শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:১১, শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৩

দুর্ভিক্ষ আরব বসন্ত অতঃপর

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
অনলাইন ভার্সন
দুর্ভিক্ষ আরব বসন্ত অতঃপর

৮ ডিসেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনাড়ম্বরভাবে নিজ নির্বাচনি এলাকা এবং জাতির জনকের সমাধিস্থল টুঙ্গিপাড়া গিয়েছিলেন। এ দেশের মাটি ও মানুষকে ভালোবাসেন তিনি। ২১ নভেম্বর সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত দেশবরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব চ্যানেল আইয়ের সাগর ভাই ও শাইখ সিরাজ ভাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হেঁটে হেঁটে উপস্থিত সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় আমাদের সামনে হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেলেন। সাগর ভাইয়ের শরীরের খবর নিলেন এবং পায়ে ব্যথা নিয়ে কেন দাঁড়িয়ে আছে-জিজ্ঞেস করলেন। নিরাপত্তারক্ষী ও সেনা কর্মকর্তাদের বললেন ব্যারিকেডের ওপারে তাকে ভিভিআইপি শামিয়ানার নিচে আয়োজিত সোফায় বসার ব্যবস্থা করতে। আর শাইখ সিরাজ ভাইকে বললেন গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটে তার জমিতে তারই তত্ত্বাবধানে বোনা ফসলের মাঠ দেখে আসতে। সাগর ভাই অভিযোগ দিলেন, তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত খামারে উৎপাদিত ধানের চাল, মুড়ি, চিড়া কিংবা দেশি মুরগির ডিম কিছুই পাননি। প্রধানমন্ত্রী হেসে শাইখ সিরাজ ভাইকে দেখিয়ে বললেন, ওই তো সব নিয়ে আসছে, ওকে জিজ্ঞেস করো তোমার ভাগ গেল কই? মাটি ও মানুষের সঙ্গে এমন সম্পর্ক থাকা প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে এ ঘটনার ১৭ দিন পর (৮ ডিসেম্বর) গোপালগঞ্জে উচ্চারিত হলো দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা। টুঙ্গিপাড়ার কোটালীপাড়ায় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, বিএনপি ‘মার্চের দিকে দেশে দুর্ভিক্ষ ঘটাবে। এটা হচ্ছে তাদের পরবর্তী পরিকল্পনা। শুধু দেশের নয়, বাইরের দেশেরও পরিকল্পনা। যেভাবেই হোক দুর্ভিক্ষ ঘটাতে হবে।’

দুর্ভিক্ষ শব্দটির সঙ্গে পরিচয় আমার কৈশোরে। ১৯৭৪ সাল। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার জন্য শূন্য হাতে নতুন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। কিন্তু দেশের তথাকথিত বাম শক্তি একদিকে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অরাজকতা শুরু করে দেয়, অন্যদিকে তাদের মিডিয়া তথা বেশকিছু দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা আংশিক সত্য ও মিথ্যা সংবাদের ভিত্তিতে দেশের সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করে তোলে। আড়তদার, মজুদদার ও সিন্ডিকেটকারীরা পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও চোরাচালান করে নাজুক পরিবেশ সৃষ্টি করে। এরই মাঝে এক খোঁড়া যুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশমুখী এক জাহাজভর্তি খাদ্যপণ্য আসার পথ বন্ধ করে দেয়। ফলে দেশে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসাসামগ্রী প্রভৃতির প্রবল সংকটের সঙ্গে খাদ্য সংকটের কারণে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। অভিশপ্ত সেই দিনগুলোর কথা ভাবলে আজও শিউরে উঠতে হয়। আমার বাবা তখন মফস্বল শহরের এক সরকারি ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার।

তখনো এ দেশের মানুষ ঋণখেলাপি বা ব্যাংকখেকো জাতীয় শব্দের সঙ্গে পরিচিত ছিল না। ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা ছিলেন সৎ এবং ছা-পোষা মানুষ। স্কুলগামী পাঁচ ভাইবোন, কলেজে পড়া মামা আর বাবা-মা মিলে মধ্যবিত্তের আবর্তে ঘুরেছিল আমাদের পরিবার। বাবা মাসের বেতন পেয়ে মায়ের হাতে টাকা তুলে দিতেন। দুর্ভিক্ষের দিনে মা কেমন করে যে সংসারের ঘানি টেনেছেন, তা বলা বা লিখে বোঝানোর মতো নয়। মনে পড়ে, মা বিভিন্ন উপকারিতার কথা বলে মিষ্টি ও গোল আলু সিদ্ধ, রিলিফের ছাতু এবং গুঁড়াদুধ খাওয়াতেন আমাদের। পরে জেনেছি ভাতের ওপর চাপ কমাতে এই উপায় বের করেছিলেন তিনি। বাবা ছিলেন মাইজভান্ডার তরিকার মানুষ। প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে একদল ভক্ত, আশেকান, পাগল, দেওয়ানা ও ফকির-ফাঁকরা নিয়ে জিকির আসকার আর খিচুড়ি না খেলে দিন কাটত না বাবার। দুর্ভিক্ষের দিনেও মা আমাদের বাবার মনরক্ষায় খিচুড়ি রান্না অব্যাহত রাখলেন। তবে পরিবর্তন এলো রন্ধন পদ্ধতিতে। দানাদার খিচুড়ির বদলে নিতান্ত তরল খিচুড়ি চালু হলো, যা বণ্টন করা হতো মগে ভরে। তবুও গো-গ্রাসে সবাই সেই তরল খিচুড়ি গিলতাম। বাইরে অনেক ভিখারি অপেক্ষা করত। কারও কারও কোলে শিশু, কিন্তু মায়েদের বুকের দুধ শুকিয়ে গেছে। এই তরল খিচুড়িই শিশুদের কাক্সিক্ষত খাবার। অনেক ক্ষুধার্ত মানুষের দেখা মিলত ডাস্টবিনের চারপাশে। কেউ মারা গেলে চাঁদা তুলে কবর দিতে হতো। এসবই আমার নিজের চোখে দেখা, কোনো নাটক-সিনেমার কাহিনি বা কোনো গল্প, উপন্যাস বা প্রবন্ধের লেখা নয়। তাই আজ দুর্ভিক্ষের পূর্বাভাস মনের শঙ্কা জাগায়। তখনকার চেয়ে এখন জনসংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি। তবে খাদ্য উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় আমরা কমবেশি কিংবা মোটামুটি ভালোভাবেই খেয়েপরে দিন কাটাচ্ছিলাম। তারপরও অর্বাচীন কতিপয় মানুষের কারণে আমরা কষ্ট ভোগ করি। তাদের কেউ ডিম, মুরগি বা গো-মাংসের দাম বাড়ায়; আবার কারও নজর পিঁয়াজ-কাঁচামরিচের ওপর। তাদের কারসাজিতেই বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়। কৃষিপ্রধান এ দেশে ডলার সংকটের মুহূর্তেও আমরা গাজর, পিঁয়াজ, আদা, রসুন, মসলা, ফল ইত্যাদি আমদানি করি। আর অর্বাচীন মন্ত্রী বলেন সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে ফলাফল আরও খারাপ হবে। মন্ত্রীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যবসায়ী নেতা বলেন মুক্তবাজার অর্থনীতিতে সিন্ডিকেট বলতে কিছু নেই। আসলে শর্ষেতে ভূত থাকলে ভূত তাড়ানো যায় না, এমন কথাই আজ বাতাসে ভাসছে। চুয়াত্তরের বৈরী মিডিয়ার মতো এখন চলছে বৈরী সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। ৯ মাসের যুদ্ধের সময় পাকিস্তানিরা লুট করেছিল বলে রাষ্ট্রীয় কোষাগার বা ব্যাংকে টাকা ছিল না। কিন্তু পত্রিকা মতে, এখন পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকে কেন তারল্য সংকট- এই প্রশ্নের উত্তর নেই। আবার ১৭টি ব্যাংকের অবস্থা নাজুক বলে অতি সম্প্রতি তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এমতাবস্থায় একটা দুর্ভিক্ষ দেশকে কোন দিকে নিয়ে যাবে তা সত্যি দুশ্চিন্তার বিষয়। জাতিসংঘের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড নেশনস ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেন্স ইমারজেন্সি ফান্ড (ইউনিসেফ) কোনো দেশে মূলত চারটি কারণে দুর্ভিক্ষ হয় বলে উল্লেখ করেছে। কারণগুলো হচ্ছে ক) রোগ ও অপুষ্টি, খ) জলবায়ু পরিবর্তন, গ) সংঘাত, ঘ) বাধ্য হয়ে নিজ ভিটা ত্যাগ বা বাস্তুচ্যুতি। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি বলেছে, শুধু সোমালিয়া, ইথিওপিয়া ও কেনিয়াতেই ৭০ লাখ শিশুসহ মোট ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ অভুক্ত থাকে। আফ্রিকার এই তিন দেশে দুর্ভিক্ষের কারণ ‘কনফ্লিক্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট’ অর্থাৎ সংঘাত ও জলবায়ু। ব্রিটিশদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ২১টি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের যৌথ সংস্থা অক্সফাম ওপরে উল্লিখিত কারণগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক ব্যর্থতাকেও দুর্ভিক্ষের কারণ বলে চিহ্নিত করেছে। ইন্টারনেটে থাকা একটি প্রকাশনায় আফ্রিকার রাজনীতি বিষয়ে গবেষণা করা ব্রিটিশ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অ্যালেক্স ডি অয়ালকে উদ্ধৃত করে অক্সফাম উল্লেখ করেছে যে, ‘দুর্ভিক্ষ হলো একটি রাজনৈতিক কলঙ্ক। দুর্ভিক্ষ রোধ করার ক্ষেত্রে যা করণীয়, তা করতে সরকারের সক্ষমতা ও সদিচ্ছা যদি চরমভাবে ভেঙে পড়ে, তবেই কেবল কোনো দেশে দুর্ভিক্ষ হয়।’
বাংলাদেশ জলবায়ুজনিত ঝুঁকিতে থাকলেও এ দেশের অবস্থা অন্য বহু দেশের চেয়ে অনেক ভালো। এ দেশের মাটি পশ্চিমা দেশের মতো বরফে ঢেকেও যায় না, আবার মরুভূমির বালুর মতো উত্তপ্তও হয় না। সমুদ্র উপকূলীয় কিছু এলাকা বাদ দিলে লবণাক্ত জমিও তেমনটা নেই দেশের অন্য কোথাও। একটি বীজ মাটিতে পড়লেই এই মাটির আশীর্বাদে তা গাছ হয়ে জন্মে। আর মরুর দেশে দেখেছি একটি চারার জন্য বা গাছ বাঁচাতে ড্রেনের পানি জীবাণু ও দুর্গন্ধ মুক্ত করে পাইপ দিয়ে সারা দিন টিপ টিপ করে পড়ার ব্যবস্থা করতে হয়। সুতরাং কেবল বিরূপ জলবায়ুর কারণে এ দেশে দুর্ভিক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে, দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকলেও আফ্রিকার বহু দেশ, সিরিয়া কিংবা আফগানিস্তানের মতো তা সশস্ত্র সংঘাতের রূপ ধরেনি। গ্রাম থেকে শহরে আসা মানুষের সংখ্যা বাড়লেও রোহিঙ্গা বা ফিলিস্তিনিদের মতো শরণার্থী হয়নি কেউ। এ দেশের মানুষের খাদ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা ও পুষ্টির মান বিশ্বের অনেক দেশের চেয়েও ভালো। এমনি এক প্রেক্ষাপটে মার্চে ঠিক কীভাবে দুর্ভিক্ষ ঘটানো সম্ভব- তা নিয়ে ভাবতে হবে।

এমন প্রশ্নের জবাবে অনেকেই উচ্চারণ করেন একটি শক্তিধর দেশের নাম। এই দলভুক্তরা মনে করেন, অনেক দৌড়ঝাঁপ করা একটি দেশের দূতাবাস এবং সে দেশের রাষ্ট্রদূতের হঠাৎ নীরবতা কোনো বড় ঝড়ের পূর্বাভাস। আর এই ঝড় হতে পারে নির্বাচন, গণতন্ত্র, কিংবা মানবাধিকার প্রশ্নে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে নিষেধাজ্ঞা কিংবা শ্রমনীতি ও অন্যান্য ইস্যুর ভিত্তিতে বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা। আরেকটি হতে পারে জাতিসংঘে প্রভাব খাটিয়ে শান্তিরক্ষা মিশন সংকুচিত করা বা বন্ধ করা। এ তিনটি পদক্ষেপের প্রত্যেকটি বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ সীমিত করা তথা অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা তথা দুর্ভিক্ষের পটভূমি তৈরি করতে সক্ষম। এ তিনটি অস্ত্র ব্যর্থ হলে যা হতে পারে, তার প্রতি অতি সম্প্রতি ইঙ্গিত করেছে মস্কো। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখের ব্রিফিং চলাকালে সেদেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও কূটনীতিবিদ মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, জনগণের ভোটের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সন্তোষজনক মনে না হলে আরব বসন্তের মতো করে বাংলাদেশকে আরও অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হতে পারে। এ প্রসঙ্গে আরব বসন্ত বলতে রাশিয়া ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছে- তা স্পষ্ট নয়। কারণ ২০১০-১১ সালে আরব অঞ্চলে তথা মধ্যপ্রাচ্যে ও উত্তর আফ্রিকার কিছু দেশে ভিন্ন ভিন্ন প্রকৃতির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে তথাকথিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমেরিকার প্রত্যক্ষ মদদে একেক ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন, বিক্ষোভ ও সশস্ত্র সংঘাত হয়। সরকারের দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক স্থবিরতার বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ২০১০ সালের ১৮ ডিসেম্বর তিউনিসিয়ায়। এর ১১ দিন পর ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে তা ছড়িয়ে পড়ে আলজেরিয়ায়। এভাবে মাত্র দুই মাসের মধ্যে (১৮ ডিসেম্বর ২০১০ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১১) আরব বসন্ত নামে পরিচিত এরকম বিপ্লব ছড়িয়ে পড়ে আরও ২৭টি দেশে, যেখানে কোথাও রাজতন্ত্র, কোথাও স্বৈরতন্ত্র, কোথাও জরুরি অবস্থা, আবার কোথাও গণতন্ত্রের নামে দীর্ঘদিন ধরে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির বা দলের বা পরিবারের শাসন কায়েম ছিল। এ আন্দোলনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে, ২৭ দিনের মধ্যে তিউনিসিয়ার শাসক বেন আলী সৌদি আরবে পালিয়ে যান, ১৩ দিনের মধ্যে আলজেরিয়ায় ১৯ বছর ধরে চলা জরুরি অবস্থার অবসান ঘটে, ১৮ দিনের মধ্যে মিসরের ৩০ বছরের শাসক ও রাষ্ট্রপতি হোসনি মোবারকের ক্ষমতাচ্যুতি হয়, এক মাসের মধ্যে ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি আলী আবদুল্লাহ সালেহ ক্ষমতা ছাড়েন এবং সিরিয়ায় পূর্ণমাত্রায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। অন্যান্য দেশেও শুদ্ধি অভিযানসহ নানা রকমের সংস্কার ও ভবিষ্যতে নিজে নির্বাচন না করার অঙ্গীকার দিতে বাধ্য হন আরব নেতা বা সরকারপ্রধানরা।

গবেষণায় দেখা যায়, এসব দেশের মধ্যে এমন বিপ্লব, সংঘাত, সংগ্রাম বা আন্দোলনের নেপথ্যে কোথাও সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক শক্তিশালী বাহিনী, কোথাও রাজনৈতিক শক্তি, কোথাও বিচ্ছিন্নতাবাদী, আবার কোথাও জঙ্গিগোষ্ঠীকে কাজে লাগায় আমেরিকা ও তার দেশীয় কুশীলবরা। আরব বসন্তের ফলে পট-পরিবর্তনের কল্যাণে অস্ত্র ব্যবসায়ী ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো লাভবান হলেও তা গণতন্ত্র বা গণতন্ত্রকামীদের উন্নয়নে তেমন ভূমিকা রাখতে পারেনি। বরং বিধ্বস্ত হয়েছে হাজারো জনপদ।

আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন দুর্ভিক্ষের কথা বলছেন আর রাশিয়া আরব বসন্তের কথা বলছে, তখন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাণ্ডারী হুশিয়ার কবিতা ও গানের কয়েকটি লাইন স্মরণ করছি- “গিরি-সঙ্কট, ভীরু যাত্রীরা, গুরু গরজায় বাজ, পশ্চাৎ-পথ-যাত্রীর মনে সন্দেহ জাগে আজ! কাণ্ডারী! তুমি ভুলিবে কি পথ? ত্যজিবে কি পথ-মাঝ? করে হানাহানি, তবু চলো টানি, নিয়াছ যে মহাভার!”

লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫১ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন