শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৪৩, মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০২৫

রাজনীতিতে ঐকমত্যের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা ও এমএ আজিজ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
রাজনীতিতে ঐকমত্যের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা ও এমএ আজিজ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঐকমত্যের প্রয়োজনীয়তা, নির্বাচন ব্যবস্থা ও প্রধানমন্ত্রী মেয়াদ সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে একটি টকশোতে স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ফরেইন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। 

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমাবদ্ধ করা নিয়ে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রস্তাবনার প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার রুমিন বলেন, যে ব্যক্তি সাত বা নয় বছরে স্বৈরাচার হননি, তিনি ১১ বছরে হঠাৎ করে স্বৈরাচার হবেন—এই যুক্তি টেকে না। 

তিনি ওয়েস্টমিনিস্টার ধাঁচের সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই ব্যবস্থায় যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পায়, সেই দলের সদস্যরাই সিদ্ধান্ত নেন কে হবেন প্রধানমন্ত্রী। এটা প্রেসিডেনশিয়াল সিস্টেম নয়, যে নির্দিষ্ট মেয়াদের সীমা থাকতে হবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি তার সততা, যোগ্যতা, দক্ষতা এবং দেশসেবায় প্রশ্নাতীত হন, কেবল তাহলে তাকে তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হওয়া থেকে আটকানোটা যুক্তিসঙ্গত।

টকশোতে রুমিন ফারহানা বলেন, এনসিপি গঠন কিংবা প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণের মতো বিষয়গুলো আসলে বিএনপিকে ঠেকাতে ও নির্বাচন পেছাতে নেওয়া কৌশলের অংশ। এসব হচ্ছে রাজনৈতিক শয়তানি। 

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনের জন্য হঠাৎ এতগুলো দল দৌড়াচ্ছে, এটা উদ্দেশ্যমূলক মনে হয়।

ভুঁইফোড় দল তৈরি করে সরকার চায় নির্বাচনে অংশগ্রহণের চিত্র তুলে ধরতে, যদিও বাস্তবে তারা কোনো জনপ্রতিনিধিত্ব করে না।

ব্যারিস্টার রুমিন বলেন, গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে ভোটাধিকার, সুষ্ঠু নির্বাচন এবং জনগণের হাতে সরকার পরিবর্তনের ক্ষমতা থাকতে হবে। সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে জনপ্রতিনিধি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। কিন্তু বিগত কয়েকটি নির্বাচন তার ছিটেফোঁটাও মানেনি।

তিনি আরো বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে কোনো ব্যক্তি, যিনি জনপ্রিয় নন, তিনিও ক্ষমতায় থেকে যেতে পারেন—এটাই স্বৈরাচারের পথ খুলে দেয়। তাই কাগজে-কলমে কিছু না লিখলেও মৌলিক বিষয়গুলো নিশ্চিত করতেই হবে।

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ নিয়ে বিএনপির অবস্থান পরিষ্কার করে রুমিন বলেন, আমাদের অবস্থান হলো পরপর দুই মেয়াদের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। তবে গ্যাপ দিয়ে পরে আবার ক্ষমতায় আসা যেতে পারে। এটা জনগণ যদি পছন্দ করে, তারা ভোট দেবে; না করলে দেবে না। এটা খুবই সাধারণ ব্যাপার।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিএনপি কোনো দলের মত বা প্রস্তাব অগ্রাহ্য করে না, যত ছোট দলই হোক না কেন। ন্যায্য দাবি হলে সেটাকে গুরুত্ব দিয়েই দেখে। বিএনপি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক দল—শুধু মুখে নয়, আচরণেও।

আনুপাতিক পদ্ধতি প্রবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে রুমিন বলেন, হঠাৎ করে বাংলাদেশে আনুপাতিক পদ্ধতি আনা কেন? এটা একটা রাজনৈতিক ফাঁদ। জামায়াতে ইসলামী বা অন্যান্য দল বুঝতে পারছে যে আসনভিত্তিক নির্বাচনে তারা সফল হবে না, তাই তারা ভোটের আনুপাতিক হিসেবকে ব্যবহার করতে চায় জনপ্রিয়তা দেখানোর কৌশল হিসেবে।
 
সবশেষে তিনি বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। জনগণ যদি চায়, তারা যেকোনো সরকারকে রাখতে পারবে, আবার চাইলে বিদায়ও করতে পারবে—এই শক্তিটাই গণতন্ত্রের মূল।

এসব বিষয়ে এমএ আজিজ বলেন, এখন আমরা মাথার ভেতরে যদি রাখি যে, সংস্কার কমিশনের যিনি প্রধান তিনি আমেরিকান সিটিজেন; এইজন্য যদি আমেরিকান আদলে চিন্তা করে তাহলে তো সমস্যার সমাধান হবে না। আমার বক্তব্য হচ্ছে বাংলাদেশের আদলে এটা দেখতে হবে। এখানে আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা দরকার। 

তিনি বলেন, নির্বাচন যদি নিরপেক্ষ করেন, ক্ষমতা হস্তান্তর নিরপেক্ষ করেন এবং এখানে যদি ক্ষমতার ব্যালেন্সটা করে দেন তাহলে তো আপনার প্রত্যাশা পূরণ হয়। ড. মোহাম্মদ ইউনূস প্রথমে বলেছিলেন, যতটুকু রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারে একমত হয়, ততটুক নিয়ে নির্বাচনে যাবেন। তিনি বলেছিলেন, ওয়েবসাইটে দিয়ে দেব কে কোন সংস্কারে হ্যাঁ বলেছেন, কোথায় না করেছে; জনগণ সেটা বিচার করবে। আপনার কথা হচ্ছে জনগণ যতক্ষণ পর্যন্ত নিরপেক্ষভাবে ভোট দেওয়ার মতো ক্ষেত্র তৈরি না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সরকার বদল হওয়ার চান্সও কমে যাবে। এখানে কাউকে ঠেকানোর ক্ষমতা নাই। পার্টি বড় হলে সে ইলেকশনে জিতবেই, এটা ঠেকানোর কোনো টার্গেট নিয়ে এনসিপি সবকিছুতে বাগড়া দিচ্ছে না। 

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার জামায়াতের প্রথম দাবি ছিল। যতগুলো নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হয়েছে, এই নির্বাচনগুলো বিতর্কিত কম হয়েছে। তবে সবকিছুতে ঐক্যমত হবে না। কারণ, বিএনপির পলিটিক্স, জামায়াতের পলিটিক্স এক নয়। জামাতের পলিটিক্স, বামপন্থিদের পলিটিক্স এক নয়। তাহলে আপনি এক করতে চান কেন? যার যার নীতি আদর্শ আলাদা। তাহলে সবকিছুতে যদি একমত হয় তাহলে তো দেশে বহু দল থাকবে না।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’ —কথাটির গোমর ফাঁস করলেন হামিম
‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’ —কথাটির গোমর ফাঁস করলেন হামিম
কয়েক সপ্তাহে দেশে রাজনৈতিক আবহাওয়া বদলেছে দ্রুত: জিল্লুর রহমান
কয়েক সপ্তাহে দেশে রাজনৈতিক আবহাওয়া বদলেছে দ্রুত: জিল্লুর রহমান
অনেকেই জাতীয় নির্বাচনকে দেখছেন প্রতিশ্রুতির পরীক্ষা হিসেবে: জিল্লুর রহমান
অনেকেই জাতীয় নির্বাচনকে দেখছেন প্রতিশ্রুতির পরীক্ষা হিসেবে: জিল্লুর রহমান
তফসিলের কাউন্টডাউন শুরু হতেই ফুটে উঠছে রাজনৈতিক রোগের পুনরাবৃত্তি
তফসিলের কাউন্টডাউন শুরু হতেই ফুটে উঠছে রাজনৈতিক রোগের পুনরাবৃত্তি
‘মাইনাস টু বা ফোর’ কার্যকর করার সক্ষমতা কারো নেই: রুমিন ফারহানা
‘মাইনাস টু বা ফোর’ কার্যকর করার সক্ষমতা কারো নেই: রুমিন ফারহানা
বাংলাদেশের বর্তমান চিত্রটা ভয়াবহভাবে স্পষ্ট : জিল্লুর রহমান
বাংলাদেশের বর্তমান চিত্রটা ভয়াবহভাবে স্পষ্ট : জিল্লুর রহমান
প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতের দখলে: রুমিন ফারহানা
প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতের দখলে: রুমিন ফারহানা
হান্নান মাসউদকে নিয়ে যা বললেন নীলা ইসরাফিল
হান্নান মাসউদকে নিয়ে যা বললেন নীলা ইসরাফিল
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে : রুমিন ফারহানা
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে : রুমিন ফারহানা
জোর করে ঐকমত্য চাপিয়ে দেওয়া যায় না : রুমিন ফারহানা
জোর করে ঐকমত্য চাপিয়ে দেওয়া যায় না : রুমিন ফারহানা
১৩ নভেম্বর কী হবে, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দেশবাসী : জিল্লুর রহমান
১৩ নভেম্বর কী হবে, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দেশবাসী : জিল্লুর রহমান
ঘি খেতে চাইলে চামচ দিয়ে ভদ্রভাবে খান : ডা. সায়ন্থ
ঘি খেতে চাইলে চামচ দিয়ে ভদ্রভাবে খান : ডা. সায়ন্থ
সর্বশেষ খবর
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অলিম্পিক ডে উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত
অলিম্পিক ডে উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

১২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

২১ মিনিট আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

২৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব

৩০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি
সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

৩৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন
মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

৫০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

৫৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান
ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত
বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের ৩১ শহরে ‘রইদ’
যুক্তরাষ্ট্রের ৩১ শহরে ‘রইদ’

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?
ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান, এবারও কি ব্রাজিল হারবে?
শেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান, এবারও কি ব্রাজিল হারবে?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাম মন্দিরে দানের কোটি কোটি রুপি আত্মসাৎ, ভারতজুড়ে তোলপাড়
রাম মন্দিরে দানের কোটি কোটি রুপি আত্মসাৎ, ভারতজুড়ে তোলপাড়

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক