শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৫৪, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

নৈতিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা সময়ের দাবি

রোবায়েত ফেরদৌস
অনলাইন ভার্সন
নৈতিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা সময়ের দাবি

সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার ওপর সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এক দিনে তৈরি হয়নি। একসময় ছাপার অক্ষরে যা দেখত, মানুষ তা-ই বিশ্বাস করত। গ্রামে-গঞ্জে ও শহরেও দেখেছি সাংবাদিকদের মানুষ খুব বিশ্বাস করত। ভাবত যে আমার হয়ে সাংবাদিক কথাগুলো বলবে। সেই তো গরিব মানুষের কণ্ঠস্বর। গরিব মানুষ যারা কথা বলতে পারে না, লিখতে পারে না, টেলিভিশনে তাদের সুযোগ নেই, পত্রিকায়ও তাদের অ্যাকসেস নেই। কারণ আমাদের সংবাদপত্রগুলো আসলে ধনিক অভিমুখী, এলিট অভিমুখী, শহর অভিমুখী, বড়লোক অভিমুখী। এখানে গরিব প্রান্তিক সাধারণ মানুষের বক্তব্য থাকে না।

তারা ধরে রাখত, আমার এই সমস্যার কথাগুলো, কৃষক শ্রমিক মজুরের সমস্যা, বেতনের সমস্যা, গার্মেন্টসের সমস্যা সাংবাদিকরা তুলে ধরবেন। সেই কারণে একটি সম্মানবোধ ছিল এবং এখনো আছে। কিন্তু যে প্রশ্ন আসে, এই বিগত ১৫-১৬ বছরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস কনফারেন্স থেকে শুরু করে এই যে দলীয়করণ হয়েছে চূড়ান্ত; এর প্রধান জায়গাটা আমার মনে হয় সংবাদপত্রের ওপর সবচেয়ে বেশি পড়েছে। এবং এটা আওয়ামী লীগের দলদাসকেন্দ্রিক যে সাংবাদিকতা, তাঁরা প্রেস কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর স্তাবকতা, তেলবাজিকে একটা শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন আসলে।

তাঁরা সত্য প্রশ্ন করতেন না, তাঁরা কোনো চ্যালেঞ্জ করতেন না। সরকারের যেকোনো দুর্নীতি, অপকর্ম- এগুলো সাংবাদিকরা তুলে ধরবেন। সেখানে সাংবাদিকরা সাফাই গাইতেন এবং দিনের পর দিন মিথ্যা লিখতেন, মিথ্যা রিপোর্ট করতেন, প্রপাগান্ডা করতেন সাংবাদিকতার নামে। এসব দেখে দেখে সাধারণ মানুষের সাংবাদিক সম্পর্কে একটি বিতৃষ্ণা তৈরি হয়ে গেছে যে তাঁরা আসলে সাংবাদিক না, তাঁরা সাংঘাতিক। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরের সময় বিমানে চড়ে যান, হোটেলে থাকেন, খাওয়াদাওয়া করেন। নানা সুবিধা নিয়েছেন। এ কারণে সাধারণ মানুষের যৌক্তিক ক্ষোভ সাংবাদিক কমিউনিটির ওপর কিন্তু আছে। তারা সাংবাদিকদের ভয় পায় এটা যেমন সত্য, আবার সম্মান করে এটাও সত্য। সাংবাদিকদের প্রতি মিশ্র অনুভূতিও আছে।

দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরে সাংবাদিকরা তাঁদের নীতি-নৈতিকতা হারিয়ে ফেলেছেন। এ কারণে যখনই ৫ আগস্টের পর পরিবর্তন এলো, তখনো আমি দেখলাম, যারা স্বৈরাচারের দোসর, যারা ফ্যাসিবাদের দোসর, সেইসব সংবাদপত্রের মালিকানায় কিন্তু অনেক সাংবাদিক ঢুকে গেলেন। পত্রিকায় ও টেলিভিশনগুলোতে তাঁরা কিন্তু নতুন করে পুনর্বাসিত হয়ে গেলেন। বললেন, আমরা বঞ্চিত ছিলাম, গত ১৬ বছর আমরা আমাদের কাজগুলো করতে পারিনি। অথবা কোনো কোনো সাংবাদিক আছেন, বর্তমান যে অন্তর্বর্তী সরকার, তাদের পক্ষেই সাফাই গাইছেন। সাংবাদিকতা হচ্ছে না। সব টেলিভিশন, পত্রিকা দেখলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মনে হচ্ছে, এই সরকারের একটি প্রপাগান্ডা মেশিন। তাদের পক্ষে তাদের সাফাই গাইছে। নো, সাংবাদিকতার প্রথম লাইন হচ্ছে—পৃথিবীর সব সরকার মিথ্যা বলে। সাংবাদিকতা বইয়ের প্রথম লাইন হচ্ছে, পৃথিবীর সব সরকার জনগণের কাছ থেকে তথ্য লুকায়। এটা আওয়ামী লীগ লুকায়, বিএনপি লুকায় এবং অন্তর্বর্তী সরকারও লুকায়। সাংবাদিকের দায়িত্ব হচ্ছে সেই মিথ্যার জায়গায় সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা। যেটা সরকার লুকিয়ে রাখে সেটা প্রকাশ করা। 

কিন্তু আমাদের সাংবাদিকতা? বর্তমানে টেলিভিশনগুলোতে আগে আওয়ামী লীগের প্রপাগান্ডা প্রচারণা হতো, এখন মনে হয় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচারণা প্রপাগান্ডা হচ্ছে। অথবা বিএনপির প্রপাগান্ডা প্রচার করছে। কারণ ধরে নিয়েছে, হয়তো বিএনপি ক্ষমতায় আসবে। কাজেই এখনো আসল সাংবাদিকতা হচ্ছে না। এটা হচ্ছে সাংবাদিকের এত দিনের চর্চার ফলে একটা সেলফ সেন্সরশিপ তৈরি হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের সময় সমালোচনা করে আমি তো জেলে গেছি। আমার তো কারাগারে যেতে হয়েছে। আমার জরিমানা হয়েছে। এবারও অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বললে আমাকে আবার মামলা দেয় কি না। হত্যা মামলা দেয় কি না। কারাগারে দেয় কি না। কিংবা বিএনপির সমালোচনা করব, বিএনপি সামনে আবার আসবে। এসে আমাকে আবার জেলে ঢোকায় কি না। কারাগারে ঢোকায় কি না। জামায়াত তো সামনে আসবে। তারা আমাকে বিপদে ফেলে কি না। কাজেই আসল সাংবাদিকতা, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এখনো হচ্ছে না বাংলাদেশে।

অন্তর্বর্তী সরকারের এবং পরবর্তী সরকারের এটা বোঝা উচিত যে সাংবাদিকরা সরকারের শত্রু না। তাঁরা সরকারের সমালোচনা করবেন, সরকারের ভুলত্রুটি দেখিয়ে দেবেন। এটি তাঁদের ট্রেনিং। এটি তাঁদের কাজ। তাঁদের শত্রু হিসেবে দেখলে চলবে না, যেটা আওয়ামী লীগ দেখত। তাহলে কী করতে হবে? যখন কোনো সাংবাদিক সরকারের কোনো ভুলত্রুটি, রাস্তার সমস্যা, এখানে দুর্নীতি হচ্ছে, ব্যাংকের টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে বলবেন, তখন সরকারের উচিত সেই জায়গাটা মেরামত করা। টাকাপাচার ঠেকানো, রাস্তা ঠিক করা। কাজেই সাংবাদিকের এই সমালোচনাগুলোকে বন্ধু হিসেবে দেখতে হবে, ভালো হিসেবে দেখতে হবে। তাঁকে শত্রু ভাবা চলবে না। এই বার্তাটা কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার জোরালোভাবে দিতে পারেনি। বিএনপির পক্ষ থেকেও জোরালোভাবে আসেনি। আমি দেখেছি দু-একজন বলেছেন, তারেক জিয়া বলেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন; কিন্তু জোরালোভাবে এই বার্তাটি আসেনি বিএনপির পক্ষ থেকেও। জেলা-উপজেলায় এখনো সাংবাদিকরা ভয়ে থাকেন, বিএনপির বিপক্ষে লিখলে আমার আওয়ামী লীগের সময় যে বিপদ হতো একই বিপদ আবার ঘটে কি না। কাজেই সত্যিকারের সাংবাদিকতা থেকে এখনো আমরা অনেক দূরে রয়ে গেছি।

গত তিন মাসে সাংবাদিকতা আমার কাছে খুব ইতিবাচক মনে হয়নি। মনে হয়েছে, এপিঠ আর ওপিঠ। আগে আওয়ামী লীগের চামচামি করত, বিএনপির চামচামি করত; এখন অন্তর্বর্তী সরকারের চামচামি করে। মানে এক মুঠ চিনি, একচিমটি গুড় আর আধালিটার পানি দিয়ে একটা ঘুঁটা, একটা ঘুঁটা—সাংবাদিকতা এখানে চলছে। সত্যিকারের যে বাইট সাংবাদিকতা, মানে ছোবল দেবে, সরকারের ভুলগুলো তুলে ধরবে, বিএনপি যে দখলটখল করছে দেশব্যাপী, তুলে ধরবে। আওয়ামী লীগ যে হত্যাগুলো চালিয়েছে, দুর্নীতি করেছে, পাচার করেছে, সেগুলো হয়তো কিছুটা তুলে ধরেছে, কিন্তু এদিকের বিএনপি কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের যে ভুলগুলো, সেগুলো কিন্তু আসছে না।

সাংবাদিকতার তিনটি বড় শর্ত হচ্ছে সততা, নির্ভুলতা, পক্ষপাতহীনতা। সততা মানে সততার সঙ্গে সব সাংবাদিকতার চর্চা করতে হবে। নির্ভুলতা মানে যে তথ্য দিচ্ছেন সেটি সঠিক হতে হবে। ন্যায্যতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পক্ষপাতমুক্ত হতে হবে। আপনি আগে আওয়ামী লীগের পক্ষপাতী ছিলেন, এখন বিএনপির পক্ষপাতে এলেন কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষপাতে এলেন, তাহলে কিন্তু ন্যায্যতা হলো না। এই তিনটি সাংবাদিকতার ফান্ডামেন্টাল প্রিন্সিপল। এই তিনটির চর্চা কিন্তু সাংবাদিকতায় ফেরত আসতে হবে। এখনো কিন্তু আসেনি। আমি শুধু সাংবাদিকতা বলব না, বাংলাদেশের গত ১৫-২০ বছরে চিকিৎসক বলেন, শিক্ষক বলেন, আইনজীবী বলেন, বিচারক বলেন, প্রতিটি পেশা আমরা নষ্ট করে ফেলেছি। কাজেই আমাদের প্রত্যেকের উচিত সেই পেশাগুলোর যে মর্যাদা, সেগুলো ফিরিয়ে আনা। মানে সেগুলো পুনরায় মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করা। এবং সাংবাদিকতা পেশাও এর বাইরে না আসলে। সমস্ত পেশাকে নষ্ট করা হয়েছে। একজন বিচারক বুক ফুলিয়ে বলতে পারবেন না, আমি এই পেশায় সম্মানিত। দুজন প্রধান বিচারপতিকে বের করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক আমি, বলতে পারছি না। কারণ নীল দল, সাদা দল দেখেছি কিভাবে দলীয় স্তাবকতা করে। ডাক্তার দেখেন- স্বাচিপ ও ড্যাপ। কিভাবে চামচামি করে। ইঞ্জিনিয়ারদের দল আপনি দেখেন। হেন জায়গা নেই, যেখানে দলীয়করণ ও দলদাস হয়নি। ফলে প্রতিটি পেশার মর্যাদা- ব্যবসায়ী বলেন, রাজনীতিবিদ বলেন- সব পেশার মর্যাদা বাংলাদেশে ভূলুণ্ঠিত হয়ে গেছে। এগুলো ফিরিয়ে আনা খুব জরুরি।

সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি- সততা, নির্ভুলতা, পক্ষপাতহীনতা বা ন্যায্যতা-এগুলো হৃদয়ে ধারণ করে যদি সাংবাদিকতা করা যায় এবং তরণদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া যায় সাংবাদিকতার নীতি নিয়ে, কী লেখা যাবে, কী লেখা যাবে না, কার ছবি দেওয়া যাবে, কার ছবি দেওয়া যাবে না, যিনি অপরাধী বা অপরাধে অভিযুক্ত তাঁর বক্তব্য যে দিতে হবে, একজন নারী ধর্ষিত হলে তার ছবি দেওয়া যাবে না, একটা শিশু আঠারোর নিচে হলে তার ছবি যে দেওয়া যাবে না—এই যে অনেক নীতি-নৈতিকতার মানদণ্ড আছে, এগুলোতে বাংলাদেশের সাংবাদিকতা অনেক পিছিয়ে আছে। নৈতিক সাংবাদিকতা চর্চার ক্ষেত্রে আমাদের সাংবাদিকতা বৈশ্বিক সাংবাদিকতা থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। কাজেই আমাদের নৈতিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা এখন সময়ের দাবি।

অনেকগুলো কালো আইন আছে, যেটা সাংবাদিকতার পথগুলো রুদ্ধ করে। সাইবার নিরাপত্তা আইন বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু ১৯২৩ সালের অফিশিয়াল সিক্রেটস আইন বা দাপ্তরিক গোপনীয়তা আইন, সেটা কিন্তু এখনো বহাল আছে। ১৯৭৪ সালের স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট এখনো বহাল। আমাদের সংবিধানে এখনো যুক্তিসংগত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। সেটা কিন্তু এখনো বহাল আছে। এগুলো পরিবর্তন করতে হবে। এগুলোতে পরিবর্তন আনতে হবে।

সাংবাদিকতা পেশার যদি নিশ্চয়তা একজন সাংবাদিক পায়, মালিকের পক্ষ থেকে সে যদি নিয়মিত বেতন-ভাতা পায়, পেনশন পায়, গ্র্যাচুইটি পায়, প্রভিডেন্ট ফান্ড পায়, সরকারের পক্ষ থেকে তার যদি জেল-জরিমানা করা না হয়, গ্রেপ্তার করা না হয়, মন খুলে সে যদি লিখতে পারে, বিজ্ঞাপনদাতাদের সেন্সরশিপ বা চাপ যদি কম থাকে এবং তার নিজস্ব সেন্সরশিপ, সেটাও যদি সে কাটিয়ে উঠতে পারে, তাহলেই আমার মনে হয়, বাংলাদেশে তরুণ মেধাবী যারা সাংবাদিকতায় আসতে চায়, তাদের জন্য একটি বড় জায়গা তৈরি হতে পারে। কিন্তু খুব বেশি আশা আমি আসলে দেখি না। এটি মালিকের তরফেও না, সরকারের তরফেও না; অন্যদিক থেকেও সেটা আমি দেখছি না আসলে।

লেখক: অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অনুলিখন : মানজুর হোছাঈন মাহি।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৬ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন
মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার
শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

১৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়