শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৭, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

সারা দেশে হকার বাণিজ্য

হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি

► ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসায়ীরা দিচ্ছেন ভ্যাট-ট্যাক্স, হকার দিচ্ছেন চাঁদা ► গুলিস্তানে মাসে ২০ কোটি টাকা, আদায় করা হয় মতিঝিল যাত্রাবাড়ী মিরপুরেও ► চট্টগ্রাম নগরের ৭১ শতাংশ সড়ক হকারের দখলে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি

সারা দেশের সড়ক ও ফুটপাতে গড়ে উঠেছে হকারকেন্দ্রিক ব্যবসা ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট। প্রতিটি নগরীর সিন্ডিকেট সদস্যরা রাস্তার মোড়ে মোড়ে, সড়কে এবং দোকানের সামনে হকার বসিয়ে চাঁদাবাজি করে তারা। সড়ক ও ফুটপাতের এসব হকারের কাছ থেকে দৈনিক ও মাসিক ভিত্তিতে হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি করছে এ চক্রটি। বিশাল এই অর্থ ‘লাইনম্যান’ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক প্রভাবশালী ও প্রশাসনের এক শ্রেণির অসাধু কর্তাদের পকেটে গেলে সরকারি কোষাগারে যাচ্ছে না এক পয়সাও। হকারকেও দিতে হচ্ছে না কোনো ধরনের ভ্যাট বা ট্যাক্স। তবে হকাররা যেসব মার্কেটের সামনে ব্যবসা করছে তার প্রতিটি দোকান মালিককে ব্যবসা করতে হয় ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়ে। এমনকি সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পরিবহনও দিচ্ছে যথাযথ কর। কিন্তু সবকিছুর বাইরে থাকছে ওই হকাররা। বিশ্লেষকরা বলছেন, হকারদের লাইসেন্সের আওতায় না আনায় তারা বিশৃঙ্খল। এসব হকারকে ট্যাক্সের আওতায় আনলে শৃঙ্খলার পাশাপাশি সরকারের রাজস্বের আওতা বাড়বে।

জানতে চাইল বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, হকারদের কাছ থেকে প্রতিদিন যে চাঁদা আদায় হয়, তা একটি সমান্তরাল অর্থনীতি তৈরি করছে। এই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে না গিয়ে একটি অস্বচ্ছ চক্রের হাতে যাচ্ছে। ফলে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা ওই অনিয়ন্ত্রিত হকার ব্যবস্থা এখন কেবল শৃঙ্খলার নয়, একটি বড় অর্থনৈতিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হকারদের আয় অর্থনীতির অংশ হলেও তারা ভ্যাট-ট্যাক্সের বাইরে থাকায় বছরে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে দেশ, যা উন্নয়ন খাতে ব্যয় করা যেত। তিনি বলেন, তাদের উচ্ছেদ না করে বরং লাইসেন্সিং, নির্দিষ্ট স্থান ও স্বল্প করের মাধ্যমে হকারদের আনুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে আনা জরুরি। এতে রাজস্ব বাড়বে, শৃঙ্খলাও ফিরবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আইন না মানার সংস্কৃতি আর কোনো দেশে নেই। একমাত্র বাংলাদেশে আছে। যে যেখানে পারছে রাস্তার মধ্যে দোকান খুলছে। আর একটি বিশেষ গোষ্ঠী তাদের থেকে নিয়মিত সুবিধা নিচ্ছে। দোকানে ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা সরকারকে কর দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু হকাররা সেটা দেয় ওই বিশেষ গোষ্ঠীকে। এতে সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আসলে কোনো সরকারই হকারদের নিয়ে কাজ করেনি। দু-একজন কাজ করতে চাইলেও তাদের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই হকারদের একটি নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা হোক।

রাজধানীতে শত কোটির চাঁদাবাজি : শুধু গুলিস্তানে মাসে ২০ কোটি টাকার চাঁদাবাজি : রাজধানীর গুলিস্তান এলাকা অর্থাৎ শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ, বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট, মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়ামের পশ্চিম পাশের সড়ক, গুলিস্তান সার্ক ফোয়ারা থেকে হযরত গোলাপ শাহ মাজার, সেখান থেকে ঢাকা ট্রেড সেন্টার, সার্ক ফোয়ারা থেকে হানিফ ফ্লাইওভার, আওয়ামী লীগ অফিস কার্যালয়ের সামনের সড়কসহ ভিতরের অলিগলিতে ২৫-৩০ হাজার হকার রয়েছে। এর মধ্যে কাপড়, ফল, খাবারসহ বিভিন্ন আইটেমের দোকান রয়েছে। এসব দোকানের ছোট বড় সাইজ রয়েছে। এসব দোকান থেকে দৈনিক ও মাসিক ভিত্তিতে চাঁদা উঠায় লাইনম্যানখ্যাত একটি শক্তিশালী চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট। প্রতিটি দোকান থেকে দৈনিক ৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত টাকা উঠানো হয়। এ ছাড়া কিছু দোকান থেকে মাসিক ভিত্তিতে ৫-১০ হাজার পর্যন্ত টাকা আদায় করছে তারা।

চাঁদাবাজ-লাইনম্যান কারা : জানা যায়, শুধু গুলিস্তান এলাকায় ২০ জন লাইনম্যানখ্যাত চাঁদাবাজ রয়েছে। লাইনম্যানখ্যাত এসব চাঁদাবাজের মধ্যে লাইনম্যান নবী রাজধানী হোটেল ও বেল্টের গলি নিয়ন্ত্রণ করে। গুলিস্তান সিনেমা হলের সামনের ফুটপাত ও রাস্তা নিয়ন্ত্রণ করছে হারুন। এ ছাড়া গুলিস্তান বিল্ডিং থেকে ট্রেড সেন্টার পর্যন্ত রজ্জব, লম্বা বাবুল, সেলিম, বিমল, বাচ্চু, খোরশেদ, নিপু, মোহাম্মদ আলী। উসমানী উদ্যান পূর্ব এলাকার ফুটপাত নিয়ন্ত্রণ করছে শাহজাহান। খদ্দর মার্কেটের সামনের এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে কাদির। স্টেডিয়ামের দক্ষিণ গেট নিয়ন্ত্রণ করে খলিল ও পুটন। জাসদের অফিসের সামনের এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে রহিম। কমিউনিস্ট পার্টি অফিসের সামনের এলাকার দায়িত্বে রয়েছে কালা নুরু। বেল্টের গলি থেকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ সড়ক ও ফুটপাত নিয়ন্ত্রণ করছে আকতার ও জাহাঙ্গীর। জিপিও এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে সালাম (দাড়িওয়ালা)। ফুলবাড়িয়া ও বাস টার্মিনাল এলাকার একচ্ছত্র অধিপতি হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ আলী। রমনা ভবন ও ভাসানী স্টেডিয়ামের পশ্চিম পাশের এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে আলী মিয়া। এসব লাইনম্যানকে নিয়ন্ত্রণ করছে হকার্স সংগঠন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। এই চিত্র শুধু গুলিস্তানে নয়, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী, সাইনবোর্ড, কাঁচপুর, পল্টন, নিউমার্কেট, মিরপুর, উত্তরাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার হকারের কাছ থেকে একই পন্থায় চলে চাঁদাবাজি। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী হকারদের কাছ থেকে প্রতিমাসে শতকোটি টাকার বেশি চাঁদা বাণিজ্য হয়।

চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায় : নগরীর ৭১ শতাংশ সড়ক হকারদের দখলে- নগরের ফুটপাতগুলো স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনীতিক, ছাত্রনেতা, স্থানীয় চাঁদাবাজরা এলাকা ভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ করে এবং চাঁদা আদায় করে। এর মধ্যে নতুন ব্রিজ এলাকায় লেদু, নিউমার্কেট এলাকায় মামুন, স্টেশন রোড এলাকায় কিবরিয়া, বহদ্দার হাট এলাকায় ফয়সাল এবং আন্দরকিল্লা এলাকায় ইয়াসিনের নামে নিয়মিত চাঁদা আদায় হয়। তবে এসব বিষয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ভয়ে মুখ খোলেন না।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নতুন ব্রিজ এলাকার ভাসমান ব্যবসায়ী বলেন, এখানে বিভিন্নভাবে দৈনিক ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। বিভিন্ন গ্রুপ এসে টাকা নিয়ে যায়। টাকা না দিলে বসতে দেয় না।

চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা বলেন, নগরের অবৈধ ফুটপাত নিয়ে আমরা নিয়মিতই অভিযান পরিচালনা করে থাকি। প্রতি মাসে অন্তত আমার বিভাগ থেকে ১০ থেকে ১৫টি পর্যন্ত এবং সব মিলে প্রায় ২৫-৩০টি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আমরা চাই, পথচারীর ফুটপাত পথচারীদেরই থাকুক।  সিডিএর প্রিপারেশন অব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যান (২০২০-২০৪১) প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত জরিপের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নগরের ৯৭ শতাংশ রাস্তার একাংশ দখলে।

৬৪ শতাংশ রাস্তায় পথচারী পারাপারের কোনো ব্যবস্থা নেই। জরিপকৃত সড়কের ৮৩ শতাংশ এলাকায় ফুটপাত আছে। ৭১ শতাংশ ফুটপাত সম্পূর্ণ বা আংশিক বেদখল। ৬৮ শতাংশ ফুটপাতে হাঁটার উপযোগিতা নেই। ফলে পথচারীদের বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়েই মূল সড়কে নেমে হাঁটতে হচ্ছে।

গাজীপুর প্রতিনিধি : শিল্পসমৃদ্ধ গাজীপুরে দেশের প্রায় সব জেলার লোকজন এখানকার গার্মেন্ট ও শিল্প-কারখানায় চাকরি করেন। অধিক মানুষ বসবাসের কারণে হকাররা বিভিন্ন পণ্য সড়ক-মহাসড়কের পাশে বসে বিক্রি করেন। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা, সাইনবোর্ড, বোর্ডবাজার, বড়বাড়ী, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ী, কালিয়াকৈরের সফিপুর বাজার ও শহরের জয়দেবপুর রেলক্রসিং এলাকায় সড়ক-মহাসড়কের পাশে ফুটপাতে হকাররা বসে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা এখান থেকে চাঁদা উঠান।

রাজশাহী নিজস্ব প্রতিবেদক জানায়, রাজশাহী মহানগরীর আলুপট্টি থেকে রাজশাহী কলেজ, রেলগেট থেকে গণকপাড়া, লক্ষ্মীপুর থেকে রেলগেট, শিরোইল, ভদ্রা, তালাইমারী, কাজলা, বিনোদপুর, কোর্ট স্টেশন, শালবাগান, নওদাপাড়া এলাকার অধিকাংশ ফুটপাত হকারদের দখলে। অনেক জায়গায় ফুটপাতগুলো কার্যত অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক স্থানে পরিণত হয়েছে। এসব দোকান থেকে স্থানীয় চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট দৈনিক লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে।

জানতে চাইলে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, মানবিক বিবেচনায় কিছু এলাকায় নির্ধারিত সময় পর্যন্ত দোকান বসানোর অনুমতি দেওয়া আছে। তবে টোলের নামে কেউ বাড়তি টাকা আদায় করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত চালানো হয়।

অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। রংপুর নিজস্ব প্রতিবেদক জানায়, রংপুর নগরীর শাপলা চত্বর থেকে কাচারি বাজার পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশের ফুটপাতের বেশির ভাগই অবৈধ দখলদারদের দখলে। নগরীর জাহাজকোম্পানির মোড় থেকে কাচারি বাজার পর্যন্ত ফুটপাতে জমজমাট ব্যবসা হয়। এই স্থানে  শতাধিক হকার। এদের কাছ থেকে প্রতিমাসে ভাড়ার নাম করে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রভাবশালী মহল।

এই বিভাগের আরও খবর
চুক্তি নিয়ে  যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি
চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি
বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক শেষ
বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক শেষ
কানাডা-বসনিয়ার ড্র কোরিয়ার জয়
কানাডা-বসনিয়ার ড্র কোরিয়ার জয়
অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না
অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা দিচ্ছে
চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা দিচ্ছে
খুলনায় বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা
খুলনায় বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা
ইতিবাচক তবে বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ
ইতিবাচক তবে বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ
লুটপাট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাষী
লুটপাট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাষী
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
সর্বশেষ খবর
নওগাঁয় হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
নওগাঁয় হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৩৩ সেকেন্ড আগে | মন্ত্রীকথন

কুয়াকাটায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
কুয়াকাটায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়াকাটায় ‘সংকটে আনন্দে নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা
কুয়াকাটায় ‘সংকটে আনন্দে নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা
অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী
রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী

১৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?
নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ
বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা
জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন
চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা
কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা
আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন
সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ
জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা
নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?
কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

৪৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর
বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর

৫০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা
নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস
চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্মাতাল ব্রাজিলিয়ান সমর্থক, প্রস্তুত হচ্ছে সেলেসাও শিবির
উন্মাতাল ব্রাজিলিয়ান সমর্থক, প্রস্তুত হচ্ছে সেলেসাও শিবির

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে অধিনায়ক হিসেবে পাওয়ার সুবিধা অনেক : জুলিয়ানো
মেসিকে অধিনায়ক হিসেবে পাওয়ার সুবিধা অনেক : জুলিয়ানো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি রেজাউল করিম
বগুড়ায় জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি রেজাউল করিম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিডনিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান
সিডনিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীতে ছাত্রদলের মিছিল
প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীতে ছাত্রদলের মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মহেশপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
মহেশপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিশরের সাত তারায় ফিফার ছুরি!
মিশরের সাত তারায় ফিফার ছুরি!

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২০ বছরে মাদক ব্যবসা করে এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি: ভূমিমন্ত্রী
২০ বছরে মাদক ব্যবসা করে এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি: ভূমিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা
বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?
নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম
নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান
মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান
বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’
‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র
বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল
মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার
ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা
অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান
আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?
মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা
ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা
বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু
মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রশাসনে বড় রদবদল
প্রশাসনে বড় রদবদল

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’
আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা
আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?
আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান
ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ
ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক
রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে
ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম
চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না

প্রথম পৃষ্ঠা

আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা
আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপারিতে কোটি টাকা আয়
সুপারিতে কোটি টাকা আয়

শনিবারের সকাল

শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার
গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার

পেছনের পৃষ্ঠা

ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী
ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট
তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার

নগর জীবন

অবাস্তব পরিকল্পনা নেই
অবাস্তব পরিকল্পনা নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী
অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী

পেছনের পৃষ্ঠা

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

সম্পাদকীয়

প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের
প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

নগর জীবন

তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন
জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর
পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা
আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা

নগর জীবন

ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা
ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা

দেশগ্রাম

বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন
বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন

নগর জীবন

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ
করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ

দেশগ্রাম