শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৭ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ মে, ২০২১ ২৩:০০

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা

সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীর ভিড়

শাহ্ দিদার আলম নবেল, সিলেট

সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীর ভিড়
Google News

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সিলেটসহ সারা দেশে সব পর্যটন কেন্দ্র ও বিনোদনপার্ক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু ঈদুল ফিতরের ছুটিতে এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। রাস্তা থেকে গাড়ি ফিরিয়ে দিয়েও পর্যটকদের ভিড় কমাতে পারছে না প্রশাসন। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে এমন ঘোরাঘুরিতে সিলেটে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে সচেতন মহল। ঈদের দিন বিকাল থেকে সিলেটের লাক্কাতুড়া ও মালনীছড়াসহ শহরতলির সবকটি চা বাগানে ঢল নামে পর্যটকদের। সপরিবারে বেড়াতে যান অনেকেই। সব বয়েসী মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে চা বাগানগুলো।

বেড়াতে আসা লোকজনের বেশিরভাগেরই মুখে ছিল না মাস্ক। বালাই ছিল না সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের। অনেকটা বেপরোয়াভাবেই তারা ঘুরে বেড়ান চা বাগানে। গতকাল পর্যন্ত চা বাগানগুলোর দৃশ্য ছিল একই রকম। এদিকে, ঈদের পরদিন থেকে পর্যটকদের ভিড় বাড়তে শুরু করে সিলেটের জাফলং, ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর ও বিছানাকান্দিসহ অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রে। জেলার বাইরে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় এবার সিলেটের বাইরে থেকে খুব বেশি পর্যটক আসেননি। যারা ঈদের দিন ও পরদিন চা বাগানগুলোতে ঘুরেছেন তারাই ঈদের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ছুটেছেন শহরের বাইরের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে। ফলে প্রায় সব পর্যটন কেন্দ্রে গতকাল সকাল থেকে পর্যটকদের ভিড় জমে। এই অবস্থায় কিছুটা কঠোর হয় পুলিশ প্রশাসন। জাফলং যাওয়ার পথে পর্যটকবাহী গাড়ি আটকে ফিরিয়ে দেওয়া শুরু করে পুলিশ। এরপরও নানা অজুহাতে ও পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে অনেকেই পৌঁছান পর্যটন কেন্দ্রে।

জাফলংয়ে বেড়াতে আসা নগরীর লামাবাজারের সুজন আহমদ জানান, পরিবারের ৫ সদস্য নিয়ে তিনি মাইক্রোবাসে করে এসেছেন। ঈদের ছুটি কাটাতে একটু আনন্দের জন্য তিনি এখানে এসেছেন। করোনা সংক্রমণের মধ্যে সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বেড়াতে আসা কতটা যৌক্তিক এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ঈদের বন্ধে ছেলেমেয়েদের আব্দার মেটাতে বেড়াতে এসেছেন। তবে চেষ্টা করছেন যতটুকু সম্ভব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার।’

সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান জানান, পর্যটকরা যাতে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রে যেতে না পারেন সেজন্য পুলিশ কাজ করছে। পুলিশের পাশাপাশি পর্যটকদের এ ব্যাপারে সচেতন হওয়ার আহ্‌বান জানান তিনি।

এই বিভাগের আরও খবর