শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:০৬, বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৯

পাহাড়ে মেঘের রাজ্য

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি
অনলাইন ভার্সন
পাহাড়ে মেঘের রাজ্য

পাহাড়ের পর পাহাড়। কখনো গিরিখাদ, কখনো আবার আঁকা-বাঁকা নদী। প্রকৃতি যেন উজার করে দিয়েছে নিজেকে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, কিংবা বসন্ত রূপের জৌলুস থাকে এখানে সারা বছরই। পার্থক্য কেবল ঋতুর সাজে। অপরূপ সৌন্দয্যে ভরপুর পার্বত্যাঞ্চল। এখানে চলে পাহাড়, নদী আর ঝর্ণার হৃদের মিলনমেলা। এখানকার প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অদেখা ভুবন। রয়েছে নয়নাভিরাম দৃশ্যপট। শরৎ  আর হেমন্ত আসলেই, সবুজ পাহাড়ে তৈরি হয় মেঘের রাজ্য। নীল আকাশের মেঘের ভেলায় ভাসতে থাকে পাহাড়। সারাদিন চলে নীল, সাদা ও সবুজের লুকোচুরি খেলা। সন্ধ্যার আকাশে গোধূলীর রঙ ছড়াতেই ঝাঁক বেধে আসে বনের পাখিরা। তাদের খুনসুটি দেখে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা। এর টানে দূর-দূরান্ত থেকে এখানে আসছেন হাজারো দেশি-বিদেশি পর্যটক। 

নানা বৈচিত্র্যের ভাণ্ডারের সমৃদ্ধ রাঙামাটি সবার কাছে রূপ কথার গল্পের মত পরিচিত বলছেন ফরিদপুর জেলা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক কামরুল। তিনি বলেন, যান্ত্রিক জীবনে এমন বৈচিত্রের কথা চিন্তা করা যায় না। পাহাড় আর অরণ্য নিয়ে অনেক গল্প শুনেছি। কিন্ত বাস্তবতা এর চেয়ে ভিন্ন। পাহাড়ে এতো রূপ লুকিয়ে আছে চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যেতো না।

অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের টানা তাপদাহ থেকে যেন মুক্তি পেয়েছে পাহাড়। এরই মধ্যে শীতের আমেজ বইতে শুরু করেছে এখানে। স্নিগ্ধ বাতাস আর শিশিরের বিন্দু বিন্দু জল যেন জানান দিচ্ছে শীতের আগাম বার্তা। পাহাড়ে ঘুরার এটা উত্তম সময় বলে মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। তাই পর্যটক বরণ করতে এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে তারা। 

রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বলছেন, রৌদ বৃষ্টির দিন শেষ। হেমন্তের সাথে বয়ে আসছে শীত। রাঙামাটি এখন পূর্ণ রূপে আছে। শান্ত পরিবেশ। প্রকৃতিও সেজেছে আপন রূপে। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য পাহাড়ে ঘুরার এটাই উত্তম সময়। বৃষ্টিও নেই, নেই তাপদাহ। রয়েছে শীতের আমেজ। অবকাশ কাটানোর জন্য দূর-দূরান্ত থেকে আগত পর্যটকদের জন্য পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা রয়েছেন প্রস্তুত।   
পার্বত্যাঞ্চল এমনিতেই প্রাকৃতিক রূপ বৈচিত্রে ভরপুর। তার মধ্যে পর্যটকদের জন্য পাহাড়ে গড়ে তুলা হয়েছে বেশকিছু পর্যটন কেন্দ্র। 

জানা গেছে, সত্তর দশকের শেষদিকে রাঙামাটি জেলাকে পর্যটন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। এরপর পর্যটকদের সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তোলা হয় পর্যটন করপোরেশন। বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব সীমান্তে দেশের এক দশমাংশ জায়গা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল গঠিত। তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ও বৈচিত্র্যে ভরপুর রাঙামাটি। এর পূর্বে ভারতের মিজোরাম রাজ্য, উত্তরে খাগড়াছড়ি ও দক্ষিণে বান্দরবান জেলা। রাঙামাটির আয়তন ৬ হাজার ৪৮১ বর্গকিলোমিটার। এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম লেক, দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র ও কর্ণফুলী পেপার মিল এই জেলায় অবস্থিত। এমনি আরও অনেক প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সম্মিলনে রাঙামাটি জেলা গবির্ত। এ অঞ্চলে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রীষ্টান ধর্মের ১১টি ভাষাভাষির ১৪টি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বসবাস করে। পাহাড়ির-বাঙালি অসাম্প্রদায়িক মহামিলনের ঐকতানের কেন্দ্রবিন্দু পাহাড়ি জনপদ রাঙামাটি। এ অঞ্চলে প্রতিটি জনগোষ্ঠীরই রয়েছে নিজস্ব আচার অনুষ্ঠান, কৃষ্টি-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যপূর্ণ সামাজিকতা। রাঙামাটির মূল শহর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের হলিডে কমপ্লেক্স। পর্যটন এলাকায় দৃশ্যমান হ্রদের বিস্তৃত জলরাশি ও দূরে উঁচ-নীচু পাহাড়ের সারি তৈরি করেছে চমৎকার এক নৈসর্গিক আবেশ। ১৯৭৮ সালে পর্যটন করপোরেশন মূল মোটেলটি এবং ১৯৮৬ সালে আধুনিক অডিটোরিয়াম ও দু’টি পাহাড়ের সংযোগ দেয়া কাপ্তাই হ্রদের ওপর ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করা হয়। ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ মনোরম ঝুলন্ত সেতুটি পর্যটন কমপ্লেক্সের গুরুত্ব ও আকর্ষণ অনেক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। পাহাড়ের বুক চিরে প্রবহমান স্বচ্ছ জলধারা সবুজ প্রাণের ছোঁয়া এ জেলাকে করেছে বৈচিত্র্যপূর্ণ। হ্রদ পাহাড়, ঝর্ণা অপরূপ অরণ্য আর কোলাহলমুক্ত পার্বত্য জনপদ রাঙামাটি মানুষের হৃদয় মন্দিরে স্থান করে নিয়েছে বহু আগেই। 

দেশের যে কোনো স্থান থেকে রাঙামাটিতে আসার জন্য সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা থেকে রাঙামাটি যেতে সরাসরি চালু রয়েছে সৌদিয়া, ইউনিক, বিআরটিসি, ডলফিন, এস. আলমসহ বিলাসবহুল বাস সার্ভিস। রয়েছে এসি বাসের সুবিধা। ঢাকার সায়েদাবাদ, কমলাপুর, ফকিরাপুল, মতিঝিল, কলাবাগান প্রতিদিন এমনকি রাতেও ছাড়ে বাসগুলো। চট্টগ্রাম থেকে যাওয়া যায় খুব সহজে। চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ৭৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পর্যটন শহর রাঙামাটি। চট্টগ্রাম শহর থেকে রাঙামাটি আসতে সময় লাগবে মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা। চট্টগ্রামের মুরাদপুর’ বিশ্বরোডে আছে রাঙামাটির প্রধান বাস স্টেশন। যেখান থেকে ছাড়ে বিআরটিসি এবং বিরতিহীন বাস সার্ভিসসমূহ। সৌদিয়া, এস আলম ও পাহাড়িকা বাস পাওয়া যায় চট্টগ্রামের অক্সিজেন থেকেও।

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বশেষ খবর
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব

১২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি
সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

১৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন
মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

৩৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

৩৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

৪৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

৫৮ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান
ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত
বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের ৩১ শহরে ‘রইদ’
যুক্তরাষ্ট্রের ৩১ শহরে ‘রইদ’

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০.৭ শতাংশে নিতে চায় এনবিআর
রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০.৭ শতাংশে নিতে চায় এনবিআর

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?
ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান, এবারও কি ব্রাজিল হারবে?
শেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান, এবারও কি ব্রাজিল হারবে?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাম মন্দিরে দানের কোটি কোটি রুপি আত্মসাৎ, ভারতজুড়ে তোলপাড়
রাম মন্দিরে দানের কোটি কোটি রুপি আত্মসাৎ, ভারতজুড়ে তোলপাড়

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্প
এবার ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক