শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:১৫, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২ আপডেট:

শি জিনপিংয়ের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে চীনে

ফারাজী আজমল হোসেন
অনলাইন ভার্সন
শি জিনপিংয়ের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে চীনে

বিশ্ব এখন ’২৩ সালের দ্বারপ্রান্তে। এ বছরের জন্য সুখবর বলতে কিছু নেই। বরং চরম উৎকণ্ঠার খবরটি হচ্ছে নতুন বছরে দরিদ্র দেশগুলো মঙ্গাকবলিত হতে পারে। এই সম্ভাব্য দুর্যোগ থেকে বাংলাদেশ নিরাপদ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপরও সতর্ক অবস্থানে দেশ। কারণ পাশের বাড়িতে আগুন লাগলে তার আঁচ পড়শির গায়ে লাগে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ব্যাপারে দেশবাসীকে সতর্ক করে দিয়েছেন। ফসল উৎপাদন বাড়াতে এবং অযথা ব্যয় পরিহার করতে বলেছেন।

সবচেয়ে ভীতিকর যে খবরটি ইতমধ্যে চাউর হয়েছে তা হচ্ছে এ বছরই চীন তাইওয়ান দখলের জন্য হামলা চালাতে পারে। ইতিমধ্যে তারা তাইওয়ানের চারদিক যুদ্ধজাহাজ দিয়ে ঘিরে রেখেছে। চীনের অনুসন্ধানী জঙ্গি বিমান দফায় দফায় তাইওয়ানে চক্করও কাটছে। এসব আলামত দেখেই সমর বিশারদরা আশংকা প্রকাশ করেছেন, চীন এ বছরই তাইওয়ান দখলে নেয়ার পাঁয়তারা চালাতে পারে। এ ব্যাপারে চীন ইউক্রেনে রুশ হামলার প্রতি পাখির নজর রাখছে। এই যুদ্ধে রাশিয়ার সাফল্য-ব্যর্থতা তারা পর্যবেক্ষণ করছে। যুদ্ধে রাশিয়াকে তারা শুরু থেকে সবরকম মদত দিয়ে চলেছে। 

সারাবিশ্ব যখন রাশিয়ার ইউক্রেন দখল অভিযানের নিন্দায় সরব, চীন তখন রাশিয়াকে সরবে-নীরবে শক্তির যোগান দিয়ে চলেছে। ইউক্রেনের তুলনায় তাইওয়ানের অবস্থা অবশ্য আরও নাজুক। দেশটি জাতিসংঘ স্বীকৃত নয়। মাত্র ১৩টি দেশ তাইওয়ানকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং ৫৯টি দেশের সংগে তাইওয়ানের কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। চীনের বিরোধিতার কারণেই তাইওয়ান জাতিসংঘের স্বীকৃতি পাচ্ছে না।
এই অবস্থায় গত ২৩ অক্টোবর সংবিধান সংশোধন করে শি জিন পিং তৃতীয়বারের মত চীনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। মাও সেতুংয়ের পর চীনের সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন শি। তিনি ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বৈরিতা বাড়িয়ে তুলেছেন। অকারণে ভারতের সঙ্গে খণ্ড যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন, সিকিম-ভুটান সীমােন্তে উত্তেজনা জিইয়ে রেখেছেন এবং দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ দ্বীপের দখল নিয়ে ক্রমাগত জাপানকে হুমকি দিয়ে চলেছেন। দুর্দান্ত প্রতাপশালী নেতা অবশ্য নিজ দেশে নিদারুন অস্বস্তিতে পড়েছেন।

অতি সম্প্রতি চীনা জনগণ প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছে। এটা ভাবতেও অবাক লাগে, যে দেশে সামান্য প্রতিবাদও বরদাশত করা হয় না, সেখানে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তির পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তবে কি চীনের জনগণ ৩৩ বছর আগের তিয়েন আনমেন স্কোয়ার হত্যাকাণ্ডের কথা ভুলে গেছে। ১৯৮৯ সালের অক্টোবরে গণতন্ত্র ও উদারীকরণের দাবিতে লাখ লাখ লোক সমবেত হয়েছিল তিয়েন আনমেন স্কোয়ারে। এই আন্দেলনের নেতৃত্বে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। আন্দেলনের পরিসমাপ্তি ঘটানো হয়েছিল নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে। শত শত লোকের নির্মম রক্তস্নাত মৃত্যু ঘটেছিল। কারফিউ দিয়ে তাদের লাশ গুম করা হয়। পরদিন সেনাবাহিনীকে হোস পাইপ দিয়ে রক্ত পরিষ্কার করতে দেখা য়ায়।

এবারের আন্দেলনের প্রেক্ষিত ও স্থান অবশ্য ভিন্ন। বলা যায় দেশজুড়ে এ বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে। তাই এই বিক্ষোভ দমনের আগে ভাবতে হচ্ছে চীনের কমিউনিষ্ট পার্টি নেতৃবৃন্দকে। সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া এই বিক্ষোভ তিয়েন আনমেন স্কোয়ারের দেখানো পথে দমন করতে গেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিসিপি)র দূর্গ বলে পরিচিত বেইজিং থেকে উইঘুরদের মানবাধিকার লুণ্ঠনের জন্য পরিচিত জিনজিয়াং পর্যন্ত প্রতিবাদ-বিক্ষোভ বিস্তৃত হচ্ছে। ২৫ থেকে ২৬ নভেম্বর সাধারণ মানুষ সোচ্চার হয়েছিলেন চীনা প্রেসিডেন্টের ইস্তফার দাবিতে। কারণ কঠোর লকডাউন আর শূন্য-কোভিড নীতি দেশকে করোনা মুক্ত করার সাফল্য এনে দিতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং বাড়িয়ে তুলেছে জনদুর্ভোগ।

২৭ নভেম্বর, বেইজিং এবং নানজিং-এর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর কেঁপে ওঠে কোভিড লকডাউনের বিরোধী বিক্ষোভে। বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন, রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং এবং চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে। সাংহাইয়ে বিক্ষোভকারীদের প্রকাশ্যে শি জিনপিং পদত্যাগ কর এবং কমিউনিস্ট পার্টির পদত্যাগ চাই-এর মতো স্লোগান দিতে শোনা গেছে। পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতির মধ্যেই প্রকাশ্যে বিক্ষোভের সাক্ষী থেকেছে সাংহাই।

অভূতপূর্ব এই লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ এখন শির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২৫ নভেম্বর রাতে জিনজিয়াংয়ের রাজধানী উরুমকিতে জনতা রাস্তায় নেমে এসে দাবি তোলে- লকডাউন তুলে নেও। এসময় স্থানীয়দের শ্লোগান দিতে শোনা গেছে ‘ওঠো, যারা দাস হতে চাও না, তারা চিৎকার করে বলো লকডাউন থেকে মুক্তি চাই’।

গণমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ২৬ নভেম্বর বেইজিংয়ের বাসিন্দাদের মিছিল থেকে দাবি তোলা হয়েছে, ‘লকডাউন তুলে নেও’। সবচেয়ে বেশি সময় ধরে লকডাউন চলে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের উত্তর-পশ্চিমের শিণচিয়াং উইগুর স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলের রাজধানী উরুমকিতে। এখানকার ৪০ লাখ বাসিন্দার অনেককে ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ঘরবন্দি রাখা হয়েছিল। জনগণের ক্ষোভের তাত্ক্ষণিক স্ফুলিঙ্গের কারণ হয়ে ওঠে জিনজিয়াংয়ের একটি উঁচু ভবনের অগ্নিকাণ্ড। ২৪ নভেম্বর রাতের ওই ঘটনায় ১০ জন নিহত হন। কোভিড বিধিনিষেধের কারণেই বাসিন্দারা আগুনের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচতে পারেননি। দমকল পৌঁছাতেও দেরি হয়। উরুমকিতে কমিউনিস্ট পার্টির কর্মকর্তারা ২৬ নভেম্বর একটি সংবাদ সম্মেলন ডেকে দুর্ঘটনার সঙ্গে সরকারি বিধিনিষেধের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ সরকারী সাফাই মানতে নারাজ। সামাজিক গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও ক্লিপগুলিতে দেখা যায়, কোভিড ব্যারিকেডের জন্য দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বাধাপ্রাপ্ত হয়।

হংকং-ভিত্তিক দক্ষিণ চীন মর্নিং পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিংয়েও উরুমকির আগুনের আওয়াজ শোনা গেছে। বেইজিংয়ের বাসিন্দা শন লিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে উরুমকির অগ্নিকাণ্ডে গোটা দেশ বিচলিত। ২৭ নভেম্বর চীনের বিভিন্ন শহরে সিপিসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসাবে সাদা ব্যানার প্রদর্শন করা হয়। তারা উরুমকির আগুনে নিহতদের মোমবাতি জ্বালিয়ে ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

বেইজিংয়ের মর্যাদাপূর্ণ সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং নানজিং-এর কমিউনিকেশন ইউনিভার্সিটির ছাত্ররাও উরুমকি অগ্নিকাণ্ডের শিকারদের জন্য বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। সামাজিক গণমাধ্যমে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গেছে বেইজিংয়ের বাসিন্দারা কর্মকর্তাদের সাথে তর্ক করছেন। প্রতিবাদীরা সংবাদ মাধ্যমে বলেন, ‘এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডের শিকার আমরাও হতে পারি’। চীনে কঠোর শূন্য- কোভিড নীতির কারণে অমানবিক দুর্ভোগ অবশ্য এটাই প্রথম নয়। গত ৫ সেপ্টেম্বর ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত সিচুয়ান প্রদেশের বাসিন্দাদেরও পুলিশ এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরাপদ এলাকায় যেতে বাধা দেয়। ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষদের পাশাপাশি উদ্ধারকর্মীদেরও বাধ্য করা হয় প্রতিদিন কোভিড পরীক্ষায়।

হেনান প্রদেশের ঝেংঝো থেকে আরেকটি ঘটনার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে ২৩ নভেম্বর ফক্সকন টেকনোলজি গ্রুপ পরিচালিত আইফোন কারখানার কম্পাউন্ডে সাদা প্রতিরক্ষামূলক পোশাকে নিরাপত্তা কর্মীদের মুখোমুখি হওয়া বিক্ষোভকারীদের একটি বিশাল ভিড় দেখা গেছে। আইফোন কারখানায় নিয়োজিত শত শত কর্মী কঠোর লকডাউন ব্যবস্থা থেকে বাঁচতে তাদের দেশের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে বাধ্য হচ্ছেন বহু পথ হেঁটে বাড়ি ফিরতে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস নিউজ সার্ভিস বেইজিংয়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষক উ কিয়াংকে উদ্ধৃত করে বলেছে, ‘ফক্সকনে আমরা যা দেখছি তা হল চীনা মডেলের দেউলিয়াপনা। এটি একটি উৎপাদন শক্তি হিসাবে চীনের ভাবমূর্তিতে ফাটল ধরাচ্ছে। সেইসাথে বিশ্বায়নে চীনা সম্পর্কের পতন ধটছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু বহুজাতিক কোম্পানি ইতিমধ্যেই চীনের বাইরে চলে যেতে চাইছে। চীনে গত দুই সপ্তাহ ধরে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবাধ্যতার প্রকাশ্য প্রদর্শন আসলে লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন এবং গণ-পরীক্ষার সাথে মানুষের হতাশার বহিঃপ্রকাশ।
শূন্য-কোভিড নীতি মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে স্থবির করে দিয়েছে। অথচ দেশের বিভিন্ন অংশে কোভিড প্রাদুর্ভাবের পাশাপাশি বিক্ষোভের খবর সিসিপির কর্মকর্তারা গোপন রাখতে ব্যস্ত। কঠোর শূন্য-কোভিড নীতি, তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং রাজধানী বেইজিংসহ বেশ কয়েকটি শহরকে পর্যায়ক্রমিক লকডাউনের অধীনে রাখা হলেও, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে চীনে কোভিড -১৯ সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত ২৫ নভেম্বর এক খবরে জানা যায়, নতুন করে কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র স্থাপন করায় বেইজিংয়ে ফের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সুপারমার্কেট থেকে শুরু করে খোলা বাজারে খাদ্য সামগ্রীর সঙ্কট শুরু হয়েছে। সেই সংগে বেশিরভাগ বাসিন্দার বাইরে বের হওয়ার ওপর জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

বেইজিংয়ে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের সংবাদদাতা থমাস হেল বিক্ষোভকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, অর্থনীতির ধীরগতির কারণে ব্যাপক রাজনৈতিক হতাশা প্রতিফলিত হচ্ছে। গত তিন বছর ধরে চীনের জনগণের জীবনযাত্রা হয়ে উঠেছে দুর্বিসহ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২২ সালের শেষার্ধে চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সামগ্রিক বৃদ্ধির হার তিন শতাংশের বেশি নাও হতে পারে। ২০২২ সালের অক্টোবরে চীনে বাণিজ্য সংকুচিত হয়েছে। কারণ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা ভোক্তাদের খরচের সক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতির সামগ্রিক দুর্বলতার প্রভাবে রপ্তানি এবং আমদানিও কমেছে।

২৬ নভেম্বর এক বৈঠকে বেইজিংয়ে সিসিপির সম্পাদক ইয়িন লি কর্মকর্তাদের কোভিড নিয়ন্ত্রনে আরও কঠোর নীতি প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে চীনের সাধারণ মানুষ সেই নির্দেশ মানতে নারাজ। অস্থায়ী হাসপাতালের নামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ কিছুতেই মেনে নিতে নারাজ সাধারণ মানুষ।

অপরদিকে সামগ্রিক দুর্ভোগের বিপরীতে চীনে কোভিড-১৯ এর ভয় কমে গেছে। সাধারণ মানুষ তাদের পরিচিতদের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝতে শিখেছেন, কোভিডের লক্ষণগুলি পরিচালনাযোগ্য। তারা কোয়েরান্টাইন বা অস্বাস্থ্যকর অস্থায়ী কেন্দ্রে থাকাটাকেই বেশি ভয় পাচ্ছেন। সংবাদ মাধ্যমের কাছে বেইজিংয়ের এক অফিস কর্মী তাই বলেন, ‘আমি হাসপাতালে থাকার চেয়ে কয়েকদিন বাড়িতে জ্বর নিয়েই থাকতে চাই। সেখানকার অব্যবস্থা বা টয়লেটের কথা ভাবলেই আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি’। একই কথার প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে চীনের সাধারণ মানুষের গলাতেও। আর সেটাই সমবেতভাবে ধ্বণিত হচ্ছে শি বিরোধী স্লোগানে।

এখন দেখার বিষয় চীন সরকার জনগণের এই নেতিবাচক মনোভাব এবং প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠা কিভাবে সামাল দেন। পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় কমিউনিষ্ট পার্টি শি বিরোধী বিক্ষোভ দমনে তার চিরায়ত কৌশলটিই অবলম্বন করবে। তবে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিস্তৃত মানুষের ক্ষোভ-দুঃখ-যন্ত্রণার অবসান ঘটানো সহজসাধ্য নয়। চীনা জনগণ বন্দুকের নলের মুখে সম্ভাব্য মৃত্যুর কথা মাথায় রেখেই প্রতিবাদমুখর হয়েছে। এর বিরুদ্ধে হত্যাযজ্ঞ চালালে বিক্ষোভ দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়তে পারে। আপাত:দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে চীন পরিস্থিতিজনিত এই বিক্ষোভ দমনে ধীরে চলো নীতি অনুস্মরণ করছে। তবে কঠোর সেন্সরশীপের কারণে চীনের অভ্যন্তরীন বিষয়গুলো কখনও সঠিকভাবে জানা যা না। যেটুকু তারা প্রকাশ করে কেবল সেটুকুই বাকি বিশ্ব জানতে পারে। তারপরও স্যাটেলাইলাইটের যুগে চাইলেই অনেক কিছুই গোপন রাখা যায় না। এখন পর্যন্ত যে খবর পাওয়া যাচ্ছে তাতে চীনের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ভীত নড়বড়ে হয়েছে।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫১ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন