ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর-১ ও মেহেরপুর-২ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (০৩ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. সৈয়দ এনামুল কবিরের উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
যাচাই বাছাই প্রক্রিয়ায় জমাকৃত নথিপত্রে বিভিন্ন ত্রুটি পাওয়ায় মেহেরপুর-১ আসনের পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। অপরদিকে, একই আসনের চার প্রার্থী এবং মেহেরপুর-২ আসনের তিন প্রার্থীকে ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এদিন বিকেল ৪টা পর্যন্ত ত্রুটি সংশোধনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদ অরুণের কৃষি ব্যাংকের ঋণসংক্রান্ত তথ্য, হলফনামার সম্পদের হিসাব ও আয়কর রিটার্নে গরমিল থাকায় আজ দুপুর ২টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী তাজ উদ্দিন খানের বার্ষিক ও মাসিক আয়ের তথ্যের অসামঞ্জস্য থাকায় দুপুর ১টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়। সিপিবি প্রার্থী মিজানুর রহমানকে জিআর মামলার তথ্য ও দলীয় নমুনা স্বাক্ষর জমা দিতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল হামিদকে একই সময়ের মধ্যে দলীয় প্যাডে প্রত্যয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়া মেহেরপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমজাদ হোসেন, জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী নাজমুল হুদা ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল বাকিকেও একই শর্তে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, বাছাই শেষে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান, মুজিবনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রোমানা আহমেদের দলীয় মনোনয়ন না থাকায় প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহবুবুর রহমানের ভোটার সমর্থনপত্র না থাকা, আয়কর ও হলফনামায় গরমিল এবং মামলার তথ্য গোপন করায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়। এছাড়া ২০ নম্বর ফরম যথাযথভাবে পূরণ না করায় এনসিপি প্রার্থী সোহেল রানার মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মেহেরপুর-১ আসনে ৯ জন এবং মেহেরপুর-২ আসনে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।
বিডি-প্রতিদিন/জামশেদ