শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:২১, সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০১৫

মৌলবাদ ও দুর্নীতি বাংলাদেশের শত্রু: গাফ্ফার চৌধুরী

নিউইয়র্ক থেকে এনআরবি নিউজ:
অনলাইন ভার্সন
মৌলবাদ ও দুর্নীতি বাংলাদেশের শত্রু: গাফ্ফার চৌধুরী

অমর একুশের গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরীকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা জানালেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা। রবিবার বিকেল ৩টায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকায় জেএফকে এয়ারপোর্ট সংলগ্ন ‘ক্রাউন প্লাজা’ হোটেলের মিলনায়তনে কলামিস্ট ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের এই প্রবাদ পুরুষ গাফ্ফার চৌধুরী প্রবাসীদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় অভিভূত হন। এ সময় তার সাম্প্রতিক একটি বক্তব্যকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিকৃত করে জামাত-শিবির ও বিএনপির একাংশ কর্তৃক সহজ-সরল প্রবাসীদের ক্ষেপিয়ে তোলার অভিপায়ে প্রবাসে তার বিরুদ্ধে নানা কর্মসূচির প্রতি ইঙ্গিত করে গাফফার চৌধুরী বলেন, ‘আমি মোটেই বিস্মিত নই। এরকম মূর্খ এই সমাজে আগেও ছিল। আগামীতেও থাকবে। তাই একটা সামাজিক বিপ্লব দরকার। যে বিপ্লব মানুষকে বদলাবে জ্ঞানের পথে। মানুষ হাঁটবে আলোর আঙিনায়।’ এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে কখনোই কোন তালেবানী পতাকা উড়বে না- এ বিশ্বাস নিয়ে আমি ফিরে যাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘শত অপপ্রচার ও প্রতিকুলতার মধ্যে আজকে এখানে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তি যেভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন, তাতে আমি আশাবাদী। বাংলদেশে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তির বিজয় নিশ্চিত।’

গাফফার চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের শত্রু দুইটি: মৌলবাদ ও দুর্নীতি। এ দুটো ধ্বংস করা না গেলে আধুনিক, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। এজন্যে সেকুলার সোসাইটির ভূমিকা অনেক বেশি। তিনি বলেন, ধর্মান্ধতা বাংলাদেশে প্রগতির পক্ষে সবচেয়ে বড় অন্তরায়।

সংবর্ধনা প্রদানের এ অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিল নিউইয়র্কে বাঙালি পাড়া হিসেবে পরিচিত জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে। কৌশলগত কারণে ভ্যানু পরিবর্তন করেন উদ্যোক্তারা। স্বল্প সময়ের নোটিশে হওয়া সত্ত্বেও বিকাল তিনটার আগেই মিলনায়তনটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক মুক্তিযোদ্ধা ও যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ড. নূরন নবী জামাত-শিবিরের অপতৎপরতা প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন, ‘আমাদের এই অনুষ্ঠানটি ছিলো জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির হুমকিতে জুইশ সেন্টার কর্তৃপক্ষ ভেন্যু বাতিল করে দেয়। ফলে কয়েক ঘণ্টার নোটিশে আমাদের এই সভার আয়োজন করতে হয়।’ ড. নূরন নবী বলেন, ‘মৌলবাদী শক্তি ঘোষণা দিয়েছিলো, তারা কোন অনুষ্ঠান করতে দেবে না। কিন্তু আজ উদীচী ও আমরা দু'টি অনুষ্ঠান করে তার জবাব দিয়েছি।’

ড. নূরন্নবীর স্বাগত বক্তব্যের পর একটি দেশাত্মবোধক গান ও অমর একুশের গান পরিবেশন করে যুক্তরাষ্ট্র উদীচীর শিল্পীরা। সবাই দাঁড়িয়ে কণ্ঠ মেলান এ গানের সঙ্গে। এরপরই মাইক তুলে দেয়া হয় সংবর্ধিত ব্যক্তিত্ব আবদুল গাফফার চৌধুরীর হাতে। তিনি বলেন, ‘আপনাদের অনেকে জানেন, ১৯২৬ সালে 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন' নামে একটি আন্দোলন গড়ে উঠেছিল ঢাকায়। মূলত এ আন্দোলন ছিল মুসলিম সমাজকে প্রগতিমুখী করার জন্য একটি সাহিত্যিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলন। আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান দর্শন রাজনীতি অর্থনীতি ইত্যাদি নানা বিদ্যার দিগন্তে বিচরণ উৎসাহী এবং মুক্তিবাদ ও মানবতাবাদ উদ্দীপ্ত সদ্য প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল হুসেন (অর্থনীতি ও বাণিজ্য), অধ্যাপক কাজী মোতাহার হোসেন (পদার্থ বিদ্যা), বিএ ক্লাসের ছাত্র আবুল ফজল, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের অধ্যাপক কাজী আবদুল ওদুদ (বাংলা) প্রমুখ ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। কাজী আবদুল ওদুদকে বলা হতো এ প্রতিষ্ঠানের মস্তক, আবুল হুসেনকে হস্ত এবং কাজী মোতাহার হোসেনকে হৃদয়। তাদের লক্ষ্য ছিল মুসলমান বাঙালিকে কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়। প্রসঙ্গত বলা দরকার, রাজা রামমোহন রায়কে 'মহামানব' বলার অপরাধে এদের বিচারের কাঠগড়ায় তোলা হয়। কাজী আব্দুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন প্রাণভয়ে কলকাতা চলে যান। আপনারা জানেন, কবি কাজী নজরুল ইসলামকে কাফের ফতোয়া দিয়েছিল তৎকালীন মোল্লারা। বলা হয়েছিল ইংরেজী শিক্ষা হারাম। স্যার সৈয়দ আহমদকেও এরা পছন্দ করেনি ইংরেজী শিক্ষা প্রসারে কাজ করেছিলেন বলে। অথচ এরাই পরে কাজী নজরুল ইসলামকে মুসলিম রেঁনেসার কবি তকমা দেবার চেষ্টা করেছে। এখন মৌলবাদীরা নজরুলের গান গান- নিজেদের প্রয়োজনে।’

৮১ বছর বয়েসী মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে আপসহীন এই কলামিস্ট বলেন, ‘ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, পুড়িয়ে মারা হতো নারীদের। ভ্যাটিকানে বিদ্রোহ হয়েছিল। সভ্যতা একবারে আসেনি। অনেক পরিক্রমা পার হতে হয়েছে মানব সমাজকে।’ তিনি বলেন, ‘ইসলামে অনেক ইমাম এসেছেন। তাদের একে অপরের সঙ্গে ভিন্নমত ছিল। সুন্নীহ ও শিয়া মুসলমান বিষয়েও অনেক কথা আছে। কিন্তু মানব সমাজ এগিয়ে গেছে। এগোতেই হয়।’

গাফফার চৌধুরী বলেন, আজকের সমাজ সমকামীদের অধিকার দিয়েছে। 'গে রাইটস' এখন একটি স্বীকৃত বিষয়। এসব নিয়ে এই প্রজন্মকে ভাবতে হবে। পরখ করতে হবে আলো ও আঁঁধারের পথ।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের একজন কামাল আতাতুর্ক দরকার। যিনি অনেক কিছুই নিষিদ্ধ করেছিলেন। তুরস্কে  যে ভাবে সভ্যতার বিবর্তন হয়েছিল, আজ তা জানতে হবে-বুঝতে হবে এই প্রজন্মকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বে আজ নতুন নতুন মৌলবাদ তৈরি হচ্ছে। এটা কারা করছে? কাদের স্বার্থে করছে ? বিশ্বব্যাপী আজ মুসলমান, মুসলমানকে হত্যা করছে সবচেয়ে বেশি। গোত্রগত সংঘাত মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে শুধুমাত্র মুর্খতা, বর্বরতার কারণে। মানুষের অজ্ঞতাই আজ এই নতুন নতুন মৌলাবাদের অন্যতম কারণ।’
প্রবীণ এই সাংবাদিক বলেন, ‘সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আমি মৃত্যুকেও ভয় করি না। আমার কথা আমি সত্যের পক্ষে বলেই যাবো। আমার বিবেচনাবোধ কেউ রুখতে পারবে না।’

গত ৩ জুলাই জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের ‘বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে’ ‘বাংলাদেশ : অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যত’ শীর্ষক এক আলোচনায় আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর বক্তব্যের কিছু অংশকে ‘ইসলাম, নবী-রাসুল এবং সৃষ্টিকর্তাকে অবমাননার সামিল’ হিসেবে অভিযোগ করে একদল প্রবাসী প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠে।  তারা ‘যেখানে গাফ্ফার-সেখানেই প্রতিরোধ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ৫ জুলাই নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকায় তাজমহল রেস্টুরেন্ট এবং ব্রুকলিনে বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগের মিলনায়তনে গাফ্ফার চৌধুরীর অনুষ্ঠানে বাধা প্রদান করে। বাধার পরিপ্রেড়্গিতে অকুস্থলে পুলিশ আসে এবং সকলকে সব ধরনের কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়। এরপর ৭ জুলাই মঙ্গলবার গাফ্ফার চৌধুরীর আরেকটি সমাবেশ হয় বোস্টনে। সেখানেও বাধা প্রদানের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু আয়োজকরা সজাগ থাকা এবং সমাবেশ স্থলে পুলিশের উপস্থিতি ঘটায় সে সমাবেশে বিঘ্ন ঘটানো সম্ভব হয়নি।
 

 

বিডি-প্রতিদিন/ ১৩ জুলাই, ২০১৫/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা
মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে বিএনপি মালয়েশিয়ার সংবাদ সম্মেলন
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে বিএনপি মালয়েশিয়ার সংবাদ সম্মেলন
সম্প্রীতির বন্ধনে সদ্বীপ পৌরসভার বনভোজন
সম্প্রীতির বন্ধনে সদ্বীপ পৌরসভার বনভোজন
গ্রিস-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সহযোগিতা ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বৈঠক
গ্রিস-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সহযোগিতা ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাক চাপায় বাংলাদেশির মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাক চাপায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সিডনিতে বিএওএর বার্ষিক ডিনার ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
সিডনিতে বিএওএর বার্ষিক ডিনার ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
উৎসবমুখর পরিবেশে ক্যালগেরি বাংলা স্কুল গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠিত
উৎসবমুখর পরিবেশে ক্যালগেরি বাংলা স্কুল গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে মালদ্বীপে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণশুনানি
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে মালদ্বীপে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণশুনানি
সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি রতন, সম্পাদক হিরন
বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি রতন, সম্পাদক হিরন
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’
‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী
বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

অবশেষে দেবী চৌধুরানীর জমিদার বাড়িসহ রংপুরের পাঁচ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণে গেজেট হচ্ছে
অবশেষে দেবী চৌধুরানীর জমিদার বাড়িসহ রংপুরের পাঁচ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণে গেজেট হচ্ছে

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেত্রকোনায় বাড়ির পাশে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ
নেত্রকোনায় বাড়ির পাশে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সালাহাদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে ধাক্কা
সালাহাদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে ধাক্কা

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ সংকটে নতুন মোড়, পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে শঙ্কা
হরমুজ সংকটে নতুন মোড়, পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে শঙ্কা

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না: এমপি খায়ের ভূঁইয়া
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না: এমপি খায়ের ভূঁইয়া

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ফল বিতরণ
গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ফল বিতরণ

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিঁথির কণ্ঠে ‘বসন্তের কোকিল’, প্রথম দিনেই ৮১ হাজার ভিউ!
সিঁথির কণ্ঠে ‘বসন্তের কোকিল’, প্রথম দিনেই ৮১ হাজার ভিউ!

৪১ মিনিট আগে | শোবিজ

সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন
সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন

৪৪ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী
ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী

৪৬ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

লালমনিরহাটে মাদক কারবারিদের হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত
লালমনিরহাটে মাদক কারবারিদের হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৭৩০৪৩
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৭৩০৪৩

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম

৫৪ মিনিট আগে | পরবাস

নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার
নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ
দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট
চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা
নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’
‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান
মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক