শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৫৩, মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, লজ্জার হাত থেকে দেশকে বাঁচান

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, লজ্জার হাত থেকে দেশকে বাঁচান

আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। মানুষ যে কত নির্মম পশু হতে পারে তা পাকিস্তানি হানাদারদের কার্যকলাপ না দেখলে বোঝা যায় না। ’৭১-এর ১৪ ডিসেম্বর, আমরা তখন ঢাকার কাছাকাছি। চারদিক থেকে পাকিস্তান হানাদাররা অবরুদ্ধ। তার মধ্যে ১৪ ডিসেম্বর আমাদের জ্ঞান-গরিমা-শিক্ষা-দীক্ষা পঙ্গু করে দেওয়ার জন্য অনেক জ্ঞানী-বুদ্ধিজীবীকে পাকিস্তান হানাদাররা ঘর থেকে তুলে নিয়ে নির্বিচারে হত্যা করে। বড় বেশি দুর্ভাগ্যের যে সে হত্যাযজ্ঞে পাকিস্তানিদের চেয়ে ঘরের দালাল বাঙালির ভূমিকাই ছিল বেশি। যাতে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা পঙ্গু করে দেওয়া যেতে পারে। যদিও প্রশ্ন জাগে, ২৫ মার্চের কালরাতে বা তার পরবর্তী যুদ্ধকালীন যেসব শিক্ষক-অধ্যাপক-জ্ঞানী-গুণীজন হানাদারদের হাতে নিহত হয়েছেন তাঁরা আর ১৪ ডিসেম্বর যাঁরা নিহত হয়েছেন তাঁরা এক নন। ১৪ ডিসেম্বর যারা যেখানেই নিহত হয়ে থাকুন তার সিংহভাগ চাকরিতে বহাল ছিলেন, পাকিস্তান সরকারের অর্থ নিয়েছেন, নভেম্বরের বেতনও নিয়েছিলেন। তার পরও আমাদের দেশের এতগুলো শিক্ষিত মানুষকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেওয়া মস্তবড় একটা জাতীয় ক্ষতি। বঙ্গবন্ধু এ জাতীয় ক্ষতি বুঝতে পেরেছিলেন তাই বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের সৃষ্টি করেছিলেন। রায়েরবাজারে বধ্যভূমিতে করেছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ যেখানে শহীদদের মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এখন ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করতে হাজার হাজার মানুষ মিরপুরে যায়, তেমনি রায়েরবাজারেও যায় এবং যথাযথ মর্যাদায় দিনটি পালন করা হয়। যদিও সূচনায় যে ভাবগাম্ভীর্য ও দরদ ছিল তাতে ধীরে ধীরে ভাটির টান পড়েছে। আমরা যে মনপ্রাণ নিয়ে যুদ্ধ করে হানাদারদের থেকে বাংলাদেশ ছিনিয়ে এনেছিলাম সেই বোধ সেই অনুভূতি সেই প্রাণচাঞ্চল্যের অনেক কিছু এখন ফিকে হয়ে গেছে। প্রকৃত অর্থে শহীদরা তো তেমন মর্যাদা পায়ইনি, জীবিতরাও পায়নি। মুক্তিযুদ্ধে যাদের তেমন কোনো ভূমিকাই ছিল না তারাই দেশ নিয়ে নাড়াচাড়া করছে, লুটেপুটে খাচ্ছে। এমনকি এও দেখেছি মুক্তিযুদ্ধে যারা পাকিস্তানে ছিল তারা দেশে ফিরে মুক্তিযোদ্ধাদের স্যালুট পেয়েছে, এখনো পাচ্ছে। যারা দু-চার জন মুক্তিযোদ্ধা এখনো বেঁচে আছে তাদের চাইতে সে সময় যারা ঘরে বসে ছিল এমনকি বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের পক্ষে ছিল তাদেরই রাষ্ট্রের ক্ষমতা বেশি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে পাকিস্তানপক্ষীয়দের তুলে এনেছিলেন বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায়। জিয়ার পরে এরশাদ, এরশাদের পরে খালেদা জিয়া, এখন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ নেত্রী পাকিস্তানিদের দূরে রাখতে চেয়েছেন কি না জানি না। কিন্তু এখনো সুযোগসন্ধানীদের দাপট কমেনি। একটা হযবরল অবস্থা। এখান থেকে কবে যে মুক্তি পাব বুঝতে পারি না।

ডিসেম্বর, স্বাধীনতার মাস এখনো মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ছেলেখেলা হয়। যে দু-চার জন মুক্তিযোদ্ধা ক্ষমতাবান হতে পেরেছেন তাদের ব্যাপার আলাদা। কিন্তু সাধারণ মুক্তিযোদ্ধারা এতটাই অবহেলিত নির্যাতিত নিষ্পেষিত যা বলা খুবই কঠিন। কত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নতুন যাচাই-বাছাইয়ের নামে নিগৃহীত হচ্ছেন বলার মতো নয়। কোনো কোনো সময় মনে হয় যুদ্ধে অংশ নিয়ে তারা যেন কোনো অন্যায় বা পাপ করেছিলেন। কোথাও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত সম্মান নেই। দু-চার জন যারা সম্মান করেন তারাও কোনো কোনো সময় সম্মান করে বিপদে পড়েন। আদর্শগত দিক থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে সব সময় টানাহেঁচড়া হয়েছে। অনেক নেতা স্বাধীনতার পরপরই তাদের নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখতে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান-অপদস্থ-হেয় করেছেন। এখন যদিও মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে নেতৃত্ব হারাবার ভয় নেই, তবু তারা মুক্তিযোদ্ধাদের সুনজরে দেখেন না। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানী চেয়েছিলাম যেজন্য অনেক গালাগাল শুনেছি, আওয়ামী লীগ ত্যাগ করেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অপ্রতুল একটা সম্মানী হয়েছে। মন্ত্রণালয় হয়েছে, ভাতাও হয়েছে। কিন্তু তা অতি নগণ্য। এটা বলতেই হবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানীর ব্যবস্থা বিএনপি আমলে শুরু হয়েছিল। আমি ২ হাজার টাকা প্রতি মাসে সম্মানী চেয়েছিলাম। আমার প্রিয় ভগ্নি আজ সেটাকে ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনে এ ভাতা ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করলে একটা সম্মানজনক কিছু হতো। যে কোনো সরকারি কর্মচারী, কেরানি, পিয়ন, এমনকি করপোরেশনের রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া ঝাড়ুদার এবং সুইপাররাও অবসরে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানীর চাইতে বেশি সুযোগ-সুবিধা এবং অর্থ পান। তাই বেঁচে থেকে এসব দেখে খুবই খারাপ লাগে।

এ কয়েকদিন ডা. মুরাদ হাসানকে নিয়ে সারা দেশ তোলপাড়। হুট করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় জাতীয় আলোচনা আন্তর্জাতিক রূপ পেয়েছে। কানাডা তাকে ঢুকতে দেয়নি। এটা সত্যিই একটি শুভলক্ষণ। বাজে লোকেরা এটাওটা কুকর্ম করে বিদেশে পালাবে এবং ইচ্ছা করলেই যেখানে সেখানে গিয়ে স্থান পাবে এ প্রবণতা ভালো নয়। মুরাদ হাসানকে আমি খুব ভালো করে চিনতাম না, জানতাম না। পরে শুনলাম জামালপুরের মতিউর রহমানের ছেলে মুরাদ হাসান। মতিউর রহমানের সঙ্গে ওঠাবসা ছিল। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর ’৯০-এ দেশে ফিরে জামালপুরের সভাপতি মতিউর রহমানের অনুরোধে জামালপুর অনেকবার গিয়েছি। তারাকান্দি সার কারখানার পাশে রেললাইনের পাড়ে বিরাট মাঠে এক জনসভায় গিয়েছিলাম। কয়েক লাখ লোক হয়েছিল তাতে। স্বতঃস্ফূর্ত জনতা গোলাম আযমের এক বিরাট কুশপুত্তলিকা দাহ করেছিল। আরও অনেক মিটিংয়ে গিয়েছি। মতিউর রহমানের বাড়িতে না থাকলেও খেতে গিয়েছি কয়েকবার। ভদ্রলোক খুবই শৌখিন। বাড়ির ভিতর বেশ প্রমাণ সাইজের পুকুর ছিল। পুকুরের মাঝখানে বসবার মতো সুন্দর ঘর ছিল। একটা বুনিয়াদি ভাব মতিউর রহমানের। শুনেছি তার দুই মেয়ে সেই বাড়ির পুকুরে পড়েই মারা গেছে। জামালপুরের পাথালিয়ার অ্যাডভোকেট আবদুল হাকিম, অ্যাডভোকেট সোবহান, হিরা মিয়া এরাই ছিলেন আওয়ামী লীগ। সব সময়ই দেখাসাক্ষাৎ হতো, আলাপ-আলোচনা হতো। কখন মুরাদ আওয়ামী লীগ হয়েছে তার কিছুই জানি না। ’৯০-এ দেশে ফিরে যতবার জামালপুরে গিয়েছি মুরাদকে দেখিনি। বরং সার্কিট হাউসে অনেককে বলতে শুনেছি, ময়মনসিংহে মুরাদ ছাত্রদল করে। হতেও পারে। কিন্তু এ কদিনে ইউটিউবের কল্যাণে মুরাদের যেসব কথাবার্তা শুনলাম এমন কথাবার্তা চাঁড়ালেও বলে না। আমি একসময় মির্জাপুরের বরাটি স্কুলে পড়তাম। সান্ধারেরা একটু কিচিরমিচির বেশি করে। বরাটিতে নৌকায় অনেক সান্ধার বাস করত। তাদের ভাষা এবং সুর মুরাদ হাসানের কথাবার্তার চাইতে অনেক ভালো। এ কী করে সম্ভব একজন নেতা, একজন সংসদ সদস্য সর্বোপরি প্রতিমন্ত্রী তার কথাবার্তা এমন হবে! আমার বোনের মন্ত্রিসভায় এসব লোক স্থান পায় কী করে? এ বড়ই দুঃখের ব্যাপার। এভাবে মন্ত্রিসভার মান এতটা নিচু হয়ে গেলে আমরা কাকে মুখ দেখাব? মানলাম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সঙ্গে মুরাদকে মন্ত্রিসভা থেকে বের করে দিয়েছেন। কিন্তু সে তো এমন লাগামহীন এক দিনে হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রায় সময়ই বলেন, তাঁর কাছে সবার আমলনামা আছে। এমন আমলনামা যার তাকে কী করে মন্ত্রিসভায় নেন? আমরা তো এর আগেও মন্ত্রী দেখেছি। তাদের কথাবার্তা, আচার-ব্যবহার দেখেছি। মুরাদ তো আর মন্ত্রিসভায় আসার পর অথবা সংসদ সদস্য হওয়ার পর এ ধরনের কথাবার্তা আচার-ব্যবহার শেখেনি। অল্প বয়স থেকেই এসব শিখেছে, এ ধরনের গর্হিত কাজকর্ম করেছে। কানাডায় ঢুকতে পারেনি, আবুধাবিতে পারেনি, শেষ পর্যন্ত দেশে ফিরেছে। চুরি-চামারি করে যারা দেশ ছেড়ে পালায় তাদের আশ্রয় দেওয়া পাপ। মুরাদের মতো দু-চার জন বিদেশ থেকে গলাধাক্কা খেয়ে দেশে ফিরলে তা এক উদাহরণ হয়ে থাকবে। কুকর্ম করতে করতে এমন হয়েছে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েই বিদেশে ছুটেছে। কানাডা গ্রহণ করেনি, আবুধাবিও করেনি।

শেষ পর্যন্ত কুয়োর ব্যাঙ কুয়োতেই ফিরেছে। কানাডার মতো সভ্য দেশ, আবুধাবির মতো দেশ এ ধরনের অসভ্যদের গ্রহণ করলে তাদের সভ্যতাই হুমকির মুখে পড়বে। যাক, এও একটা নজির হলো যে সব পাপীই ইচ্ছা করলেই স্বর্গে যেতে পারে না। অনেক সময় স্বর্গের সিঁড়িও সরিয়ে ফেলা হয়। কোনো মানুষের ব্যবহার, কথাবার্তা এমন হতে পারে ডা. মুরাদ হাসানের কথোপকথন শোনার আগে তেমন ধারণাই ছিল না। বহু বছর আগে বিপ্লবী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এক জায়গায় লিখেছিলেন, ‘সকাল বেলার আমির রে ভাই, ফকির সন্ধ্যাবেলা।’ কি লজ্জা! মুখ ঢেকে এয়ারপোর্ট থেকে পালিয়ে ফিরতে হয়। আসলে এটাই আল্লাহর বিচার। আল্লাহ বিচারের জন্য সব সময় বসে থাকেন না। বঙ্গবন্ধু নিহত হলে কি দুর্যোগই না গেছে আমাদের ওপর দিয়ে। যে দেশ স্বাধীন করেছিলাম, মুক্ত করেছিলাম, পিতার পদতলে ১ লাখ ৪ হাজার অস্ত্র বিছিয়ে দিয়েছিলাম সে দেশ থেকে পালাতে হয়েছিল! পালিয়ে দেশ ছেড়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু যেদিন দেশে ফিরি সেদিন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যত লোক হয়েছিল তার কানাকড়িও এখন পর্যন্ত কারও জন্য হয়নি। মুরাদ হাসানের ওভাবে তড়িঘড়ি দেশত্যাগ করা ঠিক হয়নি আর মুরাদ হাসান পালিয়ে যাচ্ছে, দেশত্যাগ করছে এটা জানার পর সরকারের যেতে দেওয়াও ঠিক হয়নি। আর তার দেশত্যাগ করার বৈধ কাগজপত্রও ছিল না। সংসদ চলুক আর না চলুক যে কোনো সংসদ সদস্যের বিদেশে যেতে স্পিকারের ঘঙঈ লাগে, অনাপত্তি পত্রের প্রয়োজন হয়। তা-ও সে নিয়ে যায়নি। ধন্যবাদ দিই কানাডায় যারা আপত্তি জানিয়েছেন তাদের। মুরাদের মতো দু-চার জন পাপীকে বিদেশ থেকে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দিলে অনেক পাপীই ওভাবে আর পালাতে চাইবে না।

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার আলোচনা, মুরাদের বিদেশ পালানো এবং সেই সঙ্গে র‌্যাব ও অন্যান্য কয়েকজনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আলোচনায় প্রথম দিকে এসেছে। মানবাধিকার লঙ্ঘন, ঘুষ, খুন এসবের অজুহাতে আমাদের দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি বড়ই লজ্জার কথা। এ লজ্জা থেকে পরিত্রাণের উপায় সভ্যতার পরিচয় দেওয়া, মানবতার পরিচয় দেওয়া। গলায় ভাঙা কলসি নিয়ে কাঁদলেও কেউ বিশ্বাস করবে না বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি, বাংলাদেশে পুরোপুরি আইনের শাসন আছে ঠিক নয়। তাই এ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত, এ সময় এ বিধিনিষেধ নিশ্চয়ই রাজনৈতিক হতে পারে। কিন্তু কথাগুলো একেবারে মিথ্যা নয়। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ যাতে দেশের সম্মান ক্ষুণœ হয় এ রকম কাজ কাউকে করতে দেবেন না। আর কেউ যদি তেমন করে তাকে কঠোর হাতে দমন করুন। মানবিক দিক বিচার করে অনতিবিলম্বে সুচিকিৎসার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে দিন। খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠালে আপনার বিন্দু পরিমাণ ক্ষতি হবে না আর তাঁকে বিদেশে না পাঠালে আপনার সামান্যতম লাভ হবে না। তাই বিদেশে পাঠানোই যুক্তিযুক্ত। যে যত কথাই বলুক, খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠাবার মতো বুকের পাটা একমাত্র আপনারই আছে। আর তাঁকে আপনি বিদেশে পাঠালে সমকালে মানবিক বিচারে আপনি শ্রেষ্ঠ স্থানে অবস্থান করবেন এটা কারও মুখের কথায় নষ্ট হবে না।

লেখক : রাজনীতিক।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
সর্বশেষ খবর
যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার এখন চীনের দখলে
যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার এখন চীনের দখলে

এই মাত্র | টেক ওয়ার্ল্ড

হরমুজের জন্য ‘যেকোনো উপায়ে’ নতুন সামুদ্রিক নিয়ম চায় ইরান
হরমুজের জন্য ‘যেকোনো উপায়ে’ নতুন সামুদ্রিক নিয়ম চায় ইরান

৫৫ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কলকাতার তারাতলায় নির্মাণাধীন গুদামের কাঠামো ধস, আহত অন্তত ১৩
কলকাতার তারাতলায় নির্মাণাধীন গুদামের কাঠামো ধস, আহত অন্তত ১৩

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেত্রকোনায় ৮৪ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা
নেত্রকোনায় ৮৪ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গ্রুপসেরার লড়াইয়ে মুখোমুখি সুইজারল্যান্ড ও কানাডা
গ্রুপসেরার লড়াইয়ে মুখোমুখি সুইজারল্যান্ড ও কানাডা

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেষমেশ কি এই বিশ্বকাপেই মুখোমুখি হচ্ছেন মেসি-রোনালদো, সম্ভাব্য তারিখ কবে
শেষমেশ কি এই বিশ্বকাপেই মুখোমুখি হচ্ছেন মেসি-রোনালদো, সম্ভাব্য তারিখ কবে

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুর পৌরসভার ৭০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
শেরপুর পৌরসভার ৭০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত
টঙ্গীতে ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

সোনারগাঁয়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান বিতরণ
সোনারগাঁয়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান বিতরণ

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিআর-সেভেনের জীবনের অসাধারণ উত্থানের ৬টি ধাপ
সিআর-সেভেনের জীবনের অসাধারণ উত্থানের ৬টি ধাপ

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

হবিগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে ন্যাড়া করে জুতার মালা
হবিগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে ন্যাড়া করে জুতার মালা

১৮ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভাতা পরিশোধে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভাতা পরিশোধে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

১৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন
জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়ার ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র
উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়ার ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
শেরপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি

৩৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা
নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা

৩৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

৩৮ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ

৪২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

৪৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি
তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে
একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে

৫২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা
‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা

৫৪ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার
বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা
বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা