শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:০৮, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

সেলাই করা খোলা মুখ

পারতে আমাদের হবেই

মোফাজ্জল করিম
অনলাইন ভার্সন
পারতে আমাদের হবেই

একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর (না) পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয় মুক্তিযুদ্ধ। সেদিনের বিজয়োল্লাসের কথা আমার মতো প্রবীণদের মানসপটে চিরকাল জ্বলজ্বল করবে, এটাই স্বাভাবিক। এরপর সুখে-দুঃখে কেটে গেছে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসরূপে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিবছরই পালিত হয়। তবে একাত্তর বা একাত্তর-পরবর্তী বছরগুলোর সেই উন্মাদনা আর নেই এই দিবস উদযাপনে। এটাও স্বাভাবিক। কেন স্বাভাবিক? যদি বলি, দেশের শতকরা ৮০ ভাগ লোক এখন মুক্তিযুদ্ধ নয়, অহরহ পর্যুদস্ত হচ্ছে আরেক যুদ্ধে। সেটা কী? সেটা জীবনযুদ্ধ।

এই মানুষগুলোর কাছে খেয়েদেয়ে কোনোমতে বেঁচে থাকার যে সংগ্রাম—তার কাছে অন্যসব আনন্দ-উল্লাস বৃথা। অথচ একাত্তর-বাহাত্তরের তুলনায় দেশের সব মানুষের আয় বেড়েছে। গ্রামগঞ্জেও এখন আর আগের মতো খালি গায়ে খালি পায়ে চলাফেরা করতে কাউকে বড় একটা দেখা যায় না। এখন যদি গ্রামের রাস্তায় দেখা পাওয়া কোনো চাচা মিয়াকে বলেন, চাচা, ৫০ বছর আগে আপনার যৌবনকালে আপনি ২০-২৫ টাকা নিয়ে চাল-ডাল কিনতে যেতেন, আর এখন তো মাশাআল্লাহ আপনার পকেটে এক শ-দুই শ টাকা সব সময়ই থাকে।

তাহলে মন খারাপ করেন কেন? জবাব শুনবেন : ‘ভাতিজা, তখন চাউলের সের (কেজি) ছিল পাঁচ টাকা-ছয় টাকা, আর এখন? ১০ টাকা দিয়ে একটি ইলিশ মাছ কিনেছি ওই সময়। আর এখন?’...কথা না বাড়িয়ে আপনি তখন রাস্তা মাপবেন। পারতে আমাদের হবেইএটা হলো মুদ্রার এক পিঠ। আসুন, অন্য পিঠটাও দেখি। একাত্তরের আগে আট আনা রিকশাভাড়া জোগাড় করতে যাদের দম বেরিয়ে যেত, তাদের অনেকেই এখন বিএমডব্লিউ অথবা মার্সিডিজ দৌড়ান।

আর বেগম সাহেবের জন্য একটি, বাচ্চাদের স্কুল-কলেজের ডিউটি করার জন্য একটি, বাজার সদাইয়ের জন্য আরেকটি গাড়ি। শহরের অভিজাত এলাকায় আলিশান বাড়ি, বিদেশেও একাধিক বাড়ি, এগুলো তো আছেই। এত কিছু এলো কোত্থেকে? কেন, জীবনধারণের জন্য যাদের নাভিশ্বাস উঠছে প্রতিনিয়ত, দেশের সেই শতকরা ৮০-৯০ ভাগ মানুষের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খেয়ে এরাই তো মোটাতাজা হয়েছেন। স্বাধীনতার পর এরা একেকজন যেন আলাদিনের জাদুর চেরাগ পেয়ে গেলেন, জেনে গেলেন দিনকে রাত এবং রাতকে দিন বানানোর কলাকৌশল। এই প্রক্রিয়ায় দেশ ও দেশের সাধারণ মানুষ বাঁচল কি মরল তাতে যেন তাদের কিচ্ছু যায় আসে না। উন্নয়নের হাতসাফাই দ্বারা তারা বিশ্ববাসীকেও তাক লাগিয়ে দিয়ে অনুন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম কেটে লিখিয়ে ফেললেন উন্নয়নশীল দেশের খেরো খাতায়। আর উন্নয়নের যূপকাষ্ঠে বলির পাঁঠা হলো দেশের সাধারণ মানুষ, চিরকাল যাদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়।

স্বাধীনতার অব্যবহিত পর দেশের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় ছিল মাত্র এক শ-দেড় শ ডলার। আজ অর্ধশতাব্দী পর মাশাআল্লাহ তা বেড়ে হয়েছে দুই হাজার ৭৮৪ ডলার। এটা নিয়ে নিশ্চয়ই আমরা গর্ব করতে পারি। তবে একটি দেশের মানুষের গড় আয় থেকে কি সেই দেশের মানুষের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা যায়? বোধ হয়, না। অন্তত আমাদের মতো অর্থনৈতিক বৈষম্য জর্জরিত দেশে তো নয়ই। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টিতে যে শুভংকরের ফাঁক আছে, তা বোঝা যাবে। মনে করুন, একটি হতদরিদ্র বস্তি এলাকায় এক শ লোকের বাস। তাদের সবাই দিন এনে দিন খাওয়া মুটে-মজুর শ্রেণির মানুষ। তাদের কেউ রিকশাওয়ালা, কেউ সদরঘাটের কুলি, কেউ দিনমজুর। এদের কারো মাসিক আয় ধরা যাক ছয়-সাত হাজার টাকার বেশি নয়। কিন্তু এদেরই একজন এক রাজনৈতিক নেতার মিটিং-মিছিলে চোঙা ফুঁকে, মাস্তানি করে মাসে লাখ পাঁচেক টাকা উপার্জন করে। সেই কালো টাকার ঠাটবাট তার চলনে-বলনে সব সময় দেখা যায়। সে আর কুঁড়েঘরে থাকে না, ওই বস্তিতেই সে নজরকাড়া পাকা ঘর বানিয়ে বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকে।

এখন যদি ওই বস্তির সব মানুষের মাসিক আয় হিসাব করে বলা হয় এদের মাথাপিছু গড় আয় ১২ হাজার টাকা, তাহলে নিশ্চয়ই সেটা হবে ভুল হিসাব। কারণ ওই মাস্তান সাহেবের একার আয়ের অঙ্ক অন্য সব গরিবের আয়কে টেনে ওপরে তুলে দিয়েছে, যার ফলে মাথাপিছু আয়ের অঙ্কও গেছে বেড়ে। বাংলাদেশের সব সম্পদের মালিক যে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ—কেউ বলেন তাদের সংখ্যা শতকরা পাঁচ, কেউ বলেন আরো কম—তাদের হাজার হাজার কোটি টাকার আয় বাকি সব মানুষের আয়কে টেনে এমন উচ্চতায় নিয়ে যায় যে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয়ের সংখ্যাটা রীতিমতো ভদ্রসম্মত দেখায়। অথচ বাস্তব চিত্রটা হচ্ছে ধনী-গরিবের আর্থিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক বৈষম্য এত বেশি যে এদের একের আয়-ব্যয়ের পরিসংখ্যান অন্যের পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলাতে গেলেই ভুল তথ্য আসতে বাধ্য।

আসলে আমরা কথাবার্তায়, লেখালেখি, তর্কাতর্কিতে যাদের সাধারণ মানুষ বলি, তারাই এ দেশের বিশাল মেজরিটি। দেশে যদি একটি অবাধ, সুষ্ঠু, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে এই সাধারণ মানুষই নির্ধারণ করবে কে জিতবে আর কে হারবে। এই মানুষগুলো হয়তো রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় ভূমিকা পালন করে না, হয়তো কোনো দলের সদস্য, এমনকি সমর্থকও তারা নয়, কিন্তু দিনশেষে ইংরেজিতে যাকে বলে ‘সাইলেন্ট মেজরিটি’ তারা তাই। এদের মধ্যে যারা আবার হতদরিদ্র, অশিক্ষিত, আনপড়, বস্তিতে কিংবা ফুটপাতে-গাছতলায় যাদের জীবন কাটে, তাদের খবরই তো কেউ রাখে না। তবে হ্যাঁ, যেহেতু তাদের একটি ভোট এবং একজন কেউকেটা হুজুরের একটি ভোট মূল্যমানের দিক থেকে সমান, অতএব ভোটটি বাক্সে না পড়া পর্যন্ত ওই মানুষটি ভোটপ্রার্থীর কাছে রীতিমতো ভিআইপি। ভোট শেষ তো খায়খাতিরও শেষ। ভোটের ডামাডোল শেষে ভোটপ্রার্থী ফিরে যাবেন তার নিজস্ব পরিমণ্ডলে, আর সলিমদ্দি তার বস্তিতে বা গাছতলায়। দুটি মানুষের জীবন চলার পথ, তাদের কর্মক্ষেত্র ইত্যাদি ভিন্ন। অথচ তারা এক দেশের, এক শহর বা এক এলাকার বাসিন্দা। এটা শুধু বাংলাদেশ বলে নয়, পৃথিবীর ধনী-গরিব সব দেশেই এই পার্থক্যটা আছে। কোথাও কম, কোথাও বেশি। এটাই সৃষ্টির বৈচিত্র্য। বলা হয়, এই বৈচিত্র্যেই নাকি স্রষ্টার আনন্দ। হতে পারে। কিন্তু তাই বলে কি দুটি মানুষের জীবনধারার মধ্যে এত পার্থক্য থাকবে? একজন প্রাসাদোপম বালাখানায় শুয়ে-বসে দিনরাত ব্যস্ত থাকবে তার অপরিমেয় ঐশ্বর্যের হিসাব মেলাতে, আর আরেকজন একই এলাকায় বস্তির ঝুপড়িতে বিনিদ্র রাত কাটাবে আগামীকাল আণ্ডাগণ্ডাদের কী খাওয়াবে সেই চিন্তায়।

তবে বস্তিবাসী না হয়ে সেই চালচুলাহীন মানুষটি যদি হয় ফুটপাত বা গাছতলাবাসী, ইহজগতে যদি তার আপন বলতে কেউ না থাকে, তবে তার রাত কাটে কিসের চিন্তায়? সে কি সারা রাত আদৌ দুই চোখের পাতা এক করতে পারে? এই যে চারদিকে এত হৈ-হুল্লোড়, এত যে জীবনের জয়গান, এগুলো কি তাকে স্পর্শ করতে পারে এতটুকু?

হঠাৎ এই প্রহেলিকাময় প্রশ্নটি আমাকে বিচলিত করেছিল গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের রাতে। রাত তখন প্রায় ১২টা। আমি উত্তরায় আমার ছোট বোনের বাসায় ভূরিভোজ শেষে ফিরছিলাম ধানমণ্ডিতে আপন বিবরে। সচরাচর এই পথটুকু ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই পাড়ি দেওয়া যায়। কিন্তু সেদিন ছিল পথে ভীষণ যানজট। পুরো মানিক মিয়া এভিনিউ ছিল বন্ধ। ওখানে একটি বিরাট কনসার্টের আয়োজন করেছে কিছু উৎসাহী মানুষ। একে তো গান-বাজনা, তার ওপর ফ্রি। অতএব উৎসবপাগল বাঙালিকে আর পায় কে। সেদিন ছিল পৌষের শুরু। এই সময়টাতে একটু শীত শীত ভাব থাকে, তবে ঠিক জাঁকিয়ে শীত আসে না। কিন্তু এবার ছাত্র-জনতার বাঁধভাঙা আনন্দ-উল্লাসে শরিক হতেই যেন শীত এসে পড়েছে একপ্রকার বিনা নোটিশেই। এতে ধনিক শ্রেণির পুরুষ-মহিলারা মনে মনে খুশি। তারা তাদের লেটেস্ট ডিজাইনের শীতের পোশাকগুলো প্রদর্শনের একটি আগাম সুযোগ পেয়ে গেল। কিন্তু ‘ফুটপাতে শুয়ে মোদের রাতি কাটে’ (একটি পুরনো গানের কলি)—এই যাদের অবস্থা, তারা যেন হঠাৎই ধরা খেয়ে গেল। একে তো জাকাতের কাপড় পাওয়ার এখনো অনেক দেরি, তার ওপর কোনো দালানের নিচে বারান্দা ঘেঁষে শোয়ার ব্যবস্থাও হয়নি। অতএব? অতএব ফুটপাত, না হয় গাছতলাই ভরসা।

ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর সড়কের এক প্রান্তে লেকের ওপর যে ব্রিজ, সেখানে এসে ছোট্ট একটু যানজটের জন্য গাড়ির গতি কমাতে হলো। গাড়ির জানালার কাচের ভেতর দিয়ে বাইরে তাকাতেই চমকে উঠলাম। ব্রিজের দুই পাশে অপরিসর ফুটপাতে লম্বালম্বি হয়ে ঘুমাচ্ছে কয়েকজন নারী-পুরুষ। তাদের কারো গায়েই চাদর বা ওই জাতীয় কিছু নেই। শীতের আক্রমণ বা রাস্তার কোলাহল কিছুই তাদের নিদ্রার ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে বলে মনে হলো না।

অদূরবর্তী মানিক মিয়া এভিনিউয়ের কনসার্টের আয়োজনকারী তরুণরা জুলাই-আগস্ট ’২৪-এ জাতিকে একটি নতুন স্বাধীনতা উপহার দিয়েছে। এবারের বিজয় দিবস এসেছে নতুন আঙ্গিকে। দীর্ঘদিনের নির্যাতন-নিপীড়ন, লাঞ্ছনা-বঞ্চনার পর জাতি আবার নতুন করে অনেক আশা-উদ্দীপনা নিয়ে পথ চলতে শুরু করেছে। তাদের এই পথচলায় পৌষের ফুটপাতে রাতযাপনকারী মানুষগুলো কি সঙ্গী হতে পারবে? হয়তো আজই পারবে না, কিন্তু আগামী দিনে কি সেই সুদিন আসবে না? আমরা অবশ্যই আশা করব, আসবে। তা না হলে আগস্টে পাওয়া নতুন স্বাধীনতা, আল্লাহ না করুন, অর্থহীন হয়ে পড়বে।

তবে হ্যাঁ, আগে চাই জাতীয় ঐক্য, যে ঐক্য একাত্তরে সমগ্র জাতিকে ইস্পাতকঠিন বন্ধনে আবদ্ধ করেছিল। আমরা তখন পেরেছি, এখন কেন পারব না? নিশ্চয়ই পারব, ইনশাআল্লাহ। (লেখক : সাবেক সচিব, কবি)

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১০ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন