শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ মার্চ, ২০২১ ২২:১৬

জার্মানিতে শতাধিক বাড়ির মালিক

প্রতিদিন ডেস্ক

জার্মানিতে শতাধিক বাড়ির মালিক

মাত্র ১৬ বছর বয়সে লেখাপড়ার পাশাপাশি হোটেলে কাজ শুরু করেন প্রবাসী যুবরাজ তালুকদার। ২১ বছর বয়সে নিজের জমানো টাকা দিয়ে কেনেন প্রথম বাড়ি। এখানেই থেমে যেতে পারত যুবরাজের সফলতা। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন নিজের স্বামর্থে। একটা নয় দুটো নয় এখন যুবরাজ শতাধিক বাড়ির মালিক জার্মানিতে। জার্মানির আবাসন খাতে পরিচিত মুখ তিনি। থাকেন দেশটির বন শহরে। তবে বড় কোনো বিনিয়োগ নিয়ে এই খাতে ব্যবসা শুরু করেননি তালুকদার। নিজের সাম্রাজ্য গড়েছেন পুরোটাই নিজের চেষ্টায়, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে। ১৯৯১ সালে আবাসন ব্যবসা শুরু করেন। এই বিষয়ে তালুকদার গণমাধ্যম ডায়েচে ভেলেকে বলেন, ‘১৬ বছর বয়স থেকে লেখাপড়ার পাশাপাশি আমি হোটেল কাজ করতাম। এবং পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে চাকরি করে যে বেতন পেয়েছিলাম সেগুলো আমার বাবাকে দিতে হয়নি। আমি সেগুলো সেভ করেছি। আব্বা কখনো বলেননি যে, আমার রোজগার থেকে তাকে খরচের টাকা দিতে হবে। টাকা জমা করে প্রথমে একটা বাড়ি নিলামে কিনি মাত্র সাড়ে ছয় হাজার ইউরো দিয়ে। মানে ১৯৯১ সালের ১৩ হাজার মার্ক। সেই টাকা দিয়েই ব্যবসা শুরু করি।’ আবাসন খাতে যুবরাজ তালুকদারের ব্যবসার ধরন কিছুটা ভিন্ন। তিনি মূলত পুরনো ঘরবাড়ি বিভিন্ন ব্যাংক, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিলামে কেনেন। কেনার পর সেগুলো সংস্কার করে ভাড়া দেন। তার কর্মী সংখ্যা ছয়জন। তিনি বলেন, ‘সাধারণত ১৯৬০-১৯৭০ সালে বানানো, মানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে বানানো বাড়িগুলো কিনি আমি। সেসব ভবনে টাইলস, বেসিন, কমোড, বিদ্যুতের লাইন- এসব পুরনো থাকে। আপনি যদি কোনো কোম্পানিকে দিয়ে এগুলো ঠিক করতে যান তাহলে উদাহরণস্বরূপ এক হাজার বর্গফুটের বাড়িতে ন্যূনতম ৪০ হাজার ইউরো খরচ হবে। আর সেই কাজ আমি যদি কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে নিজে করি, তাহলে আমি অর্ধেক খরচে সেটা করতে পারব।’ জার্মানিতে নানারকম সামাজিক কর্মকান্ডেও যুক্ত আছেন যুবরাজ তালুকদার। বন শহরে একটি মসজিদ তৈরি করেছেন তিনি। ভবিষ্যতে ব্যবসা-বাণিজ্য সন্তানদের বুঝিয়ে দিয়ে সমাজসেবায় আরও মনোযোগী হতে চান এই বাংলাদেশি-জার্মান ব্যবসায়ী। আবাসন খাতে নতুন বিনিয়োগের পাশাপাশি আরও কিছু খাতে ব্যবসা শুরুর চেষ্টা করছেন তিনি। সম্প্রতি কোলন-বন বিমানবন্দরের কাছে চালু করেছেন একটি ইটালীয় রেস্তোরাঁ।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর