শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৫৫, শুক্রবার, ০১ এপ্রিল, ২০১৬

ভিনদেশি পর্যটকের ডায়েরি থেকে পড়ছি

গোলাম মাওলা রনি
Not defined
অনলাইন ভার্সন
ভিনদেশি পর্যটকের ডায়েরি থেকে পড়ছি

আমি এক বিচিত্র এবং অদ্ভুত দেশের পথে-প্রান্তরে মুসাফির হিসেবে ঘুরছি। দেশের লোকজন, পশুপাখি, জন্তু-জানোয়ার এবং আবহাওয়া বড়ই অদ্ভুত প্রকৃতির। যতই দেখছি ততই আশ্চর্য হয়ে ভাবছি এও কি সম্ভব! এখানে এসে শুনলাম মহাবীর আলেকজান্ডারও নাকি এ অঞ্চলে এসেছিলেন। তিনি ছাড়াও চৈনিক পর্যটন ফা হিয়েন, হিউয়েন সাং এবং ইবনে বতুতা এদেশে এসে আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলেন।  তারা কি কি বিষয় নিয়ে আশ্চর্য হয়েছিলেন তা আমি বলতে পারব না। তবে আমি এদেশের লোকজনের চেহারা সুরত, কথাবার্তা, খাদ্যাভ্যাস, রাজনীতি ইত্যাদি নিয়ে যতটা না আশ্চর্য হয়েছি তার চেয়েও বেশি মাত্রায় চমকিত হয়েছি তাদের দৈনন্দিন জীবনে বাঁশের বহুবিধ ব্যবহার দেখে।

একদিন আমি গ্রামের মেঠোপথ ধরে হাঁটছিলাম। হঠাৎ দেখলাম পথের বাঁক থেকে ৩০/৪০ জনের একটি বালক দল বের হয়ে এলো। তাদের সবার বয়স ৭/৮ বছরের মতো হবে। পরনে নেংটি, বাকি শরীর উদোম। মাথা থেকে পা পর্যন্ত সর্বাঙ্গ তেল মাখানো। বালকদের সবার হাতে একটি করে লম্বা বাঁশের লাঠি। তারা আনন্দ করতে করতে এগোচ্ছে এবং সমস্বরে বলছে আমাদের বাঁশ করে টাস টাস। আমি বালকদের কাণ্ডকারখানা দেখে ভারি আশ্চর্য হয়ে গেলাম। লোকজনকে জিজ্ঞাসা করে জানলাম তারা লাঠি খেলার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য যাচ্ছে। আমিও বালকদের পিছু নিলাম এবং প্রতিযোগিতার মাঠে উপস্থিত হয়ে আরও আশ্চর্য হয়ে গেলাম। হাজার হাজার বিভিন্ন বয়সের মানুষ বালকদের লাঠিখেলা দেখার জন্য উপস্থিত হয়েছে। আমি অতীব আনন্দ ও কৌতূহল নিয়ে বালকদের বাঁশের লাঠির খেলাধুলা দেখতে থাকলাম এবং মনে মনে বাঁশ নিয়ে গবেষণা শুরু করলাম।

দেশটির আনাচে-কানাচে অসংখ্য বৃহত্তর বাঁশবন রয়েছে। স্থানীয়রা এগুলোকে বাঁশঝাড় বলে। প্রতিটি গৃহস্থ পরিবারের ২/৩টি বাঁশঝাড় রয়েছে। তল্লা বাঁশ এবং বয়রা বাঁশ নামের দুই শ্রেণির বাঁশ দিয়ে দেশবাসী হাজারও কর্ম করে থাকে। তারা বাঁশ দিয়ে বাঁশি বানায়। পুরুষরা নিখুঁতভাবে সেই বাঁশের বাঁশিতে সুর তুলে মানুষজনকে মোহিত করে। এক শ্রেণির পুরুষ তাদের প্রেমিকাকে পাওয়ার জন্য রাতবিরাতে বাঁশি বাজাতে থাকে। নারীরা বাঁশির সুরে পাগল হয়ে নাগরের সঙ্গে ছুটে আসার জন্য উথালপাতাল শুরু করে। প্রবাসী স্বামীর যুবতী স্ত্রীকে লক্ষ করে নাগরেরা বেশি বেশি বাঁশি বাজায়। যুবতী স্ত্রীর শাশুড়ি এবং ননদেরা তাকে পাহারা দিয়ে আটকে রাখে। এ অবস্থায় যুবতী বধূ একা একা গেয়ে ওঠে— অসময়ে বাঁশি বাজায় কে রে। পরান আমার বায়রাম বায়রাম করে।

দেশটির কিছু মানুষ বাঁশি বাজিয়ে কিছু প্রজাতির ফণাতোলা সাপকে নাচিয়ে আয় রোজগার করে। এমন দৃশ্য আমি পৃথিবীর কোথাও দেখিনি। এখানকার মানুষ যেমন অদ্ভুত তেমনি সাপগুলোও ভারি অদ্ভুত। বেশির ভাগ সাপই নির্বিষ। তারা বড় বড় ফণা তুলে ২/৩ ফুট উঁচু হয়ে দুলতে থাকে এবং ভয়ঙ্কর শব্দে ফোঁসফাঁস করতে থাকে। শত শত লোক দাঁড়িয়ে বাঁশির সুর এবং ফণাতোলা নির্বিষ সাপের ফোঁসফোঁসানি দেখে ভীষণ আনন্দ লাভ করে। কিন্তু একাকী কোনো ফণাতোলা সাপ দেখলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। অনেকের নাকি ভয়ের চোটে কলিজা ফেটে যায়। দেশটিতে সাপের কামড়ে প্রচুর লোক মরে। আমি ভেবে পাই না নির্বিষ সাপের কামড়ে কীভাবে তারা মারা যায়। সম্ভবত সাপের ফোঁস শব্দ কিংবা ফণাতোলার দৃশ্য দেখে তাদের হাত-পা এবং দাঁতে কাঁপন ধরে। ক্রমে তারা অবশ হয়ে পড়ে এবং ঘটনাস্থলে চিত্পটাং হওয়ার আগে চোখ দুটিকে বন্ধ করে ফেলে। তারপর মনে করে ক্যাম শ্যাষ। এভাবে বেশির ভাগ লোকের কলিজা ফেটে যায়। আবার কেউ কেউ অবশ অথবা পাগল হয়ে যায়।

বাঁশ দিয়ে লোকজন ঘর বানায়। নিত্য ব্যবহার্য বেশির ভাগ জিনিস বাঁশ দিয়ে তৈরি করে। অন্যদিকে বাঁশ দিয়ে তারা নানান অপকর্মও করে থাকে। চোর, ডাকাত, গুণ্ডা বদমাশ প্রকৃতির লোকেরা বাঁশের লাঠিকে যেমন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে তেমনি শিক্ষকবৃন্দ তাদের অবাধ্য ছাত্রদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য বাঁশের কঞ্চিকে ব্যবহার করে থাকেন। গ্রামের মুসলমান সন্তানদের সুন্নতে খতনা করানোর জন্য একশ্রেণির লোক রয়েছে। স্থানীয় ভাষায় এদেরকে হাজাম বলা হয়। হাজামরা তাদের কর্ম করার জন্য ধাতব অস্ত্রের পরিবর্তে বাঁশের ছাল ব্যবহার করে থাকে। বালকেরা হাজামদের জমের মতো ভয় পায় এবং খতনার আগে সর্বশক্তি দিয়ে কান্না করতে করতে বলে— ইয়া আল্লাহ! তুমি আমারে মাইয়্যা বানাইলা না ক্যান! বালকদের এই কান্নার দৃশ্য দেখে তার সমবয়স্ক বালিকারা ভারি আনন্দ লাভ করে এবং বাঁশের তৈরি কুলার ওপর ধান-ধুবলা এবং সিঁদুর রেখে সেই কুলা নিয়ে কোমর দুলিয়ে নৃত্যগীত করে পরিবারের লোকজনকে আনন্দ দেয়।

বাঁশের পর যে বিষয়গুলো আমাকে চমকিত করেছে তা হলো দেশবাসীর চেহারা সুরুত, খাদ্যাভ্যাস, কথাবার্তা এবং মনমানসিকতা। দেশটিতে আরব দেশের লোকজনের মতো উজ্জ্বল এবং ফর্সা ত্বকবিশিষ্ট মানুষজন যেমন আছে তেমনি আফ্রিকার আবিসিনিয়ার অধিবাসীদের মতো কালো রঙের মানুষও রয়েছে অনেক। ফর্সা মানুষের গায়ের রঙের দশ-বারোটি প্রকারভেদ রয়েছে। কেউ দুধের মতো ফর্সা, কেউবা গোলাপের মতো। কারও ফর্সার মধ্যে হলুদ হলুদ ভাব রয়েছে আবার কারও রয়েছে তামাটে ভাব। অন্যদিকে কালো মানুষদের রয়েছে একশটিরও বেশি প্রকারভেদ। সবচেয়ে আকর্ষণীয় কালো বর্ণকে বলা হয় উজ্জ্বল শ্যাম বর্ণ, মাঝারি কালাকে শ্যাম, শ্যামল বা শ্যামা বর্ণ। অন্যদিকে বেশি কালো রঙের মানুষকে বলা হয় কুচকুচে কালো— যাকে স্থানীয় ভাষায় অনেকে গুডি কাইল্যা, কালু, কালিয়া ইত্যাদি নামে সম্বোধন করে থাকে। কালো রং নিয়েই মানুষজনের আগ্রহ, নিগ্রহ এবং আদিখ্যেতা দেখা যায়। অনেক গল্প, কবিতা, উপন্যাস এবং লোকগানে বাহারি কালো রঙের নারী-পুরুষের বন্দনা করা হয়েছে।

সারা দেশের লোকজন একই ভাষায় কথা বলে। কিন্তু আঞ্চলিকতা ভেদে একই ভাষার বিভিন্ন শব্দ বিপরীত অর্থ ধারণ করে অনেক অনাসৃষ্টি ঘটিয়ে থাকে। যেমন শসাকে কোনো কোনো এলাকায় বলা হয় হুয়া। আবার হুয়া শব্দটি কোনো কোনো এলাকায় একটি নিকৃষ্ট গালি হিসেবে বিবেচিত হয়। একইভাবে কম্বল শব্দটিকে এক এলাকায় মানুষ শীত নিবারণের ভারী বস্ত্র হিসেবে জানে— কিন্তু দেশের অন্য অংশের লোকজন কম্বল বলতে মানুষের নিতম্বকে বুঝে থাকে। হুয়া, কম্বল শব্দদ্বয়ের মতো আরো বেশ কয়েকটি শব্দ রয়েছে যা এক এলাকার বুলি কিন্তু অন্য এলাকায় গালি হিসেবে বিবেচিত হয়। পোয়া, মোয়া, কোসা, গোমা, পুটুস, চুদুর-বুদুর ইত্যাদি শব্দমালা নিয়ে প্রায়ই লোকজনের মধ্যে ঝগড়াঝাটি, মারামারি এবং দ্বন্দ্ব-সংঘাত বেধে যায়।

লোকজনের খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, বিশ্রাম, বিনোদন এবং নেশা করার মধ্যেও অবাক হওয়ার মতো বহু উপকরণ রয়েছে। তারা প্রচুর ঝালযুক্ত খাবার খায়। এ জন্য সারা দেশে প্রায় ২০/২৫ প্রজাতির মরিচের চাষ হয়। তারা মরিচকে শতাধিক উপায়ে ভক্ষণ করে। কেউ কেউ কাঁচামরিচ এবং পেঁয়াজ দিয়ে ভাত, মুড়ি ইত্যাদি খায়। অনেকে মরিচের বাহারি আচার, সালাদ এবং ভর্তা বানিয়ে খেতে খুবই পছন্দ করে। মরিচ পাকিয়ে তারপর রোদে শুকিয়ে তারা সেই মরিচের গুঁড়া বানিয়ে তরিতরকারিতে ব্যবহার করে। অতিরিক্ত মরিচ ভক্ষণের ফলে বেশির ভাগ লোকের পেট এবং মস্তিষ্কে সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত মরিচ খেয়ে অনেকের কলেরা পর্যন্ত হয়ে যায় কিন্তু তারপরও তারা মরিচ খাওয়া বন্ধ করে না। মরিচ খাওয়া-সংক্রান্ত মস্তিষ্ক রোগকে লোকজন ভদ্র ভাষায় মেজাজ গরম বলে থাকে। অনেকে আবার একে চান্দি গরমের ব্যারামও বলে থাকে। চান্দি গরমের রোগীরা প্রায়ই মাথায় পানি ঢালতে থাকে এবং সরিষার তেলের সঙ্গে পানি মিশিয়ে তা চান্দিতে লাগিয়ে উপশম খোঁজার চেষ্টা করে।

নারী-পুরুষদের উল্লেখযোগ্য অংশ পান নামক এক ধরনের বৃক্ষপত্র ভক্ষণ করে। পানের সঙ্গে তামাক, তাম্বুল, খয়ের, সুপারি, চুন ইত্যাদি বহু মসলা যুক্ত করে তারা প্রতিদিন অনেক পান খায়। বাহারি মসলা যুক্ত করে যে খাদক বা খাদিকা তার মুখের লালাকে অধিক পরিমাণে লাল বানাতে পারবে সে-ই উত্তম পানাসেবী বলে বিবেচিত হবে। পান ছাড়াও তারা আরও একটি অদ্ভুত খাবার খায়। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ তারা রোদে শুকিয়ে শুঁটকি বানায়। এসব শুঁটকি প্রচণ্ড দুর্গন্ধযুক্ত হয় আর সেই দুর্গন্ধযুক্ত শুঁটকি ভর্তা করে অথবা অন্য উপায়ে রন্ধন করে একশ্রেণির মানুষ তা গলাধকরণের মাধ্যমে মহাতৃপ্তি লাভ করে থাকে। অন্যদিকে আরেক শ্রেণির মানুষ শুঁটকি খাওয়া তো দূরের কথা গন্ধ শুকেই বমন করা শুরু করে দেয়। লোকজনের খাওয়া-দাওয়া, ঘুম-বিশ্রাম এবং বিনোদনের কোনো স্থান কাল পাত্র নেই— নেই কোনো সময়ের কাণ্ডজ্ঞান। ফলে একই পরিবারের বা একই সমাজে বাস করার পরও লোকজনের আচার-আচরণে সাম্যতার পরিবর্তে বিশৃঙ্খলাই বেশি দেখা যায়।

দেশের মানুষজনের রাজনৈতিক চিন্তাচেতনা বড়ই অদ্ভুত এবং জটিল প্রকৃতির। তারা শক্তের ভক্ত এবং নরমের যম। তাদের মনমানসিকতা প্রচণ্ড সন্দেহপ্রবণ। তারা কাউকে বিশ্বাস করতে চায় না— কাউকে সহজে মানতে অস্বীকার করে এবং কথায় কথায় অবাধ্যতা এবং বেয়াদবি প্রদর্শন করে। তারা প্রায়ই অহংকার করে। অকারণে মিথ্যাচার করে এবং ভেলকিবাজিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে চায়। জ্ঞান অর্জন তাদের দুচোখের বিষ এবং বালখিল্যময় আচরণ তাদের অন্যতম হাতিয়ার। তারা ভয় দেখাতে যত না বেশি পছন্দ করে তার চেয়েও বেশি পছন্দ করে অকারণে ভয় পেয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হতে। তারা নিজেরা কাঁদতে যেমন ভালোবাসে তেমনি অপরকে কাঁদানোর মধ্যে অনুপম আনন্দ খুঁজে বেড়ায়। তারা জ্ঞানী-গুণী এবং বিদ্বানদের নিয়ে প্রায়ই ঠাট্টা-মশকরা করে এবং নিজেদের চেয়ে নিকৃষ্ট মানের এবং দুর্বল চরিত্রের লোকজনকে নেতা বানিয়ে গালে হাত দিয়ে আফসোস করতে থাকে।

দেশের মানুষজন শাসন করার চেয়ে শোষিত হতে বেশি ভালোবাসে। দেশের মাটি এবং মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে এমন সব লোক জাতিটিকে কোনো দিন শাসন করতে পারেনি। সব সময় বিদেশি শাসকরা হয়তো দূর দেশ থেকে দেশবাসীকে শাসন করেছে নতুবা এদেশে এসে নিজেদের শাসন পাকাপোক্ত করেছে। এশিয়া এবং আফ্রিকার প্রায় সব দেশের মানুষই দেশটিকে শাসন করেছে। পরবর্তীতে  ইউরোপীয়রা এসে দেশটিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে শাসনের নামে সুদীর্ঘকাল শোষণ করেছে। দেশটির দেড় হাজার বছরের ইতিহাসে এমন ঘটনাও ঘটেছে যে কিছু জলদস্যু বা ডাকাত এদেশে অপকর্ম করতে এসে দেশের রাজা বনে গিয়ে শত শত বছর শাসন করে গেছে। আফ্রিকার আবিসিনিয়া (বর্তমানের ইথিওপিয়া) থেকে কিছু কাফ্রি দাসকে আনা হয়েছিল বাংলার ইলিয়াস শাহী সুলতানের প্রাসাদের দারোয়ান হিসেবে। সেই দারোয়ানরা সুলতানকে এক রাতে খুন করে নিজেরাই সুলতান হয়ে বসল এবং সাতটি বছর ধরে বৃহত্তর বাংলাকে শাসনের নামে নারকীয় তাণ্ডব চালাল।

উপরোক্ত কারণসমূহের জন্য রাজনীতি, রাজনীতিবিদ এবং শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত লোকজন সম্পর্কে দেশের সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ভালো না। তারা রাজনীতিবিদদের বিশ্বাস করে না— শ্রদ্ধা কিংবা ভালোবাসা প্রদর্শন করে না। নিজেদের চিত্ত চাঞ্চল্য এবং দুর্বলতার জন্য ক্ষমতাসীনদের ভয় পায় মাত্র। জনগণের বহুবিধ আচরণ এবং বৈশিষ্ট্য যেমন আমাকে আশ্চর্য করেছে তেমনি এদেশীয় কুকুরের আচরণে আমি যারপরনাই অবাক হয়েছি। কুকুরগুলো সারাক্ষণ লেজ বাঁকা করে রাখে। অকারণে ঘেউ ঘেউ করে। নিজেরা ঘুমায় না এবং অন্যকেও ঘুমাতে দেয় না। এগুলো নিকৃষ্ট এবং নোংরা খাবার খায় এবং প্রকাশ্যে যৌনক্রিয়া করে। তারা সব সময় নিজেরা নিজেরা মারামারি করে এবং নিজের সঙ্গী বা সঙ্গিনীকেও সামান্য ছাড় দেয় না।

সারা দেশে রক্তচোষা প্রাণী বা কীটপতঙ্গের সংখ্যা সীমাহীন। মশা, ডাঁশ, উরাস বা ছারপোকা ছাড়াও রয়েছে আডালি নামের ক্ষুদ্রকায় প্রাণী যারা মূলত গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়ার রক্ত চুষে খায়। এগুলো শুধু রক্ত চুষে খায় না, বিভিন্ন প্রাণঘাতী রোগের জীবাণুও বহন করে। কিন্তু তা সত্ত্বেও মানুষ এগুলোকে ভয় পায় না। মানুষ ক্ষুদ্রকায় রক্তচোষা প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভয় পায় জোঁককে। জোঁক মূলত নিরীহ প্রাণী। কোনো জীবাণু বহন করে না। অন্যদিকে জোঁক যদি কারও শরীরে মুখ লাগিয়ে রক্ত চুষে নেয় তবে আক্রান্ত ব্যক্তি ব্যথা-বেদনা তো দূরের কথা একটু টেরও পাবে না। ছোট আকৃতির জোঁকের সংখ্যাই বেশি। এগুলোকে বলা হয় চীনা জোঁক যা সর্বোচ্চ তিন/চার ফোঁটা রক্ত চুষে নিতে পারে। অথচ লোকজন এই চীনা জোঁককেই ভয় পায় বেশি। কত লোক যে চীনা জোঁক দেখে জ্ঞান হারিয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। অন্যদিকে একশ-দেড়শ তাগড়া যুবকের মধ্যে কারও পায়ে যদি একটি চীনা জোঁক লাগে এবং অন্যরা যদি সে খবর পায় তবে সেখানে শুরু হয়ে যায় অদ্ভুত এক নাচন এবং ভয়ার্ত ফিসফাস। আর যুবক না হয়ে যদি তারা যুবতী হন তবে তো কথাই নেই— তাদের চিৎকারে সেখানে রোজ কেয়ামত শুরু হয়ে যাবে।  আর এ জন্যই হয়তো মহামতি আলেকজান্ডার তার সেনাপতিকে উদ্দেশ করে বলেছিলেন— সত্যিই সেলুকাস!  কি বিচিত্র এই দেশ, তাই না?

     লেখক : কলামিস্ট।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন