চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানার ধনিয়ালাপাড়া এবং রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়ায় দুটি পৃথক ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। গত শুক্রবার দুপুরের দিকে এসব ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে ধনিয়ালাপাড়ায় নিহত মো. সাকিবের (২৪) বাড়ি নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলায় ও হৃদয় মিয়ার (২৫) বাড়ি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়।
সিএমপির ডবলমুরিং থানার ওসি শাহিনুর আলম জানান, শুক্রবার দুপুরের দিকে ধনিয়ালাপাড়ার ছোট মসজিদ বাই লেনে একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিচতলায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করছিলেন সাকিব ও হৃদয়। এ সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে তাদের দুজনের মৃত্যু হয়। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাস থেকে তাদের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এদিকে রাউজান থানার ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দুপুরে নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ঝিকুটিপাড়ার একটি বাড়িতে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নামা এক শ্রমিক অসুস্থ বোধ করলে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে প্রদীপ দাস (৩৮) ও সমীরণ দাস (৩২) নামের দুজনের মৃত্যু হয়। তারা সম্পর্কে মামাতো ও ফুফাতো ভাই। এর মধ্যে প্রদীপ ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। সমীরণ পাশর্^বর্তী বোয়ালখালী উপজেলার কদুরখিল গ্রামের বাসিন্দা। স্বজনদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাদের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়া সৎকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।