Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:৫২

নোয়াখালী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে হল বন্ধ, বিপুল অস্ত্র উদ্ধার

নোয়াখালী প্রতিনিধি

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে হল বন্ধ, বিপুল অস্ত্র উদ্ধার

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ছাত্রদের সকালের মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়। উ™ভূত পরিস্থিতিতে গতকাল ডিবিএ (ডিপার্টমেন্ট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এদিকে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হলের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া সংঘর্ষ এবং ছাত্র হলে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা তদন্তে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষক আহতের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বিকালে মানববন্ধন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর জানান, সংঘর্ষের পর সাধারণ ছাত্রদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। হলের প্রভোস্ট কাওসার হোসেন জানান, শনি ও রবিবার ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় ছাত্র হলে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। এ ঘটনায় হল প্রভোস্টকে প্রধান করে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি এবং কৃষি বিভাগের চেয়ারম্যান গাজী মো. মহসিনকে প্রধান করে ৭ সদস্যের আরও একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুই কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

 প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আধিপত্য বিস্তার ও সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সফিকুল ইসলাম রবিন ও সাধারণ সম্পাদক এস এম ধ্রুবর সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং বিভিন্ন কক্ষের দরজা-জানালা ও গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এ নিয়ে রবিবার সন্ধ্যায় দুপক্ষের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বৈঠকে বসেন। বৈঠক চলাকালে রাত ৮টার দিকে আবারও সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় ক্যাম্পাসে হাতবোমা বিস্ফোরণ ও ভাঙচুর চালানো হয়। এতে দুই শিক্ষকসহ দুপক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার মোহাম্মদ ফারুক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা মেনে নেওয়া যাবে না। যারা অপরাধ করবে তাদের শাস্তি পেতে হবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদ নাছের জনি জানান, হলের বিভিন্ন কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। উপাচার্য প্রফেসর মো. দিদারুল আলম জানান, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে সুন্দরভাবে পরিচালনা করার জন্য সব কিছু করব।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর