শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৪৪, শনিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩ আপডেট:

পাঠ্যপুস্তকের ভুল কি শুধুই ভুল

মোফাজ্জল করিম
অনলাইন ভার্সন
পাঠ্যপুস্তকের ভুল কি শুধুই ভুল

আমি এবং আমি মনে করি, আমার মতো আমাদের দেশের সাধারণ নাগরিক প্রায় সবাই বিশ্বাস করেন বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ শান্তিপ্রিয় অসাম্প্রদায়িক দেশ। এখানে একজন নাগরিক? তিনি মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যা-ই হোন না কেন? তাঁর পাশের বাড়ির ভিন্নধর্মী প্রতিবেশীর প্রতি সচরাচর সদ্ভাবাপন্ন। সৎ প্রতিবেশীসুলভ আচরণের কোনো ঘাটতি নেই তাঁর চালচলনে, কথাবার্তায়। প্রতিবেশীর সুখে-দুঃখে, আপদে-বিপদে সব সময় পাশে দাঁড়ানোর সহজাত প্রবণতা বাঙালি চরিত্রের একটি দ্যুতিময় বৈশিষ্ট্য। এর অনেক কিছুই দৃশ্যমান। যেমন—গ্রামের মোটামুটি সচ্ছল মধ্যবিত্ত পরিবারের কর্তাটি বা গিন্নিটি প্রায়ই প্রতিবেশী দরিদ্র পরিবারের হাঁড়ির খবর, নাড়ির খবর নেন এবং প্রয়োজনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। সেটি আকালে-দুষ্কালে দুমুঠো ধান-চাল হতে পারে, হতে পারে প্রতিবেশীর পরিবারের বিয়েশাদিতে বেগার খাটা। আবার প্রকাশ্যে দেখা যায় না এমন অনেক বিষয়েও দুই প্রতিবেশী শলাপরামর্শ করেন, একে অন্যকে সাহায্য-সহায়তা করেন। যেমন—একজন আরেকজনের শরণাপন্ন হয়ে বলেন : শোনো নরেন/কবীর, একটি বিষয়ে তোমার পরামর্শ চাই। আর কাউকে বিষয়টি বলিনি, বলবও না। অমুক কদিন ধরে কী যে উঠেপড়ে লেগেছে। রোজ দুবেলা আমার বাড়িতে তার আসা চাই-ই চাই। মালতী/রাহিজাকে তার ছেলের জন্য সে নেবেই নেবে। কী করি বলো তো?...এ ধরনের আরো আরো অনেক বিষয় আছে, যা দেখে মনে হবে এরা দুজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী প্রতিবেশী তো নয়ই, বোধ হয় মায়ের পেটের ভাই।

অবশ্য এর ব্যতিক্রম যে নেই তা নয়। তবে তা উল্লেখ করার মতো নয়। আর এ ধরনের সাম্প্রদায়িক সুসম্পর্ক এই ভূখণ্ডে নতুন কিছু নয়। নয় বলেই আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল বহুকাল আগে তাঁর এক গীতিকবিতায় লিখেছিলেন : ‘মোরা এক বৃন্তে দু’টি কুসুম হিন্দু-মুসলমান/মুসলিম তার নয়নমণি, হিন্দু তাহার প্রাণ।’ বহুকাল আগে ১৯৫০ সালে ক্লাস ফাইভের পাঠ্য বইয়ে এটি আমাদের পাঠ্য ছিল। আজ ৭২-৭৩ বছর পরও কবির নাম ভুলিনি। তবে একটি ব্যাপার লক্ষণীয়। সালটি ছিল ১৯৫০, অর্থাৎ সদ্যঃস্বাধীন পাকিস্তানের জন্মের মাত্র তিন বছর পর। ইসলামী জোশ তখন পুরো জাতির শিরায় শিরায় স্ফুলিঙ্গের মতো ছুটে চলেছে। এরই ভেতর পঞ্চম শ্রেণির শিশুদের শেখানো হচ্ছে কী? না, ‘...হিন্দু তাহার প্রাণ’! এখনকার মতো তখনো ক্লাসের শতকরা ৯০ জন ছাত্রই ছিল মুসলমান। আর দেশটাকে ‘তাহজিব-তমদ্দুন’-এর রাংতা দিয়ে মোড়ানোর চেষ্টা শুরু হয়ে গিয়েছিল সেই সাতচল্লিশের ১৪ আগস্ট শিশু পাকিস্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই। তার পরও পূর্ববঙ্গে (পাকিস্তানি শাসকরা পরে ‘আকিকা’ করে যে নাম বদলে রেখেছিল পূর্ব পাকিস্তান) সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পুরোপুরি বজায় ছিল, যদিও প্রতিবেশী ‘স্থূলকায়’ ইন্ডিয়ায় মাঝে মাঝেই জগিং করে মেদ কমানোর মতো এখানে-ওখানে দাঙ্গা বাধিয়ে মুসলিম নিধন হতো।

অবশ্য সব কিছু ছাপিয়ে হিন্দু-মুসলমান দুই জাতি সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির এক বিরল ইতিহাস রচনা করে একাত্তরে। হিন্দু অধ্যুষিত রাষ্ট্রের বাংলাভাষী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা পাকিস্তানি সেনাদের দ্বারা আক্রান্ত ও বিতাড়িত কমবেশি এক কোটি পূর্ব পাকিস্তানি উদ্বাস্তুকে উষ্ণ আতিথেয়তা প্রদান করে দীর্ঘ ৯ মাস তাদের রাজ্যে স্থান দেয়। এরপর যখন বাংলাদেশ স্বাধীন হলো, তখন এই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে স্বভাবতই শুধু সমস্যা আর সমস্যা। অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান-শিক্ষা-স্বাস্থ্য-যাতায়াত-আইন-শৃঙ্খলা—সব ক্ষেত্রেই শুধু নাই নাই, খাই খাই আওয়াজ। একটি বিশাল শূন্যতা থেকে স্ফিংসের মতো পুনর্জন্ম লাভ করল দেশটি। আর এত সমস্যার ভেতর যথেষ্ট স্বস্তিলাভের বিষয় যদি কোনোটি থেকে থাকে, তবে তা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। সেই বাদশাহি আমল বা ব্রিটিশ আমলে যেমন মসজিদের সুমধুর আজানধ্বনির পাশাপাশি ছিল মন্দিরের কাঁসরঘণ্টা, এত ঝড়-ঝাপ্টা, এত হানাহানি-কাটাকাটি-রক্তপাতের পরও তা বিদ্যমান আছে। এ দেশের ১৭ কোটি মানুষ নিবিষ্টচিত্তে নির্বিঘ্নে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারে এই কারণে যে আবহমানকাল ধরে তারা জেনে এসেছে, ধর্মীয় পরিচয়, রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক পরিচয় ইত্যাদি যার যা-ই হোক না কেন, তাদের সবার একটি সাধারণ বা বারোয়ারি পরিচয় আছে, যা তাদের ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছে। ওটা বাঙালি জাতীয়তাবাদ, যা একাত্তরে তাদের মৃত্যুর মুখোমুখি অবস্থায়ও ইস্পাত কঠিন রজ্জু দ্বারা বেঁধে রেখেছিল। আর যত দিন পর্যন্ত বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডের মানুষ এই রজ্জুর বন্ধনে আবদ্ধ থাকবে, তত দিন ইনশাআল্লাহ কোনো অপশক্তি এই দেশটির সামান্যতম ক্ষতি করতে পারবে না।

২.

এতক্ষণ যা বললাম, তা শুনে আপনাদের কেউ কেউ হয়তো ‘বোর ফিল’ করছেন, হাই উঠছে কারো কারো। সে জন্য পুনরায় ক্ষমাপ্রার্থী। তবে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবার কাছে একটিই বিনীত অনুরোধ : বড় কষ্টে পাওয়া, রক্তের দামে কেনা (‘দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, এই বাংলা কারো দানে নয়’—মরহুম জনপ্রিয় চারণগায়ক আব্দুল লতিফ) এই বাংলাদেশের সঞ্জীবনী শক্তি যে জাতীয় ঐক্য, তা কিছুতেই বিনষ্ট হতে দেবেন না। আপনার বা আমার অসতর্কতার সুযোগে বেহুলার বাসরে কালসাপ যেকোনো মুহূর্তে ঢুকে পড়তে পারে। তখন আর আফসোসেরও সময় পাব না আমরা। হেঁয়ালি বাদ দিয়ে সোজা কথায় বলি। আপনি, আমি হয়তো জানি না, কিন্তু আপনার, আমার আশপাশেই কেউ কেউ আছেন, যাঁরা টলটলে নিস্তরঙ্গ জলাশয়ে মত্স্য শিকার করে সুখ পান না, তাঁরা একটি ঘোলা জলের জলাশয়ের সন্ধানে তক্কে তক্কে থাকেন সব সময়। কিছুতেই জুত না হলে দু-চারটি ইট-পাথরের টুকরা নিক্ষেপ করে সম্মুখস্থ সুপেয় জলের সরোবরটিকে কর্দমাক্ত করার প্রয়াস পান তাঁরা। একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি খোলাসা করার চেষ্টা করা যাক।

শতকরা ৯০ জন মুসলমানের দেশে কয়েকটি বিষয় সাংবিধানিকভাবে বহুকাল আগে থেকেই নিষ্পাদিত। যেমন—এমন কিছু বলা যাবে না বা করা যাবে না, যাতে এ দেশের অধিবাসী কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে। এখানে শুধু মুসলমান নয়, সব ধর্মের মানুষের কথা বলা হয়েছে। তার মানে অন্য ধর্মাবলম্বীদের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এই বিধান দ্বারা। বাংলাদেশ যে ধর্মের ব্যাপারে উদারপন্থী, তা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের মানুষ, সে মুসলমান হোক আর হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ বা অন্য যেকোনো ধর্মাবলম্বী হোক, নিজ ধর্মের ব্যাপারে তো বটেই, অন্য সব ধর্মের ব্যাপারেও একটু বেশিই শ্রদ্ধাশীল। ধর্মের ব্যাপারে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নীতিতে এ দেশের মানুষ ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোর অধিবাসীদের মতোই বিশ্বাসী।

কিন্তু...। এবং এটি একটি জরুরি কিন্তু। কেউ যদি তার ধর্মকে কটাক্ষ করে কোনো মন্তব্য করে বা তার ধর্মীয় অনুভূতিতে খোঁচা দেয়, তাহলে সে ছেড়ে কথা কইবার পাত্র বা পাত্রী নয়। এমনকি খোঁজ নিয়ে দেখুন, নিয়মিত ধর্মকর্ম পালনের ব্যাপারে মানুষটি রীতিমতো উদাসীন। কিন্তু তার ধর্মের অবমাননা, তা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ বা আকারে-ইঙ্গিতে যেভাবেই হোক সে কিছুতেই বরদাশত করবে না, রীতিমতো লঙ্কাকাণ্ড বাধিয়ে দেবে।

আর সত্যি বলতে কী, সভ্য সমাজে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি তো দূরের কথা, আলাপ-আলোচনাও হয় পরিমিতি মেনে। সেখানে পারস্পরিক মান্যতা ও সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ হচ্ছে প্রথাসিদ্ধ আচরণ। এর ব্যত্যয় ঘটে না বললেই চলে।

৩.

একটি দেশের সরকার শুধু সে দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা প্রদানের দায়িত্বপ্রাপ্তই নয়, তাদের সব মৌলিক অধিকার সংরক্ষণও তার দায়িত্ব। ধর্মীয় অধিকার অবশ্যই শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকারই নয়, এটি একটি অতীব স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল বিষয়ও বটে। পৃথিবীর ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, শুধু ধর্মীয় কারণে যুগে যুগে অনেক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধবিগ্রহ সংঘটিত হয়েছে। আর একটি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা সুসংহত রাখতে চাইলে যেসব বিষয়ের প্রতি সদা সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হয়, স্পর্শকাতর আবেগজড়িত বিষয় ধর্ম নিশ্চয়ই তার অন্যতম। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো একটি দেশে, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিশাল জনসাধারণ শুধু ধর্মপরায়ণই নয়, তাদের একটি বড় অংশ অদম্য ভাবাবেগতাড়িত। প্রত্যেক দায়িত্বশীল নাগরিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের তাই ধর্মসংক্রান্ত ব্যাপারে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা ‘ফরজ’।

সম্প্রতি এর একটি বড় রকমের বিচ্যুতি হয়েছে। দেখা যায় স্কুলের পাঠ্যপুস্তক প্রকাশনার দায়িত্বপ্রাপ্তদের দ্বারা। সরকারের প্রশংসনীয় উদ্ভাবনীগুলোর অন্যতম হচ্ছে খ্রিস্টীয় বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ পয়লা জানুয়ারি স্কুলের নিম্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে বিনা মূল্যে নতুন বই তুলে দেওয়া। বলা বাহুল্য, সারা দেশের কোটি কোটি শিশুর জন্য পুঁথি-পুস্তক প্রণয়ন, প্রকাশনা ও বিতরণের কাজটি একটি হারকিউলিয়ন কাজ। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তর দায়িত্বটি এযাবৎ মোটামুটি সুচারুরূপেই পালন করে আসছিল। নানা প্রতিকূলতা (যার মধ্যে আসল ‘ভিলেন’ হচ্ছে কভিড) সত্ত্বেও এবারও প্রায় সবখানে বই পৌঁছে গেছে সময়মতো। শিশুদের মুখে ফুটেছে প্রত্যাশিত হাসি। কিন্তু হাসি ফোটা দূরের কথা, মুখ কালো করে অভিযোগের অঙ্গুলি তুলেছেন অনেক শিক্ষক ও অভিভাবক। ইস্যুটি কী? না, ওই ধর্মসংক্রান্ত ব্যাপার। তাঁরা বলছেন, কর্তৃপক্ষ নাকি নতুন বইয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে এমন সব বিষয় সংযোজন-বিয়োজন করেছে, যা তাঁদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। আরো স্পষ্ট ভাষায়, ইসলাম ধর্মের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে আরো ভুলভ্রান্তি। অভিযোগ যে গুরুতর তাতে সন্দেহ নেই। স্বয়ং মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ করেছেন এবং যত শিগগির সম্ভব পর্যায়ক্রমে ত্রুটি সারানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

এখানে আমরা অভিযোগগুলো নিক্তিতে তুলে ওজন করতে যাব না? সেই দায়িত্ব যাদের পালন করার কথা তারা দ্রুত তা করলেই আমরা খুশি হব? তবে একটি বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করা দরকার। শোনা যায়, এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাকি ইসলামী কৃষ্টি-সংস্কৃতির ব্যাপারে ‘অ্যালার্জি’ আছে এবং তাঁরাই সুযোগ পেলেই কলকাঠি নাড়ান। এতে আখেরে তাঁদের গায়ে আঁচড়টিও লাগে না? পদোন্নতি-পদায়ন মাশাল্লাহ ঠিকই হয়? মাঝখান থেকে বেচারা সরকারকে বিব্রত হতে হয়, এটা-ওটা বলে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়। আমি বলব, যাঁরা বাঙালি কৃষ্টি-সংস্কৃতির স্বঘোষিত স্বভূষিত মালিক-মোখতার সেজে মাঝেমধ্যেই উদ্ভট সব কীর্তিকলাপ করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে সরকার কখনো কোনো ব্যবস্থা তো নেয়ই না, বরং তাঁদের কর্মকাণ্ডকে এক ধরনের সায়ই দেয়। এই শ্রেণির সুবিধাবাদীরা শান্ত জলাশয়ে মাঝেমধ্যেই লোষ্ট্র নিক্ষেপ করে জল ঘোলা করার প্রয়াস পান।

আমাদের প্রাণপ্রিয় দেশটির এমনিতেই অনেক সমস্যা। এর ভেতর কোনো মহল যদি গণবিরোধী কার্যকলাপ দ্বারা নৌকা ঝাঁকাতে শুরু করে, তাহলে কেমন লাগে বলুন তো?

লেখক : সাবেক সচিব, কবি
[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়