শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৫, বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫

মমতা যা বললো আমাকে

তসলিমা নাসরিন
অনলাইন ভার্সন
মমতা যা বললো আমাকে

আমার স্বামী ব্যবসা করে, আর আমি মতিঝিলের একটি ফার্মে প্রাইভেট সেক্রেটারির চাকরি। বেতন ভাল। আমি দেখতেও ভাল। লোকে বলে, তাছাড়া আয়নায় দেখি। এই চাকরিটি দিনে দু’বার ছেড়ে দেবার উপদেশ দেয় আনিস; আনিস আমার স্বামীর নাম। আমি কোনও যুক্তি খুঁজে পাই না, কেন আমি চাকরিটি ছাড়ব। আজকাল পনোরো হাজার টাকা কি চাইলে পাওয়া যায়? আনিস যে খুব বড়সড় কোনও ব্যবসা করে তাও নয়। তারও হঠাৎ হঠাৎ কপর্দকহীন বছর পেরোয়। তখন আমার টাকায় দিব্যি সংসার চলে। আনিসকে এ নিয়ে আমি কখনও অহংকার করে বলি না যে দেখ এই খাতে এত ঢালছি, ওই খাতে অত। আনিসের ব্যবসা মাঝে মাঝেই জমে ওঠে, ঘরে বেশ টাকা আসতে থাকে তখন, বুঝি। আনিস নতুন প্যান্ট-শার্ট বানায়, বড় বড় রুই মাছ থাকে বাজারের থলেয়, রাত করে বাড়ি ফেরে, মুখ থেকে ভুরভুর করে মদের গন্ধ বেরোয়। আর সেই মদ খাওয়া অবস্থায় সে আমাকে ডাকে-‘মমতা, এদিকে এসো।’

আমি যে হাতের কাজ সব সেরে তার কাছে যাব তা সে মানবে না। তক্ষুনি যেতে হবে। গেলে তার প্রথম কথাই হবে ‘তোমার ফার্মের এমডি একটা আস্ত বদমাশ সেটা তুমি জানো?’

এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দেওয়া যায় না। প্রথম প্রথম আমি এরকম উত্তর দিতাম যে সে লোক বদমাশ হলে আমার কী। তাতে সে আরও ক্ষেপে গিয়ে বলে ‘তুমি কি বলতে চাও সে লোক তোমাকে নিয়ে বিছানায় যায়নি?’

আমি যদি বলি- ‘না।’ আনিস আমার গালে শক্ত দুটো চড় দিয়ে বলবে- ‘মিথ্যে কথা।’ তার প্রশ্নের উত্তর না দিলেও সে বলবে- ‘এমডি আলমগীর তোমার সঙ্গে শুয়েছে।’ সে এত চিৎকার করে ‘বেশ্যা, ছেনাল, মাগী’ শব্দগুলো উচ্চারণ করে যে লজ্জায়-ঘৃণায় আমার মরে যেতে ইচ্ছে করে। আশেপাশের ফ্ল্যাট থেকে সকলেই আনিসের এই চিত্কার-চেঁচামেচি উপভোগ করে। উপভোগ করে এইজন্য বললাম, কারণ এই সব মারধর চিৎকার করবার পর পরদিন সকালে যখন প্রতিবেশীরা খবর নিতে আসে, জিজ্ঞেস করে কী হয়েছিল ভাই অথবা ভাবী, আগ বাড়িয়ে আনিসই তাদের শোনায় যে এই সংসার তার জন্য নরকের মত। এই সংসারে যে সে কীভাবে টিকে আছে তা সে-ই জানে। প্রতিবেশীরা আনিসের জন্য মায়ায় এবং মমতায় কাতর হয়ে ওঠে। আমাকে যাবার আগে ওরা উপদেশ দিয়ে যায়- ‘স্বামী যেভাবে চায় সেভাবে থাকো, অযথা গণ্ডগোল কর কেন?’

আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী সবাইকে আনিস এরকমই বুঝিয়েছে, এই সংসারটি আমার উদাসীনতার কারণেই এমন উচ্ছন্নে যাচ্ছে। ছেলেমেয়ের লেখাপড়া ভাল হচ্ছে না। ঘরের কাজে আমার মন নেই। মন পড়ে থাকে বাইরে। চাকরিটি ছেড়ে দিতে কিছুতেই রাজি নই। কারণ তার সঙ্গে তেরো বছর বিয়ে হয়েছে, তবু আমি নিশ্চিত নই তার সঙ্গে বাকি জীবন আমার থাকা সম্ভব কি না। হতেও তো পারে আমাকে একদিন সে ডিভোর্স করলো, হতেও তো পারে আমাকে সে চাপ দিয়ে রাজি করিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করলো।  আমি কোনও আশঙ্কাকে একেবারেই ঝেড়ে বিদেয় করি না।

চাকরিখানা তাই ছেড়ে দেবার আমি কোনও যুক্তি দেখি না। লোকে বলে, আনিসও বলে, পিএস মানেই এমডি’র পোষা মেয়েমানুষ। পিএস পদটি চাকরি হিসেবে সম্মানজনক নয়, একথা আমার মানতে ইচ্ছে করে না। আমার দশ বছরের চাকরি জীবনে আলমগীর সাহেব প্রয়োজনের বাইরে আমার সঙ্গে একটি কথাও বলেননি। আমার সঙ্গে অশালীন আচরণ তিনি কখনোই করেননি। অথচ আমার এক ডাক্তার বান্ধবীকে তার প্রায়বৃদ্ধ  প্রফেসর রোগী দেখবার নাম করে চেম্বারের দরজা বন্ধ করে উলঙ্গ করে ছাড়তেন। ডাক্তারি তো খুব সম্মানের পেশা লোকে বলে, তবে? আমার এমডির সঙ্গে আনিসের যে পরিচয় নেই তা নয়। আনিস প্রায়ই এসে তাঁর সঙ্গে রাজনীতি, অর্থনীতি, ইন্ডাস্ট্রি ইত্যাদি বিষয়ে কথাবার্তা বলে, লোকটি যে আপাদমস্তক ভদ্রলোক তা জেনেও আনিস বাড়িতে বসে এমডি এবং আমাকে নিয়ে অশোভন সম্পর্কের ইঙ্গিত করে।

আমাদের ছেলেমেয়ে বড় হচ্ছে। দীপ আর দোপাটি। ওরাও আনিসের মদ খাওয়া, আমার সঙ্গে রাত-বিরেতে চিত্কার করা, গালিগালাজ এসব সম্পর্কে সব জানে। একদিন দীপ আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল- ‘মা বেশ্যা মানে কি? তুমি কি বেশ্যা?’

-‘কেন একথা বলছ তুমি?’ দীপকে আমি স্কুলের টিফিন বক্সে টিফিন দিতে দিতে অবাক হয়ে প্রশ্ন করলাম।

 দীপ বলল- ‘বাবা যে তোমাকে বেশ্যা বলল সেদিন!’

পাঁচ বছর বয়সের ছেলে, ওরও শব্দের মানে জানবার কৌতূহল জাগে। আমি অনেকক্ষণ চুপ হয়ে রইলাম। কোনও উত্তর দিতে পারিনি দীপকে। কারণ একবাক্যে তার বাবার কথাটি উড়িয়ে দিলে তারও প্রশ্ন জাগবে বাবা কেন তবে মিথ্যে কথা বলে। আমি প্রসঙ্গ পাল্টে বলি- ‘তোমার স্কুল আজ তাড়াতাড়ি ছুটি জানো তো? আজ কিন্তু আমরা শিশু পার্কে যাবো।’ দোপাটির বয়স দশ। ও চুপচাপ মেয়ে। আমাকে কোনও প্রশ্ন করে না কোনও বিষয়ে। তবে আনিসের চেয়েও আমাকে বেশি পছন্দ করে বুঝি। আমি অফিস থেকে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরে আবার যখন রান্না ঘরে দৌড়োই, সে বলে- ‘এত কাজ করলে পরে তোমার জ্বর হবে।’

‘কাজ করলে বুঝি জ্বর হয়?’ আমি হেসে বলি।

আসলে এত কাজ করলে তোমার যে কষ্ট হবে এই কথাটির বদলে সে বলে জ্বর হবে। সম্ভবত কষ্টের চেয়ে জ্বরকে তার ভয়ঙ্কর মনে হয় বেশি। তাই ভয়ঙ্করের অধিক্য বুঝিয়ে সে আমাকে নিরস্ত করতে চায় কষ্ট থেকে। কিন্তু আমার কি বসে থাকলে চলে। আমার ভাত-তরকারি রাঁধতে হবে, সকলকে খাওয়াতে হবে। বাড়িতে কাজের মানুষ একেবারেই পাওয়া যায় না। তাই একা হাতেই সব সামলাতে হয়। আনিস আবার জুয়ো খেলার আসর বসায়। ড্রইংরুমে মধ্যরাত অবধি জুয়ো চলে আমি আনিস এবং তার বন্ধুদের জন্য রান্না চড়াই, সকলকে খাইয়ে-টাইয়ে ঘুমাতে যাই। আনিস জুয়োয় বেশির ভাগই হারে। ওর জুয়ো খেলায় আমি কখনও বাধা দিই না, বাধা কেন দেব, তাঁর নিজের যদি ইচ্ছে করে টাকা ওড়াবে, তবে আমার আপত্তি করা উচিত নয়, অন্যের সাধ-আহ্লাদকে নষ্ট করবার অধিকার আমার নেই। আজকাল জুয়ো অনেকেই খেলে, আমারও বেশ ভাল লাগে তাস খেলা। টাকা দিয়ে আমিও ক’দিন খেলেছি, কিন্তু এ এক বিচিত্র নেশা, খেললে কেবল খেলতেই ইচ্ছে করে। তাই একেবারেই দূরে থাকি জুয়োটুয়ো থেকে।

হঠাৎ করে আনিসের হাতে অনেক টাকা এসেছে। আমি জানি এই টাকার উৎস কী। তবে টাকা পেয়ে এবার সে অদ্ভুত একটি কাণ্ড করেছে, বলেছে সে বিয়ে করবে। বিয়ে করবার কারণ সে জানিয়েছে তার জন্য একটি ‘ঘরোয়া মেয়ে’ প্রয়োজন, যে মেয়ে ঘরে থাকবে, চাকরি-বাকরি করবে না, স্বামীর সেবাযত্ন করবে। 

মেয়ে নাকি ঠিকও হয়েছে একটি। শুনে আমি কোন আগ্রহ দেখাই না। যা হয় হবে। নিয়মিত অফিস করি, ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া করানো, রান্না করা, ঘর গোছানো সবই আমি নিঃশব্দে করে যাই। আনিস রাতে বাড়ি ফিরে আমাকে শুনিয়ে শুনিয়েই বলে- ‘বিয়ে করব না কেন, নিশ্চয় করব। বিয়ে করবার বয়স তো আমার আর চলে যায়নি।’

হ্যাঁ বিয়ে আনিস ঠিকই করে, তবে বিয়ের আগে আমাকে ডিভোর্স দেয়। ডিভোর্স লেটারে আমার দোষ উল্লেখ করে আমি দুশ্চরিত্র মেয়ে, অফিসের যার-তার সঙ্গে আমি শুই। আমাকে ঘরে রাখা ঠিক নয়।

চমৎকার একটি মেয়ে। একুশ বছর বয়স। মফস্বলের সরল মেয়ে। বোকা বোকা, দেখতে সুন্দর। মেয়েটিকে সত্যি সত্যি আনিস একদিন বিয়েই করে বসে আমার সঙ্গে তের বছরের সম্পর্ক ঘুচিয়ে। আমি মেয়েটিকে দোষ দিই না, আনিসকেও না।

ছোট একটি বাড়ি ভাড়া করি। বাড়িতে দীপ আর দোপাটিসহ উঠি। আর আগের বাড়িতে নতুন বউসহ আনিস থাকে। আমাকে অনেকেই বলেছিল বাপের বাড়ি, ভাইয়ের বাড়ি কারও বাড়ি ওঠ গিয়ে। আমি রাজি হইনি। রাজি হইনি কারণ আমি জানি ওরা সবাই আনিসের ঢং-এ কথা বলবে, বলবে ‘স্বামী যখন চায়নি চাকরিটা তুই কর, তখন ছেড়ে দিলেই পারতিস। এত কেন মোহ চাকরির প্রতি, তবে আনিস যা অভিযোগ করে, ঠিকই করে নিশ্চয়ই।’

আনিস সুখেই আছে খবর পাই। দীপ আর দোপাটিকে নিয়ে যাবার জন্য সে লোক পাঠায়। আমি ওদের দিই না। তাছাড়া ওরা যেতে চায় না। খবর পাঠিয়েছে সে কেইস করবে, কেইসে নিশ্চয় জিতবে কারণ সন্তানের ওপর মায়ের অধিকার তো দুধ খাওয়ানো পর্যন্ত। দুধ ছাড়লেই সন্তান পিতার সম্পদ। এত অমানবিক আইন দেশে বিরাজ করে ভাবতেই আমার গা শিউরে ওঠে। আর তাছাড়া ছেলেমেয়েদের ও নিতেই বা চায় কেন। ওর এখন নতুন ছেলেমেয়ে হবে। ওর এখন ঘরোয়া মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার। ওই সংসার আগের ঘরের ছেলেমেয়েরা ধুলো-পায়ে ঢুকবে- এ তো আনিসের পছন্দ হবার কথা নয়। সম্ভবত আমাকে কষ্ট দেওয়াই ওর আসল উদ্দেশ্য।

আমি চাকরিটি করেই যাচ্ছি। বেতনের পয়সায় বাড়িভাড়া এবং বাকি খরচ চলে যায়। দীপকে নিয়ে গেছে আনিস, দোপাটি আমার কাছে। দোপাটি যেহেতু মেয়ে, ওকে নেবার আগ্রহও কম ছিল আনিসের। দোপাটির লেখাপড়ার খরচ জোগাতে আমার কষ্ট হয় খুব। আমি চাচ্ছি না ওকে এখনকার স্কুল ছাড়িয়ে কোনও কম বেতনের স্কুলে ভর্তি করাতে। দোপাটি অবশ্য একদিন নিজেই বলে- ‘মা, আমরা না হয় প্রতিদিন মাছ মাংস না খেলাম, আমি কিন্তু আলু ভর্তা খুব পছন্দ করি।’

ও কেন এ কথা বলে, আমি বুঝি। আলু ভর্তা আর ডাল দিয়ে ভাত খেয়ে ও আমার টাকা বাঁচাতে চায়। আমাকে টাকা পয়সা নিয়ে কোনও দুশ্চিন্তা করতে দিতেও রাজি নয়। আমরা, আমি আর দোপাটি সলাপরামর্শ করে খরচ অনেকটা কমিয়ে আনলাম সংসারের। এমডি’কে একদিন জানালাম আমি যেহেতু একা থাকি এবং আমাকেই সব খরচ জোগাতে হয়, আমার বেতন আরও কিছু বাড়িয়ে দিলে আমার কিছু উপকার হয়।

এমডি চোখ কপালে তুলে বললেন- ‘কেন, একা থাকেন কেন? আনিস সাহেব কোথায়?’

-‘ও তো আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে।’

-‘কেন?’

-‘এর মধ্যে আরেকটি বিয়েও করেছে।’

-‘অ্যাবসার্ড। বলছেন কী আপনি! আর আপনি একা থাকবেন কী করে! একা একটি মেয়ে মানুষের পক্ষে কি বেঁচে থাকা সম্ভব?’

এমডি আমাকে অবাক করলেন। তিনি আমার স্বামীহীনতাকে মোটেও ভাল চোখে দেখছেন না। দিন দিন আমার সঙ্গে তাঁর সংঘাত বেড়ে যায়। চোখ কুঁচকে একদিন বললেন- ‘আপনাকে তো ভদ্র মেয়ে বলেই জানতাম। আনিস সাহেব কেন আপনাকে ডিভোর্স দিল? পুরুষ মানুষ কি আর সহজে কাউকে ডিভোর্স দেয়?’

সমাজে সবার মুখে এই একই ধরনের কথা। লাট সাহেব থেকে চাকর পর্যন্ত। আমি যাব কোথায়! অফিসের হেডক্লার্ক মাসুদ সাহেব, যে আমাকে সবসময় খুব সমীহ করে চলত, সে একদিন বলল- ‘আপা কোথায় বাসা নিয়েছেন, একদিন আপনার হাতের রান্না খেতে যাব।’ বলেই হা হা করে হাসতে লাগল। তারপর আমার মনে হল আমার একটু গা ঘেঁষেও যেন সে দাঁড়াল।

আমি নতুন চাকরি খুঁজতে লাগলাম। ভাল একটি চাকরি পেয়েও গেলাম গুলশানের এক বড় অফিসে। এক্সপেরিয়েন্সটা কাজে দিয়েছে। ভাবছি এখানেও যদি ওরকম হয় তবে আর অভিমান করে আবার নতুন চাকরি খুঁজব না। প্রতিবাদ করব। স্বামী ছাড়াও যে বেঁচে থাকা যায় এ কথা আমাকে প্রমাণ করতেই হবে। সঙ্গে স্বামী থাকাই যে ভাল এবং ভদ্রমেয়ের পরিচয় আর স্বামী না থাকা যে খারাপ মেয়ের লক্ষণ তা ঠিক নয়। আমাকে প্রতিবাদ করতে হবে। আর খারাপ ভালর যে বিচার— তাও আমার বড় অদ্ভুত লাগে।

নতুন চাকরিতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। বেতন ভাল। তাছাড়াও বিকেলে একটি হ্যান্ডিক্রাফটের দোকানে সেলসগার্লের কাজ নিয়েছি। দোপাটিকে দু’জন টিচারের কাছে পড়াতে পারছি। আলু ভর্তা সবসময় থাকছে না, মাছ মাংসও পাতে আসছে। মানুষের জীবন আসলে এক উত্তাল সমুদ্র, ঢেউ কোথাও থেমে থাকে না, গতিময় এবং প্রাণময় জীবন মানুষের। একটি যুবকের সঙ্গে এর মধ্যে পরিচয় হয়, নতুন অফিসে আমার সহকর্মী। বয়সে আমার চেয়ে দু’বছরের ছোট। সেই যুবকের সঙ্গে বন্ধুত্ব হতে হতে আমার এমন হয় যে, তার সঙ্গ আমার খুব বেশি ভাল লাগে। বাড়িতেও সে আসে। একদিন সে আমার দু’কাঁধ ধরে ঝাঁকুনি দিয়ে বলল- ‘কী মমতা, আমাকে ভালোবাসো?’

আমি চোখ বুজে উত্তর দিলাম ‘হাঁ।’

তারপর দু’জনই আমরা আমাদের মন আর শরীরের প্রয়োজনে বিছানায় যাই। এই সম্পর্কের জন্য আমার কোনও লজ্জা বা সঙ্কোচ হয় না। যুবকের নাম কায়েস। কায়েস আমাকে ভালোবাসে, আমিও কায়েসকে। কায়েসের বউ বাচ্চা আছে, ওদের প্রতি সে যথেষ্ট আন্তরিক। তার আন্তরিকতা আমাকেও মুগ্ধ করে। কায়েসের  সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে দোপাটিকে আমি বলেছি- ‘ও আমার বন্ধু। ওকে আমার স্বামী করব না কখনও। তবে বন্ধুত্বের সম্পর্কটি কতদূর যায় না যায়, সে একেবারেই আমার ব্যক্তিগত।’ দোপাটি মাথা নেড়ে হেসেছে। অর্থাৎ মা, তোমাকে আমি ভালবাসি। তুমি তোমার যা ভাল লাগে, কর।

দীপকে হোস্টেলে দিয়ে দিয়েছে আনিস। নতুন ঘরে তার বাচ্চাকাচ্চা হয়েছে। দোপাটিও বড় হয়েছে। কলেজে পড়ে। আর আমি সব মিলিয়ে ভাল আছি। চাকরি থেকে ফিরে দোপাটির সঙ্গে গল্প করা, গান শোনা, পড়বার জন্য ওকে ভাল ভাল জ্ঞানবিজ্ঞানের বই কিনে দেওয়া এগুলো করি। কায়েস জার্মানি চলে গেছে চাকরি নিয়ে। কায়েস, আনিস ইত্যাদিরা আসে এবং যায়। এদের জন্য নিজের জীবন থামিয়ে রাখলে চলে না। আমার জীবন আমার ছাড়া আর কারওর নয়। জীবনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এই কথাটি আমি খুব গভীর করে অনুভব করি।

লেখক : নির্বাসিত লেখিকা


বিডি-প্রতিদিন/ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন