পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়ার একাংশ) আসনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তাঁদের প্রার্থিতা বাতিলের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সমর্থক ভোটারদের তথ্যের অসংগতি এবং দলীয় প্রত্যয়নপত্র জমা না দেওয়া।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে পাবনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদ মোস্তফার কার্যালয়ে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। মনোনয়ন বাতিল হওয়া দুই প্রার্থী হলেন, সাঁথিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খায়রুন নাহার খানম মিরু এবং কেন্দ্রীয় তাঁতীদলের সহ-সভাপতি ইউনুস আলী।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদ মোস্তফা জানান, পাবনা-১ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ে দেখা গেছে, খায়রুন নাহার খানমের জমা দেওয়া সমর্থক ভোটার তালিকায় স্বাক্ষর ও তথ্যে বড় ধরনের অসংগতি রয়েছে। অপরদিকে ইউনুস আলী মনোনয়নপত্রে নিজেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দাবি করলেও তার সাথে দলীয় প্রধানের কোনো প্রত্যয়নপত্র ছিল না। এছাড়া তাঁর সমর্থক ভোটার তালিকাতেও স্বাক্ষর ও তথ্যগত ত্রুটি পাওয়া গেছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও জানান, সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা চাইলে আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
যাচাই-বাছাই শেষে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রে কোনো ত্রুটি না থাকায় পাবনা-১ আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি শামসুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল গণি, স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদুল হক মাসুদ।
পাবনা-১ আসনে (সাঁথিয়া ও বেড়ার একাংশ) মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ৯৩১ জন। হেভিওয়েট প্রার্থীদের উপস্থিতিতে এই আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/আশিক