শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৫৩, মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, লজ্জার হাত থেকে দেশকে বাঁচান

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, লজ্জার হাত থেকে দেশকে বাঁচান

আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। মানুষ যে কত নির্মম পশু হতে পারে তা পাকিস্তানি হানাদারদের কার্যকলাপ না দেখলে বোঝা যায় না। ’৭১-এর ১৪ ডিসেম্বর, আমরা তখন ঢাকার কাছাকাছি। চারদিক থেকে পাকিস্তান হানাদাররা অবরুদ্ধ। তার মধ্যে ১৪ ডিসেম্বর আমাদের জ্ঞান-গরিমা-শিক্ষা-দীক্ষা পঙ্গু করে দেওয়ার জন্য অনেক জ্ঞানী-বুদ্ধিজীবীকে পাকিস্তান হানাদাররা ঘর থেকে তুলে নিয়ে নির্বিচারে হত্যা করে। বড় বেশি দুর্ভাগ্যের যে সে হত্যাযজ্ঞে পাকিস্তানিদের চেয়ে ঘরের দালাল বাঙালির ভূমিকাই ছিল বেশি। যাতে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা পঙ্গু করে দেওয়া যেতে পারে। যদিও প্রশ্ন জাগে, ২৫ মার্চের কালরাতে বা তার পরবর্তী যুদ্ধকালীন যেসব শিক্ষক-অধ্যাপক-জ্ঞানী-গুণীজন হানাদারদের হাতে নিহত হয়েছেন তাঁরা আর ১৪ ডিসেম্বর যাঁরা নিহত হয়েছেন তাঁরা এক নন। ১৪ ডিসেম্বর যারা যেখানেই নিহত হয়ে থাকুন তার সিংহভাগ চাকরিতে বহাল ছিলেন, পাকিস্তান সরকারের অর্থ নিয়েছেন, নভেম্বরের বেতনও নিয়েছিলেন। তার পরও আমাদের দেশের এতগুলো শিক্ষিত মানুষকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেওয়া মস্তবড় একটা জাতীয় ক্ষতি। বঙ্গবন্ধু এ জাতীয় ক্ষতি বুঝতে পেরেছিলেন তাই বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের সৃষ্টি করেছিলেন। রায়েরবাজারে বধ্যভূমিতে করেছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ যেখানে শহীদদের মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এখন ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করতে হাজার হাজার মানুষ মিরপুরে যায়, তেমনি রায়েরবাজারেও যায় এবং যথাযথ মর্যাদায় দিনটি পালন করা হয়। যদিও সূচনায় যে ভাবগাম্ভীর্য ও দরদ ছিল তাতে ধীরে ধীরে ভাটির টান পড়েছে। আমরা যে মনপ্রাণ নিয়ে যুদ্ধ করে হানাদারদের থেকে বাংলাদেশ ছিনিয়ে এনেছিলাম সেই বোধ সেই অনুভূতি সেই প্রাণচাঞ্চল্যের অনেক কিছু এখন ফিকে হয়ে গেছে। প্রকৃত অর্থে শহীদরা তো তেমন মর্যাদা পায়ইনি, জীবিতরাও পায়নি। মুক্তিযুদ্ধে যাদের তেমন কোনো ভূমিকাই ছিল না তারাই দেশ নিয়ে নাড়াচাড়া করছে, লুটেপুটে খাচ্ছে। এমনকি এও দেখেছি মুক্তিযুদ্ধে যারা পাকিস্তানে ছিল তারা দেশে ফিরে মুক্তিযোদ্ধাদের স্যালুট পেয়েছে, এখনো পাচ্ছে। যারা দু-চার জন মুক্তিযোদ্ধা এখনো বেঁচে আছে তাদের চাইতে সে সময় যারা ঘরে বসে ছিল এমনকি বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের পক্ষে ছিল তাদেরই রাষ্ট্রের ক্ষমতা বেশি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে পাকিস্তানপক্ষীয়দের তুলে এনেছিলেন বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায়। জিয়ার পরে এরশাদ, এরশাদের পরে খালেদা জিয়া, এখন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ নেত্রী পাকিস্তানিদের দূরে রাখতে চেয়েছেন কি না জানি না। কিন্তু এখনো সুযোগসন্ধানীদের দাপট কমেনি। একটা হযবরল অবস্থা। এখান থেকে কবে যে মুক্তি পাব বুঝতে পারি না।

ডিসেম্বর, স্বাধীনতার মাস এখনো মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ছেলেখেলা হয়। যে দু-চার জন মুক্তিযোদ্ধা ক্ষমতাবান হতে পেরেছেন তাদের ব্যাপার আলাদা। কিন্তু সাধারণ মুক্তিযোদ্ধারা এতটাই অবহেলিত নির্যাতিত নিষ্পেষিত যা বলা খুবই কঠিন। কত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নতুন যাচাই-বাছাইয়ের নামে নিগৃহীত হচ্ছেন বলার মতো নয়। কোনো কোনো সময় মনে হয় যুদ্ধে অংশ নিয়ে তারা যেন কোনো অন্যায় বা পাপ করেছিলেন। কোথাও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত সম্মান নেই। দু-চার জন যারা সম্মান করেন তারাও কোনো কোনো সময় সম্মান করে বিপদে পড়েন। আদর্শগত দিক থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে সব সময় টানাহেঁচড়া হয়েছে। অনেক নেতা স্বাধীনতার পরপরই তাদের নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখতে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান-অপদস্থ-হেয় করেছেন। এখন যদিও মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে নেতৃত্ব হারাবার ভয় নেই, তবু তারা মুক্তিযোদ্ধাদের সুনজরে দেখেন না। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানী চেয়েছিলাম যেজন্য অনেক গালাগাল শুনেছি, আওয়ামী লীগ ত্যাগ করেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অপ্রতুল একটা সম্মানী হয়েছে। মন্ত্রণালয় হয়েছে, ভাতাও হয়েছে। কিন্তু তা অতি নগণ্য। এটা বলতেই হবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানীর ব্যবস্থা বিএনপি আমলে শুরু হয়েছিল। আমি ২ হাজার টাকা প্রতি মাসে সম্মানী চেয়েছিলাম। আমার প্রিয় ভগ্নি আজ সেটাকে ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনে এ ভাতা ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করলে একটা সম্মানজনক কিছু হতো। যে কোনো সরকারি কর্মচারী, কেরানি, পিয়ন, এমনকি করপোরেশনের রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া ঝাড়ুদার এবং সুইপাররাও অবসরে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানীর চাইতে বেশি সুযোগ-সুবিধা এবং অর্থ পান। তাই বেঁচে থেকে এসব দেখে খুবই খারাপ লাগে।

এ কয়েকদিন ডা. মুরাদ হাসানকে নিয়ে সারা দেশ তোলপাড়। হুট করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় জাতীয় আলোচনা আন্তর্জাতিক রূপ পেয়েছে। কানাডা তাকে ঢুকতে দেয়নি। এটা সত্যিই একটি শুভলক্ষণ। বাজে লোকেরা এটাওটা কুকর্ম করে বিদেশে পালাবে এবং ইচ্ছা করলেই যেখানে সেখানে গিয়ে স্থান পাবে এ প্রবণতা ভালো নয়। মুরাদ হাসানকে আমি খুব ভালো করে চিনতাম না, জানতাম না। পরে শুনলাম জামালপুরের মতিউর রহমানের ছেলে মুরাদ হাসান। মতিউর রহমানের সঙ্গে ওঠাবসা ছিল। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর ’৯০-এ দেশে ফিরে জামালপুরের সভাপতি মতিউর রহমানের অনুরোধে জামালপুর অনেকবার গিয়েছি। তারাকান্দি সার কারখানার পাশে রেললাইনের পাড়ে বিরাট মাঠে এক জনসভায় গিয়েছিলাম। কয়েক লাখ লোক হয়েছিল তাতে। স্বতঃস্ফূর্ত জনতা গোলাম আযমের এক বিরাট কুশপুত্তলিকা দাহ করেছিল। আরও অনেক মিটিংয়ে গিয়েছি। মতিউর রহমানের বাড়িতে না থাকলেও খেতে গিয়েছি কয়েকবার। ভদ্রলোক খুবই শৌখিন। বাড়ির ভিতর বেশ প্রমাণ সাইজের পুকুর ছিল। পুকুরের মাঝখানে বসবার মতো সুন্দর ঘর ছিল। একটা বুনিয়াদি ভাব মতিউর রহমানের। শুনেছি তার দুই মেয়ে সেই বাড়ির পুকুরে পড়েই মারা গেছে। জামালপুরের পাথালিয়ার অ্যাডভোকেট আবদুল হাকিম, অ্যাডভোকেট সোবহান, হিরা মিয়া এরাই ছিলেন আওয়ামী লীগ। সব সময়ই দেখাসাক্ষাৎ হতো, আলাপ-আলোচনা হতো। কখন মুরাদ আওয়ামী লীগ হয়েছে তার কিছুই জানি না। ’৯০-এ দেশে ফিরে যতবার জামালপুরে গিয়েছি মুরাদকে দেখিনি। বরং সার্কিট হাউসে অনেককে বলতে শুনেছি, ময়মনসিংহে মুরাদ ছাত্রদল করে। হতেও পারে। কিন্তু এ কদিনে ইউটিউবের কল্যাণে মুরাদের যেসব কথাবার্তা শুনলাম এমন কথাবার্তা চাঁড়ালেও বলে না। আমি একসময় মির্জাপুরের বরাটি স্কুলে পড়তাম। সান্ধারেরা একটু কিচিরমিচির বেশি করে। বরাটিতে নৌকায় অনেক সান্ধার বাস করত। তাদের ভাষা এবং সুর মুরাদ হাসানের কথাবার্তার চাইতে অনেক ভালো। এ কী করে সম্ভব একজন নেতা, একজন সংসদ সদস্য সর্বোপরি প্রতিমন্ত্রী তার কথাবার্তা এমন হবে! আমার বোনের মন্ত্রিসভায় এসব লোক স্থান পায় কী করে? এ বড়ই দুঃখের ব্যাপার। এভাবে মন্ত্রিসভার মান এতটা নিচু হয়ে গেলে আমরা কাকে মুখ দেখাব? মানলাম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সঙ্গে মুরাদকে মন্ত্রিসভা থেকে বের করে দিয়েছেন। কিন্তু সে তো এমন লাগামহীন এক দিনে হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রায় সময়ই বলেন, তাঁর কাছে সবার আমলনামা আছে। এমন আমলনামা যার তাকে কী করে মন্ত্রিসভায় নেন? আমরা তো এর আগেও মন্ত্রী দেখেছি। তাদের কথাবার্তা, আচার-ব্যবহার দেখেছি। মুরাদ তো আর মন্ত্রিসভায় আসার পর অথবা সংসদ সদস্য হওয়ার পর এ ধরনের কথাবার্তা আচার-ব্যবহার শেখেনি। অল্প বয়স থেকেই এসব শিখেছে, এ ধরনের গর্হিত কাজকর্ম করেছে। কানাডায় ঢুকতে পারেনি, আবুধাবিতে পারেনি, শেষ পর্যন্ত দেশে ফিরেছে। চুরি-চামারি করে যারা দেশ ছেড়ে পালায় তাদের আশ্রয় দেওয়া পাপ। মুরাদের মতো দু-চার জন বিদেশ থেকে গলাধাক্কা খেয়ে দেশে ফিরলে তা এক উদাহরণ হয়ে থাকবে। কুকর্ম করতে করতে এমন হয়েছে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েই বিদেশে ছুটেছে। কানাডা গ্রহণ করেনি, আবুধাবিও করেনি।

শেষ পর্যন্ত কুয়োর ব্যাঙ কুয়োতেই ফিরেছে। কানাডার মতো সভ্য দেশ, আবুধাবির মতো দেশ এ ধরনের অসভ্যদের গ্রহণ করলে তাদের সভ্যতাই হুমকির মুখে পড়বে। যাক, এও একটা নজির হলো যে সব পাপীই ইচ্ছা করলেই স্বর্গে যেতে পারে না। অনেক সময় স্বর্গের সিঁড়িও সরিয়ে ফেলা হয়। কোনো মানুষের ব্যবহার, কথাবার্তা এমন হতে পারে ডা. মুরাদ হাসানের কথোপকথন শোনার আগে তেমন ধারণাই ছিল না। বহু বছর আগে বিপ্লবী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এক জায়গায় লিখেছিলেন, ‘সকাল বেলার আমির রে ভাই, ফকির সন্ধ্যাবেলা।’ কি লজ্জা! মুখ ঢেকে এয়ারপোর্ট থেকে পালিয়ে ফিরতে হয়। আসলে এটাই আল্লাহর বিচার। আল্লাহ বিচারের জন্য সব সময় বসে থাকেন না। বঙ্গবন্ধু নিহত হলে কি দুর্যোগই না গেছে আমাদের ওপর দিয়ে। যে দেশ স্বাধীন করেছিলাম, মুক্ত করেছিলাম, পিতার পদতলে ১ লাখ ৪ হাজার অস্ত্র বিছিয়ে দিয়েছিলাম সে দেশ থেকে পালাতে হয়েছিল! পালিয়ে দেশ ছেড়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু যেদিন দেশে ফিরি সেদিন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যত লোক হয়েছিল তার কানাকড়িও এখন পর্যন্ত কারও জন্য হয়নি। মুরাদ হাসানের ওভাবে তড়িঘড়ি দেশত্যাগ করা ঠিক হয়নি আর মুরাদ হাসান পালিয়ে যাচ্ছে, দেশত্যাগ করছে এটা জানার পর সরকারের যেতে দেওয়াও ঠিক হয়নি। আর তার দেশত্যাগ করার বৈধ কাগজপত্রও ছিল না। সংসদ চলুক আর না চলুক যে কোনো সংসদ সদস্যের বিদেশে যেতে স্পিকারের ঘঙঈ লাগে, অনাপত্তি পত্রের প্রয়োজন হয়। তা-ও সে নিয়ে যায়নি। ধন্যবাদ দিই কানাডায় যারা আপত্তি জানিয়েছেন তাদের। মুরাদের মতো দু-চার জন পাপীকে বিদেশ থেকে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দিলে অনেক পাপীই ওভাবে আর পালাতে চাইবে না।

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার আলোচনা, মুরাদের বিদেশ পালানো এবং সেই সঙ্গে র‌্যাব ও অন্যান্য কয়েকজনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আলোচনায় প্রথম দিকে এসেছে। মানবাধিকার লঙ্ঘন, ঘুষ, খুন এসবের অজুহাতে আমাদের দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি বড়ই লজ্জার কথা। এ লজ্জা থেকে পরিত্রাণের উপায় সভ্যতার পরিচয় দেওয়া, মানবতার পরিচয় দেওয়া। গলায় ভাঙা কলসি নিয়ে কাঁদলেও কেউ বিশ্বাস করবে না বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি, বাংলাদেশে পুরোপুরি আইনের শাসন আছে ঠিক নয়। তাই এ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত, এ সময় এ বিধিনিষেধ নিশ্চয়ই রাজনৈতিক হতে পারে। কিন্তু কথাগুলো একেবারে মিথ্যা নয়। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ যাতে দেশের সম্মান ক্ষুণœ হয় এ রকম কাজ কাউকে করতে দেবেন না। আর কেউ যদি তেমন করে তাকে কঠোর হাতে দমন করুন। মানবিক দিক বিচার করে অনতিবিলম্বে সুচিকিৎসার জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে দিন। খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠালে আপনার বিন্দু পরিমাণ ক্ষতি হবে না আর তাঁকে বিদেশে না পাঠালে আপনার সামান্যতম লাভ হবে না। তাই বিদেশে পাঠানোই যুক্তিযুক্ত। যে যত কথাই বলুক, খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠাবার মতো বুকের পাটা একমাত্র আপনারই আছে। আর তাঁকে আপনি বিদেশে পাঠালে সমকালে মানবিক বিচারে আপনি শ্রেষ্ঠ স্থানে অবস্থান করবেন এটা কারও মুখের কথায় নষ্ট হবে না।

লেখক : রাজনীতিক।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন