্ব-পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, দুই ২৪ পরগনা, বীরভূম। এই বীরভূমে এমন দিন গত পাঁচ বছরে যায়নি যেদিন কোনো না কোনো ঘটনা ঘটেনি। দিদির খুবই প্রিয়, একদা মাছ ব্যবসায়ী অনুপ্রত মণ্ডলের নেতৃত্বে বীরভূম গত পাঁচ বছর উত্তপ্ত ছিল।

খবরটি বঙ্গেশ্বরীর কানেও এসেছে। তাই তিনি তার আমলে যারা অবসর নিয়েছেন সেসব পুলিশ অফিসারকে কাজে লাগাচ্ছেন। তাদের জেলা সফর করে রিপোর্ট দিতে বলেছেন।

ইতিমধ্যে সীমান্ত জেলাগুলোতে এই প্রাক্তন অফিসাররা ঘুরেও এসেছেন। জোট সূত্রে বলা হয়, এ ব্যাপারে তারা নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন। কমিশন তার ফুলরেঞ্জ নিয়ে আবার কলকাতায় আসছে। অনেকের মনে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এই বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আদৌ কাজে লাগানো হবে কিনা। বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, মমতা যতই চেষ্টা করুন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ জেগে উঠেছে। তারা অপশাসন থেকে মুক্তি চাইছে। গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে আরও মজবুত করতে চাইছে। তাই এবারের নির্বাচন হতে চলেছে গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বনাম বেপরোয়া সন্ত্রাসবাদের মধ্যে। শুরুতেই আমরা বলেছিলাম আঁতাতের কথা। মহম্মদ সেলিম স্পষ্ট অভিযোগ করেছেন, এই আঁতাত হয়েছে ২০১৯-এর দিকে তাকিয়ে। কারণ সে সময় হবে নির্বাচন। সেই সাধারণ নির্বাচনে তৃণমূলকে পাশে পেতেই সম্পর্ক জিইয়ে রাখছে বিজেপি। আর এই দুটি দলের সমঝোতা খুব স্বাভাবিক ঘটনা।  ইতিহাসেই তার  প্রমাণ রয়েছে।

১৯৭১-এর মার্চ মাসে সাড়ে সাত কোটি মানুষকে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, তার সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম।  ৪৫ বছর পর এপার বাংলার মানুষ বলছে, এবারের সংগ্রাম ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রাম।

লেখক : ভারতীয় প্রবীণ সাংবাদিক।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন