ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঝিনাইদহে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মোট ২১ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক ঘোষণা করা হয়। প্রতীক পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রার্থীরা।
ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন। ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী এএসএম মতিউর রহমান পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা। এ ছাড়া এবি পার্টির মতিয়ার রহমান ঈগল, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) এর শহিদুল এনাম পল্লব কাঁচি এবং জাতীয় পার্টির মনিকা আলম লাঙল প্রতীক পেয়েছেন।
ঝিনাইদহ-২ আসনে বিএনপির অ্যাডভোকেট এমএ আব্দুল মজিদ ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন। ১০ দলীয় জোটের আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা। বাসদের আসাদুল ইসলাম পেয়েছেন মই, সিপিবির আবু তোয়াব কাস্তে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মমতাজুর রহমান হাতপাখা এবং জাতীয় পার্টির সওগাতুল ইসলাম লাঙল প্রতীক পেয়েছেন।
ঝিনাইদহ-৩ আসনে বিএনপির মেহেদী হাসান ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন। ১০ দলীয় জোটের অধ্যাপক মতিয়ার রহমান পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী পেয়েছেন হাতপাখা এবং গণঅধিকার পরিষদের সুমন কবির পেয়েছেন ট্রাক প্রতীক।
ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির রাশেদ খান পেয়েছেন ধানের শীষ। ১০ দলীয় জোটের মাওলানা আবু তালেব পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ পেয়েছেন কাপ-পিরিচ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল জলিল পেয়েছেন হাতপাখা, গণফোরামের খনিয়া খানম পেয়েছেন উদীয়মান সূর্য এবং জাতীয় পার্টির এমদাদুল ইসলাম বাচ্চু পেয়েছেন লাঙল প্রতীক।
এ সময় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে। ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বিডি-প্রতিদিন/এমই