শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:২০, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রতি মাসে শিক্ষাবৃত্তি পাচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক নারী শিক্ষার্থী

দরিদ্র মেধাবীদের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
দরিদ্র মেধাবীদের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তা

বুকভরা সাহস আর হাজারো স্বপ্ন নিয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে আসেন দেশসেরা মেধাবীরা। প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীরা পড়তে এসে প্রথমেই অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হন। বর্তমানে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়েছে টিউশনি পাওয়া। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীর জন্য টিউশনি পাওয়াটা বেশি কঠিন।

টাকার অভাবে কী করে পড়াশোনা করবেন ভেবে দিশাহারা হন দরিদ্র মেধাবীদের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তাস্বপ্ন দেখা তরুণরা। সারা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে আসা হাজারো তরুণের ভরসা ও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় মেধাবী অথচ অসচ্ছল শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ তৈরি করছে নতুন ইতিহাস। বসুন্ধরা শুভসংঘ দরিদ্র মেধাবীদের পাশে দাঁড়ানোর অদম্য প্রয়াস, দায়িত্বশীল ও মানবিক মানুষ হয়ে দেশ গঠনের অনুপ্রেরণা দিচ্ছে তরুণদের।

বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃত্তি পেয়ে নিশ্চিন্তে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া হাজারো তরুণ এখন নিজেকে সৃষ্টিশীল করে তুলতে ব্যস্ত। তাঁরা জানিয়েছেন ভিন্ন ভিন্ন অনুভূতি। বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তাপ্রাপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শামসুন নাহার হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর অনুভূতি তুলে ধরেছেন জাকারিয়া জামান।

বৃত্তিপ্রাপ্তদের নিয়ে ধারাবাহিক আয়োজনের সপ্তম পর্ব ছাপা হলো আজ

আফিয়া ইবনাথ লাকি
আফিয়া ইবনাথ লাকি
গণিত বিভাগ

আমার জীবনের পথচলা শুরু থেকেই খুব কঠিন ছিল। বাবা ছিলেন পেশায় ড্রাইভার। আমরা চার ভাই-বোন। বড় আপুর বিয়ে হয়ে যায়, যখন আমি মাত্র তিন মাসের শিশু। আমার শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপ ছিল সংগ্রামের। কখনো পাঁচ টাকা বাঁচাতে হেঁটে ২৫ মিনিটের রাস্তা পাড়ি দিয়েছি।

ইন্টারমিডিয়েটে থাকাকালে মেজো আপু একটি টিউশনির পুরো টাকাই আমাকে দিতেন, যেন আমি আমার গৃহশিক্ষকের বেতন দিতে পারি। ভাইয়া তখন ঢাকায় থেকে নিজের খরচ নিজেই চালাতেন, মাঝে মাঝে আমাকে যা পারতেন সহায়তা করতেন। সংসার চলত বাবার অল্প আয়ে। ২০২২ সালে হঠাৎ করে বাবা স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। ডাক্তার সম্পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দেন। ভাইয়া পড়া ছেড়ে গ্রামে এসে একটি বেসরকারি চাকরি নেন এবং সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। ভাইয়ার বিয়ের পর জানতে পারি, ভাবি থ্যালাসেমিয়া মাইনর পজিটিভ। বাবার ওষুধের টাকা, ভাবির ট্রিটমেন্ট—সবকিছু মিলে অনেক খারাপ অবস্থা হয়ে গিয়েছিল। আমি তখন অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে। অর্থনৈতিক সংকটে প্রতিটি পদক্ষেপ হিসাব করে ফেলতে হতো। ফ্রেন্ডদের সঙ্গে কখনো বাইরে বসে এক কাপ চাও খাওয়া হয়নি। ভাইয়ার কাছ থেকে ১০ দিন পর পর ৫০০ টাকা নিতাম। পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারতাম না এটি ভেবে যে ভাইয়ার কাছে টাকা চাওয়ার সময় হয়ে গেছে। ভাইয়াকে কখনো বুঝতে দিতাম না, আমি আসলে কেমন করে চলতাম। তখনই আমার জীবনে আলোকবর্তিকা হয়ে আসে বসুন্ধরা শুভসংঘ। আলহামদুলিল্লাহ, আমি বিশ্বাস করি এটি দোয়ার ফল। বসুন্ধরা শুধু আমাকে বৃত্তি দেয়নি, দিয়েছে মানসিক প্রশান্তি, ভালোবাসা ও আশার আলো। এখন আমি আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি। টাকা নিয়ে আর টেনশন করতে হয় না। বসুন্ধরা সেই টেনশন নিয়ে নিয়েছে। আজ আমি শুধু একজন শিক্ষার্থী নই, শুভসংঘের একজন গর্বিত সদস্য। আগে শুধু নিজের জীবনে আলো চেয়েছি। এখন সেই আলো ছড়িয়ে দিতে চাই অন্যদের মাঝে। ইনশাআল্লাহ, আমি পারব। বসুন্ধরা শুভসংঘকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখব। তারা যেমন আমার জীবনে আলো এনেছে, তেমনি আমিও সমাজের প্রতিটি কোণে সেই আলো পৌঁছে দিতে চাই। বসুন্ধরা গ্রুপ ও শুভসংঘ আমার জীবনের একটি ভালোবাসার অধ্যায়, একটি আশার নাম। আমি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ।

চন্দ্রিমা দেবনাথ রাই
চন্দ্রিমা দেবনাথ রাই
​​​​​​সংগীত বিভাগ

বাবা দীর্ঘদিন হৃদরোগে আক্রান্ত থাকার কারণে বর্তমানে কোনো ধরনের ভারী কাজ করতে পারেন না। আমরা তিন ভাই-বোন। ভাই এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে এবং বোন ক্লাস সেভেনে পড়াশোনা করছে। ভাই-বোনের লেখাপড়ার খরচ এবং অন্যান্য খরচসহ আমাদের পাঁচ সদস্যের সংসার চালানো বাবার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছিল না। ঢাকায় এসে আমিও প্রথম বর্ষে টিউশনি পাচ্ছিলাম না। আর সংগীত বিভাগ ব্যাকগ্রাউন্ড হওয়ার কারণে টিউশনি পাওয়া আরো কঠিনতর হয়ে পড়েছিল। কিভাবে যে দিনগুলো পার করেছিলাম! প্রায়ই টাকা বাঁচানোর জন্য এক বেলা খেলে আরেক বেলা না খেয়ে থেকেছি। একদিকে আমার খরচ, অন্যদিকে ভাই সায়েন্সে পড়ার কারণে তার পেছনে খরচ। আবার বোনটার পড়াশোনার খরচ চালানো পাহাড় সমান চাপ হয়ে পড়েছিল বাবার ওপর। আমি না পারতাম কিছু বলতে, না পারতাম সইতে। বাবার কাছ থেকে কোনোভাবেই টাকা চাইতে পারছিলাম না। কিছু জমানো টাকা দিয়েই চলছিলাম খুব কষ্টে। প্রথম বর্ষে বড্ড কষ্টে মাসের পর মাস চালাতে হয়েছিল। দ্বিতীয় বর্ষে হঠাৎ একদিন হলের এক ফ্রেন্ডের মাধ্যমে বসুন্ধরা শুভসংঘের কথা জানতে পারি। আমার সমস্যার কথাগুলো লিখে ইমদাদুল হক মিলন স্যার বরাবর আবেদন করি। ভগবানের কৃপায় এবং বসুন্ধরা গ্রুপের শুভ উদ্যোগের কারণে আজ আমি অনেক উপকৃত হয়েছি। বাবার ওপর থেকে অনেকটা চাপ কমাতে পেরেছি। কী পরিমাণ উপকার যে হয়েছে, আমি তা ভাষায় হয়তো বলে বোঝাতে পারব না। আমি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ। বসুন্ধরা গ্রুপ ও শুভসংঘের মহৎ উদ্যোগের কারণে আমার মতো হাজার হাজার অসহায় শিক্ষার্থী উপকৃত হচ্ছে। বসুন্ধরার প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ।

উমাইয়া আনসারী
উমাইয়া আনসারী
আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগ

বাসভাড়ার টাকা বাঁচিয়ে হেঁটে পথ চলেছি। হলের ক্যান্টিন থেকে শুধু পাঁচ টাকার ভাত খেয়ে থেকেছি, সঙ্গে হলের ফ্রি ডাল। কখনো বা ডাল না পেলে লবণ আর পানি দিয়ে ভাত খেয়ে নিয়েছি।

আমার বাবা একজন দরিদ্র কৃষক। অনেক সংগ্রাম করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছি। তারপর শুরু হলো আমার নতুন সংগ্রাম, কিভাবে টিকে থাকা যায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাসভাড়ার টাকা বাঁচিয়ে হেঁটে পথ চলেছি। হলের ক্যান্টিন থেকে শুধু পাঁচ টাকার ভাত খেয়ে থেকেছি, সঙ্গে হলের ফ্রি ডাল। কখনো বা ডাল না পেলে লবণ আর পানি দিয়ে ভাত খেয়ে নিয়েছি। অনেকের কাছ থেকে টাকা ধার করে চলেছি। আব্বা জিজ্ঞেস করতেন‌, ‘ও ঝি (মেয়ে), টাকা-পয়সা আছেনি?’ আমি বলতাম, ‘আছে আব্বা, আছে। তোমরা কোনো টেনশন কোরো না।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফি জমা দিতে হবে। প্রায় ১২ হাজার টাকা! এত টাকা আমি কই পাব, কিভাবে পাব? নানা দুশ্চিন্তায় শেষ হয়ে যাচ্ছিলাম। আল্লাহকে ডাকছিলাম, আল্লাহ, একটা ব্যবস্থা করে দিন। চেষ্টা করছিলাম কোনো বৃত্তির ব্যবস্থা করা যায় কি না। বসুন্ধরা শুভসংঘের কথা জানতে পারলাম। মিলন স্যার বরাবর সব জানিয়ে আবেদন করলাম। আল্লাহর অশেষ রহমতে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে শুভসংঘ আমার পাশে দাঁড়ায়। এর পর থেকে প্রতি মাসে তিন হাজার ৬০ টাকা করে বৃত্তি পাই আমি। এই টাকা দিয়ে এখন আমি অনেক ভালোভাবে চলতে পারি। পড়াশোনা নিয়ে কোনো চিন্তা করতে হচ্ছে না। বাবাকেও আর মিথ্যা বলতে হচ্ছে না। তাঁকে বলতে পারি, আমি ভালো আছি, আব্বা। বসুন্ধরা শুভসংঘ আমার কাছে একটি ভরসার নাম। অনেক দোয়া করি বসুন্ধরা গ্রুপ ও শুভসংঘের জন্য। তারা আমার মতো অনেক শিক্ষার্থীর বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিয়ে তাদের চলার পথ সুগম করেছে। বসুন্ধরা শুভসংঘ অসহায় মানুষের আশার প্রতীক।

হাজেরা খাতুন
হাজেরা খাতুন
সমাজবিজ্ঞান বিভাগ

জীবনে কখনো কখনো এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা মানুষের পথচলাকে আমূল বদলে দেয়। আমার জীবনে বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি তেমনই একটি মোড় পরিবর্তনের গল্প। খুবই সাধারণ পরিবারের মেয়ে আমি। জীবনের শুরু থেকেই সংগ্রামের সঙ্গে পথচলা। আমাদের পরিবার চার সদস্যের। বাবা কৃষক, যাঁর মাসিক আয় খুব সীমিত। মা গৃহিণী, বাড়ির সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। বাবার সামান্য আয় দিয়েই আমাদের পরিবারের খরচ, ভাই-বোনদের পড়াশোনা এবং অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে হতো। এর মধ্যে আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেলাম, তখন তা ছিল আমাদের পরিবারের জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি এক বিশাল চ্যালেঞ্জও। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর শামসুন নাহার হলে উঠি। প্রথম থেকেই টাকার অভাবে আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। কিছুদিন পর পর টিউশনির খোঁজে দৌড়াতে হতো। এ জন্য নিজের পড়াশোনায় ঠিকমতো সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। ঠিক এই সময়েই বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি আমার জীবনে আশার আলো হয়ে আসে। এই বৃত্তি পাওয়ার পর আমার জীবনে বাস্তবিক পরিবর্তন এসেছে। এখন অন্তত মাসের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয় না। প্রয়োজনীয় বই কেনা, মোবাইল রিচার্জ, প্রিন্ট-ফটোকপি, ক্লাসের প্রজেক্ট—সবকিছুতে এখন অনেকটা নিশ্চিন্তে এগোতে পারি। সবচেয়ে বড় যে পরিবর্তনটা এসেছে তা হলো, আমার মন থেকে অনিশ্চয়তা আর ভয় দূর হয়েছে। আমি এখন পড়াশোনায় আরো বেশি মনোযোগ দিতে পারছি, স্বপ্ন দেখার সাহস পাচ্ছি। শুভসংঘ শুধু টাকা দেয়নি, দিয়েছে সম্মান, ভালোবাসা, আর এক ধরনের মানবিক বন্ধন, যা একজন শিক্ষার্থীর কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি। এই বৃত্তি আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে, সমাজে এখনো এমন মানুষ আছেন, যাঁরা নিঃস্বার্থভাবে অন্যের পাশে দাঁড়ান, স্বপ্নপূরণে সহায়তা করেন। বসুন্ধরা শুভসংঘ শুধু আমার জীবন বদলায়নি, আমার মতো অনেক অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীর জীবনে নতুন সূর্যোদয়ের সম্ভাবনা এনে দিয়েছে। এই সহানুভূতিশীল উদ্যোগের প্রতি আমি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতে শিক্ষা ও কর্মজীবনের মাধ্যমে নিজেকে এমনভাবে গড়ে তুলতে চাই, যেন আমিও কারো পাশে দাঁড়াতে পারি।

শাইয়ান ফারিয়া
শাইয়ান ফারিয়া
সংস্কৃত বিভাগ

বসুন্ধরা শুভসংঘ আমার জীবনে আশীর্বাদ। হৃদয়ের গভীর থেকে বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার জীবনে বসুন্ধরা শুভসংঘ একটি অনুপ্রেরণার অধ্যায়, যা আমাকে প্রতিনিয়ত সাহস দিয়ে চলেছে। হাজার মানুষের স্বপ্নপূরণের সারথি বসুন্ধরা শুভসংঘ। বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে মাসিক বৃত্তির মাধ্যমে আমাদের যে সহায়তা করা হচ্ছে, এটি কেবল আর্থিক নয়, স্বপ্নপূরণের সিঁড়ি বলা যায়। যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাই, তখন আমার পরিবারসহ আমি অনেক আনন্দিত হয়েছিলাম, পাশাপাশি ঢাকায় এসে টিকে থাকার ভয় ছিল। বসুন্ধরা শুভসংঘ আমার ভয়কে দূরে সরিয়ে শক্তি হয়ে আবির্ভূত হয়। ইচ্ছাপূরণের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়। বসুন্ধরা শুভসংঘ পাশে থাকায় আমি দুশ্চিন্তা থেকে বের হয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছি। শুধু আমার স্বপ্নই না, দেশের শত সহস্র অসহায় অবহেলিত নারী-পুরুষের স্বপ্নপূরণে কাজ করছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। পথশিশুদের কাছে টেনে তাদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। লাখো মানুষের স্বপ্নপূরণের জীবন্ত সাক্ষী বসুন্ধরা শুভসংঘ। মানুষের হারিয়ে যাওয়া সুখ ও মুখের হাসি ফিরিয়ে দিতে সারা দেশে কাজ করে তারা। অসহায় মানুষের পাশে বটের ছায়ার মতো দাঁড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘ। আমিও জীবনে বড় মানুষ হয়ে এভাবেই মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, এভাবে মানুষ মানুষের পাশে থাকলে পৃথিবী হয়ে উঠবে আনন্দময়। বসুন্ধরা শুভসংঘের জন্য অনেক দোয়া ও শুভ কামনা। এভাবেই তারা মানুষের পাশে থাকুক, মানুষের হারিয়ে যাওয়া হাসিগুলো ফিরিয়ে আনুক। বসুন্ধরা শুভসংঘের একজন সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত।

ইসরাত জাহান
ইসরাত জাহান
দর্শন বিভাগ

বসুন্ধরা শুভসংঘ শুধু একটি সংগঠন নয়, আমার জীবনের জন্য একটি বড় নিয়ামত। আমার বাবা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। ছয় ভাই-বোনসহ ৯ জনের একটি বড় পরিবার আমাদের। বাবা খুবই অসুুুস্থ হওয়ায় শেষ বয়সসীমা পর্যন্ত চাকরি করতে পারেননি। নির্দিষ্ট সময়ের ছয় বছর আগে অবসরগ্রহণ করেছেন। পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। হার্টের অসুখে ভুগছেন। কোনো ধরনের কাজ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। মাত্র ১১ হাজার টাকা মাসে পেনশন পান বাবা। তাঁর প্রতি মাসে ওষুধের খরচ অনেক। আবার ৯ জনের একটি বড় পরিবার চালানো। তাঁর সীমিত পেনশনের টাকা দিয়ে এটি প্রায় অসম্ভব। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া, প্রতি মাসের খরচ এবং বাবার চিকিৎসার খরচ জোগাতে অনেক টাকা ঋণ হয়ে যায় আমাদের। আমার খরচ চালাতে বাবাকে খুব হিমশিম খেতে হয়েছে। বর্তমানে আমি বসুন্ধরা শুভসংঘ থেকে যে বৃত্তির টাকা পাই, তা দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ পড়াশোনা ও ভরণ-পোষণের খরচ চালাতে পারছি। এই বৃত্তিটা যদি না পেতাম, আমার পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া খুবই কষ্টকর হতো। প্রথম বর্ষে পড়াশোনার খরচ নিয়ে অনেক টেনশনে থাকায় ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলাম। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। পড়াশোনা ভালোভাবে করতে পারছিলাম না। বর্তমানে বসুন্ধরার বৃত্তি পাওয়ায় আমাকে আর খরচ নিয়ে টেনশন করতে হচ্ছে না। আমার জীবনে সমস্যা সমাধানের একটি বড় উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। আমার পড়ালেখা বাধাহীনভাবে চালিয়ে যেতে পারছি। আমার জীবনের জন্য বসুন্ধরা শুভসংঘ আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বড় নিয়ামত।

নুসরাত জাহান
নুসরাত জাহান
ছাপচিত্র বিভাগ

অত্যন্ত কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা নিয়ে বলছি, বসুন্ধরা শুভসংঘ আমার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কঠিন দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়ে আমাকে যে সাহস ও সহায়তা শুভসংঘ দিয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। মা কিডনি রোগী, যাঁর নিয়মিত চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসে অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। আমার পড়াশোনার খরচ জোগানো পরিবারের একটা বড় চাপ হয়ে দাঁড়ায়। কখনো কখনো নিজের প্রয়োজনের কথা বলতে ভয় লাগত। জানতাম বাসা থেকে টাকা চাওয়া মাত্রই মা-বাবার মুখে চিন্তার ছাপ পড়ে যেত। তখন নিজের প্রয়োজনকে গোপন করে মন খারাপ নিয়েই পড়াশোনা চালিয়ে যেতাম। একসময় মানসিকভাবে খুব ভেঙে পড়েছিলাম। পড়াশোনায় মন বসত না, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা গ্রাস করত। ঠিক তখনই আমি বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তির কথা শুনি এবং মিলন স্যার বরাবর আবেদন করি। যখন জানতে পারি আমি এই বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছি, সেটি আমার জীবনে আশার আলো হয়ে এসেছিল। এই বৃত্তি শুধু অর্থ নয়, আমার আত্মবিশ্বাসও ফিরিয়ে দিয়েছে। সমাজে এখনো কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়ান এবং স্বপ্ন দেখা মানুষের হাত ধরেন। এই সহায়তা শুধু আমার পড়াশোনাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেনি, বরং আমাকে একটি মানবিক বার্তাও দিয়েছে। আমরা কেউই একা নই, যত দিন বসুন্ধরা শুভসংঘ আমাদের পাশে আছে। আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই বসুন্ধরা শুভসংঘকে। ভবিষ্যতে আমি নিজেও এমনভাবে কারো পাশে দাঁড়াতে চাই। স্বপ্ন দেখি একদিন বড় মানুষ হব এবং সমাজের গরিব, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াব।

লিজা আক্তার
লিজা আক্তার
আরবি বিভাগ

আমি অনেক ছোট থাকতেই বাবা মারা যান। আমরা চার বোন, ভাই নেই। মা একাই অনেক কষ্টে আমাদের বড় করেছেন। পরিবারে একজন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি থাকলেও সংসার চালাতে যেখানে কষ্ট হয়, সেখানে আমার মায়ের পক্ষে আমাদের চার বোনকে মানুষ করা অনেক কঠিন ছিল। এটা কল্পনাই করা যায় না। আমার বড় তিন বোনকে অল্প কিছু পড়িয়েই বিয়ে দিয়ে দেন মা। কারণ অর্থনৈতিকভাবে আমাদের অবস্থান খুব দুর্বল ছিল। আমি ছোটবেলা থেকেই মায়ের পরিশ্রম দেখে অনুপ্রাণিত হতাম। তিনি সব সময় চাইতেন আমি যেন পড়ালেখা করে বড় মানুষ হই। আমিও সেই স্বপ্ন নিয়েই চেষ্টা চালিয়ে যাই। শিক্ষকদের সহানুভূতি ও উৎসাহে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পাই। সেই বৃত্তির টাকা ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় আমি এসএসসি শেষ করি। টাকার অভাবে কোনো প্রাইভেট পড়তে পারিনি। কলেজেও তেমন ক্লাস হতো না। টিউশনি করে এবং বোনদের সহায়তা নিয়ে যতটুকু সম্ভব নিজের চেষ্টায় পড়ালেখা চালিয়ে যাই। আলহামদুলিল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাই। ঢাকায় এসে আরেক ধাপ কষ্ট শুরু হয়। নতুন শহর, কাউকে চিনি না, হলে সিট পাইনি, বাসাভাড়া চালানো অসম্ভব হয়ে যাচ্ছিল। তখনই বসুন্ধরা শুভসংঘ সম্পর্কে জানতে পারি। ইমদাদুল হক মিলন স্যার বরাবর আবেদন করি শিক্ষাবৃত্তির জন্য। আমার সমস্যাগুলো স্যার মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং কোনো শর্ত ছাড়া আমাকে বৃত্তি প্রদান করেন। বসুন্ধরা শুভসংঘের এই বৃত্তি আমার শিক্ষাজীবনের টার্নিং পয়েন্ট। এখন আমি নিশ্চিন্তে আমি নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছি। শুধু আর্থিক সাহায্যই নয়, শুভসংঘের পক্ষ থেকে যে সম্মান, ভালোবাসা এবং আত্মবিশ্বাস পেয়েছি, তা সত্যি অসাধারণ। বসুন্ধরা শুভসংঘ শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি আমাদের মতো শিক্ষার্থীর আশ্রয়স্থল। তারা নিঃস্বার্থভাবে আমাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে, আমাদের স্বপ্নপূরণের পথকে সহজ করে দিচ্ছে। আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি।

 

এই বিভাগের আরও খবর
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করল বসুন্ধরা শুভসংঘ
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করল বসুন্ধরা শুভসংঘ
তেঁতুলিয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির পরিবারের পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা শুভসংঘ
তেঁতুলিয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির পরিবারের পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা শুভসংঘ
বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা কমিটির অনুমোদন
বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা কমিটির অনুমোদন
মেহেরপুরে ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব প্রতিরোধ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
মেহেরপুরে ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব প্রতিরোধ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
গাইবান্ধায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
গাইবান্ধায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
রাবি ভর্তি পরীক্ষায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বসুন্ধরা শুভসংঘ
রাবি ভর্তি পরীক্ষায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বসুন্ধরা শুভসংঘ
দামুড়হুদায় কৃষকদের মাঠপর্যায়ে সচেতনতায় ও নিরাপদ কীটনাশক ব্যবহারে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগ
দামুড়হুদায় কৃষকদের মাঠপর্যায়ে সচেতনতায় ও নিরাপদ কীটনাশক ব্যবহারে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগ
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় শুভসংঘের সভা
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় শুভসংঘের সভা
রৌমারীতে মোবাইল আসক্তি রোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঘুড়ি উৎসব
রৌমারীতে মোবাইল আসক্তি রোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঘুড়ি উৎসব
হালুয়াঘাটে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ উপহার দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ
হালুয়াঘাটে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ উপহার দিল বসুন্ধরা শুভসংঘ
শিবচরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফরমালিন বিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম
শিবচরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফরমালিন বিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম
আমতলীতে বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষকদের করণীয় বিষয়ে কর্মশালা
আমতলীতে বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষকদের করণীয় বিষয়ে কর্মশালা
সর্বশেষ খবর
শৈলকুপায় ট্রাকচাপায় বাইসাইকেল চালক নিহত
শৈলকুপায় ট্রাকচাপায় বাইসাইকেল চালক নিহত

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে চলছে শেষ ধাপের নির্বাচন
মিয়ানমারে চলছে শেষ ধাপের নির্বাচন

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেহেরপুরে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার
মেহেরপুরে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিইসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল
সিইসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

নরসিংদীতে ধানের শীষের ভোট চাইলেন খায়রুল কবির খোকন
নরসিংদীতে ধানের শীষের ভোট চাইলেন খায়রুল কবির খোকন

১৪ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

আমি কীভাবে ‘ভাই ব্যবসা’ করলাম— প্রশ্ন মীর স্নিগ্ধের
আমি কীভাবে ‘ভাই ব্যবসা’ করলাম— প্রশ্ন মীর স্নিগ্ধের

১৭ মিনিট আগে | ফেসবুক কর্নার

নওগাঁয় ধানবোঝাই ট্রাক ডাকাতি, আটক ৬
নওগাঁয় ধানবোঝাই ট্রাক ডাকাতি, আটক ৬

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণড়িয়ায় নারীদের ভোটাধিকার ও নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা
ব্রাহ্মণড়িয়ায় নারীদের ভোটাধিকার ও নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যেকোনো মূল্যে বিএনপি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে : তারেক রহমান
যেকোনো মূল্যে বিএনপি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে : তারেক রহমান

৫১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

নবম পে-স্কেল: প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়বে কত?
নবম পে-স্কেল: প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়বে কত?

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

এবার প্রকাশ্যে এল মাদুরোকে আটক অভিযানের রক্তচক্ষু কাহিনী!
এবার প্রকাশ্যে এল মাদুরোকে আটক অভিযানের রক্তচক্ষু কাহিনী!

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা সফল করতে আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ পরিদর্শন
বগুড়ায় তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা সফল করতে আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ পরিদর্শন

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে
দুই দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

কমিশনের প্রতি বিদেশি কূটনীতিকরা শতভাগ আস্থা প্রকাশ করেছেন: সিইসি
কমিশনের প্রতি বিদেশি কূটনীতিকরা শতভাগ আস্থা প্রকাশ করেছেন: সিইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হবিগঞ্জ-৩ আসনে চলছে ধানের শীষের ব্যাপক গণসংযোগ
হবিগঞ্জ-৩ আসনে চলছে ধানের শীষের ব্যাপক গণসংযোগ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘পাকিস্তান বিশ্বকাপে না গেলে সেখানে খেলবে উগান্ডা’
‘পাকিস্তান বিশ্বকাপে না গেলে সেখানে খেলবে উগান্ডা’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার
আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যাকেই ভোট দেবেন বিবেচনা করে দেবেন: নাহিদ ইসলাম
যাকেই ভোট দেবেন বিবেচনা করে দেবেন: নাহিদ ইসলাম

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গণভোটের প্রচার ও ভোটে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ইমাম সম্মেলন
গণভোটের প্রচার ও ভোটে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ইমাম সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হিমাচলে অতিরিক্ত তুষারপাত, বিপর্যস্ত জনজীবন
হিমাচলে অতিরিক্ত তুষারপাত, বিপর্যস্ত জনজীবন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না: তারেক রহমান
সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না: তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সিডনিতে চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার অভিষেক ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
সিডনিতে চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার অভিষেক ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

আমেরিকায় বিদ্যুৎহীন দেড় লাখের বেশি গ্রাহক
আমেরিকায় বিদ্যুৎহীন দেড় লাখের বেশি গ্রাহক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বর্ডার ২-এর ধাক্কায় অবশেষে কমল রণবীরের ধুরন্ধরের আয়
বর্ডার ২-এর ধাক্কায় অবশেষে কমল রণবীরের ধুরন্ধরের আয়

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘বয়কট’ গুঞ্জনের মধ্যে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান
‘বয়কট’ গুঞ্জনের মধ্যে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’
‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করল বসুন্ধরা শুভসংঘ
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করল বসুন্ধরা শুভসংঘ

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

এমবাপ্পের জোড়া গোলে শীর্ষে রিয়াল
এমবাপ্পের জোড়া গোলে শীর্ষে রিয়াল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরও খারাপ কিছু হতে পারতো, কাজ করতে দিন: ট্রাম্প
আরও খারাপ কিছু হতে পারতো, কাজ করতে দিন: ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনী সমাবেশ শুরু, মঞ্চে তারেক রহমান
চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনী সমাবেশ শুরু, মঞ্চে তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সর্বাধিক পঠিত
আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে যা বললো বিসিবি
আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে যা বললো বিসিবি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হওয়ার কথা ছিল গণ-অভ্যুত্থানের নেতা, হয়ে গেছে ওবায়দুল কাদের : তাজনুভা
হওয়ার কথা ছিল গণ-অভ্যুত্থানের নেতা, হয়ে গেছে ওবায়দুল কাদের : তাজনুভা

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া নয়, সবচেয়ে বেশি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যে দেশের হাতে
যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া নয়, সবচেয়ে বেশি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যে দেশের হাতে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কিডনির পাথর গলে যাবে যে পাতার রসে
কিডনির পাথর গলে যাবে যে পাতার রসে

২৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

বাংলাদেশ ছাড়াই বিশ্বকাপ, আইসিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি
বাংলাদেশ ছাড়াই বিশ্বকাপ, আইসিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত
সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারেন: হান্নান মাসউদ
নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারেন: হান্নান মাসউদ

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদে থাকলে ক্রিকেটাররা কেন খেলতে পারবে না'
'শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদে থাকলে ক্রিকেটাররা কেন খেলতে পারবে না'

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার বিশ্বকাপ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতের পথে বিসিবি
এবার বিশ্বকাপ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতের পথে বিসিবি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!
বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাদুরো অপহরণ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
মাদুরো অপহরণ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা কি ইসরায়েলি আক্রমণ ঠেকাতে পারবে?
ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা কি ইসরায়েলি আক্রমণ ঠেকাতে পারবে?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকার নির্দেশ দিলে বিশ্বকাপ খেলবে না পাকিস্তান
সরকার নির্দেশ দিলে বিশ্বকাপ খেলবে না পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের ১১ দলীয় জোট গঠন জামায়াতের
ফের ১১ দলীয় জোট গঠন জামায়াতের

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চীন কানাডাকে জ্যান্ত গিলে খাবে, ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের
চীন কানাডাকে জ্যান্ত গিলে খাবে, ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার
আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘মওদুদীবাদী জামায়াতের বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা আলেমদের ধর্মীয় দায়িত্ব’
‘মওদুদীবাদী জামায়াতের বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা আলেমদের ধর্মীয় দায়িত্ব’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর
ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভাঙনের মুখে ইরান, আরও বড় ধাক্কা আসছে?
ভাঙনের মুখে ইরান, আরও বড় ধাক্কা আসছে?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজ স্বার্থে ওসমান হাদিকে বিক্রি করছেন : আবদুল কাদের
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজ স্বার্থে ওসমান হাদিকে বিক্রি করছেন : আবদুল কাদের

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিসিবিতে ছয় মাসের দুর্নীতি পাপন আমলের ১৫ বছরকেও ছাড়িয়ে গেছে : বোর্ড পরিচালক
বিসিবিতে ছয় মাসের দুর্নীতি পাপন আমলের ১৫ বছরকেও ছাড়িয়ে গেছে : বোর্ড পরিচালক

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্ব জনগণের জন্য সুবিধা বয়ে এনেছে : প্রণয় ভার্মা
বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্ব জনগণের জন্য সুবিধা বয়ে এনেছে : প্রণয় ভার্মা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা
প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বুলবুলের ওপর ক্ষোভ আইসিসির
বুলবুলের ওপর ক্ষোভ আইসিসির

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যা বললেন পিসিবি চেয়ারম্যান
বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যা বললেন পিসিবি চেয়ারম্যান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার উদাসীন পেঙ্গুইনের সাথে গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্প!
এবার উদাসীন পেঙ্গুইনের সাথে গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্প!

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে নিয়মে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে জায়গা পেল স্কটল্যান্ড
যে নিয়মে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে জায়গা পেল স্কটল্যান্ড

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগ
বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত জিততে পারবে না
সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত জিততে পারবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর
গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর

পেছনের পৃষ্ঠা

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে পাল্টাপাল্টি
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে পাল্টাপাল্টি

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তপ্ত ভোটের মাঠ
উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

প্রথম পৃষ্ঠা

একটি দল ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন
একটি দল ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্মাণাধীন ভবনের রড পড়ে পথচারী নিহত
নির্মাণাধীন ভবনের রড পড়ে পথচারী নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?
তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিতে দুর্বলতা উদ্বেগের
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিতে দুর্বলতা উদ্বেগের

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুটসালে ইতিহাস গড়ার দিন
ফুটসালে ইতিহাস গড়ার দিন

মাঠে ময়দানে

সরকারে গেলে গুরুত্ব পাবে প্রাথমিক শিক্ষা
সরকারে গেলে গুরুত্ব পাবে প্রাথমিক শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন দিন পর কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার
তিন দিন পর কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই
বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই

প্রথম পৃষ্ঠা

কেরানীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতার মৃত্যু
কেরানীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতার মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

নানান কৌশলে প্রচার
নানান কৌশলে প্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

সিন্ডিকেট চক্রে জিম্মি প্রশিক্ষণার্থীরা
সিন্ডিকেট চক্রে জিম্মি প্রশিক্ষণার্থীরা

নগর জীবন

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও হলো ‘১১-দলীয় জোট’
আবারও হলো ‘১১-দলীয় জোট’

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনে চলছে টাকার খেলা
নির্বাচনে চলছে টাকার খেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণার কারণেই কোকোর মৃত্যু
ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণার কারণেই কোকোর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম অনুপ্রেরণা জোগায়
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম অনুপ্রেরণা জোগায়

প্রথম পৃষ্ঠা

আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন অবশেষে গ্রেপ্তার
আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন অবশেষে গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের জায়গায় খেলবে স্কটল্যান্ড
বাংলাদেশের জায়গায় খেলবে স্কটল্যান্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

সভা-সম্মেলনে ফল শূন্য
সভা-সম্মেলনে ফল শূন্য

প্রথম পৃষ্ঠা

নাটকে ফিরছে পারিবারিক গল্প
নাটকে ফিরছে পারিবারিক গল্প

শোবিজ

বিদেশ সফরেও কমছে এফডিআই
বিদেশ সফরেও কমছে এফডিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদের আগে শাকসু নির্বাচন দাবিতে বিক্ষোভ
সংসদের আগে শাকসু নির্বাচন দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে দ্রুত পাঠানোর তাগাদা ইসির
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে দ্রুত পাঠানোর তাগাদা ইসির

পেছনের পৃষ্ঠা