শিরোনাম
শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ০০:০০ টা

প্রিন্স হ্যারির গোস্ট-রাইটার

সাহিত্য ডেস্ক

প্রিন্স হ্যারির গোস্ট-রাইটার

প্রিন্স হ্যারির বই স্পেয়ার বিশ্ব কাঁপাচ্ছে। এই বইয়ে উঠে এসেছে রাজপরিবারের অজানা বহু কাহিনি। বইয়ের পাশাপাশি আলোচনায় রয়েছেন মোররিঙ্গার। সাংবাদিকতায় পুলিৎজার জয়ী মোররিঙ্গারের সঙ্গে স্পেয়ারের কী সম্পর্ক এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। জবাবটাও সহজ। বিশ্ব গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, প্রিন্স হ্যারির স্পেয়ার বইটির গোস্ট-রাইটার তিনি। গোস্ট-রাইটারের কাজটাই এমন, নাম-পরিচয় গোপন রেখে লেখালেখি চালিয়ে যান। তবে স্পেয়ার বইটি মোররিঙ্গার পুরোটাই লেখেননি। বলা হচ্ছে, তিনি বইটি লিখতে সহযোগিতা করেছেন। প্রিন্স হ্যারির কাছে মোররিঙ্গার পৌঁছান হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনির মাধ্যমে। হলিউড তারকা তাঁকে প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে পরিচয় করে দেন।  সেলিব্রেটিদের স্মৃতিকথা লেখার কাজটি মোররিঙ্গারের জন্য প্রথম নয়। এর আগে বিশ্বের সাবেক এক নম্বর টেনিস তারকা আন্দ্রে আগাসির স্মৃতিকথা ‘ওপেন’ লিখে দিয়েছিলেন মোররিঙ্গার। বিশ্বখ্যাত কোম্পানি নাইকির সহ-প্রতিষ্ঠা ফিল নাইটের আত্মজীবনী ‘শু ডগ’ লিখতেও তিনি সাহায্য করেছিলেন। ২০২১ সালে পেইজ সিক্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, প্রিন্স হ্যারির স্পেয়ারের খুঁটিনাটি লেখায় ‘সহযোগিতার’ জন্য মোররিঙ্গার পেয়েছেন ১০ লাখ ডলার। ‘ওপেন’ লেখার জন্য আগাসির সঙ্গে কাজ করার সময় মোররিঙ্গার লাস ভেগাসে উড়ে গিয়েছিলেন, এই তারকা ক্রীড়াবিদের সঙ্গে কাটিয়েছিলেন পুরো আড়াই শ ঘণ্টা সময়। আগাসির মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ করে যে পর্যবেক্ষণ মোররিঙ্গার তুলে ধরেছেন, এখন প্রিন্স হ্যারির ক্ষেত্রেও তেমন কিছু বিষয় সামনে আসছে। মোররিঙ্গার ২০০৫ সালে প্রকাশিত তাঁর নিজের আত্মজীবনী দ্য টেন্ডার বারে তার শৈশবের ঘটনাপ্রবাহের ওপর আলো ফেলেছেন। লং আইল্যান্ডে তিনি বড় হয়েছেন মায়ের কাছে, স্থানীয় একটি পাবের নিয়মিত মদখোরদের মধ্যে তিনি খুঁজে ফিরছিলেন ‘বাবার মতো’ একজন আঙ্কল চার্লিকে। ২০২১ সালে মোররিঙ্গারের আত্মজীবনী দ্য টেন্ডার বার অবলম্বনে একই নামে একটি সিনেমা বানান জর্জ ক্লুনি। বেন অ্যাফ্লেক সেখানে অভিনয় করেন মোররিঙ্গারের ‘আঙ্কল চার্লির’ ভূমিকায়। তরুণ মোররিঙ্গার ভর্তি হন ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে, পরে নিউইয়র্ক টাইমসে নিউজ অ্যাসিসট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর কলোরাডোতে রকি মাউন্টেইন নিউজ এবং লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসে কাজ করেন ১৯৯৪ সালে। ২০০০ সালে অ্যালাবামার একটি বিচ্ছিন্ন এলাকার সঙ্গে ফেরি পারাপার শুরুর সময় টানাপড়েন নিয়ে ‘ক্রসিং ওভার’ শিরোনামে ফিচার লিখে তিনি পুলিৎজার পুরস্কার পান।    

সর্বশেষ খবর