শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ১২:৫২
প্রিন্ট করুন printer

বাজারে আসতে চলেছে 'স্মার্ট মাস্ক', জানাবে দূষণের পরিমাণও

অনলাইন ডেস্ক

বাজারে আসতে চলেছে 'স্মার্ট মাস্ক', জানাবে দূষণের পরিমাণও
প্রতীকী ছবি

আপনার ল্যাপটপ থেকে মোবাইল। সবকিছুই এখন স্মার্ট হয়ে যাচ্ছে। তাহলে দূষণ থেকে বাঁচতে ফেস মাস্ক কেন স্মার্ট হবে না? চারদিকে যে গতিতে দূষণ ছড়াচ্ছে তার থেকে বাঁচার একটাই উপায় হল মাস্ক। তবে সাধারণ কাপড়ের মাস্ক থেকে নিজের শরীরকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তাই এবার বাজারে আসতে চলেছে নেক্সট জেনারেশন এয়ার পলিউশন মাস্ক।

নেদারল্যান্ডসের কোম্পানি এয়ারব্লিস এই মাস্কটি তৈরি করেছে। কোম্পানির দাবি মাস্কটি ধুলিকণা থেকে তো আপনাকে বাঁচাবেই, সেই সঙ্গে কোথায় দূষণের পরিমাণ কতো সেটাও এই মাস্কটি দেখাবে। যে জায়গাগুলিতে দূষণের পরিমাণ কম থাকবে সেই জায়গাগুলি বাছাই করে এই মাস্কটি আপনার জন্য একটি ম্যাপও তৈরি করে দেবে। সেই ম্যাপটি ধরে আপনি সেই জায়গায় গিয়ে জগিং কিংবা সাইক্লিং করতে পারবেন।

মাস্কটির মধ্যে থাকা উন্নতমানের ফ্যান সিস্টেমের জন্য সুক্ষ্ম ধুলিকণাগুলি ফিল্টার হয়ে যাবে। ওয়াটারপ্রুফ এই মাস্ককে থাকবে একটি ইউএসবি যাতে আপনি মাস্কটি চার্জ দিতে পারেন। সঙ্গে থাকবে এলইডি লাইটস যেটা দূষণের মাত্রা কমলে বা বাড়লে আপনাকে অ্যালার্ট করবে। একটি মাস্ক কিনলে দু'বছরের জন্য নিশ্চিন্ত। শীঘ্রই এয়ারব্লিস কোম্পানি এই মাস্কটি বাজারে আনবে।

 

বিডি-প্রতিদিন/ সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২২:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

করোনা মহামারিতে রোবটের গণ-উৎপাদনের কথা ভাবছেন ‘সোফিয়া’র নির্মাতারা

অনলাইন ডেস্ক

করোনা মহামারিতে রোবটের গণ-উৎপাদনের কথা ভাবছেন ‘সোফিয়া’র নির্মাতারা
২০১৬ সালে আলোচিত হয় রোবট নারী 'সোফিয়া

২০১৬ সালে আলোচিত হয় রোবট নারী 'সোফিয়া। এর উৎপাদন করে হংকংয়ে অবস্থিত হ্যানসন রোবোটিকস। সংস্থাটি এবার রোবটের গণ-উৎপাদনের কথা ভাবছে।

সোফিয়াসহ চারটি মডেল ২০২১ সালের প্রথমার্ধেই আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হবে। গবেষকরা মনে করছেন, রোবোটিক্স শিল্পের জন্য এক নতুন সুযোগ উন্মুক্ত করে দেবে এই মহামারি।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভিড হ্যানসন বলেছেন, ‘কোভিড-১৯ এর সময়ে বর্তমান বিশ্বের মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে হলে আরও অনেক বেশি অটোমেশনের দরকার।’

হ্যানসন বিশ্বাস করেন, মহামারির রোবোটিক সেবা শুধু স্বাস্থ্যখাতেই সীমাবদ্ধ নয়, শিল্পায়নের ক্ষেত্রেও, যেমন খুচরা ও বিমান সংস্থাগুলোর গ্রাহকদের সহায়তা করতে পারে। মহামারি যেখানে মানুষকে একাকী ও সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে সেখানে রোবটের ব্যবহার অনেকখানি কার্যকরী হবে।

২০২১ সালে ছোট বড় মিলিয়ে হাজার হাজার রোবট বিক্রির লক্ষ্য হ্যানসন রোবটিক্সের। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

 

 
  
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:১৬
প্রিন্ট করুন printer

'গার্টনার পিয়ার ইনসাইটস কাস্টমারস চয়েস' স্বীকৃতি পেলো হুয়াওয়ে

অনলাইন ডেস্ক

'গার্টনার পিয়ার ইনসাইটস কাস্টমারস চয়েস' স্বীকৃতি পেলো হুয়াওয়ে

আইসিটি অবকাঠামো এবং স্মার্ট ডিভাইস উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড হুয়াওয়ে তাদের ডাটা সেন্টার এবং ক্লাউড নেটওয়ার্কিংয়ের জন্য ‘২০২০ গার্টনার পিয়ার ইনসাইটস কাস্টমারস চয়েস’স্বীকৃতি লাভ করেছে। হুয়াওয়ের ‘ক্লাউডফ্যাব্রিক ডেটা সেন্টার নেটওয়ার্ক (ডিসিএন) সল্যুশন’ এর জন্য এই স্বীকৃতিটি এসেছে। ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত হুয়াওয়ে প্রায় ২০ ভেন্ডররের মধ্যে ৪.৯/৫ স্টার রেটিং নিয়ে প্রথমস্থান লাভ করে।

হুয়াওয়ে ক্লাউডফ্যাব্রিক ক্লাউডইঞ্জিন সিরিজ ডাটা সেন্টার (ডিসি) সুইচেস, আইমাস্টার এনসিই-ফ্যাব্রিক (স্বায়ত্তশাসিত ড্রাইভিং ডিসিএন ম্যানেজমেন্ট এবং কন্ট্রোল সিস্টেম) এবং হুয়াওয়ে আইএমাস্টার এনসিই-ফ্যাব্রিকইনসাইটের (ডিসিএনের জন্য ডিজাইন করা বুদ্ধিমত্তা বিশ্লেষণ প্ল্যাটফর্ম) মতো প্রোডাক্ট এবং সল্যুশন কাভার করার ফলে  বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন শিল্পখাতের কাছ থেকে উৎসাহজনক গ্রাহক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। প্রোডাক্ট ক্যাপাবিলিটিস, ইনটিগ্রেশন এবং ডিপ্লয়মেন্ট, এবং সার্ভিস ও সাপোর্ট ক্যাটাগরিতেও হুয়াওয়ে বিভিন্ন খাতের (যেমন - ফাইনান্স, ইন্টারনেট, ক্যারিয়ারস এবং জনসাধারণের পরিষেবা) গ্রাহকদের কাছ থেকে উচ্চ রেটিং পেতে সক্ষম হয়েছে।

হুয়াওয়ে ক্লাউডফ্যাব্রিক ১৪০ টিরও বেশি দেশে ৯২০০ এরও বেশি এন্টারপ্রাইজ গ্রাহকদের সেবা দেয়। হুয়াওয়ের নিরবচ্ছিন্ন উদ্ভাবনী মানসিকতা এবং ডিসিএনে শীর্ষস্থানীয় অবস্থানের কারণে তারা গ্রাহকের বিশ্বাস অর্জনে সফলতা পেয়েছে। ২০২০ সালে হুয়াওয়ে একদম নতুন ক্লাউডফ্যাব্রিক ২.০ সল্যুশন উন্মোচন  করে। উন্মুক্ত আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে এই সল্যুশনটি একাধিক ক্লাউডের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে এবং একাধিক ভেন্ডররের ডিভাইসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার ফলে অপারেটিং ব্যয় (ওপেক্স) প্রায় ২৮ পার্সেন্ট  পর্যন্ত হ্রাস পায়। উচ্চ ঘনত্ব-সম্পূর্ণ ৪০০জিই ইন্টিলিজেন্ট এবং ক্ষতিহীন নেটওয়ার্কের মধ্যে ‘জিরো প্যাকেট লস’ এবং ‘লো ল্যাটেন্সির মতো বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার ফলে কম্পিউটিং সক্ষমতা ২৭ পার্সেন্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় এবং ডাটা স্টোরেজ আইওপিএস ৩০ পার্সেন্ট এরও বেশি উন্নত হয়। 

হুয়াওয়ে ক্লাউডইঞ্জিন ১৬৮০০ নেক্সট জেনারেশন ৪০০জিই ডিসি স্যুইচও চালু করেছে। শিল্প-শীর্ষস্থানীয় নতুন প্ল্যাটফর্ম, নতুন অপটিক্যাল ইন্টারফেস এবং নতুন বুদ্ধিমত্তার উপর ভিত্তি করে সুইচটি 'নতুন অবকাঠামো'র বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ সহযোগ সমর্থন করে এবং ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করে। উদ্ভাবনী সমাধান এবং পণ্যগুলি ছাড়াও হুয়াওয়ের ক্লাউডইঞ্জিন ডিসি স্যুইচগুলো বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জন করেছে। গার্টনারের মার্কেট শেয়ারের তথ্য অনুসারে, হুয়াওয়ের ১০ জিবিপিএস এবং ২৫ জিবিপিএস ইন্টারনেট সুইচগুলো গ্লোবাল পোর্ট শিপমেন্ট বিবেচনায় সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্ক অর্জন করেছে।

‘গার্টনার পিয়ার ইনসাইটস’ হলো আইটি প্রফেশনাল এবং প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের দ্বারা লিখিত এবং পড়ার জন্য একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেখানে আইটি সফটওয়্যার এবং সার্ভিসেসের পর্যালোচনা ও সেগুলোর রেটিং সম্পর্কে জানা যায়। আইটি লিডারদের আরও অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিতে এবং প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের তাদের গ্রাহকদের কাছ থেকে নিরপেক্ষ প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করে তাদের পণ্যগুলোকে উন্নত করতে সহায়তা করাই হলো এই প্ল্যাটফর্মের  উদেশ্যে। ‘গার্টনার পিয়ার ইনসাইটস’-এ ৩৪০ টিরও বেশি বাজারের আলোকে করা ৩,৫০,০০০ এরও বেশি যাচাইকৃত পর্যালোচনা আছে।


বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ০১:৪০
প্রিন্ট করুন printer

এফবিসিসিআই ও এমআইটি সলভ-এর উদ্যোগে ভার্চুয়াল সলভেথন

অনলাইন ডেস্ক

এফবিসিসিআই ও এমআইটি সলভ-এর উদ্যোগে ভার্চুয়াল সলভেথন

বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবেলার জন্য কার্যকরী উপায় বের করে আনার লক্ষ্যে দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর উদ্যোগে, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলোজি (এমআইটি) সলভ-এর সহযোগিতায় এবং এফবিসিসিআই টেক সি-এর পরিচালনায় একটি ভার্চুয়াল সলভেথন আয়োজন করা হয়েছে।

আগামী ৩০ জানুয়ারি ‘এফবিসিসিআই ভার্চুয়াল সলভেথন পাওয়ার্ড বাই এমআইটি সলভ’ শীর্ষক কার্যক্রমটি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।  

রিজিলেন্ট ইকোসিস্টেম, হেলথ সিকিউরিটি অ্যান্ড প্যানডেমিকস, ইক্যুইটেবল ক্লাসরুমস অ্যান্ড লার্নিং স্পেসেস, ডিজিটাল ইনক্ল্যুশন ফর ইকোনোমিক জাস্টিস-এই চারটি এমআইটি ২০২১ চ্যালেঞ্জ থিমের উপর ভিত্তি করে সলভেথন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হবে। এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে চাইলে আগ্রহী প্রার্থী ও তার দলকে এই চ্যালেঞ্জগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করতে সক্ষম হওয়ার উপায় সংক্রান্ত আইডিয়া জমা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। কার্যক্রমটির সার্বিক পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন এমআইটি সলভ কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ফ্যাসিলিটেটর।

কার্যক্রমটি প্রসঙ্গে এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, দেশের মেধাবী তরুণদের খুঁজে বের করার লক্ষ্যেই এই আয়োজন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ‘এফবিসিসিআই ভার্চুয়াল সলভেথন পাওয়ার্ড বাই এম আইটি সলভ’-এর মাধ্যমে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম এমন সম্ভাবনাময় তরুণদের দেখা পাবো, যারা পরবর্তীতে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সক্ষমতাকে তুলে ধরবে।”

এফবিসিসিআই টেক সি উপদেষ্টা সোনিয়া কবীর বশির বলেন, পূর্বে আমাদের দেশের সম্ভাবনাময় তরুণদের এমআইটি সলভ এর মতো আয়োজনে অংশগ্রহণ ছিল অত্যন্ত ব্যয় ও সময় সাপেক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে এফবিসিসিআই আয়োজিত ভার্চুয়াল সলভেথনের মতো সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণের কথা থাকলেও তা হয়ে উঠেনি। আশা করছি, এমআইটি সলভ-এর মতো শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় গৃহীত আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম দেশের মেধাবী তরুণদের খুঁজে বের করার এই উদ্যোগ সাফল্যের মুখ দেখবে এবং ভবিষ্যতেও আমরা এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের ধারা অব্যাহত রাখব।” 

পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কার্যকরি উপায় বের করার লক্ষ্যে সলভেথনের কর্মশালাগুলো সাজানো হয়। নিজস্ব প্রচেষ্টা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কার্যকরভাবে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সক্ষমতা প্রদর্শনের অনন্য এক সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে এই কার্যক্রমটি। এই প্ল্যাটফর্মটিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে জানা, আলোচনা, আইডিয়া শেয়ার করার সুযোগ দিয়ে থাকে।

সীমিত ধারণক্ষমতার কারণে আগ্রহী প্রার্থীদের দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এফবিসিসিআই ভার্চুয়াল সলভেথন পাওয়ার্ড বাই এম আইটি সলভ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও এতে অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে ভিজিট করুন-https://www.eventbrite.com/e/fbcci-virtual-solveathon-powered-by-mit-solve-registration-126406389915

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:০৭
প্রিন্ট করুন printer

বিপ অ্যাপ কি নিরাপদ?

অনলাইন ডেস্ক

বিপ অ্যাপ কি নিরাপদ?

নিজের তথ্য চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে এখন অনেকেই হোয়াটসঅ্যাপের বদলে বিপ অ্যাপ ব্যবহার শুরু করেছেন। ২০১৩ সালে তুরস্কের নামকরা মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানি টার্কসেল বিপ অ্যাপ বাজারে ছাড়ে। বিশ্বের ১৯২টি দেশে এই অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। ব্যবহারকারীদের বেশির ভাগই ইউরোপবাসী। এ তালিকায় এখন বাংলাদেশের নাম যুক্ত হয়েছে। 

এখন বাংলাদেশে ডাউনলোডের দিক থেকে বিপ অ্যাপ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু বিপ অ্যাপে কি আপনার গোপনীয় রক্ষা হচ্ছে? বিপ অ্যাপ কি নিরাপদ?

বিপ অ্যাপের প্রাইভেসি পলিসি সেকশনে গেলে শুরু থেকেই দেখা যায় যে, তারা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য নেওয়ার ব্যাপারে স্পষ্টভাবে লিখে রেখেছে—বিপ ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে। অ্যাপটিতে নিবন্ধন করার সময় ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য ও প্রফাইল সাজানোর সময় দেওয়া তথ্য ও অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনো কেনাকাটা করার তথ্য থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের তথ্যই তারা সংরক্ষণ করে। অর্থাৎ ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর, ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড, সিম অপারেটর, ইউজার বিহেভিয়র, স্ট্যাটাস, প্রফাইল পিকচার, ফোনে সেভ থাকা সব কন্টাক্ট নম্বর, ব্লক করা নম্বর, ইউজার লোকেশন, ফোনের মডেল, অপারেটিং সিস্টেম ইত্যাদি ডাটা এই অ্যাপ সংরক্ষণ করে। যে তথ্য প্রদানের ভয়ে ব্যবহারকারীরা এক অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে চলে যাচ্ছেন এমন সব তথ্যই বিপ নিয়ে রাখে। 

ব্যবহারকারী যদি ডাটা ব্যাকআপ অপশনটি চালু রাখেন সে ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর সব ডাটা যে শুধু সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে তা নয়, পলিসি অনুযায়ী তুরস্কে অবস্থিত নিজেদের সার্ভারে দুই বছর পর্যন্ত সেসব ডাটা সংরক্ষণের অধিকার রাখে বিপ। আরো ভয়ের কথা, এই প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে ব্যবহারকারীদের তথ্য যেকোনো থার্ড পার্টি কম্পানির সঙ্গে শেয়ার করার অধিকারও রাখে।

যেকোনো মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনের স্ট্যান্ডার্ড ফিচার অনুযায়ী সেখানে ট্রান্সলেটর বা পেমেন্ট সিস্টেম থাকার কথা নয়, কারণ এতে গোপনীয়তা নষ্ট হয়। বিপে অনুবাদ করার কাজে মাইক্রোসফট ও গুগলকে থার্ড পার্টি হিসেবে সমন্বয় করা আছে। আর যেকোনো ট্রান্সলেটরকেই অনুবাদ করতে হলে প্রতিটি অক্ষর প্রতিটি শব্দ লাইন ধরে ধরে পাঠ করতে হয়। এখানেই ব্যবহারকারীর প্রাইভেসি সম্পূর্ণ ভঙ্গ হচ্ছে। এদিকে পেমেন্ট সিস্টেম যেহেতু ইন্টিগ্রেট করা আছে, আবার বিভিন্ন থার্ড পার্টি এখানে ইন্টিগ্রেটেড আছে, সুতরাং এমন একটি অ্যাপ্লিকেশনে পেমেন্ট কার্ড সংযোজন করা সম্পূর্ণ অনিরাপদ।

আবার অ্যাপটি ফোনে ইনস্টলের পর চালু করলে ফোনের সব ধরনের পারমিশন নিয়ে নেয়। অদ্ভুত বিষয় এই যে এটি নিজে মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন হলেও ফোনে থাকা ডিফল্ট এসএমএস অ্যাপ্লিকেশনটির সম্পূর্ণ পারমিশন নিয়ে নেয়। এ ছাড়া বিপ অ্যাপ্লিকেশন এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশনের কথা বললেও এ সম্পর্কিত কোনো ধরনের ডকুমেন্টেশন নিজেদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে বা অ্যাপে পাওয়া যায় না।

যদিও বিপ অ্যাপের পক্ষ থেকে গোপনীয়তা রক্ষার বিশেষ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, এটিতে ভয়েস কল ও মেসেজ আদান-প্রদান সম্পূর্ণ গোপন ও নিরাপদ থাকবে। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:০২
আপডেট : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:২১
প্রিন্ট করুন printer

টানা লোকসানে স্মার্টফোন ব্যবসা বন্ধ করছে এলজি

অনলাইন ডেস্ক

টানা লোকসানে স্মার্টফোন ব্যবসা বন্ধ করছে এলজি

প্রতিযোগিতার বাজারে গত পাঁচ বছরে টানা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে স্মার্টফোন ব্যবসা বন্ধ করছে একসময়ের জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড এলজি।

বুধবার দক্ষিণ কোরীয় এ সংস্থাটি জানিয়েছে, লোকসানে থাকা মোবাইল বিভাগ নিয়ে সব বিকল্পের বিষয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, প্রতিষ্ঠানটি তার স্মার্টফোন ব্যবসা বন্ধ কিংবা কিছু অংশ বিক্রি করে দিতে পারে।। 

বিবৃতিতে জানিয়েছে, কঠোর প্রতিযোগিতার মধ্যে টানা ২৩ প্রান্তিক ধরে মোবাইল ব্যবসাতে টানা লোকসান গুনছে প্রতিষ্ঠানটি। অংকের হিসাবে লোকসানের পরিমাণ প্রায় ৪৫০ কোটি ডলার।

সংস্থাটি জানায়, বিশ্ববাজারে স্মার্টফোনসহ মোবাইল ব্যবসার প্রতিযোগিতা আরো তীব্রতর হয়েছে। এলজি ইলেকট্রনিক্স মনে করে, বর্তমান সময়ে ও ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতা বিবেচনা করে মোবাইল ফোন ব্যবসা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়ার উপযুক্ত সময়ে পৌঁছেছি।

এলজির প্রধান নির্বাহী ব্রায়ান কোওন বলেন, মোবাইল ইউনিটের কী ঘটছে তা বিবেচনার বাইরে রেখে কর্মীদের ধরে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

স্মার্টফোনের বাজার বিশ্লেষক সংস্থা কাউন্টারপয়েন্ট জানিয়েছে, কৌশল বিশ্লেষণের মাধ্যমে ২০১৩ সালের প্রথম প্রান্তিকে বিশ্ব স্মার্টফোন বাজারে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল এলজি। কিন্তু চীনা ব্র্যান্ডগুলোর আধিপত্যে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। পরে গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে শীর্ষ ৭ ব্র্যান্ডের মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটি জায়গা করে নিতে পারেনি।

বর্তমানে স্মার্টফোনের বাজারে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের আধিপত্যে ভাগ বসিয়েছে চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো। নিত্যনতুন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, নজরকাড়া ডিজাইন ও কম দামের কারণে দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে শাওমি, অপো ও ভিভোর মতো ব্র্যান্ডগুলো। এমন প্রতিযোগিতার মধ্যে হারিয়ে গেছে এলজি। 

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর