শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের নির্ভরযোগ্য অংশীদার সুপার স্টার গ্রুপ

প্রিন্ট ভার্সন
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের নির্ভরযোগ্য অংশীদার সুপার স্টার গ্রুপ

জ্বালানি নিরাপত্তাবর্তমানে বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি সংকটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি কতটা সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে?

উত্তর : বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক সংঘাত, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি, সরবরাহব্যবস্থার অনিশ্চয়তা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্বের প্রায় সব দেশকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করেছে। এ প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ একটি কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কোনো জ্বালানি আমদানি করতে হয় না, ফলে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমে। একই সঙ্গে এটি পরিবেশবান্ধব এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের মতো একটি দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির দেশে শিল্পায়ন ও নগরায়ণের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তাই প্রচলিত জ্বালানি উৎসের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎকে জাতীয় জ্বালানি মিশ্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প নয়, বরং দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি কৌশলগত মাধ্যম।

 

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে বাংলাদেশ পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে এখনো কেন পিছিয়ে আছে?

উত্তর : বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে সচেতনতা এবং বিনিয়োগ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। তবে ভারত, চীন বা ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোর তুলনায় আমাদের অগ্রগতি এখনো তুলনামূলকভাবে সীমিত। এর অন্যতম কারণ হলো জমির সীমাবদ্ধতা। বৃহৎ আকারের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত খালি জমি পাওয়া বাংলাদেশে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া প্রকল্প অনুমোদন, গ্রিড সংযোগ এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমতির ক্ষেত্রে সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অর্থায়ন। অনেক উন্নত ও পার্শ্ববর্তী দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি এবং স্বল্পসুদে অর্থায়নের ব্যবস্থা রয়েছে, যা বাংলাদেশে এখনো পর্যাপ্ত নয়। পাশাপাশি স্থানীয় উৎপাদন শিল্পের সীমাবদ্ধতা এবং আমদানিনির্ভর সরঞ্জাম-ব্যবস্থাও প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি করে। তবে ইতিবাচক দিক হলো, বাংলাদেশে শিল্প খাতে রুফটপ সোলারের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে এবং সঠিক নীতিগত সহায়তা পেলে দেশটি খুব দ্রুত এ খাতে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

 

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং নীতিমালার অসামঞ্জস্য দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে কি না?

উত্তর : নিঃসন্দেহে কিছু ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং নীতিগত অসামঞ্জস্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের অগ্রগতিকে ধীর করেছে। একটি সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অনেক সময় একাধিক সরকারি ও নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এ প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় ও ব্যয় উভয়ই বৃদ্ধি পায়। অনেক ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা প্রকল্প বাস্তবায়নের আগেই অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হন। এ ছাড়া নীতিমালার ধারাবাহিকতা ও দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনা বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন বিনিয়োগকারী সাধারণত ১৫ থেকে ২৫ বছরের পরিকল্পনা নিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করেন। তাই নীতিগত স্থিতিশীলতা, স্বচ্ছতা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য অত্যন্ত জরুরি। আমরা মনে করি, একটি সমন্বিত ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল অনুমোদন প্রক্রিয়া চালু করা গেলে এ খাতের অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হবে।

 

নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে মূল প্রতিবন্ধকতা কী কী?

উত্তর : বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল হলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। প্রথমত, জমির সংকট। বৃহৎ সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য পর্যাপ্ত খালি জমি পাওয়া কঠিন। দ্বিতীয়ত, অর্থায়ন। অধিকাংশ প্রকল্পের প্রাথমিক বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় অনেক উদ্যোক্তা আগ্রহী হলেও অর্থায়নের সীমাবদ্ধতায় পিছিয়ে যান। তৃতীয়ত, গ্রিড অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা। অনেক এলাকায় গ্রিডের সক্ষমতা কম থাকায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়। চতুর্থত, দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। যদিও গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে, তবু উন্নত প্রযুক্তি পরিচালনার জন্য আরও প্রশিক্ষিত জনবল দরকার। এ ছাড়া নীতিগত অনিশ্চয়তা, কর কাঠামো এবং আমদানি প্রক্রিয়ার জটিলতাও খাতটির বিকাশে প্রভাব ফেলে।

 

নবায়নযোগ্য জ্বালানির যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে কী কী সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাশা করেন?

উত্তর : বাংলাদেশে অধিকাংশ উচ্চমানের সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেম এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে শুল্ক, ভ্যাট এবং অন্যান্য কর প্রকল্প ব্যয়ের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। আমরা আশা করি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে একটি কৌশলগত শিল্প হিসেবে বিবেচনা করে সোলার সরঞ্জাম আমদানির ক্ষেত্রে কর ও শুল্ক সুবিধা আরও সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করা গেলে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় কমে আসবে। একই সঙ্গে দেশীয় উৎপাদন শিল্প গড়ে তোলার জন্য কাঁচামাল আমদানিতেও বিশেষ সুবিধা প্রদান করা যেতে পারে।

 

সৌরবিদ্যুৎ প্রসারে সরকারের কাছ থেকে কী ধরনের সহায়তা আশা করেন?

উত্তর : বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে খাতটির পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে আরও কিছু সহায়তা প্রয়োজন। আমরা চাই, শিল্প খাতে রুফটপ সোলার স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা ও স্বল্পসুদে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হোক। নেট মিটারিং নীতিমালাকে আরও আধুনিক ও ব্যবহারবান্ধব করা হোক। সরকারি ভবন, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং শিল্প পার্কগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। এ ছাড়া গ্রিড আধুনিকায়ন, ব্যাটারি স্টোরেজ প্রযুক্তি এবং স্মার্ট এনার্জি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও সরকারি সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

বিনিয়োগবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এ নীতিমালায় আপনার প্রত্যাশা কী?

উত্তর : আমাদের প্রত্যাশা, নতুন নীতিমালা শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং একটি পূর্ণাঙ্গ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার রূপরেখা প্রদান করবে। নীতিমালায় দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সুরক্ষা, কর প্রণোদনা, স্বল্পসুদে অর্থায়ন, ব্যাটারি স্টোরেজ, ভার্চুয়াল নেট মিটারিং, কার্বন ক্রেডিট ট্রেডিং এবং গ্রিন ফাইন্যান্সিংয়ের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। আমরা বিশ্বাস করি, একটি বাস্তবমুখী ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা বাংলাদেশকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আঞ্চলিক নেতৃত্বের অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে।

 

বেসরকারিভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে করণীয় কী?

উত্তর : বেসরকারি খাত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি। তাই নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তারেও বেসরকারি খাতকে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করতে হবে। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন, সহজ ঋণসুবিধা, কর প্রণোদনা এবং দ্রুত অনুমোদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিল্পোদ্যোক্তাদের কাছে সৌরবিদ্যুতের আর্থিক সুবিধা, বিদ্যুৎ ব্যয় সাশ্রয় এবং কার্বন নিরপেক্ষতার গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। বর্তমানে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান ব্যয় মোকাবিলায় রুফটপ সোলারে বিনিয়োগ করছে। এ প্রবণতাকে আরও উৎসাহিত করা গেলে বেসরকারি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

 

নবায়নযোগ্য খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে?

উত্তর : বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সাধারণত নীতিগত স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি রিটার্নের নিশ্চয়তা খোঁজেন। তাই বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য স্বচ্ছ নিয়ন্ত্রক কাঠামো, দ্রুত অনুমোদন ব্যবস্থা, ওয়ান স্টপ সার্ভিস, মুনাফা প্রত্যাবাসনের নিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পাওয়ার পারচেজ অ্যাগ্রিমেন্ট (PPA) কাঠামো নিশ্চিত করা জরুরি। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল, বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক এবং বৈশ্বিক গ্রিন ফান্ডগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ালে বৃহৎ আকারের বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব হবে।

 

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে আপনার প্রতিষ্ঠানের অবদান সম্পর্কে জানতে চাই।

উত্তর : সুপার স্টার রিনিউয়েবল এনার্জি লিমিটেড (SSREL) গত ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিকাশ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রসারে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। আমরা আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প, কৃষি এবং সরকারি খাতে সমন্বিত সৌরবিদ্যুৎ সমাধান প্রদান করছি। এ পর্যন্ত আমরা ১১০ মেগাওয়াটেরও বেশি রুফটপ সোলার প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছি, যা দেশের শিল্প খাতে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কৃষি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণে আমরা ২,৫০০-এরও বেশি সোলার সেচ পাম্প স্থাপন করেছি, যা কৃষকদের ডিজেলনির্ভরতা কমাতে এবং উৎপাদন ব্যয় হ্রাসে সহায়তা করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং এনজিও পরিচালিত প্রকল্পে সোলার সমাধান প্রদান করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করেছি। এ ছাড়াও সুপার স্টার রিনিউয়েবল এনার্জি লিমিটেডের একটি শক্তিশালী জাতীয় ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক রয়েছে। সারা দেশে আমাদের ২০০-এরও বেশি অনুমোদিত ডিলার ও ব্যবসায়িক অংশীদারের মাধ্যমে সৌর সমাধান সরবরাহ করা হচ্ছে। এ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আমরা ইতোমধ্যে ৪ লাখেরও বেশি সোলার হোম সিস্টেম সরবরাহ ও পরিচালনা করেছি, যা দেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, বিদ্যুতের সহজলভ্যতা বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম শক্তি হলো দক্ষ প্রকৌশলী, প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ান এবং অভিজ্ঞ প্রকল্প ব্যবস্থাপনা দল।

এই বিভাগের আরও খবর
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাস্তবভিত্তিক সমাধান নিয়ে কাজ করছে ওমেরা
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাস্তবভিত্তিক সমাধান নিয়ে কাজ করছে ওমেরা
উত্তরবঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে তিস্তা সোলার
উত্তরবঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে তিস্তা সোলার
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
২৫ বছরে ২০ লাখ এসএমই উদ্যোক্তা তৈরি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক
২৫ বছরে ২০ লাখ এসএমই উদ্যোক্তা তৈরি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক
এসএমই খাত বিকাশে পূবালী ব্যাংকের বহুমুখী উদ্যোগ
এসএমই খাত বিকাশে পূবালী ব্যাংকের বহুমুখী উদ্যোগ
মোট ঋণের অর্ধেক এসএমই খাতে বিতরণের লক্ষ্য
মোট ঋণের অর্ধেক এসএমই খাতে বিতরণের লক্ষ্য
আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে
আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে
অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অংশীদার হতে চায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক
অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অংশীদার হতে চায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক
এমএসএমই খাতই হবে আগামী দিনের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি
এমএসএমই খাতই হবে আগামী দিনের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি
কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধির ভরসা এসএমই খাত
কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধির ভরসা এসএমই খাত
সাশ্রয়ী দামে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ফ্রিজ দিচ্ছে ভিসতা
সাশ্রয়ী দামে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ফ্রিজ দিচ্ছে ভিসতা
ইনভার্টার ও স্মার্ট ফিচারসমৃদ্ধ ফ্রিজের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে
ইনভার্টার ও স্মার্ট ফিচারসমৃদ্ধ ফ্রিজের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে
সর্বশেষ খবর
নেদারল্যান্ডসের সামনে মরক্কো দুর্গ
নেদারল্যান্ডসের সামনে মরক্কো দুর্গ

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

জার্মানির প্যারাগুয়ে পরীক্ষা শুরু
জার্মানির প্যারাগুয়ে পরীক্ষা শুরু

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, ঘরে ফিরছেন বাস্তুচ্যুতরা
যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, ঘরে ফিরছেন বাস্তুচ্যুতরা

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে
নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শিশুর নিরাপত্তায় ইসলামের শিক্ষা
শিশুর নিরাপত্তায় ইসলামের শিক্ষা

৫৬ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ডের সামনে নাগেলসমান, ধুঁকছে প্যারাগুয়ে
রেকর্ডের সামনে নাগেলসমান, ধুঁকছে প্যারাগুয়ে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রীষ্মের প্রথম পূর্ণিমা: আজ রাতে আকাশ রাঙাবে ‘স্ট্রবেরি মুন’
গ্রীষ্মের প্রথম পূর্ণিমা: আজ রাতে আকাশ রাঙাবে ‘স্ট্রবেরি মুন’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শেয়ার বাজারে গুগলের বড় চমক
শেয়ার বাজারে গুগলের বড় চমক

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গবেষণায় বরাদ্দ নেই ইউজিসির, ১০৩৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন ঢাবির
গবেষণায় বরাদ্দ নেই ইউজিসির, ১০৩৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন ঢাবির

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পৃথিবীতে ধরা পড়া ‘ভুতুড়ে কণা’র সম্ভাব্য ঠিকানা খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা
পৃথিবীতে ধরা পড়া ‘ভুতুড়ে কণা’র সম্ভাব্য ঠিকানা খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ক্যাসিমিরোর গোলে সমতায় ব্রাজিল
ক্যাসিমিরোর গোলে সমতায় ব্রাজিল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এই ম্যাচ কি ব্রাজিল জিততে পারবে?
এই ম্যাচ কি ব্রাজিল জিততে পারবে?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে লিড নিয়ে বিরতিতে জাপান
ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে লিড নিয়ে বিরতিতে জাপান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সানোর গোলে এগিয়ে গেল জাপান
সানোর গোলে এগিয়ে গেল জাপান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এই মহারণেই জীবন-মরণ
এই মহারণেই জীবন-মরণ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ শুরু, শেষ ১৬-র টিকিট কাটবে কে
ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ শুরু, শেষ ১৬-র টিকিট কাটবে কে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপান বধের মিশনে নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল
জাপান বধের মিশনে নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে পোস্ট ডিলিট, শাবিপ্রবির সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি
শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে পোস্ট ডিলিট, শাবিপ্রবির সহকারী প্রক্টরকে অব্যাহতি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ
অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন
বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ায় যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন
একের পর এক আইনি জটিলতা, এবার ‘হেরা ফেরি ৩’ ছাড়লেন প্রিয়দর্শন

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়
ক্যান্সার জয় করা কেট মিডলটনের ২৪ ঘণ্টায় তিন পাহাড় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে ৬ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা
নড়াইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ
২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি
জাপানের বিপক্ষে কতক্ষণ খেলবেন নেইমার? জানালেন আনচেলত্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত
ভোরে বাংলাদেশের কাছাকাছি তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৩২ রেকর্ড, ৮টিই মেসির দখলে

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার
নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক
ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভার্দের অধিনায়ক

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’
ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবেন না ‘জাপানের মেসি’

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা
স্বর্ণের দাম কমলো ভরিতে ৩২৬৬ টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?
জাপানের বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের একাদশ?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান
শেষ হচ্ছে কি হরমুজ সংকট? হামলা বন্ধে একমত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর
দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে
কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি
বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, আলোচনা ভন্ডুলের হুমকি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার
স্বামীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই রেকর্ডের ছড়াছড়ি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস
শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে: দূতাবাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের
জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি
নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি

২৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল
জাপানের বিপক্ষে পেনাল্টির প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে ছেড়ে কথা বলব না: জাপান কোচ
ব্রাজিলকে ছেড়ে কথা বলব না: জাপান কোচ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বর্ণবাদ নিয়ে ভিনির বার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি
ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানানো দলের নাম বললেন জন টেরি

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশি পর্যটকদের অপেক্ষায় গেদে সীমান্তের ব্যবসায়ীরা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর হতে সাড়ে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি
কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম