শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৫০, মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৫

বাংলাদেশে গণতন্ত্র কেন দৃঢ় ভিত্তি পায়নি

আমীর খসরু
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশে গণতন্ত্র কেন দৃঢ় ভিত্তি পায়নি

গণতন্ত্রের যে সুষ্ঠু এবং মজবুত ভিত্তি নিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি গড়ে ওঠার এবং সামনে এগিয়ে চলার কথা ছিল, তা দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ দেশটিতে দেখা যায়নি। ফলে এর অনিবার্য পরিণতি এখনো পর্যন্ত এ রাষ্ট্রটির জনগণকে, দেশকে মর্মে মর্মে উপলব্ধি করতে হচ্ছে। সুদীর্ঘ ভিত্তি প্রতিষ্ঠার গোড়ার দিকে যদি আমরা দৃষ্টি ফেরাই তাহলে দেখা যাবে তত্কালীন অবিভক্ত পাকিস্তান এবং পরবর্তীকালে বাংলাদেশে খুবই অল্প কয়েক বছর আমাদের বেসামরিক শাসন পাড়ি দিতে হয়েছে নানা সংকট এবং সমস্যার মধ্য দিয়ে। বাকি সুদীর্ঘ সময় কেটেছে সামরিক শাসনের মধ্যেই। ১৯৫৮ সালে অর্থাত্ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার নয় বছরের মাথায় পাকিস্তানে সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠার পরে এটি বহাল ছিল দীর্ঘকাল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে এ ভূখণ্ডটি সামরিক শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে এ কথাটি ভুলে গেলে চলবে না যে, বাংলাদেশ হয়ে ওঠার দীর্ঘকালের যে রাজনৈতিক আন্দোলন তার পেছনে সামরিক শাসনবিরোধী লড়াই-সংগ্রাম একটা বিশাল অংশ জুড়ে আছে। সে হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতাপ্রাপ্তির সঙ্গে জনগণের মধ্যে যে কোনো কর্তৃত্ববাদী শাসনের হাত থেকে মুক্ত একটি পূর্ণ গণতান্ত্রিক সমাজপ্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা প্রবল ছিল এবং তাদের ধারণা জন্মেছিল স্বাধীনতাপ্রাপ্তির পরে তারা এই পূর্ণ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির মধ্যেই বসবাস করতে পারবেন।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশ কখনই শক্তপোক্ত গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর দাঁড়াতেই পারেনি। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার স্বল্পকালের মধ্যে বহুল আকাঙ্ক্ষিত বেসামরিক শাসনটি ক্রমান্বয়ে হয়ে ওঠে কর্তৃত্ববাদী। সংবিধানে একের পর এক সংযোজিত হতে থাকে অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। যেমন জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধানসহ নিবর্তনমূলক আইন সংবিধানে সন্নিবেশিত করা হয় প্রথম সংবিধানপ্রাপ্তির স্বল্পকাল পরই। চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থা ওলট-পালট করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়। চারটি বাদে সব সংবাদপত্র বাতিল করা হয়। ক্রমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাটি বিদায় নিতে থাকে। এরপরে অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক হত্যাকাণ্ডসহ নানা ঘটনার পর দেশটি সামরিক শাসনের মধ্যে পড়ে যায়। দেশটি স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সাড়ে তিন বছরের মাথায় সেই যে সামরিক শাসনের মধ্যে পড়ে যায়, তা থেকে বের হতে সময় লাগে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত। অর্থাত্ প্রথম দফায় মাত্র সাড়ে তিন বছর বেসামরিক শাসন দেশটিতে বিদ্যমান ছিল। ১৯৯০-এ বেসামরিক শাসন ফিরে আসার পর জনগণের মধ্যে পুনরায় এমন তীব্র আকাঙ্ক্ষার জন্ম নিয়েছিল যে, তারা ভেবেছিলেন এবারে সত্যিকারভাবে গণতন্ত্র শক্তপোক্ত এবং মজবুত ভিত্তি পাবে। রাজনীতিবিদরা দীর্ঘকালের সামরিক শাসন থেকে নিশ্চয়ই শিক্ষা পেয়েছেন। কিন্তু তা-ও হয়নি। কেন হয়নি তার একটি বিচার-বিশ্লেষণ জরুরি।

সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে সামরিক শাসনোত্তর বেসামরিক শাসনে যেসব সংকট এবং সমস্যা থাকে অর্থাত্ সামরিক শাসকদের সৃষ্ট তীব্র সমস্যা ও সংকট, তা মোকাবিলা করে রাষ্ট্র ও সমাজকে আগের জায়গায় পুনঃস্থাপন এবং সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে দক্ষতা, প্রজ্ঞা, যোগ্যতা এবং ইচ্ছা প্রয়োজন তা এ দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব তাদের কার্যক্রমে দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন নিদারুণভাবে। সামরিক শাসন একটি রাষ্ট্র এবং সমাজের কতটা ক্ষতির কারণ হয় তা স্বল্প পরিসরে বোঝার জন্য আর্জেন্টিনার একটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। আর্জেন্টিনায় ১৯৫০-এর দশক এবং পরের দফায় ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত সামরিক শাসন বিদ্যমান ছিল। পরবর্তীকালে সেই সামরিক শাসকদের বিচারের যে রায় (১৯৮৫ সাল) তাতে বলা হয়, সামরিক শাসকরা সমাজের শুধু রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষতিসাধন করেই ক্ষান্ত থেকেছে তা নয়। তারা সমাজের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, স্বাভাবিক জীবনাচারসহ একটি সমাজ কাঠামোর জন্য যা কিছু ভালো তার সবকিছুই ধ্বংস করেছে— যা কিনা দীর্ঘ প্রচেষ্টার পরে ওই সমাজটি অর্জন করেছিল। (বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন :  Amnesty International : Argentina : The Military Juntas And Human Rights, 1987 : UK.)

কাজেই দেখা যাচ্ছে, সামরিক শাসনের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি থেকে দেশ এবং সমাজকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার যে রাজনৈতিক দক্ষতা, প্রজ্ঞা, যোগ্যতা এবং ইচ্ছাশক্তি এ দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে প্রয়োজন ছিল, তা তারা পালনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। আর পুঞ্জীভূত ব্যর্থতার ফলাফল হচ্ছে, আজকের পরিণতি। এ কথাটিও মনে রাখতে হবে, যেমনটা S E Finer তার ঞযব The Man on Horseback নামের বিখ্যাত বইয়ে এ কথাটি বার বার মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, ‘সেই সমাজেই সামরিক শাসন আসে, যে সমাজে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিটি দুর্বল অবস্থায় থাকে।’

আমাদের শাসকরা বিশেষ করে প্রধান দুই দল ১৯৯০-এর পরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অবিরাম প্রচেষ্টা, সংগ্রাম এবং তীব্র আকাঙ্ক্ষা পোষণের বদলে ক্ষমতা দখলের লড়াইটিকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছে। তারা দলীয়ভাবে ক্ষমতা দখলকে যতটা প্রাধান্য দিয়েছে, তার চেয়েও অনেক অনেক গুণে কম চিন্তা করেছে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে। কিন্তু বাস্তবে হওয়া উচিত ছিল এর বিপরীতটি। এ ক্ষেত্রে পুরনো আরেকটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। মধ্য ৫০-এর দশকে দীর্ঘকালের সামরিক শাসনে জর্জরিত কলম্বিয়া এবং ভেনেজুয়েলার বেসামরিক শাসকরা ‘Punto-Fijo’ নামে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি করেছিলেন। দুই দেশের চুক্তির ধরন ছিল একই। ওই চুক্তি অনুযায়ী সেখানকার বিবদমান দুটি রাজনৈতিক দলের নেতারা এমন সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন যে, নিজেদের মধ্যকার ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, মতদ্বৈধতা এবং লড়াই তারা মিটিয়ে ফেলেছিলেন ওই চুক্তির মাধ্যমে। তারা এমন চুক্তিতে পৌঁছলেন যে, চুক্তি মোতাবেক যে দলই নির্বাচিত হোক না কেন, প্রতি চার বছর পর পর অতিঅবশ্যই প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন এবং পার্লামেন্টসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও সমতার ভিত্তিতে আসন ভাগাভাগিসহ নানা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। এর সুফলটি ছিল এমন যে, এতে দেশটির গণতান্ত্রিক ভিত্তি যেমন শক্তিশালী হয়েছিল, তেমন জনগণও অগণতান্ত্রিক শাসনের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। এটা চলেছিল দীর্ঘকাল। বিশ্বের অনেক দেশ একই ধরনের চুক্তি না করলেও জাতীয় ঐক্যের একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলে— রাজনীতির স্বার্থে গণতন্ত্রকে মজবুত করার জন্য।

তবে আমাদের দেশটিতে হয়েছে ভিন্ন কর্মকাণ্ড। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কখনো কোনো চেষ্টা করেছেন বা উদ্যোগ নিয়েছেন এমনটা দেখা যায়নি। বরং শাসকদল সব সময় বিরোধী দল, পক্ষকে বিনাশ ও নির্মূল করতে চেয়েছে এবং এমন চেষ্টা এখন অনেক বেশি প্রবল ও জোরালো হয়েছে।

বড় দুই দল ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন সব সময় চেয়েছে, যা কিনা সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষার বিপক্ষে। এ বিষয়টিও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে না পারার অন্যতম একটি কারণ। ১৯৯০-এর সামরিক শাসনোত্তর বেসামরিক নেতৃত্ব, বিশেষ করে প্রধান দুই দল ক্ষমতার বিকেন্দ্রায়নের বদলে ঠিক এর উল্টো কাজটিই করেছে। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার থেকে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন করতে গিয়ে তারা আসলে প্রধানমন্ত্রী-শাসিত সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করলেন। শুধু করলেনই না, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতাকে সর্বময় কর্তৃত্ববাদী হিসেবেই পরিণত করা হলো। এ কথাটি বলা প্রয়োজন যে, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের সংজ্ঞায়ই একটি বড় পরিবর্তন এসেছে। আর তা হচ্ছে— ক্ষমতার বিকেন্দ্রায়নের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সুফল যাতে তৃণমূল পর্যন্ত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। কিন্তু ১৯৯০-এর পরে ঠিক এর উল্টো কাজই করা হয়েছে। ক্ষমতাকে এখন এতটাই কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে যে, এখানে সব কিছুই এক এবং এককের কর্তৃত্বে চলছে। রাজনৈতিক দলের কোনো স্তরেও গণতন্ত্রের বালাই নেই। মনে রাখতে হবে, গণতন্ত্র হচ্ছে মনস্তাত্ত্বিক বিষয়। অর্থাত্ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি শাসকদের মনোজগতে সব সময় ক্রিয়াশীল থাকতে হবে। এটা মৌখিক বা লোক দেখানো কোনো বিষয় নয়। এ ব্যাপারে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর অমর্ত্য সেন The Idea of Justice বইয়ে বলেছেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে কী কী প্রতিষ্ঠান আছে, শুধু তা দিয়ে গণতন্ত্রের মূল্যায়ন হয় না; ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীর বহু মানুষের কণ্ঠস্বরগুলো শোনা যাচ্ছে কিনা তা-ও দেখতে হবে।’

দুই দলের আরেকটি বড় সংকট হচ্ছে, নির্বাচনব্যবস্থাটিকে ভ্রান্ত দৃষ্টিতে দেখা। নির্বাচনই যে গণতন্ত্র নয়, গণতন্ত্রে উত্তরণের একটি উপায় এবং পন্থা মাত্র তা তারা কখনই মনে করে না। এ কারণে একদলীয় নির্বাচনের দিকে তারা যেমন যায় এবং ভোট কেন্দ্র দখল, কারচুপির সংস্কৃতিটি স্বাধীনতার পর থেকেই বেসামরিক শাসকদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে ও মনোজগতে স্থায়ীভাবে বসত গেড়েছে। আর গণতন্ত্রের উপায় এবং পন্থাকেই অর্থাত্ গণতন্ত্রকেই এখন বিদায় জানানোর মধ্য দিয়ে মানুষের বাক, ব্যক্তি, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতাসহ সামগ্রিকভাবে মানুষের স্বাধীনতা এবং অধিকারকে চরমভাবে বিপন্ন করে ফেলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হলে অনিবার্যভাবে রাজনীতির ক্ষেত্রে চরম এক শূন্যতার সৃষ্টি হয়। ইতিহাসের স্বতঃসিদ্ধ শিক্ষা হচ্ছে— শূন্যতা কখনই স্থায়ী হয় না। তবে তা পূরণ হবে কীভাবে তা-ও কেউ আগাম বলতে পারে না।

প্রথমেই আলোচনা করা হয়েছিল, সামরিক শাসনোত্তর বেসামরিক শাসকদের যে দক্ষতা, যোগ্যতা, প্রজ্ঞা দেখাতে হয় এবং প্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকতে হয়, সে ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার অনিবার্য ফলাফল হচ্ছে গণতন্ত্রের বর্তমান পরিস্থিতি। ওই দক্ষতা, যোগ্যতা এবং প্রজ্ঞাশীল নেতৃত্বের উপস্থিতি থাকলে পরিস্থিতি এমন হতে পারত না। সঙ্গে সঙ্গে সামরিক স্বৈরশাসক এরশাদের পক্ষ থেকেও ‘কোথায় গণতন্ত্র’ বলে অবজ্ঞাসূচক প্রশ্ন উত্থাপনও সম্ভব হতো না। এরশাদের পরিণতি এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারত। প্রায় ৬০০ বছর আগে নিকোলো ম্যাকিয়াভেলির (১৪৬৯-১৫২৭) ঐতিহাসিক সত্য উচ্চারণ— ‘কোনো শাসকই স্থায়ী হতে পারে না শাসিতদের সন্তুষ্টি ছাড়া’ (No Government can be safe without the goodwill of the governed.)এ বিষয়টি আমাদের শাসক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মনোজগতে এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের মধ্যেই নেই। আর নেই বলেই গণতন্ত্র দৃঢ় ভিত্তি নিয়ে কখনই দাঁড়াতে পারেনি।

     লেখক : সম্পাদক, আমাদের বুধবার ডটকম

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন