সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এরপর তাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়। হত্যার এমন রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন এ ঘটনায় গ্রেপ্তার জাকির হোসেন। তিনি শিশু ফাহিমার প্রতিবেশী। গতকাল এসব তথ্য জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
এর আগে সোমবার রাতে জাকিরকে সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলা পশ্চিমপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা তার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে। গতকাল জাকিরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জাকির সোনাতলা পশ্চিমপাড়ার মৃত তোতা মিয়ার ছেলে। ফাহিমা ওই গ্রামের দিনমজুর রইসুল হকের মেয়ে। উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, ৬ মে সকালে শিশু ফাহিমাকে দোকান থেকে সিগারেট আনতে পাঠায় জাকির। দোকান থেকে ফিরে শিশুটি তার ঘরে গেলে তিনি ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ চাদর দিয়ে জড়িয়ে একটি লাগেজে রাখা হয়।
বাড়ির পাশের একটি ডোবার পানিতে লাশটি ফেললে সেটি ভেসে ওঠে। সেখান থেকে তুলে লাশ ঝোপের মধ্যে ফেলে রাখেন জাকির। সোমবার পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।