শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:১৮, রবিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী আদালত অবমাননা করতে পারেন না

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক
অনলাইন ভার্সন
প্রধানমন্ত্রী আদালত অবমাননা করতে পারেন না

এটা কারো অজানা থাকার কথা নয় যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী চাইলেও এমন একটি ফৌজদারি মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিতে পারেন না, যে মামলার বাদী সরকার নয় এবং যে মামলা আপস অযোগ্য। এমনকি আপসযোগ্য মামলা বাদী তুলে ফেলতে চাইলেও শেষ ইচ্ছাটি আদালতের। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ এবং ৪০২ ধারা এবং সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমা করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটি শুধু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য প্রযোজ্য। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটরদের মামলা তুলে নেওয়ার যে কথা বলা আছে, সেখানেও আদালতের ইচ্ছাই মুখ্য।

এ ছাড়া সেই বিধান শ্রম আদালতে প্রযোজ্য নয়। বিষয়টি হিলারি ক্লিনটনের অজানা থাকার কথা নয়। হিলারি ক্লিনটন বহু বছর যুক্তরাষ্ট্রে সেক্রেটারি অব স্টেট পদে কাজ করেছেন। তাঁর এটাও অজানা থাকার কথা নয় যে যুক্তরাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ।

যথা—প্রশাসন, বিচার এবং আইন প্রণয়ন অঙ্গ। একটির থেকে অন্যটি আলাদা এবং স্বতন্ত্র, কারো ওপরই কারো নিয়ন্ত্রণ নেই। তার অর্থ, প্রশাসন অঙ্গের প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর কোনো ক্ষমতা নেই ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে চলতি মামলাগুলো থামিয়ে দেওয়ার। হিলারি ক্লিনটন যদি এগুলো না জেনে থাকেন, তাহলে বলতে হবে সেটি তাঁর নেহাত অজ্ঞতা।

তবে তিনি এত অজ্ঞ, সেটা বিশ্বাস করা দুষ্কর। সে অর্থে বলতে হয়, হিলারি ক্লিনটনের উদ্যোগ এবং প্রভাবে ১৬০ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে যে চিঠি পাঠিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে প্রকাশ, তার পেছনে অন্য কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। বিশেষ করে বাংলাদেশের নির্বাচনের কয়েক মাস আগে চিঠিটি পাঠানোর কারণে সেই সন্দেহ আরো বেশি ঘনীভূত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আদালত অবমাননা করতে পারেন না২০০৬ সালেও মূলত হিলারি ক্লিনটনের ইচ্ছানুযায়ী চেষ্টা করা হয়েছিল ড. ইউনূসকে ক্ষমতায় বসানোর। সেই অভিলাষ বিফল হওয়ায় হিলারি ক্লিনটন নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন বলে যাঁরা মনে করছেন তাঁদের সন্দেহ অমূলক নয়।

তাঁরা জানেন ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে চলতি মামলা বন্ধ করার ক্ষমতা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেই। তার পরও তাঁরা চিঠিটি লিখেছেন একটি ধূম্রজাল সৃষ্টি করে ড. ইউনূসকে সামনে আনার জন্য। এটা নিশ্চিত করে বলা যায়, যে ১৬০ ব্যক্তি চিঠিটিতে দস্তখত করেছেন, তাঁদের বেশির ভাগই ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলাসংক্রান্ত কিছুই জানেন না। তাঁর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে, মামলার বাদী কারা, কী সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে মামলাগুলো করা হয়েছে, তাঁরা এসব না জেনে নেহাত হিলারি ক্লিনটনের ইচ্ছায় প্রভাবিত হয়েই চিঠিতে দস্তখত করেছেন, এমনটি ভাবার পেছনে শক্ত যুক্তি রয়েছে। মামলা সম্পর্কে তাঁদের জিজ্ঞেস করলে তাঁরা ন্যূনতম জবাবও দিতে পারবেন না বলেই সবার বিশ্বাস। শ্রম আদালতে বিচারাধীন মামলাগুলোর বাদী সরকার নয়। ড. ইউনূসেরই কয়েকজন কর্মচারী বাদী হয়ে মামলাগুলো করেছেন এই অভিযোগ এনে যে ড. ইউনূস শ্রমিকদের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ড. ইউনূস দেশের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গিয়েছিলেন, তাঁরা সব তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করেই মামলা চলবে মর্মে আদেশ দিয়েছেন। এ অবস্থায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যদি ড. ইউনূসের মামলায় হস্তক্ষেপ করার চেষ্টাও করেন, তাহলেও তিনি দেশের সর্বোচ্চ আদালত অবমাননার দায়ে দায়ী হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবেন।

ড. ইউনূসের আইনজীবী মহামান্য হাইকোর্টে যে এফিডেভিট জমা দিয়েছেন, তা থেকে ড. ইউনূস কর্তৃক দুর্নীতির কিছু স্বীকৃতির অবিশ্বাস্য চিত্র ফুটে উঠেছে। এফিডেভিটে বলা হয়েছে, শুধু শ্রম আদালতের জন্য নিযুক্ত আইনজীবীকেই ড. ইউনূস ফি বাবদ প্রদান করেছেন ১৬ কোটি টাকা, যে কথা শুনে স্বয়ং মাননীয় বিচারপতিও বিস্মিত হয়েছিলেন। পৃথিবীতে হেন কোনো দেশ নেই যেখানে এত বিশাল অঙ্কের ফি দেওয়া হয়। সে অর্থে সেখানে রয়েছে দুর্নীতির দুর্গন্ধ। এ ছাড়া ১০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে মামলা দায়েরকারী শ্রমিক নেতা এবং তাঁদের আইনজীবীদের। এসব থেকে বোঝা যায় মামলাগুলো বন্ধ করার জন্য ড. ইউনূস সম্ভাব্য সবই করেছেন। শ্রম আদালত তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন গ্রহণ করেন।

হিলারির সঙ্গে একটি স্বার্থান্বেষী দেশি চক্রও যে কাজ করছে, তা এখন পরিষ্কার। তারা শুধু ড. ইউনূসের পক্ষে বক্তব্য দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, এ ধরনেরও একটি উদ্ভট কথা প্রচারে ব্যস্ত হয়েছে যে জাতিসংঘ ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে তদন্ত করবে। একটি দেশের কোনো ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত করার কোনো এখতিয়ারই জাতিসংঘের নেই। জাতিসংঘ সনদের একটি মৌলিক কথা হচ্ছে, সমতার ভিত্তিতে সব সদস্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব। তা ছাড়া এ ধরনের কোনো উদ্যোগ শুধু নিরাপত্তা পরিষদ বা সাধারণ পরিষদই নিতে পারে, জাতিসংঘের মহাসচিব বা কোনো কর্মকর্তার পক্ষেই এ ধরনের কিছু করার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশের কর কর্তৃপক্ষকে প্রতারিত করার প্রচেষ্টা করে ড. ইউনূস হাতেনাতেই ধরা পড়েছেন। তাঁর মতো একজন অতি উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তির অজানা থাকার কথা নয় যে সেই সব ট্রাস্টই কর মওকুফ দাবি করতে পারে যেগুলো দাতব্য ট্রাস্ট। যে ট্রাস্টের বেনিফিশিয়ারি ট্রাস্ট স্রষ্টা নিজে, সে ট্রাস্ট কর মুক্তি পেতে পারে না। অবশেষে ড. ইউনূস জল ঘোলা করে সেই জলই পান করতে বাধ্য হয়েছিলেন, যখন সর্বোচ্চ আদালত তাঁকে বিশাল অঙ্কের কর পরিশোধের আদেশ দিলেন। যে ব্যক্তি জনহিতাকাঙ্ক্ষী হিসেবে নিজেকে জাহির করেন, কর মুক্তি পাওয়ার জন্য তাঁর পক্ষে কর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রতারণা নিশ্চয়ই শোভা পায় না।

হিলারি গং যদি ভেবে থাকেন উঁচু মর্যাদার লোকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যায় না, তাহলে তাঁদের নিজ দেশেই যে এক সাবেক প্রেসিডেন্টের বিচার হচ্ছে তা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। কয়েক বছর আগে তাঁর দেশেই ধর্ষণের অভিযোগে বিচার হয়েছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রধান ডোমিনিক স্ট্রস কাহানের, যিনি একসময় ফরাসি অর্থমন্ত্রী ছিলেন। ডোমিনিক কাহান বিচার এড়ানোর জন্য প্যারিসগামী বিমানে উঠেও রেহাই পাননি, নিউ ইয়র্ক পুলিশ তাঁকে বিমান থেকে নামিয়ে এনেছিল। বিচার চলছে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নিয়াজির, ফাঁসি হয়েছে পাকিস্তানের আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভুট্টোর, বিচার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাই সারকোজি, রয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ দুনিয়াভরা আরো অনেকে। বেশ কিছু নোবেল বিজয়ীরও বিচার হয়েছে বা হচ্ছে, যাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন অং সান সু চি, যাঁর বিরুদ্ধে গণহত্যা অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত তদন্ত শুরু করেছেন। ফিলিপাইনের নোবেলজয়ী মারিয়া রেসার ছয় বছর কারাদণ্ড হয়েছিল, যদিও সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট পরে তাঁকে খালাস দিয়েছেন। বেলারুশের নোবেল বিজয়ী এলেস বিয়ালিয়াটস্কিকে সে দেশের আদালত ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন। এমনকি যে একাডেমি নোবেল পুরস্কার প্রদান করে থাকে, সেই একাডেমিরই এক সদস্য, জিন ক্লোড আরনন্ডকেও সুইডিশ আদালত দুই বছর জেল দিয়েছেন ধর্ষণের অভিযোগে।

হিলারি গং উল্লিখিত চিঠির মাধ্যমে আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার মূল্যবান তত্ত্বকেই ধ্বংস করার চেষ্টা করেছেন। তাঁদের উচিত কালবিলম্ব না করে চিঠিটি তুলে নেওয়া। চাইলে তাঁরা বাংলাদেশে এসে ড. ইউনূসের আইনজীবীর ফাইলে রক্ষিত কাগজপত্র ঘেঁটে দেখতে পারেন তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি রয়েছে কি না। এগুলো গোপন দলিল নয় এবং তাঁদের বাংলাদেশে আসতেও কেউ বাধা দেবে না। তাঁদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উচিত আইনের শাসনকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে না দিয়ে বরং তা বাঁচিয়ে রাখার জন্য চেষ্টা করা, আর সে জন্যই তাঁদের উচিত ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করা। মনে রাখতে হবে, আইনের শাসনের একটি বড় তত্ত্ব হচ্ছে এই যে আইনের চোখে সবাই সমান। অপরাধ করলে সবাইকেই বিচারের সম্মুখীন করা আইনের শাসনের একটি বড় মন্ত্র। সেখানে ছোট-বড় ভেদাভেদ করার কোনো সুযোগ নেই। 

লেখক : আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

এই মাত্র | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪৫ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়