দ্বৈত নাগরিকত্ব ও হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের লিভ টু আপিল শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন রেখেছেন আপিল বিভাগ।
সোমবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের আদালত এ দিন ঠিক করেন।
এর আগে, ৩ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চ রিটটি খারিজ করে দেন। এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি নাহিদ ইসলাম আপিল বিভাগে আবেদন করেন।
নাহিদ ইসলামের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ। কাইয়ুমের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করীম ও রুহুল কুদ্দুস কাজল।
গত ২ ফেব্রুয়ারি রিট দায়েরের পর আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতু নামের একটি দেশের নাগরিক। তিনি হলফনামায় এ তথ্য গোপন করেছেন, যা পরে প্রকাশ পায়। এ বিষয়টি সামনে রেখে নাহিদ ইসলাম রিট করেন।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকরা সংসদ সদস্য নির্বাচনে অনুপযুক্ত। দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং হলফনামায় তথ্য গোপনের বিষয়টি উল্লেখ করেই রিটটি দায়ের করা হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২১, ২২, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড এবং সবুজবাগ এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন-বিএনপির এম এ কাইয়ুম, এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী কহিনূর আক্তার বীথি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, গণফোরামের মো. আবদুল কাদের, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. জাকির হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।
বিডি প্রতিদিন/এমআই