শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৫২, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩

সর্বজনীন মানবাধিকার : ধারণা এবং প্রাসঙ্গিকতা

বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান (এম আর হাসান)
অনলাইন ভার্সন
সর্বজনীন মানবাধিকার : ধারণা এবং প্রাসঙ্গিকতা

মানবাধিকার বলতে মূলত ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণায় বিধৃত অধিকারকে বোঝানো হয়ে থাকে। বাংলাদেশ এবং নিরাপত্তা পরিষদের সব স্থায়ী সদস্যসহ জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্র এইঘোষণায় স্বাক্ষর করে। তবে এ ঘোষণায় বিধৃত কোনো অধিকার লঙ্ঘিত হলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির এর বিরুদ্ধে প্রতিকার চাওয়ার জন্য কোনো আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা বা আন্তর্জাতিক আদালত নেই। ফলে এসব অধিকারের অধিকাংশই প্রায় সব গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সংবিধানে সন্নিবেশিত করা হয়। কোনো সংবিধানে এগুলো বিল অব রাইটস এবং অন্যত্র মৌলিক অধিকাররূপে বর্ণিত। সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে মানবাধিকারগুলো সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হয়।

অন্যপক্ষে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর রক্তস্নাত যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় দেশগুলো ১৯৪৯ সালে ‘কাউন্সিল অব ইউরোপ’ নামক ইউরোপভিত্তিক এ আন্তর্জাতিক সংস্থার সৃষ্টি করে, যার বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৪৬। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকা ও ক্ষয়ক্ষতির অভিজ্ঞতা দ্বারা তাড়িত হয়ে ইউরোপে মানবাধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত করার দৃঢ়সংকল্প থেকে সম্ভবত যুক্তরাজ্যসহ কাউন্সিল অব ইউরোপের সব সদস্য রাষ্ট্র (১৯৪৮ সালের আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের ঘোষণায় পক্ষ হওয়া সত্ত্বেও) পুনরায় ১৯৫০ সালে ‘ইউরোপিয়ান কনভেনশন অন হিউম্যান রাইটস’ স্বাক্ষর করে এবং এর অধীনে ‘ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস’ প্রতিষ্ঠিত করে। এ আদালতটি ১ নভেম্বর, ১৯৯৮ থেকে কার্যকর হয়। ফলে ইউরোপের এ দেশগুলোয় মানবাধিকারগুলো বলবৎযোগ্য অধিকারে পরিণত হয় এবং সদস্য রাষ্ট্রের কোনো নাগরিক মানবাধিকার বিষয়ে সংক্ষুব্ধ হলে ফ্রান্সে অবস্থিত এ আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন। ২০০৯ সালে এ আদালতে ৫৭ হাজার ২০০ আবেদন জমা পড়ে এবং ওই সময় পূর্ববর্তী আবেদনগুলোসমেত এ আদালতে ১ লাখ ১৯ হাজার ৬০০ মামলা বিচারাধীন ছিল।

যুক্তরাজ্যের বেলায় তাদের কোনো লিখিত সংবিধান না থাকায় এসব মৌলিক অধিকার যুক্তরাজ্যের কোনো স্থানীয় আদালতে বলবৎ করার সুযোগ ছিল না, যদিও তাদের নাগরিকদের ফ্রান্সে অবস্থিত ইউরোপিয়ন কোর্ট অব হিউম্যান রাইটসের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ ছিল। তথাপিও যুক্তরাজ্য ১৯৯৮ সালে হিউম্যান রাইটস অ্যাক্ট প্রণয়ন করে এবং মৌলিক মানবাধিকারগুলো তাতে সন্নিবেশিত করে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে কোনো অভিযোগ গ্রহণ ও বিচার করার এখতিয়ার যুক্তরাজ্যের আদালতের ওপর ন্যস্ত করে। বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধান তথা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ১৭৮৮ সালে কার্যকর হয়। সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণা ১৯৪৮ সালে গৃহীত হওয়ার বহু আগেই এসব মানবাধিকার একাধিক সংশোধনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে সংযুক্ত হয়। প্রথম সংশোধন হয় ১৫ ডিসেম্বর, ১৭৯১ সালে এবং সর্বশেষ বা ২৭তম সংশোধন হয় ৭ মে, ১৯৯২ সালে। যুক্তরাষ্ট্রই প্রথম রাষ্ট্র যারা মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদা সর্বাগ্রে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় এবং তাদের নাগরিকদের ‘জীবন’, ‘স্বাধীনতা’ ও ‘সুখী হওয়ার প্রচেষ্টা’ এ তিনটিকে অলঙ্ঘনীয় অধিকাররূপে স্বীকৃতি দেয় ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২-এর তৃতীয় ভাগে মানবাধিকার মৌলিক অধিকার হিসেবে বিধৃত হয়েছে। এ সংবিধানের ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদে ‘মানবাধিকার বলবৎ করার অধিকার’ স্বয়ং একটি মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃত। এ অধিকারগুলো বলবৎ করার জন্য সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে উচ্চ আদালতকে ক্ষমতা দেওয়া হয়। উপরন্তু সংবিধানের ২৬(১) অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি বিদ্যমান কোনো আইন থেকে থাকলে তা অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তদ্রুপ ২৬(২) অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার পরিপন্থি আইন প্রণয়ন নিষিদ্ধ করা হয় এবং রাষ্ট্র কর্তৃক এরকম কোনো আইন করা হলেও তা অবৈধ হবে বলা হয়। পাশ্চাত্যের দেশগুলোয় তথা ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে মৌলিক মানবাধিকারগুলো ধর্মবিশ্বাসের মতো প্রতিষ্ঠিত এবং সমাদৃত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকা, ধ্বংসস্তূপ এবং ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ইউরোপের দেশগুলো এবং তাদের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের অশান্তি ও অবিশ্বাস দূর করে পারস্পরিক বিশ্বাস, মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক এক নিরাপদ গণতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থা, তথা এক সভ্য ও মানবিক বিশ্বব্যবস্থা অপরিহার্য বলে গণ্য করে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সালের সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণায় পক্ষভুক্ত হওয়ার পর ইউরোপের রাষ্ট্রগুলো পুনরায় ইউরোপীয় কনভেনশন অন হিউম্যান রাইটস, ১৯৫০ স্বাক্ষর করে এবং এসব অধিকার বলবৎ করার জন্য ফ্রান্সে একটি আদালত প্রতিষ্ঠা করে।

মানবাধিকারের বিষয়টি পাশ্চাত্যের এসব গণতান্ত্রিক দেশের নির্বাচন, সরকারকাঠামো, রাজনীতি, অর্থনীতি, কূটনীতি এবং বৈদেশিক সম্পর্কের অন্যতম নিয়ামক। মানবাধিকার বিষয়ে এসব রাষ্ট্রের মনস্তত্ত্ব ও মূল্যবোধ এতই সুস্পষ্ট যে, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষায় বা সম্পর্কোন্নয়নে আগ্রহী সবারই এটি দৃষ্টিগোচর হয়ে থাকবে। তবে এসব রাষ্ট্রের কারও কারও বিরুদ্ধে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের কাজকে প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, বিশেষ করে প্যালেস্টাইনের ভূমি ইসরায়েল কর্তৃক বেআইনি দখলদারিকে সমর্থন দেওয়া ও জিইয়ে রাখা এবং অবরোধের বিষয়গুলো।

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মানবাধিকারের বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অধিকতর আগ্রহের কারণ হয়ে ওঠে এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ ও প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দেশ সম্পর্কে একটি ‘ভালো’ বা ‘মন্দ’ ধারণা তৈরি করতে পারে। ফলে ব্যক্তিগত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর গুরুত্ব সহজেই অনুধাবনযোগ্য।

উপরন্তু এক অর্থে মানবাধিকারের ধারণাটি মানব সৃষ্টির ইতিহাসের মধ্যেই নিহিত। প্রথম মানব তথা ‘আদম’কে সৃষ্টি করা হয় আশরাফুল মাখলুকাত বা সব সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে। এরপর স্বয়ং স্রষ্টা কর্তৃক সব ফেরেশতা বা অ্যাঞ্জেলকে বলা হয় আদমের প্রতি সম্মান প্রদর্শনস্বরূপ সেজদায় নত হওয়ার জন্য। স্রষ্টার উদ্দেশ্য ছিল এর মাধ্যমে তিনি মানুষকে সৃষ্টির ‘সেরা জীবের’ যে মর্যাদা দিয়েছেন, তা প্রতিষ্ঠা করা। সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক আরোপিত এই মানবিক মর্যাদাই মানবাধিকারের সূচনা। পবিত্র কোরআন থেকে এ ঘটনা উদ্ধৃতি করার একমাত্র লক্ষ্য ধর্মবর্ণ-নির্বিশেষে স্রষ্টা-প্রদত্ত সব মানুষের মর্যাদার মাহাত্ম্য ব্যাখ্যা করা এবং এটি যে মানুষের জন্মগত অধিকার তার প্রতি ইঙ্গিত করা। কোনো ধর্মবিশ্বাস প্রচার করা নয়।

মানবাধিকার রক্ষায় ও সমর্থনে সব সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে উঠে বাংলাদেশ ২৫ আগস্ট, ২০১৭ থেকে অদ্যাবধি প্রায় ১০ লাখ আশ্রয়হীন ও রাষ্ট্রহীন রোহিঙ্গা রিফিউজিকে আশ্রয় দেয়, যার দ্বিতীয় কোনো নজির পৃথিবীতে নেই। মানবিকতার এই মহান দৃষ্টান্ত বাংলাদেশ এবং এর জনগণকে সমগ্র বিশ্বে বিরল সম্মান ও মর্যাদা এনে দেয়। তার পরও যেসব ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া যায় সেগুলো চিহ্নিত ও সংশোধন করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা অপরিহার্য বটে। সংবিধানের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়, ‘প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে।’ রাষ্ট্র পরিচালনার এ মূলনীতি সর্বত্রই এবং সর্বাগ্রে বিবেচিত হবে। এ দেশের প্রত্যেক দেশপ্রেমিক ও সভ্য মানুষ নিশ্চয়ই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের এ অঙ্গীকারকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করেন এবং বাস্তবায়নে সচেষ্ট রয়েছেন।

লেখক : বিচারপতি, হাই কোর্ট বিভাগ, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪২ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২০ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন