শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:১৭

লিয়াকত আলীর সংগ্রহে শতাধিক দেশের মুদ্রা

মো. কাবুল উদ্দিন খান, মানিকগঞ্জ

লিয়াকত আলীর সংগ্রহে শতাধিক দেশের মুদ্রা
Google News

মানিকগঞ্জে চা বিক্রেতা লিয়াকত আলী খান। বিভিন্ন দেশের মুদ্রা সংগ্রহ করাই তার নেশা। ইতিমধ্যে তিনি সংগ্রহ করেছেন আমেরিকা, কানাডা, নেদারল্যান্ড, ইরাক, ইরান, কুয়েত কাতার, আরব আমিরাত, জাপান, চীনসহ ১৭০টি দেশের তিন সহস্রাধিক মুদ্রা। এছাড়াও আছে বিভিন্ন মানের কাগজের টাকাসহ লটারির টিকিট। মানুষের শখের কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই। কেউ শখ করে অট্টালিকা তৈরি করেন কেউবা দামি ব্রান্ডের গাড়ি ক্রয় করে থাকেন। কেউ শখ করে পশুপাখি পালন করেন। কিন্তু মানিকগঞ্জের পোড়রা এলাকার বাসিন্দা লিয়াকত আলী খান সারা জীবন সংগ্রহ করেছেন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মানের মুদ্রা, কাগজের টাকা ও লটারির টিকিট। তার সংগৃহীত মুদ্রার ওজন প্রায় ৩০ কেজি। লিয়াকত আলী খান বলেন, আগে বিভিন্ন এলাকার লোক আসতেন এগুলো দেখার জন্য। আমি সেগুলো দেখিয়ে আনন্দ পেতাম। তারাও খুব খুশি হতেন। এখন আমি অসুস্থ, মানুষকে দেখাতে পারি না। সারা জীবন ভরে সংগ্রহ করা এই দুর্লভ নিদর্শনগুলো সরকার অথবা বিত্তশালীরা মানিকগঞ্জে কোনো জায়গায় সংরক্ষণ করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিলে তিনি কৃতজ্ঞ থাকবেন বলে জানান। ৬৫ বছর বয়সী অসুস্থ লিয়াকত আলী খান বিছানায় বসে বলেন, তার ভিন্ন চিন্তাভাবনা ও কর্মই তাকে পরিচিতি এনে দিয়েছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার আগে থেকেই মানিকগঞ্জ শহরের বাজার সেতুর কাছে বাবার চায়ের দোকান ছিল। চায়ের দোকানে বাবাকে সহযোগিতা করতাম। একদিন ব্রিটিশ আমলের এক পয়সার একটি রৌপ্য মুদ্রা কুড়িয়ে পাই। মুদ্রাটিকে মূল্যবান মনে করে রেখে দিই। এর পর থেকে আরও মুদ্রা সংগ্রহ করেন তিনি। তার বিশ্বাস, এসবের অর্থনৈতিক মূল্য না থাকলেও  ঐতিহাসিক মূল্য নিশ্চয়ই আছে।