ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনটি সংসদীয় আসনে সাত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুযারি) সকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলনে কক্ষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমীন জাহান আক্তার যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪(কসবা-আখাউড়া), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫(নবীনগর) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) এই তিনটি আসনের ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এতে ৩৬ জনের মধ্যে ৭ স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোটার তালিকায় ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নিয়ে জটিলতার কারণে প্রার্থীতা বাতিল করা হয়।
প্রার্থীতা বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের নাসির উদ্দিন হাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের মুসা সিরাজী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশ, শাহ মুর্তুজ আলী, মো. আবু কায়েস শিকদার, কাজী জমির উদ্দিন, দেওয়ান মো. নাজমুল হুদা।
যাচাই-বাছাইয়ে শেষে তিনটি আসনে বিএনপি, জামায়াত ও জোট প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রে কোনো জটিলতা না থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর) আসনে গণসংহতি আন্দোলন এর প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকির মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত দুই প্রার্থী ও বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান ও জেলা বিএনপির সদস্য কবির আহমেদ ভূইয়ার প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও নবীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক সম্পাদক কাজী নাজমুল হোসেন তাপস এর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমীন জাহান আক্তার জানান, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন। তবে কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিডি প্রতিদিন/কামাল