শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:১৪, বুধবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১ আপডেট:

অনিরাপদ বিদেশযাত্রা ও আমাদের ভাবমূর্তি

তানবীর সিদ্দিকী
অনলাইন ভার্সন
অনিরাপদ বিদেশযাত্রা ও আমাদের ভাবমূর্তি

শত চেষ্টা, মানব পাচারবিরোধী কঠোর আইন, সরকার ও বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগ- কোনো কিছুই থামাতে পারছে না অবৈধ বিদেশযাত্রা। বন্ধ করা যাচ্ছে না সাগর, মরুভূমি বা বরফের মধ্যে জমে মৃত্যুর মিছিল। বিশেষ করে ইউরোপের দেশগুলোতে অবৈধ অভিবাসীদের এ অনিরাপদ ও অবৈধ যাত্রা কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। গত নভেম্বর এর প্রথম দিকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে অভিবাসন নিয়ে কাজ করে এমন কিছু সংগঠনের জোট বাংলাদশে সভিলি সোসাইটি ফর মাইগ্রন্টেস (BCSM) এর কাছে খবর আসে ক্রোয়েশিয়া-বসনিয়া সীমান্ত অঞ্চলে কয়েক শত বাংলাদেশি আটকে পড়েছে অবৈধভাবে ইউরোপ পাড়ি দিতে দিয়ে। জার্মান রেডিও ডয়েচে ওয়েলে সর্বপ্রথম এসব অভিবাসীদের দুর্দশার কথা জানিয়ে বলে যে, গত বেশ কয়েক মাস ধরে ৫ শতাধিক অভিবাসী পরিত্যাক্ত ভবন এমনকি জঙ্গলে বাস করছনে।

ডিডব্লিউ এর মতে এসব আটকে পড়া বাংলাদেশিরা মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের পাচারকারী চক্রের সাথে সংশ্লিষ্ট একদল বাংলাদেশি মানব পাচারকারী দ্বারা প্ররোচিত হয়েছিলেন। তাদের প্রত্যেকে ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য গড়ে ১০ থেকে ১৪ হাজার ইউএস ডলার খরচ করেছেন। বিভিন্ন রুটে এসব অভিবাসীরা ভূমধ্যসাগর হয়ে বসনিয়াতে এসে পৌঁছান। এরপর তারা বিপুল অর্থ ব্যয় করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্র ক্রোয়েশিয়ায় প্রবেশের জন্য কয়েকবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। প্রতিবারই ক্রোয়েশিয়ান সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের ধরে নিয়ে গিয়ে মারধর করে অর্থ, মোবাইল ফোন, শীতের পোশাকসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিয়ে তাদের আবার বসনিয়াতে ফেরত পাঠায়। বসনিয়ায় বাংলাদেশের কোন কূটনৈতিক প্রতিনিধি না থাকায় নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশি দূতাবাসই এক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিল কোনো হস্তক্ষেপ বা সহায়তা করার। 

সংকটময় ও শীতের দিনগুলোতে তাদের সুরক্ষায় অন্ন, আশ্রয় এবং চিকিৎসা সুবিধা প্রদানের জন্য বসনিয়া সরকার, বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাসমূহ বিশেষত রেডক্রস, আইএলও, আইওএমকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বিসিএসএম আহ্বান জানায়। বিসিএসএম আশঙ্কা করে যে, শীত শুরু হওয়ার সাথে সাথে এসব দুর্গম জঙ্গলে খোলা আকাশের নীচে অস্থায়ী তাবু থেকে তাদের উদ্ধার করার জন্য তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা না নেয়া হলে অনেকেই মৃত্যুবরণ করবেন। ডিডব্লিউ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আটকে পড়া কয়েকজন বাংলাদেশি দেশে ফিরতে ইচ্ছুক ছিলেন কিন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠরা তা করতে রাজি হননি। বিসিএসএম পরিস্থিতি ট্র্যাজেডিকে পরিণত হওয়ার আগে বসনিয়া সরকারকে আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা প্রদানেরও দাবি জানায়। একইসাথে, বাংলাদেশ সরকারকেও এই বাংলাদেশিদের আসন্ন বিপদ থেকে উদ্ধার এবং মানবপাচার ও মানব চোরাকারবারসহ বিভিন্ন ধরণের অনিরাপদ অভিবাসন বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানায়। পরে অবশ্য আটকে পড়া বাংলাদেশিদের সম্পর্কে আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। জানা যায়নি তাদের পরিণতি কি হয়েছিল শেষ পর্যন্ত।

এই ঘটনা নতুন কিছু নয় আমাদের জন্য। রঙিন জীবনের স্বপ্ন আর দালালদের খপ্পড়ে পড়ে প্রতি বছর এই মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে। খালি হচ্ছে মায়ের বুক। স্বামী হারা, বাবা হারা হচ্ছেন কতজন তা আমরা জানি না। অনেকের লাশ বা দাফনের খবরও আমরা জানি না। সেই সাথে মৃত্যু হচ্ছে হাজারও স্বাপ্নের। শোনা যায় ইউরোপের দেশগুলোর বিভিন্ন বন-জঙ্গলে ঠাণ্ডায় বরফ হয়ে এখন মৃত্যু আর লাশের স্তুপ।

কয়েক মাস আগের এক সকালে ঘুম ভাঙে এক ভদ্রমহিলার ফোনে। কথা বলতে চান। সম্মতি দিতেই তিনি জানালেন বিপদে পড়ে ফোন করেছেন। এক ব্যক্তিকে (দালাল) ৬ লাখ টাকা আর স্বামী স্ত্রী দুজনের পাসপোর্ট দিয়েছিলেন কানাডা যাওয়ার জন্য। এখন সে লাপাত্তা। কানাডা যাওয়ার প্রতারণা নিয়ে তার মাত্র কদিন আগে আমি সতর্ক করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছি। সেখানে লিখেছিলাম আমরা শুধু প্রতারণা করি না, প্রতারিত হতেও ভালোবাসি। ১০ দিন যেতে না যেতেই সেই কেস! আমার বুঝতে বাকি নেই কি ঘটেছে। শুধু বললাম, এটা অন্যায়; এভাবে কেউ কাউকে টাকা দেয়! মহিলা প্রায় কেঁদে দিয়ে বললেন, সব সঞ্চয় আর ধারদেনা করে টাকা দিয়েছিলাম। এখন তো আর কোনো উপায় দেখছি না। তিনি ডিগ্রি পাশ, স্বামী গ্রাফিক্সের কাজ করেন। কানাডায় তাদের পিআর পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তারপরও খোঁজ খবর না করে কেন টাকা পাসপোর্ট দিলেন জানতে চাইলে বলেন, কানাডায় বসে কলকাঠি নাড়েন একজন বাংলাদেশি। তিনি জানিয়েছিলেন বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের ভিসা হয়ে গেছে, ভিসার কপিও মহিলা দেখেছেন, তারপর টাকা দিয়েছেন। বুঝলাম তিনি ফাঁদে ভালোমতো আটকেছিলেন। তিনি শুধু একা নন, আরও অন্তত বিশ জন এই প্রতারণার শিকার বলে তিনি জানতে পেরেছেন। আমার কাজ হলো টাকা উদ্ধার করে দিতে সহায়তা করা। আমার নাম্বার তিনি পেয়েছেন অন্য আর এক ভিক্টিমের কাছ থেকে। তিনি কিভাবে পেয়েছেন তা জানেন না। প্রায় ২৫ বছর ধরে দেশের বাইরে যাতায়াত করি। এখনো অনেক দেশের ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় হাত পা কাপে। আর উনারা এতোগুলো টাকা, পাসপোর্ট দিলেন কোন যাচাই না করে! খারাপও লাগছে উনাদের জন্য। সেফ মাইগ্রেশন নিয়ে বিশ বছরের বেশি কাজ করি। অস্ট্রেলিয়ায় পিআর পাওয়ার বিষয়ে আমরা সাহায্য করার চেষ্টা করি। এর নাড়ি-নক্ষত্র আমাদের জানা। উনার কাছে যা যা তথ্য, ফোন নাম্বার, কাগজ আছে সব নিয়ে বিকেলে আসতে বলি। এর মধ্যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর একটা এজেন্সির সাথে আলাপ করে পুরো ঘটনা বলে সহায়তা চাইলাম যারা এর আগেও সহায়তা করেছেন। এমন কত শত প্রতারণার ঘটনা যে প্রতিদিন ঘটছে তার খবর আমরা ক'জন জানি!

সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার পাশাপাশি নিজেদের সতর্ক হওয়া খুব জরুরী। এক্ষেত্রে সচেতন হলে আপনারাই আপনাদের স্বজনদের মৃত্যু ঝুঁকি কিছুটা হলেও কমিয়ে আনতে পারেন। জীবনের ঝুঁকি নেবেন না, দালালের খপ্পড়ে পড়ে অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি দেবেন না। প্রয়োজনে দেশে কিছু করার চেষ্টা করুন যে টাকা খরচ করে বিদেশে যাচ্ছিলেন। আত্মীয়-বন্ধু কাউকে অবৈধভাবে ইউরোপের দেশে যাবার জন্য উৎসাহিত করবেন না।

বিদেশে যান, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ যান। কিন্তু দেখে শুনে বৈধভাবে যান। আর বোকামি কইরেন না! বোকামি করবেন না। এতে আপনি শুধু নন আপনার পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়, নষ্ট হয় দেশের ভাবমূর্তি। 

লেখক: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, মানবধিকার ও নিরাপদ অভিবাসনকর্মী।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়