বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের ৪০৯টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। জেলার ৫৪৭টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ ১৮৬টি, ঝুঁকিপূর্ণ ২২৩টি ও সাধারণ ১৩৮টি ভোটকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে সব ভোটকেন্দ্রকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বাগেরহাটে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।
বাগেরহাটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন জানান, বাগেরহাটের চারটি আসনে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বাগেরহাটে মোট ৫৪৭টি ভোট কেন্দ্রে ভোট হবে। এরমধ্যে ১৮৬টি ভোট কেন্দ্র উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ ২২৩টি ও সাধারণ ১৩৮টি ভোটকেন্দ্র। সব ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এবার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। এরমধ্যে তিনজন থাকবে সশস্ত্র। থাকবে সশস্ত্র পুলিশ সদস্য।
তিনি আরও বলেন, এছাড়াও সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও র্যাব নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে। বাগেরহাটে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট উপহার দিতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
বাগেরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে ভোটকেন্দ্রটিকে পুরোপুরি সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা ভালভাবে ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। সুষ্ঠু, সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন এই কর্মকর্তা।
বাগেরহাটের চারটি আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টি, স্বতন্ত্রসহ মোট ২৩জন প্রার্থী এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বিডি-প্রতিদিন/জামশেদ