ভোলার চারটি সংসদীয় আসনে ২৪ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।
একই সঙ্গে প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালানোর জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ভোলা-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাত প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পাটি (বিজেপির) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ ‘গরুর গাড়ি’, জামায়াতে ইসলামীর মো. নজরুল ইসলাম ‘দাঁড়িপাল্লা’, ইসলামী আন্দোলনের মো. ওবায়দুর রহমান ‘হাতপাখা’, জাতীয় পার্টির আকবর হোসাইন ‘লাঙল,’, এনপিপির মিজানুর রহমান ‘আম’, ইসলামিক ফ্রন্টের মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী ‘চেয়ার’ ও গণঅধিকার পরিষদের আইনুর রহমান জুয়েল মিয়া ‘ট্রাক’ প্রতীক পেয়েছেন।
ভোলা-২ আসনে প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ছয় প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপির মো. হাফিজ ইব্রাহিম ‘ধানের শীষ’, জামায়াতে ইসলামী মোহাম্মদ ফজুলল করিম ‘দাঁড়িপাল্লা’, আমজনতার দলের মো. আলা উদ্দিন ‘প্রজাপতি’, এলডিপির মোকফার উদ্দিন চৌধুরী ‘ছাতা’, জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম রিটু ‘লাঙল’ স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন খন্দকার ‘মোটরসাইকেল’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।
ভোলা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ‘ধানের শীষ’, ইসলামী আন্দোলনের মো. মোসলেহ উদ্দীন ‘হাতপাখা’, জাতীয় পার্টির মো. কামাল উদ্দিন ‘লাঙল’, গণঅধিকার পরিষদের মো. আবু তৈয়ব ‘ট্রাক’ ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মুহা. নিজামুল হক ‘ফুলকপি’ প্রতীক পেয়েছেন।
ভোলা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ নূরুল ইসলান নয়ন ‘ধানের শীষ’, জামায়াতের ইসলামীর মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ‘দাঁড়িপাল্লা, আমজনতার দলের মো. জালাল উদ্দিন রুমি ‘প্রজাপ্রতি’, জাতীয় পার্টির মো. মিজানুর রহমান ‘লাঙল,’, ইসলামী আন্দোলনের আবুল মোকারম মো. কামাল উদ্দীন ‘হাতপাখা’ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলণের আবুল কালাম পেয়েছেন ‘সিংহ’ প্রতীক।
রিটার্নিং অফিসার ডা. শামীম রহমান বলেন, প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শেষ হয়েছে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার অংশ হিসেবে প্রার্থী ও সমর্থকদের আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিডি-প্রতিদিন/এমই