শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:২৬, শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৬

বিএনপি শক্তিশালী হবে কীভাবে

মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান
Not defined
অনলাইন ভার্সন
বিএনপি শক্তিশালী হবে কীভাবে

পার্টি অফিসে বা সেমিনার সিম্পোজিয়ামে বক্তৃতা-বিবৃতি দেওয়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়। এগুলো এনজিওবাজদের কাজ। বিএনপি একটি বিশাল রাজনৈতিক দল কিন্তু এই দল এখন বিস্ফোরণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। বিএনপি এখন মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। দলের সব দায়-দায়িত্ব এক বা দুজনের ওপর। পৃথিবীর তাবৎ রাজনৈতিক দলই এভাবে চলে। বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু দলের শীর্ষ নেতা বা নেতৃত্ব দলকে পরিচালিত করে যাতে দলের প্রতিটি নেতা-কর্মী দলকে শক্তিশালী করতে সবসময় সচেষ্ট থাকে। বিএনপিতে এর উল্টো। দলে অন্য কোনো নেতৃত্বের বলয় নেই। নেই কোনো ছাত্রনেতা যে নিজের সাহসে ও ক্ষমতায় রাজনীতিতে কোনো সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। তেমনি নেই কোনো গ্রহণযোগ্য যুবনেতা বা শ্রমিক নেতা বা কোনো পেশাজীবী নেতা বা আঞ্চলিক বা জেলা নেতা। এমনকি নিজের পরিচয়ে কথা বলার কোনো জাতীয় নেতাও নেই। আছে কতগুলো চাকর-বাকর যারা নেত্রীরই চারপাশে ঘুর ঘুর করে পদ ভিক্ষা করে। ‘পদ পাইলেই বিশাল নেতা’ না হলে সমাজে দাঁড়ানোর মতো ভিত তাদের নেই। দলের ভিতরে কোনো ঘর্ষণ নেই, তাই দলের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় না। ম্যাডাম একমাত্র দলের ভিতরে ক্ষমতার উৎস। ম্যাডামের সংযোগ বা স্পর্শ ছাড়া তার তথাকথিত ক্ষমতাশালী পুত্রধনের বাতিও জিরো পাওয়ারের। কিন্তু ম্যাডামকে সরকার সুপরিকল্পিতভাবে ঘরে বসিয়ে দিয়ে তার ক্ষমতাকেও হ্রাস করে দিয়েছে। ম্যাডাম এখন চার্জার থেকে বিচ্ছিন্ন বিশাল শক্তিশালী একটি ব্যাটারি যার পাওয়ার দিন দিন কমে যাচ্ছে। এ সরকার ম্যাডামের চার্জার বা ক্ষমতার উৎস জনগণের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে এখন পর্যন্ত সফল হয়েছে। যদি বিএনপি আরেকজন সমান্তরাল নেতৃত্ব সৃষ্টি করে দলকে জনগণের কাছে নিয়ে না যেতে পারে তাহলে ম্যাডামকে জনবিচ্ছিন্ন করার সরকারের পরিকল্পনা সফল হবেই।

সরকার ভালো করেই জানে যতক্ষণ পর্যন্ত ম্যাডাম নিজে মাঠে না নামবেন ততক্ষণ দলে আর কোনো নেতাই নেই যার কথায় জনগণ মাঠে নেমে আসবে। বিএনপি প্রচণ্ডভাবে ম্যাডামকেন্দ্রিক যা বিএনপির তথা ম্যাডামের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থান বলে অনেকেই মনে করে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ আপাতত দেখা যাচ্ছে তিনটি। প্রথমটি হলো ম্যাডামকে ঘর থেকে বেরিয়ে মাসে মাসে অন্তত জেলায় জেলায় সাংগঠনিক সফর ও জনসভা করতে হবে। দ্বিতীয়টি হলো ম্যাডাম না পারলে তারেক রহমানকে বাংলাদেশে এসে সেই কাজগুলো করতে হবে। তৃতীয়টি হলো যদি ম্যাডাম বা তারেক রহমান না পারেন তাহলে অন্য কোনো বিশ্বস্ত ও জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতাকে সেই দায়িত্ব ও ক্ষমতা দিয়ে সারা দেশে সাংগঠনিক সফর ও জনসভা করার জন্য পাঠাতে হবে। যদি বিশ্বাসযোগ্য একজন কাউকে না পাওয়া যায় তাহলে যে কোনো তিনজন নেতাকে একসঙ্গে সর্বাত্মক ক্ষমতা দিয়ে সেই দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দিতে হবে। এর বাইরে কিছু করতে গেলে সময় ও সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। হয়তো ১৯৯১ সালের মতো সুযোগ আসতেও পারে!

এ মুহূর্তে সময়ের দাবি, বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে ঢেলে সাজাতে হবে। ঢাকায় বসে কমিটি করলে হবে না। তৃণমূল থেকে বিএনপিকে আবার গঠন করে নিয়ে আসতে হবে। উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া বা অনুমোদিত কমিটি করার রেওয়াজ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। দলকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। দলের মধ্যে দলীয় আনুগত্য সৃষ্টি করতে হবে। পকেট কমিটির রাজনীতি বা ম্যাডামের দয়ায় পদ বা কমিটি করার চাকর-বাকর রাজনীতির চর্চা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সময় দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ৬.৯ রিখটার স্কেলে বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়েছে, তার মানে যদি কেউ মনে করে বার বার বাংলাদেশে ভূমিকম্প হবে তাহলে স্টিলমিল মালিকদের পোয়াবারো হবে কিন্তু ভূমিকম্প আরেকবার খুব কাছাকাছি সময়ে আসবে কিনা সন্দেহ। আমি প্রতি রাতে অন্তত স্বপ্ন দেখতে চাই এ সরকার ক্ষমতা থেকে সরে গেছে। আমি আরও বিশ্বাস করতে চাই বিএনপি খুব তাড়াতাড়ি ক্ষমতায় আসছে। আমাকে শুধু ম্যাডামের কাছে গিয়ে এ কথাগুলো বলতে হবে। তাহলে আমার মতো যে কারও পক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হওয়া কোনো সমস্যাই নয়! তবে দোয়া করি ম্যাডাম যেন সফলকাম হন।

পরিশেষে ম্যাডামের কাছে আমার কিছু মিনতি নিচে উল্লেখ করলাম। বিবেচনা ম্যাডামের ইচ্ছা।

১. তৃণমূল গ্রাম কমিটি : প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডের মধ্যে থেকে একজন নেতা ও ন্যূনতম ২০ জন সদস্য নিয়ে যত সংখ্যক কমিটি পাওয়া যায় তত সংখ্যক যার যার মতো কমিটি গঠন করা হবে। এ কমিটির নাম হবে বিএনপির তৃণমূল গ্রাম কমিটি বা তৃণমূল বিএনপি। এই তৃণমূল গ্রাম কমিটি কেন্দ্র সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় একটি ডাটা বেইস সার্ভার ব্যবহার করা হবে, যেখানে এ কমিটিগুলো নিবন্ধিত থাকবে। প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৫ দিনে এ কমিটিগুলো নিবন্ধিত হবে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিলে প্রাথমিকভাবে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর এ চার মাসকে তৃণমূল গ্রাম কমিটি নিবন্ধনকাল ঘোষণা করে দেশব্যাপী একযোগে তৃণমূল গ্রাম কমিটি গঠন সম্পন্ন করা যেতে পারে। পরবর্তীতে এলাকার জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি বিবেচনা করে প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৫ দিনকে নতুন কমিটি নিবন্ধনের পক্ষ ঘোষণা করে নতুন নতুন আরও কমিটি নিবন্ধন করা যেতে পারে। তবে তৃণমূল কমিটি গঠনের কিছু অত্যাবশ্যক শর্ত নিম্নরূপ হতে হবে :

১.১। গ্রাম পর্যায়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে তৃণমূল গ্রাম কমিটি একাধিক থাকতে পারবে। ১.২। তৃণমূল গ্রাম কমিটির সদস্যদের ক্রমতালিকা তাদের স্ব স্ব অবস্থান, প্রভাব ও গুরুত্ব অনুযায়ী তালিকাভুক্ত হবে এবং যেভাবে কমিটির সদস্যদের নামের তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হবে তা কখনোই পরিবর্তন করা যাবে না। ১.৩। তৃণমূল কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা ২১ এর কম বা বেশি কোনোটাই হতে পারবে না। ১.৪। একজন ব্যক্তি কোনোভাবেই একাধিক তৃণমূল গ্রাম কমিটির সদস্য হতে পারবে না। ১.৫। তৃণমূল সদস্যের বয়স যে বছর তালিকাভুক্ত হবে সে বছরের ১ জানুয়ারি ন্যূনতম ১৮ বছর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রধারী হতে হবে। ১.৬। সদস্য বলতে নারী-পুরুষ উভয়কেই বোঝাবে। ১.৭। সদস্য তালিকায় সদস্যদের স্ব স্ব জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। না হলে সদস্যপদ বৈধ হবে না। ১.৮। তৃণমূল কমিটি চিরস্থায়ী হবে। মৃত্যু বা স্বহস্তে পদত্যাগ ছাড়া কমিটিতে কোনো পরিবর্তন আনা যাবে না। ১.৯। তৃণমূল গ্রাম কমিটির নেতৃত্বেও কোনো পরিবর্তন আনা যাবে না। ১.১০। প্রতি বছর ১৫ জানুয়ারির মধ্যে নতুন কমিটি সরাসরি কেন্দ্রে স্বপ্রণোদিতভাবে নিবন্ধিত হবে। ১.১১। তৃণমূল গ্রাম কমিটির প্রথম পাঁচজন সভাপতিসহ স্থায়ী সদস্য বলে পরিচিত হবে এবং স্থায়ী সদস্য বলে ওয়ার্ড কমিটির সদস্য হবে। এ ছাডা প্রতি দুই বছরের জন্য আরও পাঁচজন কমিটির সব সদস্যের কণ্ঠভোটে তৃণমূল ওয়ার্ড কমিটির সদস্য নির্বাচিত হবে। ১.১২। তৃণমূল কমিটির প্রতি মাসে (প্রতি মাসের তৃতীয় শুক্রবার বিকালে) অন্তত একটি সভা করতে হবে। ১.১৩। প্রতি দুই বছর অন্তর ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচনী সভা করে ওয়ার্ড কমিটির সদস্য নির্বাচন করা হবে। কোনো সদস্য একনাগাড়ে দুই মেয়াদের বেশি নির্বাচিত হতে পারবে না, তবে এক বা একাধিক মেয়াদের বিরতি দিয়ে বার বার নির্বাচিত হতে পারবে। ১.১৪। যে আগে নিবন্ধনের আবেদন করবে সে ভিত্তিতে কেন্দ্র প্রতিটি তৃণমূল গ্রাম কমিটির ওয়ার্ডের নাম প্রথমে উল্লেখ করে চার সংখ্যাবিশিষ্ট নিবন্ধন ক্রমিক নাম্বার বরাদ্দ করবে, যেমন সুরমা-০০০১।

২. ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটি : ওয়ার্ডের তৃণমূল গ্রাম বিএনপির প্রতিটি কমিটি হতে পাঁচজন স্থায়ী এবং পাঁচজন নির্বাচিত এই দশজন সদস্য নিয়ে যত সংখ্যা হোক তত সংখ্যাবিশিষ্ট ওয়ার্ড বিএনপি কমিটি গঠিত হবে। ওয়ার্ড বিএনপি নিম্ন শর্ত অনুযায়ী কাজ করবে।

২.১। কমিটির মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর। প্রতি দুই বছর অন্তর ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ওয়ার্ড কমিটি গঠিত হবে। ২.২। কমিটি গঠিত হওয়ার পরের দ্বিতীয় জানুয়ারির ৩১ তারিখে কমিটি আপনা আপনিই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ২.৩। ওয়ার্ড কমিটির মেয়াদ বৃদ্ধির কোনো সুযোগ থাকবে না। ২.৪। ওয়ার্ড বিএনপিতে একজন সভাপতি, দুজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন কোষাধ্যক্ষ ও একজন দফতর সম্পাদক ওয়ার্ড বিএনপির সব সদস্যের কণ্ঠভোটে কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পরবর্তী অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে পরবর্তী মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হবে। বাকি সব সদস্য ওয়ার্ড বিএনপির নির্বাহী সদস্য হবে। ২.৫। ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি, সহ-সভাপতিদ্বয়, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, দফতর সম্পাদক এ সাতজন পদাধিকারবলে ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হবে। এই সাতজন একজন একজনকে সাথী হিসেবে আরও সাতজনকে ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য নির্বাচিত করবে। ২.৬। মাসে অন্তত একবার (মাসের প্রথম শুক্রবার বিকালে) ওয়ার্ড কমিটি সভায় মিলিত হবে। ২.৭। একই নির্বাহী পদে কেউ দুই মেয়াদের বেশি থাকতে পারবে না। তবে দুই মেয়াদ অন্তর বা ভিন্ন পদে কোনো বাধা থাকবে না। ২.৮। কমিটি গঠনে কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে না। বৈধভাবে গঠিত ওয়ার্ড কমিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেন্দ্রে নিবন্ধিত হয়ে যাবে। কোনো ওয়ার্ড কমিটির বৈধতার প্রশ্ন দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি যে রায় দেবে তাই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

৩। ইউনিয়ন বিএনপি নির্বাহী কমিটি : প্রতিটি ওয়ার্ড  থেকে সাতজন নির্বাহী পদধারী এবং সাতজন সাথী সদস্য নিয়ে মোট ৬৩ সদস্যবিশিষ্ট ইউনিয়ন বিএনপি গঠিত হবে। ইউনিয়ন বিএনপি নিম্ন শর্ত অনুযায়ী কাজ করবে। ৩.১। কমিটির মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর। প্রতি দুই বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসে ইউনিয়ন কমিটি গঠিত হবে। ৩.২। কমিটি গঠিত হওয়ার পরের দ্বিতীয় ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখে কমিটি আপনা-আপনিই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ৩.৩। ওয়ার্ড কমিটির মেয়াদ বৃদ্ধির কোনো সুযোগ থাকবে না। ৩.৪। ইউনিয়ন বিএনপির ৬৩ জন সদস্যের কণ্ঠভোটে একজন সভাপতি, দুজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন কোষাধ্যক্ষ, একজন দফতর সম্পাদক নির্বাচিত করা হবে। বাকি সবাই নির্বাহী সদস্য থাকবে। ৩.৫। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সহ-সভাপতিদ্বয়, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, দফতর সম্পাদক এ সাতজন পদাধিকার বলে উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হবে। এ সাতজন একজন একজনকে সাথী হিসেবে আরও সাতজনকে উপজেলা বিএনপির সদস্য নির্বাচিত করবে। ৩.৬। মাসে অন্তত একবার (মাসের প্রথম শুক্রবার বিকালে) ওয়ার্ড কমিটি সভায় মিলিত হবে। ৩.৭। একই নির্বাহী পদে কেউ দুই মেয়াদের বেশি থাকতে পারবে না। তবে দুই মেয়াদ অন্তর বা ভিন্ন পদে কোনো বাধা থাকবে না। ৩.৮। কমিটি গঠনে কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে না। বৈধভাবে গঠিত ওয়ার্ড কমিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেন্দ্রে নিবন্ধিত হয়ে যাবে। কোনো ওয়ার্ড কমিটির বৈধতার প্রশ্ন দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে জেলা বিএনপির সভাপতি যে রায় দেবে তাই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।  ইউনিয়ন পর্যায় অর্থাৎ একদম তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপির একটি ধারণাপত্র সংশ্লিষ্ট সব মহলের বিবেচনার জন্য লিখলাম। আগামীতে উপজেলা পর্যায় থেকে উপরের দিকের সাংগঠনিক কাঠামোর বিষয়ে কিছু লেখার আশা রাখি।

সবাইকে ধন্যবাদ।

     লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন