শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ২০:৩৪, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

পডকাস্ট-১

প্রথমবার পডকাস্টে এসে যে পরিকল্পনা জানালেন তারেক রহমান

অনলাইন প্রতিবেদক
অনলাইন ভার্সন
প্রথমবার পডকাস্টে এসে যে পরিকল্পনা জানালেন তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমবারের মতো পডকাস্টে এসেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় পডকাস্টটি প্রচারিত হয় বিএনপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলসহ সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

পডকাস্ট-১ এ তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে তার পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।

তারেক রহমান বলেছেন, ‘আজকে আমি আপনাদের সামনে আমার একটা চিন্তা, একটা ভাবনা, একটা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরতে চাই। আপনারা জানেন কয়েক দিন পরে নির্বাচন। নির্বাচনে আপনাদের রায় পেলে আমরা ইনশাল্লাহ সরকার গঠনে সক্ষম হবো। কিন্তু সরকার গঠন করলে কাজ তো করতে হবে—দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য। তাহলে কী কী কাজগুলো করবো? একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে, রাজনৈতিক দল হিসেবে অনেকগুলো কাজ আমাদের করার আছে। তার ভেতরে কয়েকটি কাজের কথা আপনাদের সামনে আমি আজকে তুলে ধরতে চাই।’

‘প্রথমে আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো বা আপনাদের সামনে আমার একটা পরিকল্পনার কথা বলবো যেটা এই দেশের কোটি কোটি মা বোনেদের জন্য। সেটা হচ্ছে এই যে আপনারা আমার হাতে একটা ছোট কার্ড দেখছেন। এই কার্ডটার নাম আমরা দিয়েছি ‘ফ্যামিলি কার্ড’। এই কার্ডটা আমরা বাংলাদেশের যারা মা বোনেরা আছেন, তাদের হাতে দেবো এটা। এখন হয়তো কেউ কেউ বলতে পারেন, আমরা কী সকল মা বোনের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ডটা পৌঁছে দিবো? না, সেভাবে করছি না, করছি তবে একটু অন্যভাবে। বাংলাদেশে আমরা যদি পরিবার হিসেবে দেখি, ৪ কোটি পরিবার আছে বাংলাদেশে। ৭০ শতাংশের মতন গ্রামে থাকে, ৩০ শতাংশের মতন পরিবার শহর অঞ্চলগুলোতে থাকেন। আমরা কাজটি শুরু করবো পরিবারভিত্তিক। প্রথমে গ্রাম থেকেই শুরু করবো, শহরেরও কিছু কিছু অংশ নিবো—যেই শহরের যেই অংশগুলোতে সাধারণত দরিদ্র, নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষ বা পরিবারগুলো থাকে, সেই পরিবারগুলোকে দিয়ে।’

‘এখন আসেন আপনাদেরকে বলি কাদেরকে দেবো। ধরুন আপনি একজন গৃহিনী, আপনি একজন মা। আপনার পরিবারের সদস্য সংখ্যা হয়তো ৫ বা ৬। আপনি যদি মা বা গৃহিনী হয়ে থাকেন, তখন আপনার কাছে আমরা পৌঁছাবো এবং পৌঁছে আপনার কাছে এইরকম একটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নামে একটি কার্ড দিবো। এই কার্ডটির মধ্যে আপনার নাম থাকবে, এই কার্ডটির মধ্যে একটি নাম্বার থাকবে, এই কার্ডটির মধ্যে মেয়াদ থাকবে এবং এই কার্ডটির মধ্যে স্ক্যানিং করার মতন একটা দাগ থাকবে অনেকগুলো। এখন আপনি হয়তো জিজ্ঞেস করতে পারেন যে এই যে ৪ কোটি পরিবার বললাম, একবারে সব ৪ কোটি পরিবারকে দেবো? ৪ কোটি পরিবারকে হয়তো আমরা একবারে সব দিতে পারবো না। আমরা ধীরে ধীরে পরিবারগুলোর কাছে যাবো। তবে আমাদের চেষ্টা থাকবে সকল পরিবারের কাছে পৌঁছানোর।’

‘এখন আসেন, এই ফ্যামিলি কার্ড তো দিলাম। কিন্তু লাভটা কী হলো তাহলে আপনার? লাভটা হচ্ছে এইরকম—এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আমরা প্রতি মাসে আপনার কাছে অর্থাৎ আপনি যেই মা বা যেই গৃহিনী, আপনার কাছে আমরা প্রতি মাসে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা হয় নগদ অথবা আপনার পরিবারের যে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, ৫ জনের পরিবার হিসাব ধরে প্রয়োজনীয় যে খাদ্যসামগ্রী, এরকম কতগুলা খাদ্যসামগ্রী আমরা আপনার কাছে পৌঁছে দিবো।’

‘তাহলে কি হতে পারে? ধরেন আপনার পরিবারের যেই ৫ জন বা ৬ জন ম্যাক্সিমাম, এই পরিবারের মাসিক খাবার বা বাজার খরচ—একদম খুব প্রয়োজনীয় বাজার খরচ হয়তো মাসে ৫-৬ হাজার টাকা। এখন আপনাকে যদি সরকার থেকে প্রতি মাসে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হয় অথবা ২ থেকে আড়াই হাজার টাকার সমপরিমাণ মূল্যের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী আমরা সরকার থেকে যদি আপনাকে দিতে পারি, তাহলে এই মুহূর্তে আপনার পরিবারে যে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা খরচ হচ্ছে যেটি এখন আপনি নিজে থেকে খরচ করছেন, এটির একটি সাপোর্ট আপনি পেলেন, এটির একটি সহযোগিতা আপনি পেলেন। ফলে আপনার নিজের যেই টাকাটি খরচ হচ্ছে বা যে অর্থ খরচ হচ্ছে ওটা কিনতে, সেই টাকাটি আপনি আস্তে আস্তে জমাতে শুরু করতে পারলেন।’

‘এখন জমিয়ে তো নিশ্চয়ই রাখবেন না। আমরা মনে করি আমাদের মা বোনেরা এই অর্থটা বা সহযোগিতাটা যদি পান তারা, তাহলে এই অর্থটি আপনি খরচ করবেন—প্রথমেই একজন মা তার সন্তানের স্বাস্থ্যের জন্য খরচ করবেন যাতে সন্তানটি একটু ভালো খেতে পারে অথবা সন্তানদের লেখাপড়ার পিছনে আপনি খরচ করবেন যেন আপনার সন্তান একটু ভালো লেখাপড়া করতে পারে। তারপরেও যদি আপনি সেখান থেকে সাশ্রয় করতে পারেন, সেখানে আপনি কি করবেন? নিশ্চয়ই আপনি যদি গ্রামে থাকেন অথবা শহরে থাকেন—যেখানে থাকেন, নিশ্চয়ই আপনি খুঁজে নিবেন যে ছোট্ট কোনো বিনিয়োগ যদি আপনি করতে পারেন যেখান থেকে আপনার সংসারের ছোট হলেও একটা এক্সট্রা, অতিরিক্ত আয় আপনার কাছে আসবে, যেটি দিয়ে আপনি আপনার সংসারের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।’

‘আমরা চাই এই ফ্যামিলি কার্ডটির মাধ্যমে একটি করে পরিবার—সারা বাংলাদেশে যে ৪ কোটি পরিবার আছে, এই পরিবারগুলোর যারা দরিদ্র, অতি দরিদ্র, নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত, বিশেষ করে প্রথমে এই পরিবারগুলোকেই সহযোগিতাগুলো পৌঁছে দেওয়া। যার ফলে তারা আস্তে আস্তে করে তাদের অর্থনৈতিক ভিত্তিটা যাতে মজবুত হয়। কেউ হয়তো জিজ্ঞেস করতে পারেন যে আমরা কি কয়েক দিনের মধ্যেই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল হয়ে যাবো? না, কয়েক দিনের ভিতর হবেন না। তবে হ্যাঁ, আপনি ধরেন ৫ বছর, ৬ বছর বা ৭ বছর পর্যন্ত যদি একজন মা, একজন স্ত্রী, একজন গৃহিনী এই সহযোগিতাটা পান, নিশ্চয়ই এটি আপনাকে সাহায্য করবে।’

‘আজকে যখন আপনি আপনার সন্তানদের সুস্বাস্থ্যের ব্যবস্থা করতে পারবেন, আপনার সন্তানদের যখন সুশিক্ষা দিতে পারবেন এই সহযোগিতাটির বিনিময়ে, তখন কি হবে দেখুন—আজকে না হলেও কাল না হলেও, এ বছর না হলেও আগামী বছর না হলেও, আগামী ৫ বছর পরে কিন্তু আপনার পরিবারটি একটি সচ্ছল পরিবার হবে। আপনার গ্রামে আপনার পরিবারটি যেমন সচ্ছল হবে, আস্তে আস্তে অন্য পরিবারগুলোও সচ্ছল হবে; অর্থাৎ আমরা অর্থনৈতিকভাবে একটি সচ্ছল গ্রাম পাচ্ছি। যে গ্রামের বলা যাবে হয়তো মোটামুটি সবগুলো শিশু তারা ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী হবে, বলা যাবে সবগুলো শিশু শিক্ষিত হবে। ঠিক আপনার গ্রাম এভাবে স্বাবলম্বী হবে, আপনার পরিবার যেমন হবে; ঠিক আপনার ইউনিয়ন, তারপর আপনার উপজেলা, তারপর আপনার জেলা, আপনার বিভাগ—এক সময় সমগ্র বাংলাদেশের ৪ কোটি পরিবারের দেখা যাবে অধিকাংশ পরিবার সচ্ছল হয়ে উঠছে। তাহলেই আমরা গড়ে তুলতে পারবো আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশিত বাংলাদেশ।’

‘প্রথম প্রথম হয়তো মনে হতে পারে ফ্যামিলি কার্ডটি ছোট। কিন্তু আমরা এই ছোট ছোট কাজগুলোকে যদি, ছোট ছোট পরিবারগুলোকে যদি একসাথে নিয়ে আসতে পারি, একসাথে ধীরে ধীরে সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারি, একসময় এই পরিবারগুলি বিরাট একটি বাংলাদেশ, শক্তিশালী একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবে।’

‘এর পরে নিশ্চয়ই আপনারা জিজ্ঞেস করছেন, আপনাদের মনে হয়তো প্রশ্ন আছে—এই ফ্যামিলি কার্ডটি তাহলে কারা কারা পাবে? আসুন, এটাই হচ্ছে সবচেয়ে মজার বিষয়। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন রকম সহযোগিতা চালু আছে। অমুক এই শ্রেণির মধ্যে হলে এই সহযোগিতা পাবে, অমুক এই শ্রেণির মধ্যে হলে অমুক সহযোগিতা পাবে। এই ফ্যামিলি কার্ডটি আমরা সকল মা বোনের কাছে, সকল গৃহিনী, সকল স্ত্রী, সকল মায়ের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। সেজন্যই এটাকে আমরা জেনারেল রেখেছি। এবং আমরা মনে করি এটি যেমন একজন কৃষকের স্ত্রী পাবেন, এটি যেমন একজন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকের স্ত্রী পাবেন, এটি একজন গ্রামের ভ্যান চালক তার স্ত্রী পাবেন, রিকশাচালক তার স্ত্রী পাবেন; ঠিক একইভাবে এটা ইউএনও সাহেবের স্ত্রী উনিও এটা পাবেন। ডিসি সাহেব বা এসপি সাহেবের স্ত্রী উনিও এটা পাবেন। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর স্ত্রী উনিও পাবেন, ঠিক আরেকজন সচ্ছল ব্যবসায়ীর স্ত্রী উনিও পাবেন। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশের মানুষ তার নিজের দেশকে অনেক ভালোবাসে। কাজেই আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যাদের প্রয়োজন নেই তারা সেটি ফিরিয়ে দিবেন। এবং তারা যখন ফিরিয়ে দিবেন, সেই কার্ডের অংশটা আমরা দিতে পারবো যারা সত্যিকার যাদের প্রয়োজন তাদের কাছে দিতে পারবো। হয়তোবা এমনও তো হতে পারে বর্তমানে আমরা ঠিক করেছি ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা, যাদের প্রয়োজন নেই তারা যখন ফিরিয়ে দিবেন, সেই আড়াই হাজারকে আমরা হয়তো ৩ হাজারেও নিয়ে যেতে পারবো।’

‘প্রিয় মা বোনেরা, প্রিয় দেশবাসী, এই হচ্ছে আমাদের ফ্যামিলি কার্ডের পরিকল্পনা। গল্প নয় কিন্তু, পরিকল্পনা। ইনশাআল্লাহ আপনাদের রায় পেলে আমরা বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে, ইনশাআল্লাহ ধীরে ধীরে আমরা সারাদেশের সকল পরিবারের কাছে সকল মা বোন, সকল গৃহিনী, সকল মায়েদের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিবো। এই ফ্যামিলি কার্ডের মধ্যে দিয়ে আপনার সম্মান আপনার পরিবারের কাছে যেমন বৃদ্ধি পাবে, আপনার আত্মমর্যাদা যেমন বৃদ্ধি পাবে; ঠিক একইভাবে আপনি স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারবেন। গড়ে তুলতে পারবেন আপনি একটি সুস্থ, একটি শিক্ষিত, একটি সুন্দর পরিবার। আজ ফ্যামিলি কার্ডের পরিকল্পনা এ পর্যন্তই থাকুক। এর পরে যখন কাজ শুরু করবো তখন এ নিয়ে আরো অনেক কথা বলবো আপনাদেরকে। সকলে ভালো থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ।’ 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ

এই বিভাগের আরও খবর
বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি হালান্ড-মানে
বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি হালান্ড-মানে
জর্ডানকে হারিয়ে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রিয়ার
জর্ডানকে হারিয়ে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রিয়ার
শেষ বিশ্বকাপের আগে নিজেকে ‘বাচ্চা’ মনে করছেন নেইমার
শেষ বিশ্বকাপের আগে নিজেকে ‘বাচ্চা’ মনে করছেন নেইমার
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
সর্বশেষ খবর
ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ইসির বৈঠক সোমবার
ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ইসির বৈঠক সোমবার

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অবিলম্বে ইংল্যান্ড ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করবে কঙ্গো
অবিলম্বে ইংল্যান্ড ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করবে কঙ্গো

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি
মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আটঘরিয়ায় হিসাবরক্ষণ ও প্রাণিসম্পদ অফিসে গ্রিল কেটে চুরি
আটঘরিয়ায় হিসাবরক্ষণ ও প্রাণিসম্পদ অফিসে গ্রিল কেটে চুরি

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

পরীক্ষায় নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেফতার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষায় নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেফতার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

১৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

তেভাগা আন্দোলনের জনক হাজী দানেশের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
তেভাগা আন্দোলনের জনক হাজী দানেশের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৯৯৯-এ ফোনকলে পদ্মার ডুবোচরে আটকে পড়া লঞ্চের ৮৫ যাত্রী উদ্ধার
৯৯৯-এ ফোনকলে পদ্মার ডুবোচরে আটকে পড়া লঞ্চের ৮৫ যাত্রী উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বেস্ট ফরেন কোর্স মেম্বার সম্মাননা পেলেন মেজর নির্মল সিং
বেস্ট ফরেন কোর্স মেম্বার সম্মাননা পেলেন মেজর নির্মল সিং

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

বাগেরহাটে ৩ দিনের মেলায় কর পরিশোধে ১৫ শতাংশ ছাড়
বাগেরহাটে ৩ দিনের মেলায় কর পরিশোধে ১৫ শতাংশ ছাড়

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রেকর্ডের পাতায় ইংলিশ মিডফিল্ডার
রেকর্ডের পাতায় ইংলিশ মিডফিল্ডার

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূরুঙ্গামারীতে ৯১৮ কেজি ভারতীয় বাসমতি চাল জব্দ
ভূরুঙ্গামারীতে ৯১৮ কেজি ভারতীয় বাসমতি চাল জব্দ

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় নষ্ট চাল দিয়ে কাচ্চি তৈরি, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
বগুড়ায় নষ্ট চাল দিয়ে কাচ্চি তৈরি, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁয় প্রতারক চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার
নওগাঁয় প্রতারক চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার
হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়াকে আটকাতে ৫ লাখ ‘ড্রোন যোদ্ধা’ গঠন করবে সিউল
উত্তর কোরিয়াকে আটকাতে ৫ লাখ ‘ড্রোন যোদ্ধা’ গঠন করবে সিউল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশকে ১৪০ রানে অলআউট করল জিম্বাবুয়ে
বাংলাদেশকে ১৪০ রানে অলআউট করল জিম্বাবুয়ে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড
বাংলাদেশের জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জয়পুরহাটে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক
জয়পুরহাটে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিতে সাতক্ষীরার কৃষি
লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিতে সাতক্ষীরার কৃষি

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

কোরীয় উপদ্বীপে ফের উত্তেজনা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সামরিক শক্তি
কোরীয় উপদ্বীপে ফের উত্তেজনা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সামরিক শক্তি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন উদ্যোক্তা তৈরির হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়াই আয় বৈষম্য বেড়েছে: শিল্পমন্ত্রী
নতুন উদ্যোক্তা তৈরির হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়াই আয় বৈষম্য বেড়েছে: শিল্পমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হাবিপ্রবিতে হাজী মোহাম্মদ দানেশের মৃত্যুবার্ষিকীতে পুস্পস্তবক অর্পণ
হাবিপ্রবিতে হাজী মোহাম্মদ দানেশের মৃত্যুবার্ষিকীতে পুস্পস্তবক অর্পণ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সুন্দরবনে ট্রলারসহ তিন জেলে গ্রেফতার
সুন্দরবনে ট্রলারসহ তিন জেলে গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে আফ্রিকার দাপট
বিশ্বকাপে আফ্রিকার দাপট

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় টিএমএসএসের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন
বগুড়ায় টিএমএসএসের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আজ থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
আজ থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই  চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা
ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা
'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি
এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প
হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?
নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’
‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল
বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!
ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?
অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা
নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর
এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা
মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক

দেশগ্রাম

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন