রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নির্বিঘ্নে পারাপার হচ্ছে যাত্রী ও যানবাহন। ঘাটে যাত্রী ও ছোট গাড়ির চাপ বাড়লেও ঘাট এলাকায় দীর্ঘ যানজট দেখা যায়নি। ফলে স্বস্তিতে ফেরিঘাট দিয়ে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে ঘরমুখো মানুষ।
সোমবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নে করতে দুপুরে ফেরিঘাট এলাকায় পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ।
সরেজমিনে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দেখা যায়, পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা প্রত্যেকটি ফেরি পরিপূর্ণ করে যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে দৌলতদিয়া প্রান্তে আসছে। ফেরিতে মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও যাত্রী রয়েছে। ঘাট এলাকায় থেকে যাত্রীরা তাদের পছন্দমতো গাড়িতে গন্তব্যে যাচ্ছে। ফেরিঘাট এলাকায় নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশ, নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন।
যাত্রীরা বলেন, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপনা গত ঈদের থেকে এবার বেশ ভালো। মানুষ মাত্র আসা শুরু করেছে। ভাড়া খুব একটা বেশি নেয়নি। তবে মঙ্গলবার আর বুধবার প্রশাসনের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নে করার। পথে কোন যানজট নেই। ভাড়া সহনীয় পর্যায় থাকায় এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তির হচ্ছে।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের বিআইডব্লিউটিসি সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৬টি ফেরি প্রস্তুত রয়েছে। দৌলতদিয়া প্রান্তের ৩টি ঘাট দিয়ে বর্তমানে ১৫টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।
দুপুরে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নে করতে আমরা সকল দপ্তর সজাগ রয়েছি। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি। জনগণ যেন সচেতন হয় আমরা তাদের সেই আহ্বান করছি। এই সময় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। সেটি যাত্রীদের উপলব্ধি করতে হবে। জীবনের গুরুত্ব অনেক বেশি। সবাই সেই গুরুত্ব অনুধাবন করলে ঈদযাত্রা সবার জন্য স্বস্তির হবে।
বিডি প্রতিদিন/এএম