প্রকৃতিতে এখন মধ্য আষাঢ়। কিন্তু পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় খুলনায় ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। সেই সঙ্গে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতি থাকায় বাড়ছে লোডশেডিং। দিনে-রাতে ৬-৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে।
জানা যায়, লোডশেডিংয়ে কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। কম্পিউটারের দোকান, টেইলার্স, ইন্টারনেট সার্ভিস, শিক্ষা, চিকিৎসা-সব ক্ষেত্রেই ভোগান্তি বাড়ছে। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে ছোট শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সিরা।
এদিকে গতকাল কয়রার ঘুগরাকাটি মাদ্রাসায় পরীক্ষাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় অতিরিক্ত গরমে এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। শ্বাসকষ্ট শুরু হলে দ্রুত তাকে অক্সিজেন দিতে হয়।
সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা এস এম ফরিদ উদ্দিন জানান, দিনে-রাতে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকে না। এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ এলেও ১০-১৫ মিনিট পর তা চলে যায়। রাতের বেলায় গরমে অসহনীয় অবস্থা তৈরি হয়। ছেলে মেয়ের লেখাপড়া বিঘ্নিত হয়।
ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ২১ জেলায় রবিবার রাত ৮টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৭৭৩ মেগাওয়াট। সেখানে বরাদ্দ পাওয়া যায় ৬৭৩ মেগাওয়াট। ঘাটতি ছিল ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এর মধ্যে খুলনা অঞ্চলে ৭১ মেগাওয়াট ও বরিশালে ২৯ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল। এদিন দুপুর ১টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৮১২ মেগাওয়াট। সেখানে বরাদ্দ পাওয়া গেছে ৭৪৪ মেগাওয়াট।