শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৩৩, বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২০ আপডেট:

হলি আর্টিজান: বিষাদের এক কালো অধ্যায়

মনিরা নাজমী জাহান
অনলাইন ভার্সন
হলি আর্টিজান: বিষাদের এক কালো অধ্যায়

২০১৬ সালের সালের ১ জুলাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এসেছিল এমন এক রাত। যে রাতটি ছিল বিভীষিকার, আতঙ্কের এবং ভয়ের। গুটিকয়েক জঙ্গি মতবাদে বিশ্বাসী সশস্ত্র তরুণের জঙ্গি আক্রমণের ফলে এক রাতেই বদলে দিয়েছিল গোটা বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক-রাজনৈতিক চিত্র। ভয়াবহ ও নিন্দনীয় জঙ্গি হামলার ঘটনাটি বাংলাদেশের এমন এক যায়গায় ঘটেছিল যে জায়গা পরিচিত ছিল অভিজাত কূটনীতিক পাড়া হিসেবে। সেই রাতে হলি আর্টিজান বেকারিতে জাপান, ইতালি ও ভারতের ১৭ জন নাগরিককে নারকীয়ভাবে হত্যা করা হয়েছিল। দুইজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশের কয়েকজন মানুষকেও প্রাণ দিতে হয়েছিল ওই হামলাকারী জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের হাতে। 

এই ধরনের নাটকীয় এবং নারকীয় হামলা যে বাংলাদেশে হতে পারে তা হয়ত হলি আর্টিজান হামলার পূর্বে বাংলাদেশের মানুষের কল্পনাতেও ছিল না। বরং সন্ত্রাসীরা কোনো রেস্টুরেন্ট কিংবা ব্যাংকে ঢুকে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে ফেলে, সিনেমা-নাটকেই এ ধরনের দৃশ্য দেখে অভ্যস্ত ছিল বাঙালি জাতি। কিন্তু এই ধরনের নাটকীয় হামলা যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে তার বাস্তব চিত্র দেখা গেছে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলায়। ২০১৬ সালের ১ জুলাই ঘটে যাওয়া ওই হামলার পর আতঙ্ক ও শোকে স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা জাতি। নেমে এসেছিল কালো বিষাদের ছায়া।

তবে যে প্রশ্নটি প্রথম মাথায় আসে তা হল, হলি আর্টিজান হামলার পিছনে আসলে কি উদ্দেশ্য ছিল? দুই বছরের বেশি সময় ধরে তদন্তের পর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবির ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র দেন। সেখানে বলা হয়, হলি আর্টিজানে হামলার পেছনে মূলত তিনটি উদ্দেশ্য ছিল জঙ্গিদের। ১. কূটনৈতিক এলাকায় হামলা করে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দেওয়া; ২. বিদেশি নাগরিকদের হত্যা করে নৃশংসতার প্রকাশ ঘটানো এবং ৩. দেশে বিদেশে গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পাওয়া এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা।

মাননীয় আদালত তার রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, বাংলাদেশ তথাকথিত জিহাদ কায়েমের লক্ষ্যে জননিরাপত্তা বিপন্ন করার এবং আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস এর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য জেএমবির একাংশ নিয়ে গঠিত নব্য জেএমবির সদস্যরা গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে নারকীয় ও দানবীয় হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

হলি আর্টিজান হামলার পরে দ্বিতীয় যে প্রশ্নটি ব্যপক হারে উচ্চারিত হচ্ছে তা হল, যারা জঙ্গিবাদে উৎসাহিত হচ্ছে বা জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হচ্ছে তারা আসলে কোন প্রক্রিয়ার বা কীভাবে হচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তরে অপরাধ বিজ্ঞানীরা কোন সুনির্দিষ্ট ফর্মুলা বা ব্লু প্রিন্ট দিতে পারেননি। তবে মোটা দাগে পুরো প্রক্রিয়াতে ৩টি ধাপের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। প্রথম ধাপে একজন মানুষের প্রচলিত সামাজিক ব্যবস্থায় প্রতি এক ধরনের হতাশা, ক্ষোভের জন্ম নেয়। তিনি নিজেকে বঞ্চনার স্বীকার বলে মনে করতে থাকেন এবং সেই পরিস্থিতি থেকে তিনি স্বপ্ন দেখতে থাকেন এক পরিবর্তিত সমাজ ব্যবস্থার। দ্বিতীয় ধাপে তিনি সুনির্দিষ্ট মতবাদ বা মতাদর্শ গ্রহণ করেন । তিনি বিশ্বাস করতে থাকেন এই মতবাদ বা মতাদর্শ বাস্তবায়ন করতে পারলে তিনি যে বঞ্ছনার স্বীকার তা দূর হয়ে যাবে। তিনি যে সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন তা এই মতবাদ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সম্ভব। তখন তিনি এই মতাদর্শ দ্বারা গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত হতে থাকেন। সর্বশেষ স্তরে যে বিষয়টি ঘটে তা হচ্ছে তিনি খুঁজে বের করেন তার সেই উদ্বুদ্ধ হওয়া মতবাদের অনুসারীর অন্যান্য মানুষদের। তিনি সেই মতবাদের অন্যান্য মানুষদের সাথে সখ্যতা গড়ে তলার মাধ্যমে তাদের দলে যোগদান করেন।

হলি আর্টিজান হামলার পরে তৃতীয় যে প্রশ্নটি মানুষের মনে উদ্রেক হয়েছে তা হল ঠিক কারা জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়? কারণ হলি আর্টিজান হামলার আগে সবাই ভাবতো হয়ত মাদ্রাসা পড়ুয়া বা অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের সদস্যরা জঙ্গি হয়। কিন্তু হলি আর্টিজান হামলা সব হিসাব ওলট পালট করে দেখিয়েছে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ুয়া, নামকরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সচ্ছল পরিবারের ছেলেরা জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। অপরাধ বিজ্ঞানীরা এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েও বেশ হিমশিম খেয়েছেন। কারণ সুনির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন যে ঠিক কোন গোত্র, ধর্ম, বর্ণের লোক জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হবে। নিবরাসের মত উদারমনা পাশ্চাত্য শিক্ষায় বিশ্বাসী ছেলের যেমন জঙ্গিবাদের সম্পৃক্ত হবার ইতিহাস আছে ঠিক তেমনি আছে রিচার্ড রেইড নামক অল্প শিক্ষিত ও অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল ব্রিটিশ যুবকের জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হয়ে যাবার ইতিহাস যে কিনা ২০০১ সালে আমেরিকান এয়ারলাইনসের প্যারিস থেকে মিয়ামিগামী একটি বিমানে আগুন লাগাবার চেষ্টা করেছিল। নিদাল মালিক হাসান নামক যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর মেজরের জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ততারও ইতিহাস রয়েছে। যিনি ২০০৯ সালের ৫ই নভেম্বর একাই খুন করেছেন ১৩ জন মানুষকে এবং মারাত্মকভাবে আহত করেন ৩০ জন মানুষকে। তাই এই কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, যে কোন কোন গোত্র ধর্ম বর্ণের লোক জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হতে পারে।

তবে আশার কথা হচ্ছে, এই হলি আর্টিজান হামলার পরে বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাহসী তৎপরতার কারণে সমাজ থেকে সমূলে জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে এবং বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ে হলি আর্টিজান হামলার বিচার করে বিশ্বে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিশ্চিত করেছে।  

পরিশেষে বলা যায়, হলি আর্টিজানের কলঙ্কজনক এ হামলার মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চরিত্র হরণের চেষ্টা করা হয়েছে বটে কিন্তু চক্রান্তকারীরা সফল হতে পারেনি। কারণ বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ধর্মপ্রাণ ও শান্তিপ্রিয়। তাই  তাদেরকে ধর্মের অপব্যাখ্যা বা জঙ্গিবাদের উন্মাদনা বিপদগামী করতে পারেনি। বরং বাঙালি জাতি কাঁধে কাঁধ  মিলিয়ে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে পরাজিত করেছে জঙ্গিবাদের কালোহাতকে।  

লেখক: ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক
   
বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

এই বিভাগের আরও খবর
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
সর্বশেষ খবর
রাজধানীতে ৪৭টি মানুষের মাথার খুলি-হাড় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪
রাজধানীতে ৪৭টি মানুষের মাথার খুলি-হাড় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তেলসম্পদ দখলের ষড়যন্ত্র করছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের তেলসম্পদ দখলের ষড়যন্ত্র করছে যুক্তরাষ্ট্র

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, চিকিৎসাধীন দু’জনের মৃত্যু
মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, চিকিৎসাধীন দু’জনের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জ্বালানি তেলের সংকট বেশি এশিয়ায়
জ্বালানি তেলের সংকট বেশি এশিয়ায়

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গুম-খুনের শিকার ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে শেকৃবিতে ইফতার
গুম-খুনের শিকার ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে শেকৃবিতে ইফতার

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছাত্রদলের ১১৮৮টি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ছাত্রদলের ১১৮৮টি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের
ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প
মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাঙামাটিতে এনসিপির আহ্বায়কসহ ৮৭ জনের পদত্যাগ
রাঙামাটিতে এনসিপির আহ্বায়কসহ ৮৭ জনের পদত্যাগ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চকরিয়ায় নদীতে গোসলে নেমে ২ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু
চকরিয়ায় নদীতে গোসলে নেমে ২ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন
নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টঙ্গীতে বাসা থেকে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
টঙ্গীতে বাসা থেকে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খাগড়াছড়িতে ফিলিং স্টেশন ও ফলের বাজারে জেলা প্রশাসনের অভিযান
খাগড়াছড়িতে ফিলিং স্টেশন ও ফলের বাজারে জেলা প্রশাসনের অভিযান

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ থেকে মালাক্কা: প্রণালীই কেন আধিপত্যের হাতিয়ার?
হরমুজ থেকে মালাক্কা: প্রণালীই কেন আধিপত্যের হাতিয়ার?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনগণের স্বার্থের বাইরে কিছু করা যাবে না : পানিসম্পদ মন্ত্রী
জনগণের স্বার্থের বাইরে কিছু করা যাবে না : পানিসম্পদ মন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘মেডিটেশনের’ নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘মেডিটেশনের’ নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার
গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পরই প্রথম যে পদক্ষেপ নিলেন মোজতবা খামেনি
নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পরই প্রথম যে পদক্ষেপ নিলেন মোজতবা খামেনি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ চলবে আর কত দিন? মুখ খুললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ চলবে আর কত দিন? মুখ খুললেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়
প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ আপডেট
ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ আপডেট

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল
হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)
যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের এক সপ্তাহ পরে ইরানের বাসিন্দারা যেভাবে আছেন, যা বলছেন
যুদ্ধের এক সপ্তাহ পরে ইরানের বাসিন্দারা যেভাবে আছেন, যা বলছেন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম, যা বললেন ট্রাম্প
লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম, যা বললেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের
সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল
হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নেতা মোজতবা খামেনির অধীনে ইসরায়েলের দিকে ইরানের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
নতুন নেতা মোজতবা খামেনির অধীনে ইসরায়েলের দিকে ইরানের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজ ভূখণ্ডে যুদ্ধবিমান উড়ার বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিল সৌদি আরব
নিজ ভূখণ্ডে যুদ্ধবিমান উড়ার বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিল সৌদি আরব

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াত নেতা ডা. তাহের ও রফিকুল ইসলামের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াত নেতা ডা. তাহের ও রফিকুল ইসলামের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ট্রাম্প প্রশাসন
ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ট্রাম্প প্রশাসন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা
বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের
সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

রিহানার বাড়িতে গুলি
রিহানার বাড়িতে গুলি

শোবিজ

ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ
ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ

পেছনের পৃষ্ঠা

কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

পেছনের পৃষ্ঠা