শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০৮:২২, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

যে চুক্তি দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি করেছে দেশকে

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
যে চুক্তি দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি করেছে দেশকে

৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা। আমাদের স্বাধীনতা আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো স্বাধীনভাবে দেশের এবং জনগণের স্বার্থে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার। জনগণের অভিপ্রায়ের আলোকে সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক করে, চুক্তি করে। বর্তমান বিশ্বে কোনো দেশই একা চলতে পারে না। পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বিশ্ব এগিয়ে যায়। দেশ এগিয়ে যায় সামনের দিকে। তবে এই সম্পর্কের ভিত্তি হতে হবে মর্যাদার, শ্রদ্ধার এবং দেশের স্বার্থে। এখন অবশ্য বিশ্বের অর্থনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও ছাড় দিতে হয়। কিন্তু সবসময় আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে, দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া। একদম ছোট ক্ষুদ্র রাষ্ট্রও  বড় দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে গেলে দেশের স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫৪ বছরে বহু দেশের সঙ্গে অনেক চুক্তি করেছে। বিভিন্ন সরকারের আমলে করা এসব চুক্তি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু কোনো সরকারই এমন কোনো চুক্তি করেনি যাতে দেশের স্বার্থ পুরোপুরি ক্ষুণ্ন হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যায় এমন চুক্তি বাংলাদেশ কোনো অগণতান্ত্রিক শাসনামলেও হয়নি। কিন্তু ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে চুক্তি করেছে, তা এক কথায় দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি হওয়ার চুক্তি। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বই শুধু ক্ষুণ্ন হয়নি, আমাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতারও মৃত্যু ঘটেছে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, ওষুধশিল্প, শ্রম খাত এবং জাতীয় নিরাপত্তার কর্তৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। ৩২ পৃষ্ঠার এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের একটি নির্বাচিত সরকারের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।

এই চুক্তির ফলে মুসলিমপ্রধান এই দেশে ব্ল্যাক ফরেস্ট হ্যাম, বলোগনা/বলোগনে, ব্র্যাটউরস্ট, ক্যাপিকোলা/ক্যাপোকোলা, চরিজো, কিলবাসা, মরটাডেলা, প্যানসেটা, প্রসিউটো এবং সালামে/সালামির মতো নানা পদের শূকরের মাংস আমদানির অবাধ সুযোগ প্রদানে বাধ্য করা হয়েছে। এই চুক্তিকে ইতিমধ্যেই দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, আনু মুহাম্মদসহ বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ এবং বুদ্ধিজীবী দেশের সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। কিন্তু বাস্তবে পুরো চুক্তিটি আরও ভয়াবহ। এই চুক্তি একটি দাসত্বের দলিল। চুক্তিপত্রে কেবল পণ্যের শুল্ক নয়, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক বাণিজ্য ও নিয়ন্ত্রণকাঠামো ঢেলে সাজানোর বাধ্যবাধকতার কথাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড শীর্ষক এই চুক্তিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নাম এসেছে ৫৯ বার। অথচ বাংলাদেশের নাম এসেছে ২০৫ বার। মূলত বাংলাদেশকে কী করতে হবে, তার বিবরণ দেওয়া হয়েছে এই চুক্তিপত্রে। চুক্তির পরিশিষ্ট ২ তে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশগম?  পণ্যের তালিকা আছে ব্ল্যাক ফরেস্ট হ্যাম, চরিজো, কিলবাসার মতো শূকরের মাংস। বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে বা বৈধ উপায়ে শূকরের মাংস আমদানি করা যায় না, কারণ এটি আমদানি নীতি অনুযায়ী নিষিদ্ধ। অথচ এই চুক্তির মাধ্যমে মুসলিমদের জন্য হারাম এই মাংস আমদানির বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। চুক্তিপত্রে বলা হয়েছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক উড়োজাহাজ, যন্ত্রাংশ ও সেবা কেনা বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে বাংলাদেশ। চুক্তির ৬ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, এই পরিকল্পনার আওতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনবে বলে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে। ভবিষ্যতে আরও উড়োজাহাজ কেনার সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রতিযোগিতা মূল্যে বিশ্ব বাজার থেকে উড়োজাহাজ কেনার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কার্যত বিমান পুরোপুরি মার্কিন বোয়িং কোম্পানির কাছে জিম্মি হয়ে গেছে এই চুক্তির আওতায়। এই চুক্তির ফলে বিশ্ব বাজার থেকে, বিশেষ করে কাতারের মতো দেশ থেকে স্বল্প মূল্যে এবং বাকিতে এলএনজি আমদানির পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। চুক্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধির চেষ্টা করবে। বেসরকারি পর্যায়েও তা কেনা হতে পারে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি অন্তর্ভুক্ত। আগামী ১৫ বছরে জ্বালানি আমদানির সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১৫ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

এই চুক্তির ফলে, বাংলাদেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পথ রুদ্ধ হয়েছে। বাংলাদেশের প্রয়োজন থাকুক আর নাই থাকুক, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য আমদানি বৃদ্ধির উদ্যোগ নেবে। এসব পণ্যের মধ্যে আছে-প্রতিবছর (পাঁচ বছরের জন্য) অন্তত ৭ লাখ মেট্রিক টন গম, এক বছরে সর্বোচ্চ ১২৫ কোটি ডলারের বা ২৬ লাখ মেট্রিক টন (যেটি কম) সয়াবিন ও সয়াজাত পণ্য ও তুলা। এসব কৃষিপণ্যের সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন বা ৩৫০ কোটি ডলার।

এ চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের সামরিক খাতে কেনাকাটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণাধীন করা হয়েছে। চুক্তির ৬ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেবে। একই সঙ্গে কিছু নির্দিষ্ট দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা সীমিত রাখার চেষ্টা করবে। তবে কোন কোন দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা সীমিত করতে হবে, তা চুক্তিতে উল্লেখ নেই। অর্থাৎ বাংলাদেশকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার আগে অবশ্যই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করতে হবে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনবে। এতে সামরিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা গোপনীয়তা ক্ষুণ্ন হবে। চুক্তি কার্যকর হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) সব ধরনের ভর্তুকির পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দিতে হবে। ডব্লিউটিওর ভর্তুকি ও পাল্টা ব্যবস্থাসংক্রান্ত চুক্তির বিধান অনুযায়ী তা বাধ্যতামূলক। এর ফলে বাংলাদেশকে কৃষি, জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক হারে ভর্তুকি কমাতে হবে।

এই চুক্তির আওতায়, বাংলাদেশের বাজারে অবাধে মার্কিন পণ্য বিক্রি বাধ?্যতামূলক করা হয়েছে। চুক্তির ২ দশমিক ২ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এমনভাবে আমদানি লাইসেন্সিং নীতির প্রয়োগ করতে পারবে না, যাতে সেসব পণ্যের আমদানি বাধাগ্রস্ত হয়। চুক্তিপত্রের ভাষ্য, পুরো প্রক্রিয়া হতে হবে স্বচ্ছ, বৈষম্যহীন ও অযথা জটিলতামুক্ত। পাশাপাশি এ ধরনের ব্যবস্থা যেন যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ক্ষুণ্ন না করে, তা-ও নিশ্চিত করতে হবে।

মার্কিন বা আন্তর্জাতিক মান ও কারিগরি বিধিমালা মেনে তৈরি পণ্য, যার সনদ সরকারি বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পরীক্ষাগার থেকে দেওয়া হয়েছে-এমন মার্কিন পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অতিরিক্ত পরীক্ষা বা সামঞ্জস্যের কথা বলে মূল্যায়নের শর্ত আরোপ করতে পারবে না। অর্থাৎ বৈধ সনদ থাকলে পণ্য প্রবেশে নতুন করে বাধা দেওয়া যাবে না।

এই বাণিজ্য চুক্তি চীন, রাশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। চুক্তিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা ও বিনিয়োগ নিরাপত্তা নীতির সঙ্গে সমন্বয় করতে তৃতীয় কোনো দেশের কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কম দামে পণ্য রপ্তানি করলে তা ঠেকানোর ব্যবস্থা নিতে হবে বাংলাদেশকে। যে কারণে বাংলাদেশের বাজারে মার্কিন পণ্য রপ্তানি বা অন্য কোনো দেশের বাজারে মার্কিন পণ্য রপ্তানি ব্যাহত হতে পারে।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বার্থের সংঘাত আছে-এমন দেশ থেকে পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর বা জ্বালানি কেনার ওপর কড়াকড়ি আরোপের শর্তও রাখা হয়েছে।

সবচেয়ে ভয়ংকর হলো, চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকানরা আমাদের কাস্টমসের সব ডিজিটাল তথ্যের অধিকার চাইছে, আইপি আইনের ‘ডিজিটাল এনফোর্সমেন্ট রাইট’ চাইছে। অর্থাৎ তারা আমাদের বন্দর ও কাস্টমসের সব ডেটা হাতে নিয়ে বসে থাকবে এবং উৎপাদকদের আমদানি করা কাঁচামালের লেবেল অনুসরণ করতে পারবে। অর্থাৎ প্রযুক্তি জাপানিদের, সিদ্ধান্ত আমেরিকানদের, স্বার্থ বহুজাতিক কোম্পানির, কিন্তু বাংলাদেশ কাস্টমস বিদেশিদের এজেন্ট হয়ে নিজের দেশের উৎপাদকদের ধরপাকড়ের কাজটি করবে। চুক্তিতে বড় ধরনের সমস্যায় পড়বে বাংলাদেশ। এ চুক্তি বহাল থাকলে অধিকাংশ দেশ বা আমাদের উন্নয়ন অংশীদাররা বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক চুক্তি করতে চাইবে না। আবার কেউ কেউ চুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একতরফা সুবিধা চাইবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যে তার ইঙ্গিতও দিয়েছে। বস্তুত এটি কোনোভাবেই মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি নয়।

এটিও অত্যন্ত পরিষ্কার, এ চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন বাণিজ্যিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) নীতিমালা উপেক্ষা করা হয়েছে। চুক্তিতে যেখানে বাংলাদেশের স্বার্থ রয়েছে, সেখানে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতিমালা মানা হয়নি, আবার যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বেলায় ঠিকই এ বিশ্ব সংস্থার নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এ চুক্তিতে একতরফাভাবে মার্কিন অর্থনীতির নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। চুক্তির সামগ্রিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাক্ষরিত এ কথিত বাণিজ্যচুক্তিকে প্রকারান্তরে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা ও সামরিক স্বার্থজনিত নীতি-কৌশলের অংশ হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। চুক্তিতে এমন সব শর্তজুড়ে দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের নীতিগত স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে নিক্ষেপ করতে পারে। বাণিজ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে গিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা গুরুতরভাবে হুমকির মুখোমুখি করা হয়েছে। চুক্তিটি ৬০ দিনের নোটিসে বাতিল করার শর্ত আছে। নতুন সরকার সে পথে হাঁটতে পারে। জনগুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত বর্তমান জাতীয় সংসদে এটি নিয়ে আলোচনা হতে পারে; বাণিজ্যসংক্রান্ত সংসদীয় বিশেষ কমিটিতে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার পর এ চুক্তির অন্যায্যতা দেখিয়ে সরকার এ চুক্তি বাতিল করতে পারে। প্রয়োজনে এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া যেতে পারে।

এই বিভাগের আরও খবর
মাদক থেকে বাঁচতে ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ত হতে হবে
মাদক থেকে বাঁচতে ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ত হতে হবে
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
বিদ্যুৎ ও চার্জিং স্টেশনসংকট ইভি চালুর বড় বাধা
বিদ্যুৎ ও চার্জিং স্টেশনসংকট ইভি চালুর বড় বাধা
ইসরায়েলিবলয়ে ঢুকে পড়ছে মোদি সরকার
ইসরায়েলিবলয়ে ঢুকে পড়ছে মোদি সরকার
সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়া মডেলে হবে ব্যবসাবাণিজ্য
সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়া মডেলে হবে ব্যবসাবাণিজ্য
ইতিহাসের দায়মোচন
ইতিহাসের দায়মোচন
রাজধানীতে নারী চিকিৎসকের অর্ধগলিত লাশ
রাজধানীতে নারী চিকিৎসকের অর্ধগলিত লাশ
ডিজিটাল সাংবাদিকতা এখন প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে
ডিজিটাল সাংবাদিকতা এখন প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে
দুটি প্রকল্পে ১৩ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
দুটি প্রকল্পে ১৩ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না
সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
সুন্দরবনে কোস্টগার্ড বনদস্যু গোলাগুলি
সুন্দরবনে কোস্টগার্ড বনদস্যু গোলাগুলি
সর্বশেষ খবর
‘বসনিয়া কোথায় জানি না, জানতেও চাই না’: মার্কিন নারী সাংবাদিকের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়
‘বসনিয়া কোথায় জানি না, জানতেও চাই না’: মার্কিন নারী সাংবাদিকের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে রোনালদোকে তার মায়ের আবেগঘন বার্তা
কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে রোনালদোকে তার মায়ের আবেগঘন বার্তা

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ
প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঘানার বিপক্ষে লিড নিয়ে বিরতিতে ক্রোয়েশিয়া
ঘানার বিপক্ষে লিড নিয়ে বিরতিতে ক্রোয়েশিয়া

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

এবার ‘ডেটিং অ্যাপ’ বিতর্কে জ্যাকি, রাকুলের সঙ্গে সংসার কি তবে ভাঙছে
এবার ‘ডেটিং অ্যাপ’ বিতর্কে জ্যাকি, রাকুলের সঙ্গে সংসার কি তবে ভাঙছে

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাত ৩টায় মুখোমুখি ইংল্যান্ড-পানামা ও ক্রোয়েশিয়া-ঘানা
রাত ৩টায় মুখোমুখি ইংল্যান্ড-পানামা ও ক্রোয়েশিয়া-ঘানা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড
সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪
দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি
১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু
আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের
মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান
ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক

দেশগ্রাম