জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, এনসিপির সদস্য সচিব আখতারসহ রংপুরের দুটি সংসদীয় আসনে ১৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তা রংপুর-৩ আসনের ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করেন।
এতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, বিএনপির সামসুজ্জামান সামু, জামায়াতের মাহবুবার রহমান বেলাল, ইসলামী আন্দোলনের আমিরুজ্জামান পিয়াল, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের আব্দুল কুদ্দুস, স্বতন্ত্র প্রার্থী তৃতীয় লিঙ্গের আনোয়ারা ইসলাম রানী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নুর আলম সিদ্দিকের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এছাড়া গ্রেফতারি পরোয়ানা ও রাজস্ব বকেয়া থাকায় খেলাফত মজলিতের প্রার্থী তৌহিদুর রহমান মন্ডল ও রাজস্ব বকেয়া থাকায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের (মার্কসবাদী) আনোয়ার হোসেন বাবলুর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে, জমা দেওয়া সংসদীয় আসনের শতকরা ১ ভাগ ভোটারের তালিকায় গরমিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী রিটার রহমানের মনোনয়পত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বিকেলে পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত রংপুর-৪ আসনের দশ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এতে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা, জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান, ইসলামী আন্দোলনের জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের (মাকর্সবাদী) প্রগতি বর্মণ তমা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আবু সাহমা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের উজ্জ্বল চন্দ্র রায়ের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এ ছাড়া দলীয় মনোনয়ন সঠিক না থাকা ও রাজস্ব বকেয়া থাকায় জাতীয় পার্টির (আনিসুল-হাওলাদার) প্রার্থী আব্দুস সালাম, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া সংসদীয় আসনের শতকরা ১ ভাগ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নুল আবেদীন ও শাহ আলম বাসারের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলছে। কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিনে রংপুর-৩ ও রংপুর-৪ আসনের ২০ প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।
বিডি-প্রতিদিন/এমই